রংপুর শিল্প ও বাণিজ্য মেলায় আমার কাটানো কিছু মুহূর্ত
হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে সবাই ভাল আছেন। আমি আপনাদের দোয়ায় এবং মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছি।
আজ আবারো নতুন একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম। গতকাল আমি রংপুরের শিল্প ও বাণিজ্য মেলায় গিয়েছিলাম। সেই মেলায় গিয়ে অনেক ঘুরাঘুরি করেছি এবং পরিবারসহ অনেক ভালো সময় কাটিয়েছি।
সেই মুহূর্তগুলো নিয়েই আমার এই পোস্ট সাজানো। আশা করি আপনাদের সকলের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে। তাহলে চলুন বেশি দেরি না করে ঘুরে আসা যাক রংপুরের শিল্প বাণিজ্য মেলা থেকে।
এটা হল বানিজ্য মেলার প্রধান গেট। প্রতিবারের মতো এবারও বানিজ্য মেলার গেটটি অনেক সুন্দর করে সাজানো হয়েছিল। মেলার গেটটি দেখতে একদম রাজবাড়ীর গেটের মত লাগছিল। বাণিজ্য মেলা বলে কথা গেটের মধ্যে সৌন্দর্য না থাকলে কি চলে।
বাণিজ্য মেলার মূল গেটের পাশেই ছিল মেলার টিকিট কাউন্টার। মেলায় প্রবেশ করার টিকেট মূল্য ছিল মাত্র ২০ টাকা। আমাদের অবশ্য টিকিট কাটতে হয়নি, কারণ এই মেলা যারা পরিচালনা করছে তাদের সাথে আমাদের ভালোই পরিচয় ছিল।
তারপর আমরা মেলার বাহিরে আর বেশি দেরি না করে সোজা মেলার ভেতরে চলে যাই। মেলায় ভিতরে ভালই লোকজনের সমাগম ছিল। বিশেষ করে মেলার মাঝের ফোয়ারার চারপাশ দিয়ে লোকের ভিড় টা একটু বেশিই নজর কারছিল।
এই জায়গাটাতেই লোকজনের ছবি তোলার ভিড় পড়ে গিয়েছিল। কারণ এই ফোয়ারা টা দেখতে সত্যি অসাধারণ লাগছিল। মেলায় বাজানো গানের বিটের তালে তালে পানি গুলোও দুলছিল। সব মিলিয়ে দারুন লাগছিল সেখানে দাঁড়িয়ে সময় কাটাতে।
রংপুর ক্রিকেট গার্ডেনে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। ক্রিকেট গার্ডেনের এরিয়াটি বেশ বড়সড়ো তাই মেলায় স্টলও হয়েছিল অনেকগুলো। বেশিরভাগ দোকান গুলোই ছিল মেয়েদের সামগ্রী নিয়ে। ছেলেদের পণ্য সামগ্রীর দোকান নেই বললেই চলে।
ছেলেদের কিছু থাক বা না থাক মেলায় ঘুরতেই আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। এত জাঁকজমক পরিবেশ কার না ভালো লাগে বলুন। আপু আম্মু এবং মামি মেলার দোকানগুলো ঘুরে দেখছিল আমি আমার খালাতো ভাই এবং মামা মিলে পুরো মেলা ঘুরে দেখছিলাম।
মেলায় যে শুধু বড়দের জিনিসপত্র ছিল তা কিন্তু নয়। ছোটদের বিভিন্ন জিনিসের দোকানের পাশাপাশি ছোটদের জন্য এরকম রাইডের ব্যবস্থাও ছিল। সেখানে দাঁড়িয়ে আমি অনেকক্ষণ ছোট বাবুদের খেলাধুলা দেখছিলাম তাদের আনন্দঘন মুহূর্ত গুলো দেখে সত্যি খুবই ভালো লাগছিল আমার।
এই জিনিসটি চেনে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুবই দুষ্কর। এটা হল বড়দের রাইড নাগরদোলা। ভেবেছিলাম মেলায় ঘোরাঘুরি শেষ করে নাগরদোলা উঠবো, কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার আমরা মেলায় ঘোরাঘুরি করতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল তখন নাগরদোলা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।
মেলায় ঘুরতে ঘুরতে একটি আচারের দোকান চোখে পড়েছিল। আচারের দোকানের আচারগুলো কে আমার বেশ লোভ যাচ্ছিল, শেষমেষ লোভ সামলাতে না পেরে আচারের দোকানে গিয়ে ৬০ টাকার আচার কিনে খেয়েছিলাম। যে পরিমাণ আচার তারা দিয়েছিল সেই পরিমাণ আচারের বাহিরের মূল্য দশ টাকার মত।
মেলায় ঘুরতে ঘুরতেই মামা এবং মামি কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিল ছবি তোলার সময় তাদের খুঁজে পাচ্ছিলাম না তাই দেরি না করে আমি আম্মু আপু এবং ভাই মিলে কয়েকটা সেলফি তুলে নেই।
ছবি তোলা থেকে শেষ করে আমরা মেলা থেকে বেরিয়ে পড়ি, তখন অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল তাই আমরা আর বাইরে বেশিক্ষণ দেরি না করে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হই।
যাই হোক বন্ধুরা আজ তাহলে এ পর্যন্ত, আমার পোস্টটি আপনাদের কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার এই পোস্টে আসার জন্য সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন শুভকামনা রইল সকলের জন্য।
আসলে পরিবারের সবাইকে মিলে মেলায় ঘুরতে যাওয়ার মজাটাই অন্যরকম।
আপনার মেলার মধ্যে ঘোরার যে আনন্দটা আপনি লেখার মধ্যে প্রকাশ করেছেন। সেটা অসাধারণ ছিল তার সাথে ফটোগ্রাফি গুলো ছিল অসাধারণ।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এত সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি এবং লিখা আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মতামত দেয়ার জন্য।
We support quality posts anywhere and any tags.
Curated by : @sduttaskitchen
Thank you very much