মজাদার চালতার আচারের রেসিপি
আজ আমি আপনাদের সাথেমজাদার '' চালতার আচারের "রেসিপি শেয়ারকরব।
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সকলে ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের সাথে "চালতার আচারের "একটি রেসিপি শেয়ার করব ।আশা করি রেসিপিটি সকলের কাছে ভালই লাগবে। সব ধরনের টকফলের মধ্যে চালতা আমার কাছে খুব পছন্দের একটি ফল। চালতা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের আইটেম তৈরি করা যায়। চালতা দিয়ে টক ডাল তো আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। যাইহোক, আর কথা না বাড়িয়ে এখন চলে যাই রেসিপি তৈরির পড়বে।
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
| নাম | পরিমান |
|---|---|
| বড় সাইজের | চারটি চালতা |
| গুড় | ১ কেজি |
| শুকনো লঙ্কা | ৫-৬ টা |
| জিয়া | ১চা চামচ |
| ধনিয়া | ১ চা চামচ |
| তেল | পরিমা মত। |
প্রস্তুতির পদ্ধতি
প্রথম ধাপ
প্রথমে চালতা গুলোকে পিস পিস করে খুলে নিতে হবে।
দ্বিতীয়ধাপ
চালতা গুলো ভালো করে ছুলে নিয়ে ছোট ছোট করে পিস করে নিলাম। এখন এগুলোকে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে সেদ্ধ করে নেব। বেশিক্ষণ সেদ্ধ করা যাবে না ১০ মিনিটের মত সেদ্ধ করতে হবে।
তৃতীয় ধাপ
ছোট ছোট করে কেটে নেওয়া চালতাগুলো একটা করার মধ্যে দশ মিনিটের জন্য সিদ্ধ করে নিলাম। সেদ্ধ হওয়ার পর এগুলো একটা ছাঁকনির মধ্যে ছেকি নিলাম। চালতা গুলো ঠান্ডা হওয়ার পর শীল পাটার মধ্যে চালতাগুলো ছেঁচে নিলাম। চালতা গুলো ছেচে নিলে চালতার ভেতরে মসলা ভালোভাবে মিশ্রিত হতে পারে। তাইতাগুলো ছেঁচে নিলাম।
চতুর্থ ধাপ
চেঁচে নেওয়া চালতা এবং গুড়
একটি কড়াই চুলার মধ্যে বসিয়ে দিলাম। কড়াইয়ে দিয়ে দিলাম পরিমাণ মতো সয়াবিন তেল এর মধ্যে দিয়ে দিলাম। অল্প পরিমান মৌরি। আচারের মধ্যে সাধারণত সরিষার তেল ব্যবহার করা হয়। তবে চালতার আচার সয়াবিন তেল দিয়েও করা যায়। কড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে দিলাম ছেচে রাখা চালতা গুলো। এগুলো দু-তিন মিনিটের মতো ভেজে নিতে হবে। এখন এর মধ্যে দিয়ে দিলাম গুড়। গুড় দেয়ার পর চালতাগুলো বলক আসার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বলক আসার পর চালতাগুলো একটা পাত্রের মধ্যে ঢেলে রাখবো। এগুলো একদিন পরে মসলা দিয়ে কমপ্লিট করতে হবে। কারণ চান্তাগুলো একদিনের জন্য গুড়ের মধ্যে ভিজিয়ে রাখলে গুড় চালতার সাথে ভালোভাবে মিশবে।
একদিন পর
পঞ্চম ধাপ
প্রথমে মসলাগুলোকে হালকা আচে টেলে নিলাম। মসলাগুলু ঠান্ডা হওয়ার পর এগুলো গুরু করে নিলাম।
ষষ্ঠ ধাপ
গতকালকে চালতা গুলোকে গুড় দিয়ে জাল দেয়ার পর রসাল ছিল। এখন জাল দিয়ে রস একেবারে শুকিয়ে ফেলেছি। অল্প আচে জাল দিতে দিতে যখন চালতাগুলো আঠালো হয়ে আসবে তখন মসলা গুলো দিয়ে দিতে হবে ।
মসলাগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে আচারগুলো একটা পাত্রে নামিয়ে নিতে হবে।
হয়ে গেল আমার চাও তার আচার।আচারটা সম্পূর্ণ ঠান্ডা হওয়ার পর একটা কাঁচের পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে।
চালতার পুষ্টিগুণ
এই ফলটির অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এই ফলটিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি ,ভিটামিন বি, থায়ামিন ও আমিষের মত নানা ধরনের স্বাস্থ্য উপকারী উপাদান।
ঠান্ডা ও কাশি হলে পাকা চালতার রস খেলে খুব ভালো উপকার পাওয়া যায়। কিডনির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত এই ফলটি খেলে হার্টের রোগের ঝুঁকি কমায়। রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। চালতার রস পেটের বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
আজকে আমার এই রেসিপিটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে আপনারা কমেন্ট করে জানাবেন। আজ এখানেই শেষ করছি। সবাই ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন। শুভরাত্রি।
25% to @null to support #burnsteem25
10% of this payout for @meraindia
10% of this payout for @meraindia
চালতার আচার আগে কখনো খেয়েছে কিনা আমার মনে পড়ে না তবে বেশ কিছুদিন আগে চালতার আচার খেয়েছিলাম। খেতে খুবই মজা লেগেছিল। আসলে এটা বাড়িতেই বানানো ছিল। তবে আমি বানাইনি আমার ছোট জা এই চালতার আচার বানিয়েছিল এবং সেটা খেতে অনেক বেশি মজা লেগেছিল।
যাইহোক আপনার চালতার আচার দেখতে অনেক বেশি লোভনীয় লাগছে। আর আপনি সব উপকরণ সহ ধাপে ধাপে চালতার আচার তৈরি করার রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। যেটা দেখে যে কেউ এখন চালতার আচার তৈরি করতে পারবে।
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকবেন , সুস্থ থাকবেন।
আপু আপনি সত্যিই বলেছেন চালতার আচার খেতে খুব টেস্টি। আমার পোস্টটি পড়ে সুন্দর একটি কমেন্ট করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকে ও অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার পরবর্তী আকর্ষণীয় রেসিপি দেখার এবং পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
চালতার আচার আমার অনেক পছন্দ।। আজকে আপনি চালতার রেসিপি শেয়ার করেছেন। রান্নার প্রণালীগুলো খুব সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করেছেন ।সেইসাথে চালতার আচারের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বলেছেন।
খুবই ভালো লেগেছে আপনার রেসিপি পোস্টটি।। আপনার পরবর্তী রেসিপি পোস্ট পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।।
আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে আমার পোস্টটি পড়ে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনি চালতার আচারের রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দারুন সুন্দর হয়েছে চালতার আচারের রেসিপি টা ৷ আপনি বেশ সুন্দর ভাবে আচারের যাবতীয় উপকরণ গুলো উল্লেখ করেছেন এবং তার পাশাপাশি প্রস্তুতি পদ্ধতি টাও ধাপে ধাপে বেশ সুন্দর ভাবে উপাস্থাপনা করেছেন ৷ অনেক ভালো লাগলো আপনার আজকের চালতার আচারের রেসিপি টা ৷
যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
আচার দেখলেই জিভে জল চলে আসে। চালতার আচার আমি খুব একটা খেয়েছি বলে মনে পড়ে না, তবে আপনার আচার বানানোর প্রণালী ও আচারের ফাইনাল ছবি দেখে খুব লোভ হচ্ছিলো। খুব ই চমৎকার ভাবে সম্পূর্ণ প্রণালী তুলে ধরেছেন।
যে জীবনেও কখনো আচার বানায় নি, আপনার পোস্ট দেখে ট্রাই করলে সেও চালতার এই আচার বানাতে পারবে।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর রেসিপিটি শেয়ার করে দেখার সুযোগ করে দেবার জন্যে।
ভাইয়া আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।আমার পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ে সুন্দর ভাবে মন্তব্য করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
আপনার জন্যেও শুভকামনা সব সময়। ভালো থাকবেন
আপনি যেভাবে চালতার আচার তৈরি করেছেন। আমিও ঠিক সেই ভাবে চালতার আচার তৈরি করে থাকি। আজকে আপনার চালতার আচার গুলো দেখতে অনেক বেশি লোভনীয় লাগতেছে।
চমৎকারভাবে চালতার আচার তৈরি করার পদ্ধতিটা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রত্যেকটা পদ্ধতি আপনি ধাপে ধাপে আমাদের সাথে খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। ভালো থাকবেন
আপু ,আপনি আমার পোস্টটি সম্পূর্ণভাবে পড়েছেন এবং সুন্দরভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এর জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
খুবই সুন্দর একটা পোস্ট শেয়ার করেছেন। আচার খেতে কার না ভালো লাগে। আমারো আচার খুব পছন্দ তবে মিষ্টি আচার। যাই হোক, আপনার সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়লাম, যেখানে আপনি খুব এই অসাধারণভাবে প্রতিটি ধাপ এর ছবি এবং এর প্রক্রিয়া শেয়ার করেছেন যা সত্যি খুব ভালো হয়েছে। আপনার পোস্টটি পড়ে খুব ভালো এই লাগলো কারণ আপনার পোস্ট মার্ক ডাউন গুলো খুবই ভালো হয়েছে। আপনার তৈরি করা আচারের সাথে আপনার লেখাটিও ভালো হয়েছে।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো, ভালো থাকবেন সবসময়।
ছবিতে আপনার আচার এত লোভনীয় লাগছে যে সত্যিই আজকে আচার খুব মিস করছি ।চালতার আচার খুবই সুস্বাদু হয়। তবে ঠিকমত যদি আপনি চালতার কষ বের করতে না পারেন তাহলে আপনার পরিশ্রম মাঠে মারা যাবে।
আপনি খুব সুন্দর করে ধাপে ধাপে আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছেন কি করে এ আচারটি বানাতে হবে। আপনার রেসিপি ফলো করে যে কেউ এই আচার বানাতে পারবে।
আপনি অনেক পরিশ্রম করেছেন এই আচার বানানোর জন্য এটিও বোঝা যায়। আপনার জন্য অনেক শুভকামনা রইল। ভালো থাকবেন।
আমার পোস্ট পড়ে খুব সুন্দর একটি প্রতিক্রিয়া দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপু সত্যি বলেছেন এই চালতার আচার বানাতে একটু পরিশ্রম বেশিই করতেই হয়। পরিশ্রম বেশি হলো তাতে কোন কষ্ট নেই কারন এই আচারটি খুব টেস্টি হয়েছে। আপনারা চাইলে আমার এই রেসিপিটি ফলো করে আপনারা বাসায় ট্রাই করতে পারেন।
অবশ্যই চেষ্টা করবো আপু। ভালো থাকবেন।
দিলেনতো লোভ লাগিয়ে চালতার আচার দেখিয়ে।আমার সবচেয়ে প্রিয় খাবারের তালিকার একদম উপরে আছে এটা।
চমৎকার সব ছবি ও বর্ণনার মাধ্যমে রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন সবসময়। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
আঁচার দেখলেই জিবে জল চলে আসে। আপনার তৈরিকৃত আঁচার টা যে সেই রকম ভালো হয়েছে তা দেখে ই বুঝতে পারছি। ইস্
দিদি খুব খেতে ইচ্ছে করছে। চলে আসলাম।
খুব ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি পড়ে। পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম আশা করি শীঘ্রই নতুন কিছু নিয়ে আমাদের সাথে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।