আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি
আমেরিকান অঞ্চলের জোট হলো Organization of American States (OAS). এর সদর দপ্তর হলো ওয়াশিংটন ডিসি। এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৮ সাল। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩৫টি।
স্নায়ু যুদ্ধকালীন দুই পরাশক্তির বহুমাত্রিক জোটের অন্তর্ভুক্তি পরিহার করে জন্ম হয়েছিল ন্যাম (NAM)। ১৯৬১ সালে তৎকালীন যুগোস্লাভিয়া বেলগ্রেডে প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে ন্যাম (NAM) এর জন্ম হয়। সংস্থাটির কোন সদর দপ্তর নেই
G-77 এর পূর্ণরূপ Group of seventy-seven. এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ জুন, ১৯৬৪ সালে। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৩৪। এটি প্রতিষ্ঠা করে জাতিসংঘের বাণিজ্য সংস্থা UNCTAD এবং ECOSOC। G–77 এর কোন সাংগঠনিক কাঠামো বা সদর দপ্তর নেই। G–77 ত্যাগকারী দেশ হলো নিউজিল্যান্ড (১৯৭৩), মেক্সিকো (১৯৯৪), দ. কোরিয়া (১৯৯৬), পালাউ (২০০৪), মাল্টা (২০০৪), সাইপ্রাস (২০০৪) ও রোমানিয়া (২০০৭)।
জেরুজালেমে অবস্থিত মুসলমানদের প্রথম কেবলা পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ইহুদিরা অগ্নি সংযোগ করলে তার প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও সর্বোপরি মুসলিম বিশ্বকে একত্র করার জন্য ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরে মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) গঠিত হয়। সৌদি আরবের জেদ্দায় সদর দপ্তরভিত্তিক সংস্থাটির দাপ্তরিক ভাষা আরবি, ইংরেজি ও ফরাসি। ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা বা Organization of the Islamic Co-operation (OIC) হলো বিশ্বের মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর সংগঠন। ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার মূল সনদ গৃহীত হয় ১৯৭২ সালে। ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করেন। এ শীর্ষ সম্মেলনেই বাংলাদেশ OIC এর ৩২তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতার আলোকে ১৪ মার্চ, ২০০৮ OIC’র ১১তম শীর্ষ সম্মেলনে মূল সনদের কিছু পরিবর্তন ও পরিমার্জন করে নতুন সনদ গৃহীত হয়। ৩৯টি অনুচ্ছেদ বিশিষ্ট OIC এর নতুন সনদের উল্লেখযোগ্য কিছু ধারা:
১. সদস্য দেশের জাতিসংঘের সদস্য পদ থাকতে হবে এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হতে হবে।
২. OIC'র অঙ্গ সংগঠন হবে ১১টি।
৩. ইসলামিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ত্রিবার্ষিক।
৪. পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাউন্সিলর অধিবেশন হবে প্রতিবছর।
৫. মহাসচিব পদের মেয়াদ ৫ বছর।
৬. সংস্থার অফিশিয়াল ভাষা হবে আরবি, ইংরেজি ও ফরাসি।
৭. জেরুজালেম ইসরাইল মুক্ত হলে সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে স্থানান্তরিত হবে ‘আল কুদস’ শহর অর্থাৎ জেরুজালেমে।
মার্লবোরো হাউজ হলো সেন্ট্রাল লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টার নগরীতে অবস্থিত গ্রেড ওয়ান তালিকাভুক্ত প্রাসাদ। বর্তমানে এটিতে কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট অবস্থিত। মার্লবোরো হাউজের অপর নাম পলমল। অন্যদিকে হোয়াইট হাউজ ওয়াশিংটনে অবস্থিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসবভন এবং বাকিংহাম প্রাসাদ লন্ডনে অবস্থিত ইংল্যান্ডের রানীর বাসভবন। বাংলাদেশ সর্বসম্মতিক্রমে ২০২২-২০২৪ মেয়াদের জন্য কমনওয়েলথ বোর্ড অব গভর্নরদের নির্বাহী কমিটির (এক্সকো) সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। এই কার্যনির্বাহী কমিটিতের সদস্য সংখ্যা ১৬। যার আটটি সর্বোচ্চ অবদানকারী সদস্য রাষ্ট্র। বাকি আটটি সদস্য রাষ্ট্র নির্বাচন করা হয় ভিন্ন চারটি অঞ্চল থেকে।
Commonwealth of Independent States প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯১ সালে। এর সদর দপ্তর মিনস্ক। প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি এবং বর্তমান সদস্য ০৯টি। আজারবাইজান, বেলারুশ, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, আর্মেনিয়া, মলদোভা ও জর্জিয়া।