মৃত্যুকে স্মরণ করুন! পরকালীন প্রস্তুতি গ্রহণ করুন!
আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন, আমি আজ আপনাদের মাঝে ভিন্ন ধর্মীয় মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারা নিয়ে একটা পোস্ট শেয়ার করবো,, লেখাগুলো হাদিস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ থেকে সংগ্রহ করা। আশা করি সবার ভালো লাগবে।
মৃত্যুকে স্মরণ করুন! পরকালীন প্রস্তুতি গ্রহণ করুন!
তুমি দুনিয়াতে বসবাস কর যেন তুমি একজন আগন্তুক বা একজন মুসাফির। ইবনু ওমর (রাঃ) বলতেন, যখন তুমি সন্ধ্যা করবে, তখন আর সকালের অপেক্ষা করো না। যখন সকাল করবে,তখন আর সন্ধ্যার অপেক্ষা করো না। তুমি তোমার অসুস্থতার পূর্বে সুস্থতাকে এবং মৃত্যুর পূর্বে জীবনকে কাজে লাগাও।
রাসুলুল্লাহ( ছাঃ) বলেন, পাঁচটি বস্তুর পূর্বে পাঁচটি বস্তুকে গনীমত (সম্পদ) মনে কর।
১. বার্ধক্য আসার পূর্বে যৌবনকে।
২.পীড়িত হওয়ার পূর্বে সুস্থতাকে।
৩.দারিদ্রতার পূর্বে সচ্ছলতা কে
৪.ব্যস্ততার পূর্বে অবসর সময়কে এবং
৫.মৃত্যুর পূর্বে জীবনকে।
হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা কর ও আমাদের দোষ ত্রটিসমূহ মার্জনা কর এবং আমাদেরকে সৎকর্মশীলদের দলভুক্ত করে মৃত্যুদান কর
যারা মৃত্যুকে সবচেয়ে বেশি স্মরণ করে এবং পরবর্তী জীবনের জন্য সর্বাধিক সুন্দর প্রস্তুতি করে, তারাই হল বিচক্ষণ।
প্রত্যেক প্রানী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে এবং ক্বিয়ামতের দিন তোমরা পূর্ন বদলা প্রাপ্ত হবে। অতঃপর যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই সফলকাম হবে।বস্তুত পার্থিব জীবন প্রতারণার বস্তু ছাড়া কিছুই নয়।
আমরা মরণশীল। আল্লাহর হুকুমে আমাদের জন্ম।আল্লাহর হুকুমেই আমাদের মৃত্যু। অতঃপর তার নিকটে আমাদের কর্মজীবনের পূর্ণ হিসাবে পেশ করতে হবে। হিসাবে শেষে জান্নাত বা জাহান্নাম নির্ধারণ হবে। যদি গন্তব্য হয় জান্নাত, তবে সেখানেই হবে আমাদের চিরশান্তির আবাসস্থল। আর জাহান্নাম হলে ভোগ করতে হবে কঠিন তম শাস্তি। যার কোন সীমা পরিসীমা নেই। দুনিয়ার এই মিছে মায়ায় আমরা পরকালের ভুলে যাই। অথচ যে কোন মুহূর্তে চোখ বন্ধ হওয়া মাএই আমাদের সেখানে যেতে হবে। কোনকিছুই আমাদেরকে এই পৃথিবীতে ধরে রাখতে পারবে না।তাই মৃত্যুকে সর্বদা স্মরণ রাখা এবং পরকালের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা আমাদের জন্য অবশ্য কর্তব্য।
রাসূলুল্লাহ( ছাঃ) বলেন, যদি কেউ তার ভাইয়ের সম্মানহানি করে বা অন্য কোন বস্তু ব্যাপারে তার প্রতি যুলুম করে,তবে সে যেন আজই তা মিটিয়ে নেয়, সেদিন আসার আগে, যেদিন কোন দীনার ও দিনহাম তার সম্গে থাকবে না। সেদিন যদি তার কোন নেক আমল থাকে, তবে তার যুলুম পরিমাণ নেকী সেখানে থেকে নিয়ে নেওয়া হবে। আর যদি তার কাছে নেকী না থাকে, তবে মযলুম ব্যাক্তির পাপসমূহ তার উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে।
যেখানেই তোমরা থাক না কেন, মৃত্যু তোমাদের পাকড়াও করবেই। এমনকি যদি তোমরা সুদৃঢ় দুর্গের অবস্থান কর।
আমরা বার বার মৃত্যুকে স্মরণ করবো,, জন্ম যখন নিয়েছি, মৃত্যু একদিন অবধারিত হবে। অসৎ কাজ থেকে নিজেদের কে দূরে রাখবো অন্য মানুষকে নিয়ে সমালোচনা করবো না। গীবত থেকে দূরে থাকবো।
আজকের মতো এখানে শেষ করছি ভুল ত্রুটির হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন। সবার জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইল। আল্লাহ হাফেজ।
মৃত্যুকে স্মরণ করার মাধ্যমে আমরা নিজেকে সঠিক পথে নিয়ে আসতে পারি। সকলকেই মৃত্যুবরণ করতে হবে । এজন্য পরবর্তী জীবনের জন্য পূর্ববর্তী পরিকল্পনা অর্থাৎ নিজের আমলকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে চলতে পারা উত্তম কাজ।
একজন মুসলিম হিসেবে একটা চমৎকার বিষয় নিয়ে লিখেছেন আমাদেরকে। মৃত্যুর সময়টাতো অবশ্যই বার বার স্মরণ করতেই হবে। আর এর জন্য আমাদেরকে প্রস্তুতিও নিতে হবে। এত সুন্দর করে এই বিষয়ে লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
প্রত্যেক প্রানীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। এটা চিরন্তন সত্য কথা। আর এই মৃত্যুর কথা যত বেশি স্মরণ করা যাবে আত্মা ততোবেশি পরিশুদ্ধ হবে। লোভ লালসা মোহ কমে যাবে।
ধন্যবাদ সুন্দর বিষয় নিয়ে চমৎকার লেখনী উপহার দেয়ার জন্যে।
ধন্যবাদ আপনি খুব চমৎকার একটি বিষয় নিয়ে আমাদের সাথে আলোচনা করেছেন। মানুষ হলো মরণশীল কেউ এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারবে না এক এক করে সবারই চলে যেতে হবে। প্রত্যেক মানুষকে মৃত্যুকে গ্রহণ করে নিতে হবে। মৃত্যুর সময়টাকে বারবার স্মরণ করে নিতে হবে এবং এর যেন প্রস্তুতি থাকতে হবে। ধন্যবাদ ভাইকে খুব সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে আমাদের সাথে আলোচনা করলেন।
আপনি অনেক সুন্দর এবং বাস্তবধর্মী লেখনি লিখেছেন। মানুষ মরণশীল আমাদেরকে একদিন অবশ্যই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হবে অর্থাৎ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। মৃত্যুর পর আমাদেরকে মহান আল্লাহ তায়ালার সামনে দাঁড়াতে হবে হিসাব দিতে হবে। তাই আমাদের মৃত্যুর আগেই ঈমান আমল সংগ্রহ করে নিয়ে যেতে হবে। আপনি আপনার পোস্টে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে বলেছেন যেমন ঃবার্ধক্য আসার পূর্বে যৌবনকে,পীড়িত হওয়ার পূর্বে সুস্থতাকে,দারিদ্রতার পূর্বে সচ্ছলতা কে,ব্যস্ততার পূর্বে অবসর সময়কে এবং
মৃত্যুর পূর্বে জীবনকে। এগুলো চির সত্য কথা।
আপনার প্রতি শুভকামনা ও দোয়া রইল।
ঠিক বলেছেন আপু জন্ম যেহেতু নিয়েছি মৃত্যু আমাদের অবধারিত আর এই মৃত্যু থেকে বেঁচে ফেরার কোন উপায়ে নেই ৷ আর আমাদের পরকালের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে কারন আমরা বেঁচে থেকে কি কর্ম করলাম তার হিসেব আমাদের অবশ্যই দিতে হবে ৷
যাই হোক আপু আপনার পোস্ট টি পড়ে খুবই ভালো লাগলো ৷ ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
আপনি অনেক সুন্দর একটি বিষয়ে আলোচনা করেছেন, আসলে মানুষ মরণশীল তাই মানব জাতি এবং জ্বীন জাতিকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতেই হবে।
আপনি পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করেছেন অবশ্যই বার্ধক্য আসার পূর্বে আমাদের যৌবন কালকে সৎ কাজে ব্যয় করতে হবে, তাছাড়া যৌবনকাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।
আর অসুস্থতার পূর্বে সুস্থতার নেয়ামতের সঠিক ব্যবহার করতে হবে, কেননা অসুস্থ হলে বোঝা যায় সুস্থতা কি নিয়ামত।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে আপনার এই কথাগুলো বুঝে আমল করার তৌফিক দান করুন আমিন।
ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন, আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
অনেক সুন্দর একটি লেখা এবং বেশ কিছু সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আপনার পোস্টের মাধ্যমে দেখতে পেলাম যা দেখে অনেক ভালো লাগছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য ভালো এবং সুস্থ থাকবেন এবং আরো ভালো ভালো ফটোগ্রাফি আপনার পোস্টের মাধ্যমে দেখতে পাবো এই আশা রইল।