বকুল পিঠার রেসিপি।
আমার গত পরশুদিনের ডায়েরি গেম পোস্টে আমি একটি পিঠার ছবি শেয়ার করেছিলাম।আর পিঠা টার নাম আপনাদের আন্দাজ করতে বলছিলাম।
[Photo Edited by Canva]
আর আজকে আমি সেই পিঠার রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।তা আগে বলে নেই পিঠার নাম ছিল বকুল পিঠা।বকুল পিঠা বানানো একদম ই সহজ এবং খেতেও ভিষণ সুস্বাদু। তাহলে চলুন শুরু করি।
বকুল পিঠার রেসিপি |
|---|
পিঠা তৈরির উপকরণ এবং পরিমাণ সমূহ |
|---|
| চালের গুড়া | এক কাপ |
|---|---|
| ময়দা | হাফ কাপ |
| খেজুরের গুড় | হাফ কাপ |
| নারিকেল কোঁড়া | হাফ কাপ |
| গুড়া দুধ | চার চামচ |
| গরুর দুধ | দেড় লিটার |
| গরম মসলা | পরিমাণ মতো |
| লবণ | স্বাদ মতো |
| তেল | পরিমাণ মতো |
প্রথম ধাপ
একটি পাত্রে পরিমাণ মতো চালের গুড়া ও তার অর্ধেক পরিমাণ ময়দা,স্বাদমতো লবণ দিয়ে সব ভালো মতো করে মিশিয়ে নিতে হবে।
এরপরে পরিমাণ মতো পানি অল্প অল্প করে মিশিয়ে একটা গোলা তৈরি করে নিতে হবে।গোলাটা অনেকটা বেসনের গোলার মতো করে গুলতে হবে।বেশি পাতলাও না আবার বেশি ঘনও করা যাবে না।
দ্বিতীয় ধাপ
দেড় লিটার দুধ ভালো করে জ্বাল করে নিতে হবে।বেশি ঘন করার কোনো প্রয়োজন নেই।
একটি পাত্রে পরিমাণ মতো খেজুরের গুড় জ্বাল করে গলিয়ে নিতে হবে।এবং সাথে কিছু গরম মসলা দিয়ে জ্বাল করে নিবো।এবং গুড় একটু ঠান্ডা হয়ে এলে দুধের সাথে মিশিয়ে নিতে হবে।
তৃতীয় ধাপ
একটি পাত্রে পরিমাণ মতো নারকেল কোঁড়া, দুধ,খেজুরের গুড়, গুড়া দুধ ও লবন দিয়ে সব একত্রে মিশিয়ে জ্বাল করে নিতে হবে।
এবং একটু আঠালো হয়ে আসা পর্যন্ত জ্বাল করে নিতে হবে।
চতুর্থ ধাপ
পাক দেওয়া নারিকেল গুলো একটু ঠান্ডা হয়ে এলে,হাতের তালুতে নিয়ে আলুর চপের মতো করে গোল গোল শেপ দিয়ে নিতে হবে।
পন্ঞ্চম ধাপ
গোল করে রাখা নারিকেল গুলো চালের গুড়ার গোলার মধ্যে ডুবিয়ে নিতে হবে।
এবং একটি পাত্রে পরিমাণ মতো তেল গরম করে পিঠা গুলো ডুবো তেলে ভেজে নিতে হবে।তবে পিঠা গুলো খুব বেশি কড়া করে ভাজার দরকার নেই।
এভাবে এক এক করে সব গুলো পিঠা ভেজে নিতে হবে।
ষষ্ঠ ধাপ
ভেজে রাখা পিঠা গুলো এখন জ্বাল করে রাখা দুধের মধ্যে ভিজিয়ে দিতে হবে। এবং সব গুলো পিঠা দুধে ভিজানোর পরে প্রায় দশ মিনিটের মতো মাঝারি আঁচে পিঠা গুলো রান্না করতে হবে।
ব্যাস আমার বকুল পিঠা তৈরি হয়ে গিয়েছে।
এবার পিঠা গুলো ঠান্ডা হলে পরিবেশন করেছি।পিঠা গুলোর স্বাদ অনেক মজাদার ছিলো।আপনারাও একবার এই পিঠা তৈরি করে দেখবেন আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে।
যে কোনো পিঠা যদি রাতে বানিয়ে সকালে খাওয়া যায় তাহলে সব থেকে বেশি মজা লাগে খেতে।
বকুল পিঠা কখনো খাই নাই আমি। তবে এধরণের একটা পিঠা খেয়েছি আমি এধরনের একটা পিঠা খেয়েছি সেটা অনেকটা দুধ পুলি পিঠার মতোই কিন্তু ভেতরে নারিকেল দেয়। অবশ্য নাম আমি ভুলে গেছি সেটার।
ভালো লাগলো আপনার এই পিঠার রেসেপি। আপনার এই রেসেপি ফলো করে সহজেই পিঠা বানিয়ে খেতে পারবে সবাই।
ভালো থাকবেন সবসময় এই শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
শীতের সময় যেকোন পিঠা খেতেই অনেক বেশি মজা লাগে।। আর বকুল পিঠার নাম এই প্রথম শুনলাম আর কিভাবে তৈরি করতে হয় সেটা শিখে নিলাম।।
ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি পিঠার রেসিপি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।।
বকুল পিঠার নাম আমি প্রথম শুনলাম। আপনি খুব সুন্দরভাবে বকুল পিঠার রেসিপিটা উপস্থাপন করেছেন। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।।
বাহ : খুব সুন্দর ভাবে বকুল পিঠার রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। এবং এতে কি কি দিতে হয় কি কি প্রয়োজন হয় তাও খুব সুন্দরভাবে ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দিলেন। খেজুরের রস দিয়ে বকুল পিঠা বানিয়েছেন খুব লোভনীয় হচ্ছে। থ্যাঙ্ক ইউ খুব সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করলেন।
বকুল পিঠার রেসিপি আগে একবারো দেখা হয় নি আজকে প্রথম আপনার পোস্ট পড়ে দেখতে পেলাম বকুল পিঠার রেসিপি ৷ বেশ পদ্ধতিতে বকুল পিঠার রেসিপি তৈরি করেছেন বেশ ভালো লাগলো ৷
ধন্যবাদ আপনাকে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷ 🧡
পরসু দিন ভেবেছিলাম কুমড়া বড়ি, কিন্ত্য এটা যে বকুল পিঠা তাই ভাবিও নাই, ভাববো বা কেমন করে, জীবনে প্রথম এই পিঠা দেখলাম। খুব সুন্দর করে এই পিঠার রেসিপি দিয়েছেন, আমি কোন একদিন বানানোর চেষ্টা করবো।