Better life with steem || The Diary Game || 29 th December || Barisal Divisional Meeting Fair (Part -1)
| মিশুর ফোন থেকে তোলা ছবি যা আমাকে Whatsapp মাধ্যমে দিয়েছিল |
Hello
Everyone
প্রতিদিন থেকে আজকে একটু তাড়াতাড়ি সকালবেলা উঠলাম। ঘুম থেকে উঠেই ফ্রেশ হয়ে সংসারের বাঁশি কাজ সেরে নিলাম । সকলের জন্য নাস্তা তৈরি করলাম রুটি এবং ভাজি আর মা চা তৈরি করে নিলো। যেহেতু আমাকে নয়টার সময় বের হতে হবে তাই আমি খুব তাড়াতাড়ি নাস্তা তৈরি করে নিলাম । দুপুরে রান্না করার জন্য মাংস ভিজিয়ে রাখলাম আর মাকে বললাম একটু সবজি আর পোলাও রান্না করতে। দুপুরে রান্নাটা মা করেছে ।
মেয়েকে ঘুম থেকে উঠে পড়তে বসতে বললাম। ৮টার সময় আমি গোসল সেরে নিয়ে রেডি হতে বসলাম। আজকে আমায় রেডি হতে মেয়ে অনেক সাহায্য করেছে ।আমার থেকে মেয়ে মেকআপ ভালো করিয়ে থাকে । মা- মেয়ের যৌথ প্রচেষ্টা রেডি হয়ে গেলাম । বাপী বলতেছিল, একটু নাস্তা করে নাও কিন্তু আমার ওদিক থেকে বান্ধবী তানিয়া ফোন দিচ্ছে, আমি কতটুকু রেডি হলাম?
ওর যেহেতু দু’টা বাচ্চা আছে তাই রেডি হতে দেরি হচ্ছিল। আমার মেয়ে যাবে না আর আর্মি বাবু যেহেতু বাসাতে নেই, সে অফিসের কাজে বাহিরে আছেন তাই সেও যাবে না। আমাকে একাই অ্যাটেন্ড করতে হলো ।
আর্মি বাবু ফোন করে বলেছেন, আজকের প্রধানমন্ত্রী বরিশালে আসছেন, তাই সকাল ৯টার পরে আর কোন রিক্সা ,সিএনজি ,গাড়ি কোন কিছুই চলবে না। আমাকে সকাল৮:৩০ মিনিটে বাসা থেকে বের হতে বলল। আমার রেডি হল, তানিয়ার রেডি হল কিন্তু মিশুর স্ত্রীর রেডি হলো না ।তিনি পার্লারে গিয়েছেন সাজুগুজু করতে ।পার্লার মানেই তো ঘন্টার পর ঘন্টা দেরি । তাই আমাকে বাসা থেকে বের হতে হল সকাল ৯:৩০ মিনিটে।
বাসা থেকে বের হয়ে মেইন রোডে এসে দেখি একি অবস্থা ! রাস্তায় শুধু লোকজন আছে ।কোন রিক্সা নেই ,কোন সিএনজি কিংবা গাড়িও নেই। এবার কিভাবে যাব আমি তানিয়াকে ফোন দিলাম। কি করবি দোস্ত ? তানিয়া বলতেছে আমিও কিছু বলতে পারতেছি না তবে আমি বাচ্চাদের নিয়ে হাটতেছি তুমিও হাইটা সামনে আগাও। শাড়ি পড়ে এভাবে হাটা আসলে একটু কঠিন বিষয় । অনেকটা দূর হেটে যাবার পরে একটি রিক্সা পেলাম। অনেক কষ্টে চাচাকে রাজি করালাম তিনগুণ ভাড়া দিয়ে । আমরা চৌমাথার মোড়ে সবাই একত্র হলাম ।
কিন্তু মিশুর স্ত্রী তখনও পার্লারে আছেন। তাই বউকে রেখে ওর ছেলেকে নিয়ে আমাদের সাথে যাবে ।মিশু হল আমাদের ক্লাস ফ্রেন্ড আবার তানিয়ার বড় আপুর ছেলে। তাই ও আমাদের বন্ধু প্লাস ছেলেও হয়। ভাবী তার বোনকে নিয়ে পরে আসতেছে। আমরা একটি মাহেন্দ্র করে সবাই নিসর্গ পার্কে গেলাম ।
এন্ট্রি করার সাথে সাথেই দেখি সেই আমাদের প্রাইমারি লেভেলের বন্ধুগণ কিন্তু বিষয় হল কেউ মোটা হয়ে গেছে ,কারও চুল পেকে গেছে। অনেককে আমি চিনতে পারছি আবার অনেককে চিনতে পারতেছি না। আমার থেকে তানিয়া আবার সবাইকে চিনে ভালো । ওর সাথে আবার সবার মোটামুটি ভালোই যোগাযোগ আছে ।তানিয়া একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ।
| মিশুর ফোন থেকে তোলা ছবি যা আমাকে Whatsapp মাধ্যমে দিয়েছিল |
অনলাইন মাধ্যমে আমাদের এই বন্ধুত্বটা আবার একত্রিত করেছে ।সেজন্য অবশ্যই অনলাইন মাধ্যমকে আমি অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই ।আমাদের এন্ট্রি সাথে সাথে আমাদের সকালের নাস্তা দিল আমাদের টোকেন ও গিফট গুলো দিয়ে দিল । আমরা নাস্তা খেয়ে চলে গেলাম কিছু ছবি তুলতে ।নিসর্গ পার্কের পরিবেশটা অনেক সুন্দর এবং ছবি তোলার জন্য উপযুক্ত স্থান ।সকল আনন্দের ভিতরে মেয়েকে মিস করতেছি, আর্মি বাবুকেও মিস করতেছি । ক্লাস ফ্রেন্ড বন্ধু-বান্ধবীদের কে দেখে আবার সেই পুরনো দিনের চলে গেলাম ।
|
এখানে অনেকে আছে আমার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বন্ধু -বান্ধবী আবার কিছু আছে কলেজ লাইফের বন্ধু এবং বান্ধবী ।এখানে মোটামুটি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ২০০১ সালের এসএসসি ব্যাচের অনেকেই এসেছেন। এখানে কেউ ডাক্তার ,ম্যাজিস্ট্রেট ,টিওনো, উকিল ,প্রফেসার ,পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ,বিমান বাহিনীরও সদস্য আছে। কিন্তু আমাদের সবারই একটাই সম্পর্ক আমরা হলাম ক্লাব -০১ এর সদস্য। আমরা হলাম ২০০১ এর এসএসসি ব্যাচের বন্ধু ।
ক্লাব ০১ অনেক সমাজ সেবামূলক কাজ করে থাকেন। আজ আমাদের এই প্রোগ্রামে কিছু এতিম বাচ্চাদেরকেও নিমন্ত্রণ করা হয়েছিল ।সে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীরা সকলে এসেছিলেন আমাদের সাথে আনন্দ উপভোগ্ করেছিলেন ।
আজ খুব ক্লান্ত লাগতেছে আর লিখতে পারছিনা তাই আজ এখানেই শেষ করছি পার্ট-০২ কালকের শেয়ার করব আপনাদের সাথে।
https://twitter.com/muktaseo/status/1741185551070646398
মেলা মানে আনন্দ সে আনন্দ তে অনেক মানুষের আগমন ঘটে। আপনারা বান্ধবীর জন্য ওয়েট করতে দেরি হয়ে গেল তার জন্য হেঁটে যেতে হলো শেষ পর্যায়ে যে একটা রিস্কা পেলেন। প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল আসবে তার জন্য সব যান বন্ধ করে দেওয়ার কারণে আপনাদের যেতে কষ্ট হয়েছে। যেতে কষ্ট হলেও ওখানে যে পুরানো বন্ধুদের পেয়ে অনেক আনন্দিত ছিলেন। আপনার প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি খুব সুন্দর হয়েছে এবং মুখে একটা মুচকি হাসি ছিল যেটা দেখে আরও বেশি ভালো লাগলো। অসাধারণ একটি মেলা সম্পর্কিত বিষয় আমাদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য।আপনার আকর্ষণীয় পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম থ্যাঙ্ক ইউ।
কষ্টের পরে যদি আনন্দ পাওয়া যায় সেই আনন্দটা কষ্টটা ভুলিয়ে দেয়। আমাদের এই প্রোগ্রামটা হবার কথা ছিল নৌ ভ্রমনে কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আগমনের জন্য আমাদের নৌ ভ্রমণ বাতিল হয়ে যায় ।সেজন্য এই নিঃসর্গ পার্কে প্রোগ্রামটি হয়েছিল আর যেহেতু প্রোগ্রামটি আমাদের তিন মাস আগে থেকেই নির্ধারিত হয়েছিল তাই এটির ডেট পরিবর্তন করা যাচ্ছে না ।
২০ বছরের পুরনো সেই বন্ধু বান্ধবীদের সাথে দেখে অনেকে ভালো লাগলো ।মনে হচ্ছে যেন আবার সেই ছোটবেলায় ফিরে যাচ্ছি। আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে আমার পোস্টটি করেছেন এবং সুন্দর একটি মন্তব্য করেছেন সেজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন কষ্টে পড়ে যদি আনন্দ পাওয়া যায় সে আনন্দটা কষ্টকে খুব তাড়াতাড়ি ভুলিয়ে দেয়। ২০ বছরের পুরনো সেই বন্ধু-বান্ধবদের সাথে অনেক ভালো সময় কেটেছে। এবং প্রত্যেকটা সময় আপনার ছোটবেলার স্মৃতি মনে করে দিছে। আপনার পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো আপনার সব বন্ধু বান্ধব সেই আগের মতন একসাথে হয়েছেন এবং অনেক মজা হয় করেছেন। থ্যাঙ্ক ইউ নতুন বছরের স্বাগতম জানাই আপনার সারা জীবন এরকম আনন্দে ভরে থাকুক।
আপনার জন্য রইল নতুন বছরের অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা ।আশা করি ২০২৪ সাল যে আপনার খুবই ভালো কাটবে ।২০২৩ সালের ফেলে আসা সকল দুঃখ-কষ্ট ভুলে গিয়ে নতুন বছরটি আপনি আরো সুন্দরভাবে উদযাপন করতে পারবেন ।সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
স্কুল জীবনের বন্ধুদের সাথে দেখা করতে গিয়েছেন
এই ক্ষেত্রে আপনাকে কেউ চিনবে না এটাই স্বাভাবিক। আর বর্তমান অবস্থায় আপনারা তো আগের মত নেই। আপনি একদমই ঠিক বলেছেন কেউ মোটা হয়ে গেছে। কেউ চিকন হয়ে গেছে। কারো চুল পেকে গেছে। কিন্তু আপনাকে অসাধারণ লাগছে। আপনার মেয়ে আপনাকে দারুন ভাবে সাজিয়ে দিয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার বন্ধুদের সাথে কাটানো আনন্দ কোন মুহূর্তটা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। সারা বছর এভাবেই আনন্দে থাকুন। এই কামনা করি সৃষ্টিকর্তার কাছে ভালো থাকবেন।
আসলে আমাদের স্কুল জীবনে বন্ধুত্বটা তখন অতটা ছিল না ।তবে বর্তমানে আমাদের এখন বন্ধুত্বটা আরো গভীর হয়েছে ।এখন আমাদের অনেক দায়িত্ব বেড়ে গেছে ।তাই আমরা যে যে পজিশনে আছি চেষ্টা করছি সেই পজিশন থেকে অন্যান্য বন্ধুদের কে সাহায্য করা এবং জনসেবামূলক কিছু কাজ করা ।আর আমাদের এই বন্ধুত্বটা গভীর করতে সাহায্য করেছে অনলাইন মাধ্যমে ।সেজন্য অবশ্যই অনলাইন মাধ্যমিকে ধন্যবাদ দিতে হয়। মেয়েরা একটু সাজুগুজু করতে ভালোই বাসে ।আমি মনে করি সাজুগুজু করলে মন ভালো থাকে এবং নিজেকে ভালো রাখা যায় ।আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসলে স্কুল জীবনে বন্ধুত্ব খুব কম থাকে, কেননা সেই সময়টাতে বন্ধুকে জিনিস এই জিনিসটাই আমরা বুঝতে পারি না। এরপর থেকে যখন এক এক করে দায়িত্ব পালনের একটা পর্যায়ে এসে আমরা দাঁড়িয়ে পড়ি। তখন বুঝতে পারি বন্ধু জিনিসটা আসলে কি আর তখনই সেটার মূল্যায়ন করার চেষ্টা করি। যেমন আপনারা এখন করে যাচ্ছেন। আপনার মেয়ের সাথে সাজুগুজু করতে ভালোবাসা জানতে পারে অনেক বেশি ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার মন্তব্য করার জন্য ভালো থাকবেন।
😭😭খুব কষ্ট করে আপনার কমেন্টটা করেছিলাম, প্রথমবার ডিলিট হয়ে গেছে। দ্বিতীয়বার আবার লিখেছি 😅বরিশাল বিভাগীয় মিলন মেলা অনুষ্ঠানে আপনারা সকল বন্ধু-বান্ধব মিলে সেখানে ঘুরাঘুরি করলেন। মজা করলেন খাওয়া দাওয়া করলেন। আপনার ছবিটা বেশ অসাধারণ হয়েছে। স্কুল জীবনের বন্ধু-বান্ধব কলেজ জীবনের বন্ধু-বান্ধব। আর বেশি ভালো লেগেছে আপনার ফেসবুকে পরিচিত হওয়া। বন্ধুত্ব একত্রিত হলেন। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীরা সকলে এসেছিলেন আমাদের সাথে আনন্দ উপভোগ্ করেছিলেন।অসংখ্য ধন্যবাদ আপু
আমদের ক্লাব ০১ নামে একটি সংস্থা আছে। এই সংস্থাটি কিছু জনসভা মূলক কাজ করে ।যেমন : শীতের দিনে শীত বস্ত্র দান করা , কারো বিপদে চিকিৎসা যদি সাহায্য করতে হয় তাহলে আমাদের ডাক্তার বন্ধুরা তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা করে থাকেন। আরো অন্যান্য ব্যবসায়িক বন্ধুরা তাদের ব্যবসা দিয়ে অনেককে সাহায্য করে থাকেন।
প্রতিবছর আমাদের বন্ধুরা এ মিলনমেলার আয়োজন এখানে প্রায় প্রতিটি জেলা থেকেই আমাদের বন্ধুরা যুক্ত হয় ।আমারও ভাগ্যক্রমে বরিশালে আসার পরে ওদের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ হয়েছে। পৃথিবীর সকল বন্ধুত্ব জয় হোক। আপনার জন্য রইল শুভকামনা ।
সত্যি আমার কাছে ভালো লেগেছে সংস্থাটি কিছু জনসভা মূলক কাজে নিয়োজিত থাকে। নিঃশর্তে এটা মানবসেবা। অসহায় মানুষকে সাহায্য করা তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা করা সব থেকে বড় ধর্ম । মানব সেবা করা। আপনাদের মিলন মেলা আয়োজিত অনুষ্ঠান।সত্যিই অসাধারণ কয়জন পারে এমন ভাবে কাজে নিয়োজিত থাকতে। অসংখ্য ধন্যবাদ
স্কুল জীবন ও কলেজ জীবনের বন্ধুূদের কথা মনে পড়ে গেল আপনার পোস্টটি পড়ে।আপনি আজ সব পুরাতন বন্ধুদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।এটা অবশ্যই অনেক উপভোগ্য হয়েছে।
সকালে রাস্তায় বের হয়ে দেখেছেন কোনো রিক্সা, সিএনজি নাই।এটা অনেক বিড়ম্বনার,তবে বন্ধুদের সাথে মজার মূহুর্ত সব বিড়ম্বনা ভুলিয়ে দিয়েছে।
ভালো লাগল আপনার পোস্টটি।ভালো থাকবেন।
প্রধানমন্ত্রী আসার কারণে রাস্তাঘাটে কোন গাড়ি চলছিল না তাই আমাদের প্রথমে অনুষ্ঠানে যেতে একটু সমস্যা হয়েছিল ।কিন্তু সকল পুরাতন বন্ধুদের দেখে সে সমস্যার কথা আমরা ভুলে গিয়েছিলাম ।অনেক সুন্দর একটি দিন কাটিয়েছিলাম ।জানিনা আবার কবে দেখা হবে এভাবে।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আপনার এই আনন্দঘন মুহূর্তগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার একটি পোস্ট আমি পড়েছিলাম আপনি ২০০১ সালে এসএসসি পাশ করেছেন। club one নামে আপনাদের একটি সংস্থা রয়েছে। বিভিন্ন সেবামূলক কাজ আপনারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে থাকেন। তাদের খুব ভালো লাগলো। সেবা পরম ধর্ম। সেবামূলক মনোভাবথাকা খুবই প্রয়োজন। আর ২০ ২১ বছর পর পুরনো বন্ধুবান্ধবদের দেখে,
নিশ্চয়ই আবেগ আপ্লুত হয়ে গিয়েছিলেন। আমি মূলত তাই করতাম। খুব আনন্দ করলেন। আনন্দ কোন মুহূর্তগুলো ক্যামেরা বন্দি করে রেখে আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। অনেক অনেক কৃতজ্ঞ। ক্লাস ওয়ানের পার্ট টু পড়ার জন্য অধীর আগ্রহে বসে রইলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে আমার পোষ্টটি পড়েছেন এবং সুন্দর একটি মন্তব্য করেছেন সেজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । হ্যাঁ এই বন্ধুদের সাথে আমাদের ২০ বছর পরে দেখা হলো আসলে এভাবে দেখাটা কখনো হয় না। একত্রে এত বন্ধু একত্রিত হওয়া হয় না কখনো । আমাদের এই উদ্যোগ নেওয়ার পরে প্রতি বছরই একবার হলে দেখা হয় আমাদের ।আশা করি আমাদের এই বন্ধুত্ব শত বছর পূর্ণ করবে ।
আসলে সংসার জীবন হয়ে গেলে স্কুলের বন্ধুবান্ধবদের সাথে তেমন একটা দেখা হয় না এটাই স্বাভাবিক দিদি। তারপর আপনার একটা ভালো উদ্যোগ নিয়েছেন খুব ভালো লাগলো আপনাদের উদ্যোগের কথা শুনে। অনেক আনন্দে দিন কাটিয়েছেন আপনি পোস্ট করি বুঝতে পেরেছিলাম প্রয়োজন রয়েছে মাঝে মাঝে নিজেকে সময় দেওয়ার।
আহ কি সুন্দর একটি দিন পার করেছেন,
মেলায় গিয়েছেন মিলন মেলা মেলা মানেই আনন্দ উল্লাস হইচই,
তার উপরে আবার আপনার অনেক পুরনো বন্ধু-বান্ধবদের সাথে দেখা আপনি তো দেখে চিনতেই পারেন নি প্রথমে সবাইকে। আসলে এমনই হয় অনেকদিন পরে কাছের মানুষরা দেখলেও চেনার উপায় থাকে না।
আপনার দিনটি শুভ হোক সে প্রার্থনা করছি।
হ্যাঁ আপু দিনটি অনেক সুন্দর ছিল । সেই পুরনো দিনের বন্ধু বান্ধবীদের সাথে কাটানো কিছুটা সময় আমাদেরকে সবকিছু থেকে হারিয়ে নিয়ে গিয়েছিল সেই ছোটবেলার দিনগুলোতে ।সে জন্য অনলাইন মাধ্যমকে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কারণ যার জন্য আমরা সবাই আবার একত্রিত হতে পেরেছি।
বন্ধুদের সাথে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে ছিলেন নিশ্চয়ই আপনার খুব ভালো লেগেছে। অনেক বছর পর বন্ধুদের সাথে দেখা হওয়াতে আপনি দেখলেন কারো চুল পেকে গেছে তো কেউ মোটা হয়ে গেছে। এতদিন পরে দেখা হলে আসলে এমনটি হওয়ার কথা। তবে এসব বন্ধুদের সাথে দেখা হলে মনটা আনন্দে ভরে ওঠে। আপনিও যে খুব আনন্দে ছিলেন এটা আপনার পোষ্টের লেখা পড়ে ও ছবি দেখেই বুঝতে পারলাম। দ্বিতীয় পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
প্রথমেই বলি আপানকে খুবই সুন্দর লাগতেছে প্রতিটি ছবিতেই
আজকে সকালে খুব দ্রুত রুরে ভাজি দিয়ে নাস্তা করে রেডি হয়ে পুনর্মিলনীতে যোগ দেয়ার জন্য বের হয়ে যান।
স্কুলজীবনের বন্ধু কিন্তু এতদিন পরে দেখা হওয়ার কারনে সবাইকে চিনতেও সমস্যা হচ্ছিল। এই একি সমস্যা আমারও হয়।
তবে আপানকে দেখে আর দিনলিপি পড়ে বুঝা যাচ্ছে যে দিনটা আপনাদের ভালো কেটেছে।
শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
আপনার জন্য রইল নতুন বছরের অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা ।আশা করি আপনারা ২০১৪ সাল খুবই ভালো যাবে এবং আপনি সুস্থ থাকবেন ।আজকের দিনটি আমার সত্যিই অনেক ব্যস্ততার ভিতরে গেছে এবং খুব সুন্দর একটি স্মরণীয় দিন পার করলাম ।আমাদের সেই ফেলে আসা স্মৃতিগুলো আবার মনে পড়ল ওদেরকে দেখে।