গ্রাম বাংলার সবুজ মাঠ, প্রকৃতি ও বন্ধুদের সাথে বিকেলের কিছু মুহূর্ত
সকলকে সাদর আমন্ত্রণ আমার আজকের লেখাটি পর্যবেক্ষণ করার জন্য। |
|---|
প্রিয়
পাঠক বন্ধুগণ
আশা করি সকলে খুব ভালো আছেন। আমিও খুব ভালো আছি, সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায়। তো প্রিয় বন্ধুগন চলুন আর বিলম্ব না করে আমার আজকের লেখা গ্রাম বাংলার সবুজ প্রকৃতি, এবং বন্ধুদের সাথে একটি পড়ন্ত বিকেলের কিছু মুহূর্ত দেখে আসি।
বন্ধুরা ও আমি |
|---|
চলার পথে অনেকের সাথেই বন্ধুত্ব হয়। চিরচেনা এই মুখগুলো, এক সময় আর ইচ্ছা থাকলেও একসাথে পথ চলা হয় না। সময় তার নিজে গতিতে চলে এবং সময়ের গতিতে প্রত্যেকের চলার পথ ও গতি পরিবর্তিত হয়।
শাকিলা ও আমি |
|---|
ফটোগ্রাফিতে উল্লেখিত আমার সাথে যে মেয়েটিকে দেখতে পাচ্ছেন ওর সাথে আমার পরিচয় উচ্চমাধ্যমিক পড়া কালীন সময়ে। অনেক মেধাবী এবং ভালো মন মানসিকতার একটি মেয়ে।
আমি যখন রেলপথে |
|---|
আজ দেখুন আসলে বন্ধুদের সাথে ঘোরার মজাটাই অন্যরকম। এটা হচ্ছে আমার নিজের জেলা এবং নিজেও উপজেলা অর্থাৎ রামপাল উপজেলাতে যে নতুন রেল পথ তৈরি করা হচ্ছে, সেখানে সবাই একদিন পড়ন্ত বিকেলে ঘুরতে গিয়েছিলাম এবং আমার বন্ধুরা পিছন থেকে আমার মোবাইল ক্যামেরা দিয়েই এই ছবিটি তুলে ফেলেছে।
ঘাসের উপর শীতের শিশির |
|---|
সবুজ ঘাসের উপর শীতের সকালে শিশির বিন্দু। যেন মুক্তার মত জ্বলজ্বল করছে। যেখানে সবুজ নেই সেখানে প্রকৃতিও নেই। সবুজের সংগ্রহের মাঝেই যেন আমরা প্রকৃতির সৌন্দর্য খুঁজে পাই।
মিষ্টিকুমড়ার ফুল ও গাছ |
|---|
মিষ্টি কুমড়ার নাম শুনেছেন এবং হয়তো অধিকাংশ মানুষই খেয়ে দেখেছেন। এটা খুবই সুস্বাদু এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন "এ" সমৃদ্ধ একটি সবজি বা ফল। এবং এটি হচ্ছে আমাদেরই ক্ষেত। আমাদের বাড়ির পশ্চিম পাশে বিলে রয়েছে ছোট্ট একটি খাল এবং ছোট ছোট পুকুর। পুকুরের পাড়ে এই সবজি চাষ করা হয়।
টমেটো পাতা |
|---|
এটি হচ্ছে টমেটো গাছের পাতা। এবং টমেটো একটি খুবই জনপ্রিয় সবজি। টমেটো সস, টমেটো সালাদ এ গুলো খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে এবং মুখরোচক একটি খাবার।
ভূই মুলা গাছ |
|---|
ভূই মুলা গাছের পাতা |
|---|
এইযে গাছটি এবং পাতা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এগুলো আমাদের গ্রামে ভূই মূলা নামে পরিচিত। এই গাছটির কোনো ব্যবহার আমার দেখা নেই। একপ্রকার আগাছা বলে বিবেচনা করা হয়। তবে সবুজ গাছ আগাছা হলো এটি আমাদেরকে অক্সিজেন দেয়।
প্রদর্শনী ক্ষেত |
|---|
আমার বাড়ির কাছে একটা কাকার বাড়িতে এই প্রদর্শনী ক্ষেতটা স্থাপন করা হয়েছে। আসলে মাটি তো আর স্থাপন করা যায় না এভাবেই কিন্তু সরকারি একটি প্রদর্শনী খাওয়ার এরকম লিখিত ব্যানার টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার এই পরিচিত একটি দিদি যিনি কৃষি অফিসের সম্পৃক্ত দায়িত্বে আছে। আমার সাথে যোগাযোগের মাধ্যমেই এখানে এই প্রদর্শনী ক্ষেতটা করা হয়েছে। এই ক্ষেতটিতে সকল প্রকার বীজ, সার ও কীটনাশক সরকারি খাত থেকে আসে।
কদবেল-(ফল) |
|---|
"কদবেল" এই ফলটির নাম। এবং এই ফল গাছটির লবণাক্ত এলাকাতে বেশি দেখা যায়। যেহেতু, আমার বাড়ি বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলে অর্থাৎ নদী উপকূলে, তাই আমাদের এলাকাতে এই গাছটি বেশ লক্ষ্য করা যায়।
এই ফলটি টকস্বাদযুক্ত এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ।
কদবেল মাখা |
|---|
কাঁচা মরিচ, চিনি ও পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে এই ফলটির ভিতরের অংশ মাখানো হয়েছে। এবং শুধুমাত্র আমি না , প্রতিটা মানুষ এই ফলটি খুব বেশি পছন্দ করে। আর যদি গ্রীষ্মকালীন কোন দুপুরে হয় তাহলে তো কোন কথাই নাই।
পুকুরের জলে মাছ |
|---|
পুকুরের জলে তেলাপিয়া মাছ |
|---|
দেখুন পুকুরের জলে একটি মাছ দেখা যাচ্ছে। এই মাছটি তেলাপিয়া নামে পরিচিত। এবং মোটামুটি বেশ স্বাদযুক্ত। এবং মূল্য ও বেশ কম। তাই সর্বসাধারণের জন্য সহজলভ্য।
দোয়েল পাখি |
|---|
আমার ঘরের সামনে আমাদের জাতীয় পাখি দোয়েল। এবং এই পাখিটির কোন ভয় নেই বলতে গেলে চলে। আমার পরিবারের সবাই যখন এই পাখিটিকে দেখতে পায়, তখনই দানা জাতীয় খাবার দেয়। তাই ওই পাখিটিও বুঝে ফেলেছে যে, এটাই তার খাওয়ার খাওয়ার স্থান এবং এখানে তার নিরাপত্তা আছে।
দেখুন বনের পশুপাখি পর্যন্ত পোষ মানে কিন্তু আপনি মানুষকে কখনো আপনার হাতের মধ্যে আনতে পারবেন না। আজকে সারা জীবন একটা মানুষের উপকার করবেন। কিন্তু আপনার অনিচ্ছা সত্ত্বেও যদি কখনো কোনো কাজে আপনার ভুল হয়। তাহলে ঐ মানুষটা তখনই আপনাকে এমনই একটি কথা শোনাবে, যেটা আপনি সারা জীবনেও ভুলতে পারবেন না।
আমার লেখা ও ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লাগলে মন্তব্য করতে ভুলবেন না।
ফটোগ্রাফি গুলো সংগ্রহ করা হয়েছে আমার নিজস্ব মোবাইল ক্যামেরা থেকে।
| Device | Name |
|---|---|
| Android | Realme8 |
| Location | Bangladesh |
| Shot by | @piya3 |
হারানো দিনগুলো এক মুহুর্তে মনে পড়ে গেলো আপনার লেখা পড়ে। এমনই কতো ভালো মুহুর্ত আমিও আমার বান্ধবীদের সাথে কাটিয়েছি। কদবেল মাখা দেখেই জিভে জল চলে এলো। খুব সুন্দর লিখেছেন আপনি। আপনার ও আপনার বান্ধবীদের জন্য অনেক শুভ কামনা রইলো। সকলে খুব ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ দিদি,
আমার লেখাটি মূল্যায়ন করার জন্য।