ছোট ভাইয়ের শুভ জন্মদিন
আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। আশা করি সকলেই অনেক ভাল আছেন। আমিও অনেক ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ। আজকে আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি বিষয় নিয়ে চলে আসলাম।
আজকে আমার এক ছোট ভাইয়ের জন্মদিন ছিল। আমরা কয়েকজন মিলে তার জন্মদিন উদযাপন করি। সেই উদযাপনের মুহূর্তগুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি।
আজকে মার্চের ১৮ তারিখ। ছোট ভাই শরিফুল এর জন্মদিন ছিল। তার যে জন্মদিন ছিল সেটা আমরা কেউ জানতাম না। তবে আমাদের সাথে এক বড় ভাই থাকে তিনি তার জন্মদিনের তারিখ জানতো।
তাই তিনি গতকালকে সবাইকে ডাকে এবং শরিফুলের জন্মদিন উদযাপনের প্লান করে। শরিফুলকে আমাদের মিটিংয়ে ডাকা হয়। আর তার কাছ থেকে একটা মোটা অংকের অ্যামাউন্ট চার্চ করা হয়।
এমাউন্টের কথা শুনে সে তো মাথায় হাত দেয়। তবে সবার চাপাচাপিতে অবশেষে টাকা দিতে রাজি হয়ে যায়। এরপর সবাই মিলে বিরিয়ানি রান্না করার প্লান করি। শরিফুলকে বাদ দিয়ে আমরা বাকি সবাই কেক নিয়ে আসার জন্য টাকা দেই।
এরপর আমরা যার যার টাইম মতো আজকে সকালে ডিউটিতে চলে যাই। ডিউটি থেকে বাসায় ফিরে আসি বিকেল চারটার সময়। ডিউটি করে এসে আর রান্নাবান্না করার মত এনার্জি থাকে না। তাই বড় ভাই বলল যে বিরিয়ানি পার্সেল নিয়ে আসার জন্য।
এরপর আমার আরেক কাছের বড় ভাই ওলিপুর বাজারে গিয়ে সবার জন্য গরুর মাংসের বিরিয়ানি নিয়ে আসে। সাথে কেক, বেলুন আরও অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে আসে।
এরপর আমরা সবাই মিলে ইফতারির নাস্তা রেডি করি। আজান হয়ে গেলে সবাই মিলে একসাথে ইফতারি শেষ করি। ইফতারি শেষ হয়ে গেলে আমরা নামাজ পড়ে আসি।
এরপর কেক কাটার জন্য প্রস্তুতি নেই। এরপর সবাই মিলে বেলুন ফুলাই এবং বেলুনগুলো টাঙিয়ে দেই সুতা দিয়ে। বেলুন টাঙ্গাতে টাঙ্গাতে আমরা সবাই মিলে বিভিন্ন রকম মোজ মাস্তিতে মেতে উঠি।
এরপর টেবিল সেট করে নেই এবং টেবিলের উপরে কেক আনবক্স করি। কেকটা অনেক সুন্দর দেখতে ছিল। কেকটা দেখেই আমার খেতে ইচ্ছে করছিল কিন্তু কেক কাটার আগে তো আর খাওয়া যাবে না। তাই নিজেকে একটু কন্ট্রোল করলাম।
এরপর কেক কাটা হলো। আমরা সবাই হাততালি দিয়ে শরিফুলকে তার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালাম। সে সবাইকে কেক কেটে কেটে খাইয়ে দিল। আবার সবাই এক এক করে তাকে কেক খাইয়ে দিল।
অনেক আনন্দমণ্ডিত সময় ছিল সেটি। দেখতে অনেক ভালই লাগছিল। আমরা সবাই মিলে অর্ধেক কেক খাইলাম। আর বাকি অর্ধেক কেক বাড়িওয়ালার বাড়িতে দিয়ে আসলাম।
এরপর আমরা যে বিরিয়ানির পার্সেল নিয়ে এসেছিলাম সেটি একজন একটি করে নেই। একসাথে বসে সবাই মিলে খেতে থাকি। বিরিয়ানী টা অনেক মজাদার হয়েছিল।
বিরিয়ানি খেতে খেতে সবাই মজা করছিল আর বলছিল শরিফুলের যেন তাড়াতাড়ি বিয়ে হয়ে যায়। সবাই হাসি মস্করায় মেতে ওঠে। আমাদের খাওয়া দাওয়া শেষ হয়।
এরপর আমরা জাকারিয়াকে ধরে দই খাওয়ার আবদার করি। সে প্রথমে রাজি না হলেও সবার চাপাচাপিতে রাজি হয়ে গেল এবং সে দই নিয়ে আসলো। আমরা সবাই মিলে খাওয়া-দাওয়া শেষ করলাম।
আসলে আমরা যারা চাকরি করি তারা সব সময় একঘেয়েমি জীবন যাপনে অভ্যস্ত থাকে। আর একঘেয়েমি জীবন যাপন একদমই ভালো নয়। তাই আমরা সবাই মিলে একটু মজ-মস্তি করি মাঝেমধ্যে। এটিও ছিল তারই অংশ।
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার পোস্টটি পড়ার জন্য। পরবর্তী পোস্টে আবার কথা হবে সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ।
শরিফুল ভাইকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। আশা করি ওনার আগামী দিনের পথ চলা অনেক বেশি সুন্দর হবে। আসলে বড় ভাই ছোট ভাই বন্ধু-বান্ধব সবাই মিলে, এই দিনগুলোকে অনেক ভালোভাবে মনে রাখে এবং উদযাপন করে।আপনারা ঠিক তাই করেছেন। তবে জাকারিয়া ভাইয়ের কাছ থেকে দই আদায় করে নিয়েছেন, জানতে পেরে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে কাটানো আনন্দঘন মুহূর্তটা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর কমেন্ট করার জন্য
ভাই দারুণ একটি মহুর্ত আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। জন্মদিন যে কারোর কাছে বিশেষ কিছু। কেননা এই দিন সে পৃথিবীতে এসেছিলো। আপনি আপনার ছোট ভাইয়ের জন্মদিন বেশ ঘটা করে পালন করেছেন। সকলে মিলে বিরিয়ানি খেয়েছেন এবং কেক কেটেছেন। সব মিলিয়ে সময়টুকু দারুণ উপভোগ করেছেন। ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ ভাই আপনি এত সুন্দর ভাবে কমেন্ট করে বলার জন্য 🌹
শুভ জন্মদিন আপনার ছোট ভাইয়ের জন্য ৷ আসলে শুভ জন্মদিন পালন করা একটি আনন্দের বিষয় এই দিনটি কে আমরা অনেকে উৎযাপন করে থাকি ৷ তারপর দেখলাম অনেক কিছু খাওয়ার দাওয়ার আয়োজন করেছেন ৷
যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
ধন্যবাদ ভাইয়া
প্রথমে আপনার ছোট ভাইয়ের জন্য এগুলো অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সামনের পথ চলা গুলো তার জীবনে সহজ হয়ে যাক। এই প্রার্থনাই করছি বন্ধু-বান্ধবদের মিলে খুব সুন্দর একটি সময় কেটেছে আপনার ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপু আমাকে ও আমার ছোট ভাইকে কে দোয়া ও আশীর্বাদ জন্য ।সামনের দিনগুলো যাতে আপনাদের সাথে একসাথে থাকতে পারি।