শীতের রাতে হঠাৎ করে পিকনিকের আয়োজন।
প্রিয় আমার বাংলা কমিউনিটির ভাইবোন বন্ধুরা,
তারপর আমরা সবাই মিলে রসুন পেঁয়াজের খোসা ছাড়াতে শুরু করে দিলাম। অনেকদিন পর সব বন্ধুদের সাথে কাজগুলো করতে বেশ ভালই লাগছিল।
যাইহোক সবকিছু গুছিয়ে নেয়ার পর আমরা চুলাই জ্বাল ধরিয়ে দেওয়া হলো। আমাদের একটা বড় ভাই রান্না করতে পারে। তাই রান্নার দায়িত্বটা তিনি নিলেন।
রান্নাটা বড় ভাই করলেও রান্নার ধরনটা একই ছিল। মানে আমরা আগে যেভাবে খিচুড়ি রান্না করতাম তিনিও ঠিক সেভাবেই রান্নাটা করলেন। আমরা যেভাবে রান্না করতাম সেই ধরনটা হলোঃ প্রথমে আমরা মাংসটাকে কষিয়ে রেখে দিতাম। তারপর খিচুড়ি রান্না করতাম এভাবে রান্নার প্রায় শেষের এক পর্যায়ে মাংসগুলো খিচুড়ির মধ্যে ঢেলে দিতাম। এটাই মূলত আমাদের প্রতিবারের পিকনিকের রান্নার ধরন। বড় ভাইও ঠিক এভাবেই রান্নাটা করছিল।
যাই হোক আপনারা তো জানেন বন্ধুরা মিলে পিকনিক করলে কেউ কাজ করে আবার কেউ কাজ করতেই চায় আমাদের পিকনিকেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আসলে যেহেতু আমরা পিকনিকটা ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্টে করছিলাম। তার জন্যই অনেকেই কাজে ফাঁকি দিয়ে ব্যাডমিন্টন খেলতে চাচ্ছিল। এর জন্য মাঝে মাঝে একটু রাগারাগিও হচ্ছিল। যাই হোক সবার মন মানসিকতা তোর এক নয় তাই এরকম হবে এটাই স্বাভাবিক।
যাই হোক দেখলাম সালাদ বানানোর জন্য বন্ধুরা টমেটো ও ধনেপাতা কিনে নিয়ে এসেছে। তার জন্য আমার একটা বন্ধু বসে পড়ল ঝাল,পিঁয়াজ ও টমেটো কাটার জন্য। দেখলাম সে একাই সবগুলো কেটে নিল এবং সালাদ টাকেও সেই বানালো। যদিও বা টমেটোর সালাদ আমি খাই ছিলাম না তবে এক পিস টেস্ট করে দেখছিলাম সালাদটা খেতে বেশ ভালোই ছিল।
যেহেতু শীতের রাত তাই একপর্যায়ে দেখছি বেশ কয়েকজন চুলার পাশে বসে আগুন পোহাচ্ছে। যেন শীতটা একটু কম লাগে।
রান্নাটা প্রায় শেষের দিকে তখন দেখছি খিচুড়িটা ঝুরঝুরি হয়নি। তখন আমাদের এলাকার এক বড় ভাই একটা কাজ করল। কাজটা এমন ছিল যে প্রথমে ডেকচি টা চুলা থেকে নামিয়ে তারপর ডেকচির ঢাকনার উপরে জ্বলন্ত কয়লা গুলো দিয়ে দিল। দেখলাম এরকম করাতে মোটামুটি কাজ হলো।
যাই হোক যেহেতু এবার খিচুড়ি রান্না কমপ্লিট তাই সবাই মিলে বসে পড়লাম খাওয়ার জন্য। দেখলাম খিচুড়িটা বেশ ভালই টেস্ট হয়েছিল। আর একটা কথা যখন খাওয়ার জন্য বসি তখন দেখি ঘড়ির কাটায় রাত একটা বেজে গিয়েছে। যাই হোক মেনুতে হয়তো তেমন কিছু ছিল না। কিন্তু সবাই মিলে একসাথে বসে খাওয়ার মজাটাই আলাদা। একটা কথা বলতে হচ্ছে মুহূর্তটা বেশ ভালই কাটিয়েছিলাম।
তো প্রিয় আমার বাংলা কমিউনিটির ভাইবোন ও বন্ধুরা, এই ছিল আমার আজকের পোস্ট। আজকের লেখাটা আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। আজকের মত এটুকুই। আবারো খুব শীঘ্রই নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে ইনশা-আল্লাহ। ততক্ষণ সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন নিজের খেয়াল রাখবেন।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
দুই বছর আগে পর্যন্ত আমরাও এভাবে কোর্টে পিকনিক খেতাম।সেই দিন গুলো মনে পড়ে গেল ভাই। এখন র্যাকেট খেলাও নেই পিকনিক ও নেই।ঠিকই বলেছেন,প্রতিটা পিকনিকেই এমন কিছু লোক থাকবে যারা কাজ করবে না,আবার কিছু লোককে প্রচুর কাজ করতে হয়।খিচুড়ি দেখে জিভে জল চলে আসল। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মুহুর্ত গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আমরা কাজ করব আর একজন কাজ করবে না এটা দেখে এমনিতেই খারাপ লাগে। কি বলবো ভাই কিছু লোক আছে যারা সব কাজেই মোটামুটি একটু আড্ডু ফাঁকিবাজি করেই থাকে। যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
হঠাৎ করে পিকনিকের আয়োজনে করেছেন, আসলে আমার মনে হয় পিকনিকটা হঠাৎ করলেই ভালো। আপনারা কয়েকজন বন্ধু মিলে ব্রয়লার দিয়ে দারুণ সুন্দর খিচুড়ি রান্না করেছেন। এটা সত্যি বলেছেন ভাইয়া পিকনিক কেনো কোন কিছুতেই সবাই কাজ করতে চায় না, অনেকেই আছেন ফাকি দেয়। আসলে সবাই তো এক হয়। আপনাদের খিচুড়ির কালারটা দারুণ এসেছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মূহুর্তে শেয়ার করার জন্য।
আমি মনে করি পিকনিক করার অন্যতম এবং সুন্দর মুহূর্তটা হচ্ছে শীতের সময়। শীতের সময় বিক্রি করতে অনেক বেশি ভালো লাগে আর এই সময়টাতে যদি বন্ধুরা পাশে থাকে তাহলে তো আর কোন কথাই নেই। গত বছর পিকনিক করেছিলাম কয়েকবার এ বছর যদিও এখন পর্যন্ত বিক্রি করা হয়নি তবে পিকনিক করার সময় অনেকেই কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে ওঠে আর অন্যরা আড্ডা দিতে হাপিয়ে ওঠে। আসলে সকলেই তো আর এক না তবে আমি ওই কাজ না করার মধ্যে একজন হাহাহা। ভালো লাগলো আপনার এই সুন্দর মুহূর্তটা দেখে।
শীতের রাতে সব বন্ধুরা মিলে এভাবে পিকনিক করার মজাই আলাদা। সবাই একসাথে বসে এভাবে খিচুড়ি খেতে আরও বেশি ভালো লাগে। যদিও এভাবে পিকনিকের মজা কখনো পাইনি কিন্তু আপনার পোস্ট দেখে বুঝতে পারছি অনেক আনন্দ করেছেন আপনারা। শীতের সময় আসলে আমার ভাইয়াকে দেখেছি মাঝে মাঝেই পিকনিক করার জন্য চলে যেত। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
পিকনিকে মজা আপনি কখনোই পাননি যেনে অবাক হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য।
শীতের রাতে ব্যাডমিন্টন খেলা শেষ করে আপনারা পিকনিক করেছেন দেখে বেশ ভালো লাগলো।আর খিচুড়ি খেতে অনেক মজা বন্ধুরা মিলে রাতে রান্না করে।তাছাড়া খিচুড়ি ঝুরঝুরে করার দারুণ পদ্ধতি জানলাম ,ভালো লাগলো ভাইয়া।ধন্যবাদ আপনাকে।
বন্ধুরা মিলে খুব সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। শীতের রাতে পিকনিক করার আনন্দটাই অন্যরকম হয়ে থাকে। খিচুড়ি তৈরি করেছেন সবাই মিলে খুব সুন্দর ভাবে খিচুড়ি খেয়েছেন জেনে খুবই ভালো লাগলো। আসলে এমন মুহূর্ত জীবনে বারবার ফিরে আসে না। স্মৃতির পাতায় এই মুহূর্তগুলো রয়ে যাবে। এত সুন্দর মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
শীতের রাতে ব্যাডমিন্টন খেলতে অনেক ভালো লাগে। আপনারা কিছু বন্ধু এবং ছোট ও বড় ভাই মিলে পিকনিকের আয়োজন করলেন। বয়লার মুরগি দিয়ে খিচুড়ি রান্না করলেন। দেখে বোঝা যাচ্ছে আপনারা অনেক মজা করে খিচুড়ি খেয়েছেন। মনে হয় অনেক সুন্দর সময় উপভোগ করলেন এবং মজা করে খিচুড়ি খেলেন। সুন্দর করে উপস্থাপনা করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।
পিকনিক করলে আসলে খিচুড়ি দিয়েই করা উচিত, এতে করে ঝামেলা কম হয়। হা হা হা... খিচুড়ি দেখতে কিন্তু খুব সুন্দর হয়েছে। খিচুড়ি রান্নার স্টাইল অনেকটা বিরিয়ানি রান্না করার মত।
পিকনিকের সব থেকে যে বিষয়টা ইরিটেটিং লাগে সেটা হল কিছু কিছু বন্ধু আছে যারা কাজ করতে চায় না, যেটা আপনার ক্ষেত্রেও হয়েছে। তবে আমি পিকনিক করলে এই সুযোগ কাউকে দিই না, সবাইকে দিয়েই টুকটাক কাজ করিয়ে নেই।