আকাশের আকর্ষণে মন ছিল উদাস
নমস্কার বন্ধুরা। সকলে কেমন আছেন? আশা করি ভালই আছেন। আমিও ভাল আছি। হঠাৎই আজ ছোটবেলার কিছু কথা মনে পড়ে গেল। ছোটবেলায় রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে আমার শুধু মনে হতো এই বুঝি তারা গুলিকে আমি ছুঁতে পারবো। আমাদের তো একতলা বাড়ি তাই ভাবতাম যদি এই বাড়িটা দশতলা করা যায় আর তার ওপরে যদি একটা মই লাগানো যায় তাহলে ওই আকাশের তারা গুলোকে আমি হাত দিয়ে স্পর্শ করতে পারব। এমনটা কি কারোর মনে হয়েছে?
লিংক লোকেশন
যখন আস্তে আস্তে বড় হলাম ভূগোলের বই পড়তে শুরু করলাম তখন বুঝলাম যে ওই তারাগুলো আমাদের থেকে অনেক দূরে তাকে স্পর্শ করতে হলে রকেটের সাহায্যে যেতে হয় তখন মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। আর কল্পনা চাওলার কথা পড়ে তো আরোই মন খারাপ। সেই থেকে আকাশকে জানার বা ছোঁয়ার ইচ্ছা আস্তে আস্তে কমে গেল।
কিন্তু আজও রাতের আকাশই হোক বা দিনের আকাশ , আকাশের দিকে তাকালেই যেন মনটা উদাস হয়ে যায়। মনে হয় ওই আকাশের মত দিগন্তহীন যদি কোন দূর দেশে যেতে পারতাম যেখানে আলো আর আলো আর আলো অন্ধকারের লেস মাত্র নেই তাহলে কি মজাই না হত। যেখানে কোন কোলাহল নেই যেখানে শুধু শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশ তেমন কোন স্থান যেন সর্বদা আমি খুঁজে বেড়াই নিজের মনের অন্তরালে। এ কল্পনার জগত সত্যিই কি আমি কখনো খুঁজে পাবো। নাকি এ আমার কল্পনায় থেকে যাবে।
আজ কিছুক্ষণ আগে আমার মোবাইলে বন্দি মোমবাতির ছবি দেখে আমার মনে হল , আরে !আমি তো নিজেই একটা আকাশ তৈরি করে ফেলেছি। এতদিন যা আমার কাছে কল্পনার ছিল আজ তো বাস্তবায়িত হয়ে গিয়েছে ।কই এমন করে এর আগে কখনো আমি ভাবিওনি আর দেখিও নি। আজ কেন যে এমনটা মনে হল তা জানি না কিন্তু ছবিগুলো সত্যিই আমার মনকে স্পর্শ করে গেল এবং আমার কল্পনাকে যে আমি এই বাস্তব জগতে দেখতে পাবো তা ধারণার অতীত ছিল কিন্তু তাও আজ পূরণ হয়ে গেল
আপনাদের কারো সঙ্গে কি এমন ঘটনা হয়েছে যে কোন কল্পনার বস্তুকে বাস্তবে দেখতে পেয়েছেন। এই অনুভূতি যেন আজ আমাকে খুব আনন্দের মধ্যে রেখেছে এবং ঘুরেফিরে বারবার আমার মনটা যেন উদাস হয়ে যাচ্ছে সেই অজানা আকাশকে ছুঁতে পাওয়ার আনন্দে। এ আনন্দ যেন মুখে প্রকাশ করা যাচ্ছে না শুধু অনুভূতিতে তা অনুভূত হচ্ছে।
শৈশবের কল্পনাকে আজ বাস্তবে চোখে দেখতে পেয়ে মন যেন খুশিতে ভরে উঠছে। এমন মোমবাতির আলো এর আগেও দেখেছি কিন্তু এভাবে তা মনকে মুগ্ধ করেনি আজ যেন এর বিচরণ অন্যরকম ভাবে প্রকাশ পেয়েছে। তাই আপনাদের জন্য থাকলো এর কিছু দৃশ্য।