জেনারেল রাইটিং :-পশুর ভালোবাসা
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরি করেছি আজকের পোস্ট।
জেনারেল রাইটিং :-পশুর ভালোবাসা
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এসেছি একটা জেনারেল রাইটিং নিয়ে। সপ্তাহে একটি করে জেনারেল রাইটিং লেখার চেষ্টা করি। আসলে আমাদের চারপাশে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা বলে বুঝানো সম্ভব নয়। সত্যি আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ আছে যারা পশুর থেকে ও খারাপ। পশু অবলা প্রাণী তাই বাচ্চাদের বুঝে।কিন্তু মানুষ জ্ঞান সম্পন্ন। তারপরে কিছু কিছু মানুষ আছে পশুর থেকে ও অদম।আমরা কুকুর কে কতো কিছু বলি।তবে সেই কুকুর নিজের জীবন বাজি রেখে কিভাবে একটা বাচ্চাকে বাঁচালো।হয়তো কোন মানুষ এমনটা করতো না।তাহলে চলুন শুরু করি আজকের পোস্ট। আমাদের
আমাদের কয়েক বাড়ির পরে এই বাচ্চাটার বাড়ি, নাম তার আরাফ। বাড়িতে সবার ছোট সেই আরাফ।তার চাচা, চাচি,দাদা, দাদি মানে সবাই তাকে অনেক আদর করে। আবার বাচ্চাটা দেখতে বেশ কিউট। বয়স দুই বছর এর মতো হবে হয়তো। যাইহোক আরাফ দিনের বেশির ভাগ সময় তার চাচা চাচিদের সাথে থাকে।আসলে বাচ্চারা যেখানে ভালোবাসা পায় সেখানেই থাকে।আর আরাফের বাবা মা সব সময় কাজে ব্যস্ত থাকে তাই চাচিদের কাছে থাকে।যাইহোক আরাফদের বাড়িতে একটা কুকুর পোষে।আরাফ যেহেতু ছোট তাই তেমন কিছু বুঝে না।তবে সবাইকে দেখে সে নিজে সব সময় যায় কুকুরকে খাওয়াতে।কুকুর ও তাকে পেলে কিছু বলে না।
এভাবেই তারা প্রতিদিন থাকে এক সাথে। আরাফদের বাড়িতে একটা সমিতি বসে।আমরা অনেকে সেখানের সদস্য। আমি গিয়ে আরাফের সাথে কুকুরকে দেখে বেশ অবাক হয়েছি।তারপর দুটি ফটোগ্রাফি করে নিয়েছি। আমরা আসার পরপর ঘটেছে এমন একটা ঘটনা।আরাফ সমিতির লোকের সাথে সাথে রওনা দিল।মহিলাটি প্রথমে খেয়াল করেনি।আরাফদের বাড়ির সাথেই রাস্তা। আর রাস্তা দিয়ে সব সময় গাড়িঘোড়া চলতে থাকে। মহিলাটি যখন বাইক নিয়ে রওনা দিল তখন আরাফ রাস্তার ওপরে।আর কুকুরটি পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
ইতিমধ্যে একটা অটো প্রায় আরাফের কাছে চলে এসেছে। আর কুকুর তারাতাড়ি গিয়ে আরাফের পাশে দাঁড়িয়েছে।আর আরাফ কুকুরটির পিঠে উঠেছে।আর কুকুর আরাফকে নিয়ে সোজা ওদের বাড়িতে এসেছে। আর অটোওয়ালা এটা দেখে অটো দাঁড় করালোো।এদিকে বাড়ির লোকজন আরাফকে খুঁজতে লাগলো। তারপর আরাফ কুকুরের পিঠ থেকে পড়ে গেল।আসলে আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্য করেন।হয়তো কুকুরের জন্য সেই দিন আরাফ বেঁচে গিয়েছে। আসলে একটি কুকুর ও বাচ্চাদের ভালোবাসা বুঝতে পারে।যা অনেক মানুষ বুঝতে পারেনা।আসলে আমরা যতই সাবধানে থাকি না কেন বিপদ আসলে ঠেকানো মুশকিল। আরাফের এমন ঘটনা শুনে সত্যি অনেক খারাপ লাগলো। আশাকরি আমার লেখাটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
| প্রয়োজনীয় | তথ্য |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | ফরিদ পুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1854869179314188757?t=tVscKG13N0zCIpcTR0O4FA&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আরাফের জন্য সবাই সত্যিই অনেক চিন্তায় পরে গিয়েছিল। তবে পশুরা বাচ্চাদের খুব একটা ক্ষতি করে না। তারা সব সময় বাচ্চাদেরকে নিরাপদে রাখে। আপু আপনার পোস্টের মাধ্যমে অনেক সুন্দর করে এই কথাগুলো তুলে ধরেছেন। পড়ে ভালো লাগলো।
ঠিক বলেছেন আপু পশুরা বাচ্চাদের কোন ক্ষতি করে না, ধন্যবাদ আপনাকে।
পশুদের মন তো আর আমাদের মত জটিল হয় না। তাই ওরা ভালোবাসাটা বেশ ভালই বোঝে। তাছাড়া কুকুর তো প্রভুর ভৃত্য প্রাণী। সেও নিজের ভালোবাসা যার কাছে পায় তাকে বাঁচানোর জন্য সবসময়ই তৎপর। আরাফের জন্য সাময়িক চিন্তা হলেও পরে কুকুরটির কান্ডকলাপ দেখে বেশ ভালই লাগলো।
জি আপু কুকুরটির কান্ডকলাপ দেখে অনেক ভালো লাগলো, ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু আমি তো প্রথমে ভেবেছিলাম ছোট বাচ্চাটি কুকুরটি ছোট থেকে বড় করেছে। কুকুরটি চেয়ে অটোর সামনে থেকে আরাফ কে এভাবে বাঁচিয়ে নিল এটা পড়ে আমার তো কেমন একটা লাগছে। সত্যি আমরা মানুষ হয়ে যেটা পারিনা একটা পশু হয়েও বোঝে সেটা। তবে গ্রাম অঞ্চলে এভাবে কোন বাচ্চাকে কুকুরের কাছে আসতে দেখিনি এগুলো শহরে দেখেছি। গ্রাম অঞ্চলে এভাবে দেখে এবং আপনার পোস্ট পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
গঠন মূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
বেশ ভালো লাগলো ছোট বাচ্চা আরাফের কুকুরের সাথে বন্ধুত্ব দেখে। তবে পশুতো পশুই হয় কখনো যদি কামড়ে দেয় বা খেলার ছলে আঁচড় দেয় তাহলে তো খারাপ হবে তা।কুকুর জলাতংক রোগের জীবাণু বহন করে।
তাই বাচ্চাটির মা,বাবার উচিত কুকুর থেকে দূরে রাখা।
আসলে আপু বাবা মা চেষ্টা করলে অনেক সময় পারেনা,ধন্যবাদ আপু।