Random Macro photography/রেনডম ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি
আসসালামু আলাইকুম
আমি মিস্টার নজরুল(@mrnazrul )আপনাদের বাংলাদেশী বন্ধু ।
বন্ধুরা
সবাই কেমন আছেন ?আশা করি মহান আল্লাহর রহমতে ভালো থাকার চেষ্টা করলেও, গত কয়েক দিনের প্রচন্ড গরমে কেহই যে ভালো নাই তা বুঝতে আমার কোন অসুবিধা হচ্ছে না। আমিও সবার জন্য দোয়া করি, এই প্রচন্ড গরমে মহান আল্লাহ সবাইকে যেন ভালো থাকার তৌফিক দান করেন, আমিন।
আলহামদুলিল্লাহ
আমিও মহান আল্লাহর অনুকম্পা নিয়ে, কয়েক দিনের প্রচলিত অসহনীয় গরম থেকে বাঁচার জন্য এদিক সেদিক ছুটাছুটি করছি ।কোথাও এতটুকু শীতলতা শরীরের মধ্যে আনয়ন করা সম্ভব হচ্ছে না ।
এখন শুধু মহান আল্লার দরবারে ভালো থাকার তৌফিক চেয়ে, প্রার্থনা করা ছাড়া আমাদের আর কিছু করার থাকে না।
বন্ধুরা
জানিনা কোন দেশে কে কেমন আবহাওয়ায় বর্তমান সময়ে বিরাজ করছে! আমি মিস্টার নজরুল বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর হিলি, উপজেলার বৈগ্রাম নামক গ্রামে বর্তমান অবস্থান করছি ।
যেখানে চলমান প্রচন্ড সূর্যের তাপে আবহাওয়ার প্রচন্ড তাপ আমাদের উপর দোলাচল খেলে জীবনকে অসহনীয় করে তুলেছে। সাথে পশুপাখি এবং অন্যান্য প্রাণীও গরমে গরমে একেবারে নাজেহাল হয়ে পড়েছে।
আমরা মানুষ নানাভাবে গরম থেকে বাঁচার উপায় খুঁজছি। কখনো গাছ তলায়, কখনো ঘরে, কখনো পুকুরে সাঁতার কেটে, কখনো এসির নীচে, কখনো ফ্যানের নিচে, কখনো বা খোলা জায়গার গাছের নিচে
শারীরিক সুস্থিরতা খোঁজার চেষ্টা করছি।
তারপরেও কোন স্বস্তি আমাদের মাঝে দেখা যাচ্ছে না। স্বস্তির খোঁজে খোঁজে আমরা অস্থির জীবনের দিকে ধাবিত হচ্ছি। এ অস্থিরতা কবে যে শেষ হবে ।তা আমাদের জানা ও বোঝার বাহিরে।
মানবসহ প্রাণী কুল,ঠান্ডা সহ এক পশলা বাতাসের অপেক্ষায় অমানবিক সময় কাটাচ্ছি । তার পরও গরম যেন দিনের পর দিন জাঁকিয়ে বসতে শুরু করেছে ।
কয়েকদিন আগে খেঁকশিয়ালীর বিয়ের সাথে কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি পড়লেও তাৎক্ষণিক ভাবে,মানুষ সহ, প্রাণীদের উপর ঠান্ডার পরশ বুলিয়ে দিলেও তা ঘন্টা খানেক পরেই আবার গরমে পরিণত হয় ।
আজ এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার বৃষ্টি হবে বলে আমরা লক্ষণ পাওয়া না।
অনেক গরম। কোথাও বাতাস নাই ।কোথাও মেঘ নাই ।গাছের পাতা নড়ছেনা। কোথায় গেলে শান্তি পাবো
ডিজিটাল বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়া ।একবার গেলে দু তিনটি ঘন্টা পর এসে ১০ মিনিট আমাদের সাথে সাক্ষাৎ করে আবার চলে যায়।
এভাবেই চলছে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের জীবন যাপন । অন্যান্য বঙ্গ সম্পর্কে যা জানা যায় সেখানেও প্রচন্ড গরম ।পাশের দেশ ভারতেও একই রকম গরমের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
আবহাওয়াবিদরা নানা রকম আশ্বাস দিলেও, তাহাও জনজীবনে প্রতিফলিত না হওয়ায় জনগণ আর এসব কথার উপর বিশ্বাস আনতে পারতেছেন না।
বন্ধুরা
এই প্রচন্ড গরমে সন্ধ্যার পূর্ব মুহূর্তে এখনো মানব শরীরের থেকে ঘাম ঝরতে দেখা যাচ্ছে। আমিও তার বাইরে নই । তারপরে নিয়মিত পোস্টটি লিখতে হবে ।তা আমি এই মুহূর্তে লিখতে বসলাম।
আজ আমি আপনাদেরকে উপহার দিতে নিয়ে এসেছি, একটি ছোট্ট পোকার ফটোগ্রাফি ।যেগুলোকে আমরা পোকাই বলে থাকি । এদের মত দেখতে যত কিছু আছে, সবগুলোকেই আমরা পোকাই বলে থাকি। তবে গুগল মামা ঘেঁটে ঘেঁটে এর নাম জানা যায় জুয়েলবাগ বা রত্ন পোকা ডিজাইন করা ,তাই একে এরকম করে হয়ত ডাকা হয়।
#
আজকে পোস্টে প্রদর্শিত ছবির পোকা গুলো ,প্রায় এক বছর পূর্বে বাড়ির পাশের ঝোপঝাড়টি থেকে, তখনকার কম দামি মোবাইলটি দিয়ে ধারণ করে, মোবাইলের গুগলফটোজ অ্যালবামে সংরক্ষণ করেছিলাম। সেখান থেকে ছবিগুলো আমি আপনাদেরকে এই পোষ্টের মাধ্যমে উপহার দেওয়ার চেষ্টা করছি।
বন্ধুরা,
এই ছিল আমার আজকের ফটোগ্রাফি পোস্টের নিয়মিত অংশ ।
আশা করি সবার ভালো লাগবে ।
সাথেই থাকুন ।
ভালো থাকুন।
Enjoy With Love
| Writer /Photographer | @mrnazrul |
|---|---|
| Camera | Handset |
| Category | jwel-bug√ Photography ,Flower |
| Edit | No Editing and Filtering |
| Capture | One by One |
| Location | Banglades |
বেশ সুন্দর ভাবে ছোট পোকা গুলোর ছবি তুলেছেন ৷ প্রচন্ড গরমের মাঝে এই পোকা গুলো বের হয়েছে ৷ তার সাথে আপনি পোকা তথ্য সংক্রান্ত অনেক আলোচনা করেছেন ৷
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন ৷
সুন্দর করে মন্তব্য উপস্থাপন করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।