জেনারেল রাইটিং :-সময়ের মূল্য দেওয়া উচিত
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করেছি আজকের পোস্ট।
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এসেছি একটা জেনারেল রাইটিং নিয়ে। সত্যি বলতে সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সময়ের সাথে সাথে কোন কিছু করলে আমাদের অনেক ভালো হয়। কথায় আছে না সময়ের এক ফোঁড় আর অসময়ের দশ ফোঁড়। আসলে যারা বাইরে কাজ করে বিশেষ করে চাকরি জীবীদের জন্য সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আজকের কাজ কালকের জন্য ফেলে রাখলে হয়তো সেটা আর করা নাও হতে পারে।তাই আমাদের সবার উচিত সময়ের সাথে সাথে কাজ করা। সময় মেপে কাজ করলে সব কিছু সঠিক সময়ে হয়ে যাবে।তাই আমাদের সবার সময়ের মূল্য দেওয়া উচিত।
আজ আমি আমার ছোট মেয়েকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব। আমি যাব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। আসলে মেডিকেল কলেজে আমার এক বড় ভাই চাকরি করেন।তাই ভাই সকাল সকাল আমাকে ফোন দিয়ে বলল ১১ টা থেকে ১২ টার ভিতরে আসার জন্য। তবে আমি বাসা থেকে বের হতে হতে ১১:৩০ মিনিট হয়ে গেল।যদিও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালো যেতে আমাদের বিশ মিনিট সময় লাগে। তবে আমরা বের হয়ে দেখি রাস্তায় কোন গাড়ি নেই। তখন আর কি করার আছে। মানুষ বলে না সময় খারাপ হলে সবই খারাপ হয়। এদিকে আমাদের সময় শেষ হতে চলল।যাইহোক কিছু সময় অপেক্ষা করার পরে আমরা একটা অটো পেয়োছি।তারপর আমাদের অটো কিছু দূর যেতেই দেখি রাস্তায় অনেক জ্যাম পড়েছে।
এখন আমি পড়ে গিয়েছিলাম মহা বিপদে। এদিকে ভাইয়া বারবার ফোন দিয়ে বলতেছে আমরা কতদূরে। আসলে বিপদের সময় পথ শেষ হয় না।তারপর আমার আর কিছু করার ছিল না। আমি ধৈর্য্য ধরে বাচ্চাদের নিয়ে বসে রইলাম। তারপর আমাদের মেডিকেল কলেজ এ পৌঁছাতে পৌঁছাতে বেজে গেল ১২.১৫ মিনিট। তখন ভাইয়াকে ফোন দিলাম। তারপর আমরা টিকিট নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে চলে গিয়েছিলাম।আমরা গিয়ে দেখি ডাক্তার মাত্র চেম্বার থেকে বের হয়ে গিয়েছে। আসলে সে ভর্তি রোগী দেখবে।যদিও ভাইয়া আগে ডাক্তারকে বলেছে আমার ভাজতি আসবে।
কি আর করার সময় মতো আমরা যেতে পারিনি। আমরা যদি ২ মিনিট আগে যেতাম, তাহলে হয়তো ডাক্তার দেখাতে পারতাম। তারপর আমরা রুমের বাইরে বসে রইলাম। আমাদের ভাগ্য ভালো তারজন্য ডাক্তার বিশ মিনিট এর মধ্যে আবার চেম্বারে এসেছে। তারপর বাচ্চাকে দেখে ঔষধ দিয়ে দিল।সত্যি ভাইয়া না থাকলে হয়তো আজ আর আমাদের ডাক্তার দেখানো হতো না। তাই আমাদের সবার উচিত হাতে সময় রেখে ডাক্তারের কাছে যাওয়া। সত্যি সময় বুঝে কাজ করলে সফল হওয়া যায়।
| প্রয়োজনীয় | উপকরণ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | ফরিদ পুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1959276865413382496?t=TR6UKHvMdXNofusLIcGz-Q&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1959277645147095261?t=cIFC2dAcBsr9ffMVeyKx_w&s=19
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1959278347542028434?t=MWeSqqk0OtoQcqPz4Nlpsw&s=19
সময়ের মূল্য দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি সময়ের মূল্য না দেই তাহলে ভালো কিছু করতে পারব না। আপনি দারুন একটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন আপু।
ধন্যবাদ আপু মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
এটা ঠিক বলছেন সময় মতো কাজ না করলে সেই সময়টি আর ফিরে পাওয়া যায় না।তবে এটা আমাদের সবার উচিত সবাইকে মূল্যায়ন করা এবং সময়মতো সব কাজ করা।যদি আপনি সময় মতো ডাক্তারের চেম্বারে পৌঁছাতেন তাহলে কিছুই হত না।তবে এটা ভালো যে ডাক্তার দেখাতে পারছেন। ধন্যবাদ পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জি ভাইয়া আমাদের সবার উচিত সময় মতো কাজ করা।ধন্যবাদ আপনাকে।
কোন কোন সময় মানুষের জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে সময়। যেমনটি আপনার ছেলেকে ডাক্তার দেখাতে গেলেন। আর একটু দেরি হওয়ার কারণে ডাক্তার ছিল না। এখানে সময়ের গুরুত্ব অনেক বেশি ছিল আপনার। তবে আমরা এমনিতে সবাই সময়কে মূল্যায়ন করা দরকার। কারণ সময় কারো জন্য থেমে থাকে না।
জি ভাইয়া আমাদের সব সময় সময়ের মূল্য দেওয়া উচিত। ধন্যবাদ আপনাকে।