"বেকারত্ব জীবন খুবই ভয়ানক"
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। কেমন আছেন বন্ধুরা আশা করি ভালো আছেন সুস্থ আছেন।
আজকে একটি সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে হাজির হয়েছি বিষয়টি সবাই একসাথে পরিচিত। বিষয়টি হলো।বেকারত্ব জীবন খুবই ভয়ানক ।
আমরা চাই বা না চাই একাডেমি বা পড়াশোনা শেষ হওয়ার কোন মুহূর্তে থেকেই আমাদের সমাজে তিন অক্ষরের নতুন একটি পরিচয় দেই মানুষজন যারা এই নামটাকে বেকার বলে আখ্যায়িত করে।
যারা পড়াশোনা করে তা শেষ করে কোনদিন বেকার থাকে না যেকোনো কাজ করতেই থাকে। পড়াশোনার সাথে মূল্যায়ন পাওয়ার জন্য এরকম চাকরি খুব কম পাওয়া যায়।
মূল কথা যারা কখনো বা কোনদিন বেকার থাকে নাই তারা বুঝতে পারবে না বেকারত্ব মানুষের কতটা কষ্ট বা জ্বালা-যন্ত্রণা ভিতরে,
বেকার মানুষদের সাথে কাছের মানুষ থেকে শুরু করে দূরের মানুষ পর্যন্ত কথাবার্তা আচরণে বুঝিয়ে দেয় বেকাররা কখনো মানুষ না, দূরের মানুষ কথা বললাম কথাটা গায়ে বা মনে রাখেনা। আত্মীয়-স্বজন বা কিছু কাছের লোক থেকে বেশি কষ্ট অনুভব করে।
সমাজে আশেপাশে বাসা বাড়ি থেকে পাড়া প্রতিবেশী এসে বেকার পরিবারকে অপমান করতে বেশি পারদর্শী হয়।
উদাহরণস্বরূপ: বেকার মা-বাবাকে এসে বলবে পাশের বাসার বা প্রতিবেশী বাড়িতে এসে বলে আমার চাচাতো ভাইয়ের বা মামাতো ভাইয়ের ছেলেটা খুবই ভালো ভালো পরীক্ষা দিয়েছে এখন বিসিএস ক্যাডার হয়ে গেছে। বা ভালো কোন সরকারি চাকরি পেয়েছে ব্যাংক কে চাকরি পেয়েছে এরকম কিছু কথা কিছু বলে।
তার ছেলে কি হয়েছে সেটা এসে বলে না। আমি যখন পাশের রুম থেকে শুনতে পাই,আমার মনে হয় এই মহিলা গুলোকে আমি যদি পেতাম গাড়ির নিচে ফেলে দিয়ে, মেরে ফেলতাম। আবার মনে হয় মানুষ মারা তার থেকে পাপ কাজ তাই আর মারা হয়ে, উঠে নাই।
যাদের সাথে আমরা পড়াশোনা করতাম একসাথে খেলাধুলা করতাম চলাফেরা করতাম। তারা যখন চাকরি পেয়ে যাই তারপরে যে বেকার থাকে। তাকে অচেনা মানুষের মতন নির্যাতন করে। তাদের পরামর্শ বা উপদেশ দিতে একদমই ছাড়ে না।
লেখাপড়ার শেষ করার পর একটি ছেলের পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুখ হল একটি চাকরি। চাকরি থাকলে সবাই তাকে কথার গুরুত্ব দেয়। তাকে অনেক সম্মান ও পাওয়া যায়।
দুঃখজনক বিষয় হলো বেকার মানুষদের যেরকম কোন অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিতে কেউ এগিয়ে আসে না কেউ দাওয়াত দেয় না যেরকম জন্মদিন বিবাহ বার্ষিকী বিয়েতে ইত্যাদি বাড়ির বাইরে থাকা বেকারদের নিমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা সেটা নিয়ম তারা বিশাল দ্বিধা দ্বন্দ্বে থাকে।
তারা মনে করে এদেরকে যদি আমরা নিমন্ত্রণ পাঠাই বা দিই তাহলে সেটার তাদের লস আইটেম। সমাজের অনেক মানুষ আছে শিক্ষিত লোক এই নিমন্ত্রণ জানান সেফ লজ্জার কারণে। যদিও সেই বেকার মানুষ দাওয়াত উপস্থিত হয় তাহলে তার ভালো আপ্যায়ন হয় না ।
ওই দাওয়াতেই কোন পরিচিত লোক বেশি দেখা হয় তাহলে জিজ্ঞেস করে কি অবস্থা তোমার দিনকাল কেমন চলতেছে চাকরি-বাকরি কি কর। যদি উত্তরে না হয় তাহলে হিমালয়ের পাহাড় মত পরামর্শ দিতে থাকে। শেষ পর্যন্ত পরামর্শদাতা বিরক্ত হয়ে চলে যায়। বেকার মানুষের কিছু করার থাকেনা। শেষ পর্যন্ত বলে যাই মা-বাবাকে আর কত কষ্ট দিবা একটা চাকরি বাকরি কর তাদেরকে পরিবারের সহায়তা কর ।
আজকে পর্যন্ত সকাল ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সাবধানে থাকবেন আল্লাহ হাফেজ
আপনাদের বাংলাদেশের সমস্যাটা খুবই প্রচুর পরিমাণে। তবে একটা চাকরি আমাদের জীবনকে মুক্তি দিতে পারে না। আমাদের কিছু পথ অবলম্বন করতে হবে যে পথের মাধ্যমে আমরা জীবনকে পরিচালিত করতে পারব। সুন্দর লেখাটি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য কোন অসংখ্য ধন্যবাদ।
কোথায় আছে বেকারের চাইতে বেকার ভালো।। বেকার যেন এক অভিশপ্ত যেটা মানুষকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়।। বর্তমান সমাজে বলা যেতে পারে বেকার মানুষের কোন মূল্য নেই তাদের কেউই পছন্দ করে না পরিবার থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজন সবার কাছে একটা ঝামেলা মনে হয়।।