মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে উঠানো এলোমেলো ফটোগ্রাফি পর্ব #৩০
শুভ সকাল
যদিও আমি দুই তিন দিন ধরে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে পোস্ট শেয়ার করতে পারছি না। ইচ্ছা থাকলেও সেটা পেরে উঠছিনা। দীর্ঘ নয় বছর পর দেশে যাচ্ছি। সবার জন্য কেনাকাটা সবমিলিয়ে অনেক ব্যস্ততাই জীবন কাটছে একাই সমস্ত সব করতে হচ্ছে । যদি অন্য কোন বন্ধু সাথে থাকতো তাহলে আরো সহজ হতো । তবে সেটা সম্ভব নয় কেননা সবাই আমার থেকে অনেক দূরে আবার অনেকেই দেশে চলে গিয়েছে।
যাইহোক গতকাল বিকাল পাঁচটা ত্রিশ মিনিটে বাসা থেকে বের হলাম একটু ঘুরে বেড়ানোর জন্য সকালে মার্কেট থেকে এসে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম শরীরটা অনেকটাই ক্লান্ত ছিল। তবে বিকেলে ঘুম থেকে উঠে মনে করলাম যে একটু বাইরে বের হয়। বাসা থেকে নিচে নামতেই দেখি খুব সুন্দর একটি ডোরাকাটা বিড়াল মোটরসাইকেলের ছিটের ওপরে বসে রয়েছে দেখতে বেশ ইউনিক লাগছিল।
খানিক পথে যাওয়ার পর সামনের ক্যামেরা ওপেন করে নিজের একটি সেলফি নিয়েছি পাশে কেউ নাই যে আমাকে সুন্দর করে ছবি তুলে দেবে। সেলফি উঠানোর এই প্রযুক্তিটা যদি না থাকতো তাহলে হয়তোবা নিজের কোন ছবি তুলতে পারতাম না।
পূর্বা আকাশে কালো ঘন মেঘ জমছে মনে হচ্ছে যে একটু পরেই বৃষ্টি নামবে তখন মনে হচ্ছিল যে কেন বাসা থেকে বের হলাম যদি এখন এই বৃষ্টি আসে তাহলে তো ভিজে যাব বাসা পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই । যদি বাসা থেকে দেখতাম তাহলে ছাতা নিয়ে আসতাম। ঘন কালো মেঘের নিচে নিজের সেলফি প্রকৃতির বিভিন্ন রুপ আমরা দেখতে পাই কখনো মেঘ কখনো আবার রোদ্দুর কখনো আকাশের সুন্দর সিনারি যেটা সবাইকে মন করে। তবে মেঘলা আকাশ কেউ হয়তো উপভোগ করে না ততটা। কেননা আমরা সৌন্দর্যই বেশি আকৃষ্ট হই।
পূর্ব আকাশে ঘন কালো মেঘ জমলেও পশ্চিম আকাশে এখনো সূর্য টগবগ করছে যদিও আফছা আফছা মেঘ চারপাশে ঘুরছে তবুও সূর্যের কিরণ মাটিতে নামছে। রাস্তা পার হয়ে সামনের দিকে হাঁটতে লাগলাম তারপর দেখতে পেলাম যে আমার মত আরো দুই তিন জন ফ্যামিলি সহ হাঁটতে বের হয়েছে।
হাঁটতে হাঁটতে বেশ বহুদূর চলে গিয়েছে আসার পথে মালয়েশিয়া ৯৯ মার্কেটে ঢুকলাম মার্কেট থেকে নরমাল পানি দুই বোতল নিয়েছি তারপর দশটা ডিম কিনছি এখন মালয়েশিয়াতে ডিমের দাম অনেকটাই কম দশটা ডিম কিনেছি চার রিঙ্গিত বিশ পয়সা দিয়ে। সেই সাথে দুই বোতল পানি কিনছি এক রিংগিত দিয়ে।
বৃষ্টি নামার ভয় ছিল এজন্য আর বেশিক্ষণ সময় মার্কেটের ভিতরে ঘোরাঘুরি না করে এবার কেনাকাটা শেষ করে বিল পরিশোধ করে দ্রুত হাঁটতে হাঁটতে বাসায় পৌছালাম।
| Device | Name |
|---|---|
| Android | vivo Y15 |
| Location | Malaysia 🇲🇾🇲🇾 |
| Short by | @mdsahin111 |
https://w3w.co/mice.period.roofed
তো বন্ধুরা এই ছিল গতকাল বিকাল বেলা কিছু সময় ঘুরে বেড়ানোর গল্প এবং তার কিছু সুন্দর ফটোগ্রাফি। আজকের মত আমি এখানে বিদায় নিচ্ছি । সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশাই করি। আল্লাহ সবার মঙ্গল করুন।
@mdsahin111 কিছু মানুষের লেখা পড়া আমার একটা অভ্যেসের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আর তারমধ্যে আপনিও পড়েন, তবে আপনার বেশকিছু সপ্তাহে কমেন্টের সংখ্যায় নাম দেখতে না পাওয়ায় বেশ হতাশ আমি, ব্যস্ততা আমাদের ছিল, আছে থাকবে, তবে ভালোবাসা দিয়ে তারমধ্যে থেকে সময় বের করে নিতে হয়।
যাইহোক আপনার প্রথম ছবিটি বেশ ভালো লাগলো, আর পর্ব দিয়ে শুরু করেছেন মানে এখন এই পর্ব চলবে বোধহয়!
ম্যাডাম শুধু কমেন্টের সংখ্যা বলে নয় পোষ্টের সংখ্যাও অনেক কম তার জন্য আমি দুঃখিত। চেষ্টা করছি ব্যস্ততা কিছুটা কমে আসলে আবারো আগের মতো কাজ চালিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ। হয়তোবা আর কয়েক সপ্তাহ এমন হতে পারে। আমার নিজের কাছে ও অনেক খারাপ লাগছে রেগুলার এখানে সময় না দিতে পেরে। আপনার লেখা কবিতা গুলো অনেক মিস করি।
আপনার পোস্টটি পড়ে জানতে পারলাম। দীর্ঘ 9 বছর পর দেশে আসবেন এই কথাটা শুনে বেশ অনেক ভালো লাগলো ভাই। সত্যিই দেশে আসার একটা আনন্দ প্রতিটা প্রবাসীদের মনের ভিতর জাগে । যা ভাষা প্রকাশ করার মতো না। একটা বিষয় আপনার পোস্টে আমি লক্ষ্য করলাম ,আপনি বললেন মেঘলা আকাশের কথা, সত্যি ওয়েদারটা অনেক সুন্দর ছিল। আমি এই রকম মেঘলা আকাশ খুবই পছন্দ করি। আপনার পোস্টটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ। সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন।
আপনার শেয়ার করা গল্প ও ছবি দারুণ লেগেছে! আপনার ব্যস্ত দিনের মধ্যেও প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ এবং মুহূর্তগুলো ক্যামেরায় বন্দী করার অভ্যাস সত্যিই প্রশংসনীয়।
মালয়েশিয়ার পরিবেশ আর আপনার অভিজ্ঞতার বর্ণনা পড়ে মনটা ভালো হয়ে গেল। আশা করি আপনার দেশের যাত্রা ও সময় আরও সুন্দর হবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।