আমার বাড়ির ছোট্ট সবজি বাগান - শিমের সুন্দর দৃশ্য
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ থাকার চেষ্টা করছি। অবশ্য রমজান মাসে এবার গরমের মাত্রা কিছুটা কম আছে, মাঝের দুইদিন তো বেশ অপ্রত্যাশীত শীত উপভোগ করেছি, হি হি হি। তবে গতবারের মতো চিন্তা করেছিলাম হয়তো দিনের শুরুতে কিছুটা গরম অনুভূত হবে আর দিনের শেষ অংশে কিছুটা শীতল থাকতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত প্রকৃতি ও পরিবেশ দুটোরই ভালো অবস্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং আশা করছি বাকি সময়গুলোও এমনটা বজায় থাকবে।
আর রমজান মাসে জিনিষ পত্রের দাম সেটা নিয়ে মনে হয় না নতুন করে কিছু বলার আছে, কারন আমাদের ব্যবসায়ী সমাজ অনেক বেশী চালাক এবং চতুর, তারা জানেন ক্রেতাদের দুর্বলতা কোথায় এবং সেটার সুযোগ নিয়ে কখন দাম বাড়ানোর চান্স নেয়া যায়। এই কারণেই হয়তো আমরা সাধারণ জনগন যেমন তাদের হাতে বন্দি থাকি ঠিক তেমনি হয়তো সরকার বা কর্তৃপক্ষও তাদের হাতে বন্দি থাকে, যার কারনে কোন সরকারই তাদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে পারেন না এবং জিনিষ পত্রের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। অবশ্য সরকারে যারা থাকেন তাদের মানসিকতা কতটা জনগনের সেবা করার দিকে থাকে সেটা নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ আছে আমার।
যাইহোক, সেসব বিষয়ে হয়তো কথা বলা ঠিক হবে না, আদার ব্যাপারী জাহাজের খবর নিয়ে কি লাভ? তারচেয়ে বরং ভালো হয় আমরা সবাই যদি নিজেদের বাড়িতে অল্প অল্প করে সবজি কিংবা প্রয়োজনীয় জিনিষগুলো চাষাবাদ করতে পারি, তাহলে হয়তো কিছুটা হলেও নিজেদের পক্ষে সুবিধা নিতে পারবো। খুব বেশী জায়গার প্রয়োজন হয় না, অনেকেই ইদানিং দেখছি বাড়ির ছাদে ছোট ছোট ড্রামে মাটি ভরে সেগুলোতে নানা ধরনের সবজি চাষ করার চেষ্টা করছেন এবং অনেকেই সফল হচ্ছে। এর মাঝে কয়েকজনের কথা পত্রিকায়ও এসেছে। আমি আবার এই জাতীয় খবর বেশ আগ্রহ নিয়ে পড়ার চেষ্টা করি।
আজকে আপনাদের সাথে আবার সবজি বাগানের কয়েকটি দৃশ্য শেয়ার করবো, এগুলো অবশ্য শিম এর দৃশ্য। আমার বাগানের শিমগুলোর জাত বেশ ভালো, বড় হলে বেশ সুন্দর বিচি হয় এগুলো মাঝে যার কারণে স্বাদটাও দারুণ হয়। ছোট ভাগনির বিয়ের চতুর্থ দিন রান্না করা হয়েছিলো আমার বাড়ির শিম দিয়ে, সবাই খেয়ে বেশ প্রশংসাও করেছিলো কিন্তু আর আজ আরো কিছু শিম পাড়া হয়েছে সেগুলো বড় ভাগনি নিয়ে যাবে, অর্থাৎ যার বিয়ে হয়েছে তার বড় বোন। বড় ভাগনি আবার থাকেন সেই পঞ্চগড় জেলায়। তাই চিন্তা করলাম আজকে শিমের কিছু দৃশ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করে নিই।
পাশে একটা পেঁপে গাছ আছে সেটাও বেশ বড় সাইজের, তাই শিম গাছের একটা অংশ পেঁপে গাছে উঠে গেছে সিঁড়ি মনে করে হি হি হি। অনেকগুলো শিম তাই পেঁপে গাছে ঝুলে আছে সেগুলো পাড়া হচ্ছে। আমার শাশুড়ি আবার বলেছেন সেগুলো শুকিয়ে গেলে পাড়বেন যাতে সেগুলো হতে বীজ সংরক্ষণ করতে পারেন। উনি আবার এই কাজে বেশ সচেতন। শিমের মাচার নিচে গেলে দেখা যায়, ভেতরে ভেতরে অনেক শিম রয়েছে, সেগুলোকে আবার খুঁজে খুঁজে ছিড়তে হয়। আমি অবশ্য নিচে গিয়েছিলাম দেখলাম বেশ সংখ্যায় মশা পাহারা দিচ্ছে, তাই দুটো ছবি ক্যাপচার করে আবার দ্রুত চলে আসলাম হি হি হি।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।
|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||


>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনার বাড়ির সিম গুলো দেখেই মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হবে এই সিম গুলো দিয়ে রান্না করলে। অনেক সুন্দর পরিপুষ্ট হয়েছে। আসলে যে কোন জিনিসের যত্ন করলে ভালো হয়। আপনারা নিশ্চয়ই এই গাছের অনেক বেশি যত্ন করেন তাই এত সুন্দর ফলন দিয়েছে। আপনার এই সিম গাছের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমার মনে হচ্ছে আমিও যদি এমন একটু সবজি চাষ করতে পারতাম খুব ভালো লাগতো। আসলে নিজে সবজি চাষ করে সেগুলো দিয়েই রান্না করে খেতে অনেক বেশি মজা লাগে। আর সব থেকে ভালো লাগে যখন নিজের লাগানো গাছের দীর্ঘদিন পরিচর্যার পর সুন্দর ফলন দেয়। আপনার এই পোস্টটি দেখে অনেক বেশি ভালো লাগলো।
আপনি এই পোস্টে আপনার বাগানের ছবি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান বাজার ব্যবস্থার সুন্দর ব্যাখ্যা করলেন। বর্তমানে বিভিন্ন মানুষেরা এমনভাবে মুনাফা লুটতে ব্যস্ত যে সাধারণ মানুষের দিকে কেউ খেয়াল রাখে না। তার ফলে বাজার থেকে কিনে যেসব সবজি আমরা খাই সেগুলি বেশিরভাগই বিষাক্ত। সেই দিক থেকে আপনার বাড়িতে এত সুন্দর বাগান থাকার ফলে আপনি অবশ্যই ভাগ্যবান ভাই।
এবার রোজা গুলো রাখতে একেবারেই কষ্ট হচ্ছে না। কারণ আবহাওয়া মোটামুটি শীতল বলা যায়। তবে ১৫/২০ রোজার পর থেকে মনে হচ্ছে গরম পড়বে। যাইহোক আপনার বাড়ির ছোট্ট সবজি বাগানটা আসলেই দারুণ। শিম গুলো দেখেই তো লোভ লাগছে ভাই। এই শিম গুলো দিয়ে নিরামিষ রেসিপি তৈরি করলে খেতে দারুণ লাগবে। বেশ ভালো লাগলো পোস্টটি দেখে। এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।