"আমাদের বিলের অক্সিজেন কমে যাওয়ার কারনে দুর্বল মাছগুলো মারা যাচ্ছে (শেষ পর্ব)"
| বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। |
|---|
| আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। |
|---|
আমি আপনাদের মাঝে আরেকটি দিনের পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আজকে পোষ্টের বিষয়গুলো আমাদের বিলের অক্সিজেন কমে যাওয়ার কারনে দুর্বল মাছগুলো মারা যাচ্ছে (শেষ পর্ব)।
মাছ মারা যাবার আজকে তৃতীয় দিন , দ্বিতীয় দিন ওষুধ দেওয়া হয়েছিল আর সন্ধ্যা থেকেই মোটর চালু করে দেওয়া হয়েছিল আমরা ভেবেছিলাম কিছুটা কম মরবে আগের দিনের তুলনায়। রাত্রে সেহরির খাওয়ার জন্য আমরা প্রায় সকলেই উঠি আব্বু উঠার সাথে সাথেই লাইট নিয়ে বিল পারে আসেন দেখেন কি রকম মাছের অবস্থান ।
দুইদিন কার মতো আজকেও মাছগুলো ভেসে পানি খাচ্ছে সে রকমই আজকেও মাছ বেশি বেশি পানি খাচ্ছে আর মাছ মারা যাচ্ছে, আব্বু বিল পর দেখে চলে আসে সেহরি খাওয়ার জন্য, সেহরি খেতে থাকি আর বিলের অবস্থা বলতে থাকে।
সেহরির সময় আমরা অল্প খাবার খাই টেনশন আর চিন্তা কারণে ভালোভাবে খাওয়া হয় নাই কোন রকম রোজা রাখার জন্য যতটুক খাওয়া দরকার ছিল ততটুকু খেয়ে ফজরের আযান দেওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকি। ফজরের নামাজ পড়ে বাড়িতে এসে না ঘুমিয়ে।
দিনের আলোর জন্য অপেক্ষা করি অন্ধকারে তো আর মাছ ভালো ভাবে দেখা যায় না লাইট ছাড়া,১৫ মিনিটের মতোন এরপর হালকা হালকা দিনের আলো দিয়ে আশেপাশের দেখা যাচ্ছে। আশেপাশের প্রতিবেশী মানুষ চলে এসেছে মাছ ধরার জন্য ।
আজকে বিলের মধ্যে অনেক মাছ মরা দেখতে পাচ্ছি যে দিক দিয়ে লোক বেশি আর মাছ কাছে সেগুলো আগে তুলে ফেলি এরপর প্রথম দিন কার মতোই আজকে ওই দাদা চলে আসে যে মাছ বিক্রি করে উনার সাথে মিলে নৌকা দিয়ে মাছ তুলে ফেলি আজকে বেশি মাছ মারা যাওয়াই ।
আমরা সমস্ত মাছ একা তুলতে পারবো না এর আগেই মাছগুলো পানির নিচে ডুবে যাবে সে কারণে আব্বু বাহির থেকে একজন লোক নিয়ে আসেন তাকে সাইডে দিয়ে হেঁটে হেঁটে মাছ তুলতে থাকে।
একদিক দিয়ে মাছ তোলা হচ্ছে আরেক দিক দিয়ে মানুষদের কে তাড়ানো হচ্ছে মাছ তুলতে যতটা না কষ্ট হচ্ছে তার চেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে মানুষগুলো দাঁড়াতে একদিক দিয়ে তাড়ালে আরেক দিক দিয়ে চলে যায়,এভাবে আমরা ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি তাও তাদের বিল পাড় থেকে যাওয়ার কোন ইচ্ছাই নেই।
রোজার মাসে আরো বকাঝকা করা যায় না, তাও যেরকম বোকা ঝগড়া দেওয়া হচ্ছে তাও তাদের কিছুই হচ্ছে না, সকাল মনে হয় সাড়ে ছয়টা সাতটার দিকে মাছ যত মরতে সে মানুষ ততই চারদিকে আসতেছে তাদের অত্যাচার ও বাড়ছে।
এখন কেউ কি বলতে ? মাছ মারা যাচ্ছে এগুলো লোকজন নিতেই পারে ,আজকে তিন দিন ধরে মাছ মারা যাচ্ছে আশেপাশে প্রতিবেশী থেকে শুরু করে দূরের প্রতিবেশী প্রায় সকলের বাড়িতেই মাছ আছে আর কেউ কেউ বাড়িতে এরকম মাছ আছে যা ফ্রিজ ভর্তি ।আমাদের আশেপাশে প্রতিবেশীর বাড়িতে এরকম মাছ আছে যা মাস খানিক আরামসে খেতে পারবে।
পরিচিত আরো কয়েকটি লোক আনা হয় মাছ তোলার জন্যে আমার মতে আনুমানিক আটটা পর্যন্ত মাছধরা হয়, আমার মতে মাছের পরিমাণটা হবে ৬০০ থেকে ৭০০ কেজির কাছাকাছি। এ সমস্ত মাছ সব একসাথে করা হয় । দ্বিতীয় দিনের মতই ভ্যান গাড়ি এসে বসে থাকে নেওয়ার জন্য কিন্তু এতগুলো একটি ভ্যান গাড়ি দিয়ে নেওয়ার অসম্ভব তাই আমাদের পরিচিত একটি ছোট ট্রাকের ড্রাইভার ছিল ।
ওকে কল দিয়েন আসতে বলা হয়, আমরা চিন্তা করি গাড়ি আসার আগ পর্যন্ত আরো কিছু মাছ ধরা যেতেই পারে তাই আরো কিছুক্ষণ মাছ ধরি ১০ মিনিট পরে আব্বু আবার ফোন দেয় গাড়ির ড্রাইভার তখনও ঘুমাচ্ছিল এরপরে আমাদের সমস্যার কথা বলে অল্প সময়ের মধ্যেই হয় উপস্থিত হয় গাড়ি ও গাড়ির ড্রাইভার।
সমস্ত মাছ ক্যারেট দিয়ে নিচে থেকে উপরে তুলে ছোট ট্রাক লোড করে দেই এর আব্বু নিয়ে চলে যায় এদিক দিয়ে মাছ মরার একটু কমে গেছে কিন্তু মানুষের যন্ত্রণা কমে যাচ্ছে না আগে যা ছিল এখনো তাই আছে।
মানুষ গুলো তাড়াতে ক্লান্ত হয়ে যায় আর ভালো লাগছিল না আমি আর আম্মু পোল্ট্রি ফার্মের কাজগুলো শেষ করে এদিক দিয়ে আমাদের কর্মচারী ভাই বিলের যত পচা মাছ নষ্ট মাছ ছিল সেগুলো তুলে ফেলে দেয়।
১০:৩০ এর কাছাকাছি এখন অনেকটাই রোদ মাছ মরা কমে গেছে আশেপাশে কিছু প্রতিবেশী বিল পার থেকে নড়ছে না এগুলো নেমে পানি নষ্ট করে পানির নিচ থেকে হাতিয়ে মাছগুলো তুলে ফেলছে। পানি কম থাকায় ওরাও অতি সহজে ধরতেও পারছে।
তৃতীয় দিনের তুলনায় চতুর্থ দিন অনেকটাই কম মাছ মরেছে কিন্তু মানুষের অত্যাচার কমা হয় নাই আগে যা ছিল এখনো তাই আছে। আজকে পঞ্চম দিন চতুর্থ দিনের তুলনায় আজকে আরো কম ইনশাআল্লাহ এখন মাছ মারা যাওয়ার আশঙ্কা কমে গেছে।
সকলে দোয়া করবেন এরকম বিপদ থেকে আমরা যে তাড়াতাড়ি উদ্ধার হতে পারি।
আজকের পোস্টে পর্যন্তই সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সাবধানে থাকবেন।।
আপনাদের পুকুরে অক্সিজেন কমে যাওয়ার কারণে মাছ মারা গিয়েছে। কিছুদিন আগে আমাদের পুকুরেও অনেক মাছ মারা গিয়েছে। আমরা তো ভাবছিলাম পুকুরের জল কমে যাওয়ার কারণে কিংবা এত রোদের তাপ সেই কারণেই মাছগুলো মারা গেছে। আমাদের পুকুরে ঠিকমতো পরিচর্যা করা হয় না। এত কষ্ট করে পুকুরে মাছ চাষ করে যদি মাছ মারা যায় সত্যি খুব খারাপ লাগে।
"খুবই দুঃখজনক ঘটনা, অক্সিজেনের অভাবে মাছ মারা যাচ্ছে—আপনার পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম। আমি মনে করি, যারা মাছ চাষ করেন, তাদের সাথে পরামর্শ নেওয়া উচিত। এতে সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।"
বেশ কয়েক মাস আগে আমাদের ধানমন্ডি লেকে সব মাছ মরে ভেসে উঠেছিল। তখন ইটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছিল। কেউ বলেছিলো ইচ্ছে করে বিষ দিয়ে মেরেছে ,কেউ কেউ আবার আরো নানানধরণের কারণ দেখিয়েছিলো। ইমখন আমার কাছে মনে হচ্ছে যে ,হয়তো অক্সিজেনের অভাবেই এমনটা হয়েছিল।
আপনাদের পুকুরের মাছ এমন ভাবে মারা যাওয়ার কথা শুনে খুব খারাপ লাগলো। কারণ একটা পুকুরের মাছ পালনের সাথে অনেক কোস্ট ও সপ্ন জড়িয়ে থাকে।
Dear sir,
@memamun
Thank you very much for your valuable support. Many prayers and prayers for you.💐
আপনার ফটোগ্রাফি দেখেই মনে হচ্ছে ছোট ছোট মাছগুলো মরে যাচ্ছে আসলে মাছ মরে পানির উপর ভেসে উঠতেছে তাই প্রতিবেশী গুলোকে আপনি যতই বকাবকি করেন না কেন তারা সবাই মিলে এসে মাছ ধরে নেয়ার চেষ্টা করছে। তৃতীয় দিনের তুলনায় চতুর্থ দিন আপনাদের মাছ খুব কম মরেছে যেটা জানতে পেরে ভালো লাগলো চিন্তা করবেন না খুব দ্রুত সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।