ডাই পোস্টঃদাদা-বৌদির বিবাহ বাষিকী উপলক্ষ্যে তৈরি শুভেচ্ছা কার্ড ।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি ভালো আছেন।প্রত্যাশা করি সবসময় যেনো ভালো থাকেন। আজ ১৯শে অগ্রহায়ণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,হেমন্তকাল। ৪ঠা ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ,।
বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগে নিয়মিত ব্লগিংয়ে আজ হাজির হয়েছি নতুন আর একটি পোস্ট নিয়ে। আজ দাদা বৌদির বিশেষ একটি দিনে। আজ দাদা-বৌদির বিবাহ বার্ষিকী। এই দিনে আমাদের প্রিয় দাদা ও বৌদিকে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।খুব ভালো থাকেন একে অপরের সঙ্গি হয়ে চিরকাল এই কামনা করি।প্রতি বছর এই দিনটি বার বার ফিরে আসুক। খুব ভালো থাকুক দু'জনে হাঁসি আনন্দে । দাদা বৌদির এই দিনে তাদের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য বানালাম একটি শুভেচ্ছা কার্ড।সেই শুভেচ্ছা কার্ড বানানোর পদ্ধতি আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশাকরি ভালো লাগবে আপনাদের। শুভেচ্ছা কার্ডটি বানাতে আমি ব্যবহার করেছি রঙ্গিন কাগজ ও জেল পেন সহ আরও কিছু উপকরণ। তাহলে চলুন দেখে নেই শুভেচ্ছা কার্ড তৈরির বিভিন্ন ধাপ সমূহ। আশাকরি আজকের ডাই পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে।
উপকরণ
১।রঙ্গিন কাগজ
২।গাম
৩।কাঁচি
৪।বিভিন্ন রং এর জেল পেন
৫।সোনালী ফিতা
৬।কালো রং এর ক্লে
কার্ড তৈরির ধাপ সমুহ
ধাপ-১
প্রথমে সবুজ রং এর কাগজ চিকন করে নিয়েছি। কেটে নেয়া কাগজ প্যাচিয়ে কাঠির মতো বানিয়ে নিয়েছি। প্যাচানো কাগজের মধ্যে গাম দিয়ে সোনালী ফিতে প্যাচিয়ে নিয়েছি। একইভাবে দু'টো বানিয়ে নিয়েছি।
ধাপ-২
দু'রং এর কাগজ দিয়ে দু'সাইজের দু'টো প্রজাপতি এঁকে নিয়েছি। লাল রং এর সাইন পেন দিয়ে প্রজাপতির উপর কিছু ডিজাইন এঁকে নিয়েছি। এবার গাম দিয়ে একটির উপর অন্যটি গাম দিয়ে লাগিয়ে নিয়েছি।
ধাপ-৩
এবার কালো রং এর ক্লে দিয়ে প্রজাপতির শরীর বানিয়ে তা প্রজাপতির উপর গাম দিয়ে লাগিয়ে দিয়েছি।
ধাপ-৪
এবার সবুজ রং এর কাগজ চিকন করে কেটে ভাঁজ করে নিয়েছি। ভাঁজ করা কাগজ রিং করে প্রজাপতির পিছনে রিং করে লাগিয়ে দিয়েছি।
ধাপ-৫
এবার গোলাপী রং এর এক টুকরো কাগজ কেটে নিয়েছি। এবং আরেক টুকরো সবুজ রং এর কাগজ ছোট করে কেটে নিয়েছি। গোলাপী রং এর কাগজের উপর সবুজ রং এর কাগজ গাম দিয়ে লাগিয়ে নিয়েছি। এবং সাদা জেল পেন দিয়ে কাগজের উপর কিছু ডিজাইন এঁকে নিয়েছি।
ধাপ-৬
এবার লাল রং এর জেল পেন দিয়ে দাদা বৌদিকে বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা লিখে দিয়েছি। এবং দু'পাশে কাগজ প্যাচিয়ে বানানো কাঠি দু'টো লাগিয়ে নিয়েছি। আর এভাবেই বানিয়ে নিলাম দাদা বৌদির জন্য বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা কার্ডটি।সবশেষে কার্ডটি দু'দিক থেকে প্যাচিয়ে বানানো প্রজাপতির রিং এর মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছি।
উপস্থাপন
আশাকরি আজকে দাদা বৌদির বিবাহ বার্ষিকীর কার্ডটি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমি সব সময় চেষ্টা করি ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ডাই পোস্ট শেয়ার করতে।আবার দেখা হবে নতুন কোন ব্লগ নিয়ে।সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন। শুভ রাত্রি।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | ডাই |
|---|---|
| ক্যামেরা | Samsung A-10 |
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ইং |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্রগ্রাম শহরে। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Daily task
https://x.com/selina_akh/status/1864358791191646377
আমাদের সবার প্রিয় দাদা বৌদির বিবাহ বার্ষিক উপলক্ষ্যে খুব চমৎকার একটা কার্ড তৈরি করেছেন আপনি। আর ভিতরে অনেক সুন্দর করে লেখাটা লিখেছেন। যার কারণে দেখতে খুব সুন্দর লাগছে। রঙিন কাগজ দিয়ে এভাবে কোনো কিছু তৈরি করলে অনেক বেশি সুন্দর হয়। তেমনি আপনার তৈরি করা এই কার্ডটিও সুন্দর হয়েছে।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
দাদা, বৌদির বিবাহ বার্ষিকী নিয়ে কমবেশি সবাই উপহার দিয়েছে। কিন্তু আপনার এই ব্যতিক্রম ধর্মী উপহারটি সত্যি আকর্ষণীয়।
ধন্যবাদ আপু মন্তব্যের জন্য।
প্রতি বছর দাদা,বৌদির জীবনে এই দিনটি ফিরে আসুক। হাসিখুশিতে কাটুক সারাটা জীবন এই কামনা করি।দাদা বৌদির বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে চমৎকার সুন্দর করে কার্ড বানিয়েছেন। দারুণ বানিয়েছেন কার্ডটি।ধাপে ধাপে কার্ড বানানো পদ্ধতি চমৎকার সুন্দর করে আমাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর কার্ড টি বানানো পদ্ধতি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
আমিও চাই এই দিনটি প্রতি বছর ফিরে ফিরে আসে যেন দাদা বৌদির জীবনে। সুখে থাকেন যেনো সারা জীবন। ধন্যবাদ আপু মন্তব্যের জন্য।