আমার মেয়ে মেহেকের লেট জন্মদিনের আনন্দময় সন্ধ্যা
সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি।
আজকে অফিস থেকে ফেরার পথে আজোয়া থেকে মেহেকের জন্য বেছে আনলাম দারুণ একটি কেক। কেক নিয়ে বাসার সামনে গিয়ে কলিং বেল বাজাতে মা মেয়ে দরজা খুলে দিল। হাতে কেক আর জন্মদিনের উপহার দেখে দুজনের মুখে মিষ্টি হাসি দেখতে পেলাম। জন্মদিনের উপহার হিসেবে মেহেকের জন্য নিয়ে এলাম একটা ছোট্ট, হলুদ রঙের ছাতা। মেহেক ছাতাটা হাতে পেয়েই খুশিতে লাফিয়ে উঠল, তার উচ্ছলতায় পুরো ঘর ভরে উঠলো আনন্দের রঙে।
আসল আনন্দের শুরু তখনো বাকি ছিল। মেহেক আজ সুন্দর ক্রিম রঙ এর একটা ড্রেস পড়েছিল , যেন ছোট্ট কোন রাজকন্যা। আমার কাছে সব সময়ই সে রাজকন্যা। এর সাথে সে একটু সেজেগুজে ঠোটে লিপ্সটিক দিল, এতে তাকে আরো বেশি পরীর মতো লাগছিল। আমি তার সাজগোজের সময় কিছু ছবি ক্যাপচার করে রাখলাম।
আমার গিন্নিও তার বিয়ের দিনের প্রিয় নীল রঙের শাড়ি পড়ে সেজেগুজে আমার দিনটাকে আনন্দময় করে দিল।পুরো বাড়িতে যেন ছোটখাটো এক উৎসবের আমেজ।
আমরা তিনজন মিলে ঘরটাকে সামান্য সাজালাম। মেয়ে কেক কাটার জন্যে মড়িয়া হয়ে গেল, তাই আর দেরি না করে মেহেক কে কেক কাটতে দিলাম।
কেক কাটার সময় মেহেকের চোখে-মুখে যে আনন্দ দেখেছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা মুশকিল। কেক খাওয়ার পর, ছবি তুলতে তুলতে আমরা হাপিয়ে ঊঠলাম। পুরো সন্ধ্যাজুড়ে চল্লো ফটোগ্রাফি সেশন।
আজকের এই ছোট অথচ ভীষণ মিষ্টি আয়োজন আমার মনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সময় হয়তো উড়ে যাবে, কিন্তু মেহেকের নিষ্পাপ হাসি, তার নতুন কেক খাওয়ার খুশি, ছাতা হাতে দৌড়ানো আর আমাদের একসাথে কাটানো মুহূর্তগুলো থেকে যাবে মিষ্টি মধুর স্মৃতি হয়ে।
প্রার্থনা করি, মেহেকের প্রতিটি দিন হোক এমনই আনন্দে, ভালোবাসায় ভরা। সবাই অবশ্যই পোস্ট পড়ার সময় মেহেকের জন্যে একবার হলেও মাশাল্লাহ বলবেন। সবার কাছে দোয়ার দরখাস্ত রেখে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। ভালো থাকবেন সবাই। ভালোথাকুক সবার রাজপুত্র ও রাজকন্যারা।
আপনার মেহেক কে জানাই জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আসলে সব মেয়েরাই বাবাকে বেশি পছন্দ করে। ছোট থেকেই মেয়েরা তার বাবার রাজ্যে রাজকন্যা হয়ে থাকতে চাই। আপনি কাজের সূত্রে ঢাকায় ছিলেন বাড়ি ফিরে মেয়ের জন্মদিন পালন করেছেন। আপনার মেয়েকে দেখতে খুব সুন্দর লাগছে। ছোটবেলায় জন্মদিন পালন করাতে খুব ভালো লাগে। আসলে এখনকার বাচ্চারা জন্মদিন পালন না করলে তাদের খুবই মন খারাপ হয় তাই তাদের হাসিখুশি রাখা বাবা মায়ের কর্তব্য। আপনার মেয়ে জন্মদিনের সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
্মত।অনেক অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্যে। এটা একদম ই সত্য যে ছেলেরা মায়েদের কাছে আর মেয়েরা বাবাদের কাছে তাদের শখ বা আব্দারের কথা গুলো বেশি বলে। মেহেক ও এর ব্যতিক্রম নয়। দোয়া ও প্রার্থনায় রাখবেন আমাদের । অনেক অনেক ভালো থাকবেন।