Kamranga fruits
আসুন একটু কামরাঙা সম্বন্ধে জেনে নেই☺😍
কামরাঙ্গা ফলের উৎপত্তি শ্রীলঙ্কায়। পরবর্তীতে ভারত, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, চীনসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কামরাঙ্গা ফলের বিস্তৃতি ঘটে। কামরাঙ্গা ফল পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে বিভিন্ন নামে পরিচিত । যেমন- স্টার ফ্রুট বা তারা ফল, ক্যারামবোলা প্রভৃতি। কামরাঙ্গা ফল বিশ্বব্যাপী টক-মিষ্টি ফল হিসেবে সুপরিচিত। এই ফল ৩-৬ ইঞ্চি ব্যাস ও ভাজযুক্ত হয়ে থাকে। কামরাঙ্গা ফল কাঁচা অবস্থায় সবুজ এবং পাকা অবস্থায় হলুদ বর্ণ ধারণ করে। কোন কোন গাছে একাধিকবার বা সারাবছরই এ ফল পাওয়া যায়। এটি ভিটামিন এ ও সি এর ভাল উৎস। সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত এ ফল পাওয়া যায়।
##কামরাঙ্গা ফলের পুষ্টিমান☺
প্রতি ১০০ গ্রাম কামরাঙ্গায় পাওয়া যায় ৩১ কিলোক্যালরি শক্তি, ৬.৭৩ গ্রাম শর্করা, ৩.৯৮ গ্রাম চিনি, ২.৮ গ্রাম ফাইবার. ০.৩৩ গ্রাম স্নেহ পদার্থ, ১.০৪ গ্রাম প্রোটিন, ৩৯ মিলিগ্রাম প্যানটোথেনিক অ্যাসিড বি৫, ১২ মাইক্রোগ্রাম ফোলেট বি৯, ৩৪.৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ১২ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ১৩৩ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ১২ মিলিগ্রাম দস্তা।
##কামরাঙ্গা ফলের উপকারিতা ☺💜
১। কামরাঙ্গা ফলেরএলজিক এসিড যা খাদ্যনালির (অন্ত্রের) ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
২। কামরাঙ্গা গাছের পাতা ও কচি ফলের রসে রয়েছে ট্যানিন, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
৩। পাকা কামরাঙ্গা ফল রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।
৪। কামরাঙ্গা ফল ও পাতা গরম পানিতে সিদ্ধ করে পান করলে বমি বন্ধ হয়।
৫। কামরাঙ্গা ত্বক মসৃণ করে।
৬। কামরাঙ্গা পাতা ও ডগার গুঁড়া খেলে জলবসন্ত ও বক্রকৃমি নিরাময় হয়।
৭। কামরাঙ্গা পুড়িয়ে ভর্তা করে খেলে ঠাণ্ডাজনিত (সর্দিকাশি) সমস্যা সহজেই ভালো হয়।
৮। কামরাঙ্গা গাছের মূল বিষনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৯। কামরাঙ্গা ভর্তা রুচি ও হজমশক্তি বাড়ায়।
১০। পেটের ব্যথায় কামরাঙ্গা খেলে উপকার পাওয়া যায়।
১১। শুকানো কামরাঙ্গা জ্বরের জন্য খুবই উপকারী।
১২। ২ গ্রাম পরিমাণ শুকনো কামরাঙ্গার গুঁড়া পানির সঙ্গে রোজ একবার করে খেলে অর্শ রোগে উপকার পাওয়া যায়।
১৩। কামরাঙ্গা শীতল ও টক। তাই ঘাম, কফ ও বাতনাশক হিসেবে কাজ করে।
১৪। কামরাঙ্গা ত্বকে ব্রণ হওয়ার পরিমাণ কমায় ।
১৫। কামরাঙ্গা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ।
১৬। কামরাঙ্গা চুল, ত্বক, নখ ও দাঁত তুলনামুলকভাবে ভঙ্গুরহীন ও উজ্জ্বল করে ।
##কামরাঙ্গা ফল যাদের খাওয়া উচিত নয়...☺😖
১। ডায়রিয়া হলে ও ডায়রিয়া ভাল হওয়ার পরপরই কামরাঙ্গা ফল খাওয়া উচিত নয় ।
২। কিডনিতে ইনফেকশন বা কিডনিতে পাথর আছে তাদের জন্য কামরাঙ্গা ফল বর্জনীয় ।
৩। যাদের হার্ট দুর্বল তাদের জন্য এই ফল বর্জনীয় ।
৪। যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তাদের এই ফলের জুস খাওয়া উচিত নয় ।