দাদা-বৌদি রেস্টুরেন্টের মিক্সড ফ্রাইড রাইস আর চিলি পনির(দ্বিতীয় পর্ব)।। মে -১৬/০৫/২০২৩।।
☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
আচ্ছা তার আগে দাদা বৌদি রেস্টুরেন্টের বিষয়ে কিছু কথা বলে নেই। আপনারা হয়তো ফটোগুলো দেখলে বুঝতে পারছেন যে আমাকে লাইনের কতটা পিছনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। কিন্তু খাবারের স্বাদ এবং খাবার খাওয়ার উত্তেজনা এতটাই মাথা চড়া দিয়ে উঠেছিল যে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতেও কোনরকম অসুবিধা হচ্ছিল না। মোটামুটি বেশ কিছু সময় পর আমাদের ঢোকার জন্য সুযোগ হয় এবং আমরা বিভিন্ন রকম খাবার আইটেম অর্ডার করেছিলাম। তার ভিতর স্পেশাল মাটন বিরিয়ানি ছিল যেটা আগের দিনের পর্বে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি অলরেডি। এবং আমাদের রঙিন বাবুর জন্য এই ভেজ আইটেমটা অর্ডার করা হয়েছিল। তবে যেহেতু আমার ভাইয়ের জন্য অর্ডার করেছিলাম তাই আমিও সামান্য একটু টেস্ট করেছিলাম। তবে আপনারা বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, খেয়ে আমার বিরিয়ানির থেকেও অনেক বেশি টেস্টি মনে হয়েছিল। বিশেষ করে মিক্সড ফ্রাইড রাইসটা যেটা খেতে এতটাই বেশি ভালো লাগছিল যে, মনে হচ্ছিল শুধু ভাতই খেয়ে ফেলতে পারবো কোনরকম তরকারির প্রয়োজন হবে না।
বিশেষ করে ফ্রাইড রাইস দিয়ে এত সুন্দর একটা ফ্লেভার বেরোচ্ছিল যেটা আমি বাইরের কোন রেস্টুরেন্টে খেয়ে ওরকম অনুভব করিনি। তাছাড়াও তাদের চালের কোয়ালিটি এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা সবমিলিয়ে অসাধারণ একটা ব্যাপার ছিল। আপনারা যারা ওখানে বিরিয়ানি খেতে যান বা যাওয়ার চিন্তা করছেন, তারা অবশ্যই বিরিয়ানি খাবেন সেটা নিয়ে আমি কোন কথা বলবো না। তবে এই আইটেমটাও ট্রাই করে দেখতে পারেন। আপনাদের প্রত্যেকেরই অনেক বেশি ভালো লাগবে। তবে ronggin এর খাবারের টেস্ট ভালো হওয়ার কারণে একটা মজার ঘটনা ঘটেছিল সেটা হল, রঙ্গিন এর থেকে সবাই অল্প অল্প করে খাবার খেয়ে টেস্ট করছিল কিন্তু রঙিন তো ননভেজ খাবার খায় না, তাই সে আমাদের থেকে নিতে পারছিল না। যাইহোক এইসব খাবার দাবার খাওয়া শেষ করে আমরা সবার জন্য কোল্ড ড্রিংস অর্ডার দিলাম তারপর সেটা খেয়ে রেস্টুরেন্টের চিলেকোঠায় চলে আসলাম।
তবে এখানেই যে আমাদের খাওয়ার পর্ব পুরোপুরি সমাপ্ত হয়ে গেছিল তা কিন্তু নয়। আপনারা যদি ওখানে যান তাহলে গিয়ে দেখবেন একদম টপ ফ্লোরে যে রেস্টুরেন্টের অংশটা রয়েছে ঠিক তার সামনে অনেকটা জায়গা রয়েছে এবং তার পাশেই রয়েছে একটা মকটেল বার। সেখানে বিভিন্ন ধরনের মকটেল পাওয়া যায়। আমার কাছে তো স্ট্রবেরি বাদে বাকি সব মকটেলই ভালো লাগে। তবে সবার পছন্দ মতো আমরা পাইনাপেল মকটেল অর্ডার করেছিলাম। সেটা খেয়ে দেয়ে বেশ কিছু সময় আড্ডা দিয়ে এবং টুকটাক তুলে ফটো সেখান থেকে আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেই। সত্যি কথা বলতে দাদা বৌদি রেস্টুরেন্টের খাবারের কোয়ালিটি অনেক বেশি ভালো। অনেক রেস্টুরেন্ট রয়েছে যারা একবার নাম কামিয়ে ফেললে খাবারের কোয়ালিটি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। তবে দাদা বৌদি রেস্টুরেন্টের ক্ষেত্রে আমি এই ব্যাপারটা একেবারে নোটিশ করিনি।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | ফুড রিভিউ। |
|---|---|
| ডিভাইস | Samsung Galaxy M31s |
| ফটোগ্রাফার | @rupaie22 |
| লোকেশন | ব্যারাকপুর, কলকাতা। |
ছোট দাদা কিছু দিন আগে এই রেস্টুরেন্ট নিয়ে পোস্ট শেয়ার করেছেন। আমরা সেখানে খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে কিছু তথ্য জানতে পারলাম। আজ আবারও আপনার পোস্ট পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। আপনার খাবার দেখতে লোভনীয় দেখাচ্ছে। আমি ফ্রাইড রাইস খেতে অনেক পছন্দ করি। তবে পনির রেসিপি কখনো খাওয়া হয়নি কিন্তু আপনার রেসিপি দেখে বুঝতে পারছি খুবই সুস্বাদু হবে।
হ্যাঁ দাদারা মাঝেমধ্যেই ওখানে যায় এবং আমরাও সময় সুযোগ পেলে দাদা বৌদি রেস্টুরেন্টে গিয়ে বিরিয়ানি খেয়ে আসি। কলকাতার বেশি নামকরা এবং বড় একটা রেস্টুরেন্ট।
দাদা তোমার আগের পোস্টটিতে পড়েছিলাম ,দাদা বৌদির রেস্টুরেন্টের মটন বিরিয়ানির অসাধারণ স্বাদের কথা। আর আজ পড়লাম মিক্সড ফ্রাইড রাইস এবং চিলি পনির। যেহেতু ronggin দাদা ভেজিটেরিয়ান তাই তার অর্ডার করা খাবারের সুবাদে সকলে সামান্য একটু টেস্ট করে এই অসাধারণ খাবারের স্বাদ নিতে পারলে। দাদা বৌদি রেস্টুরেন্টের খাবারের খুব নাম শুনেছি। আর সত্যিই যে সেখানকার খাবার অনেক সুস্বাদু তা তোমার দুটো পোস্ট পড়ে বুঝতে পারলাম।
তুমি কলকাতার মেয়ে হয়েও এখন অব্দি দাদা বৌদির বিরিয়ানি খাওনি, এটা তো আমার কাছে আশ্চর্যজনক মনে হচ্ছে। যাইহোক যদি কখনো সময় সুযোগ পাও তাহলে অবশ্যই খেয়ে আসবে।
আশ্চর্যজনক হলেও এটাই সত্যি,🙂। কখনও যাওয়ার সুযোগ হয়নি এখনও।
দাদা-বৌদি রেস্টুরেন্টের বিরিয়ানি কলকাতায় অনেক জনপ্রিয় সেটা শুনেছি। তবে মিক্সড ফ্রাইড রাইস আর চিলি পনিরের ফটোগ্রাফি দেখে তো মনে হচ্ছে খেতে খুব ইয়াম্মি হয়েছে। আমার তো ইচ্ছে করছে কলকাতায় গিয়ে খেয়ে আসি। আপনারা বেশ ভালোই খাওয়া দাওয়া করেছেন দেখছি। এতো মজাদার খাবারের রিভিউ শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
যারা ননভেজ খাবার খায় তাদের কাছে এগুলো ভাল লাগবে না ভাইয়া। শুধুমাত্র যারা ভেজিটেরিয়ান তাদের কাছে এগুলো অমৃত।
ওরে ভাই এই দাদা বৌদি পুরো পাগল করে দিল। এবার গেলে যে আমি মিস করছি না, এটা মোটামুটি নিশ্চিত। আর আমি নিজেও ভেজ খুব পছন্দ করি। তবে রান্নাটা মজার হতে হবে অবশ্যই। এখন অবধি বোধ হয় ছয় বার গিয়েছি ইন্ডিয়া, এই পনিরের প্রতি ভালোবাসা টা আমার একদম প্রথম বার থেকে হয়ে গেছে। অসম্ভব প্রিয় আমার। আর এমন লম্বা লাইন রীতিমত গলা শুকিয়ে দেওয়ার মত। বাপরে বাপ 😳।
বাংলাদেশ থেকে যারা আসে তারা দাদা বৌদির বিরিয়ানি না খেয়ে যায় না। আপনি এতবার কলকাতায় এসেও এই জায়গায় যে কেন যাননি সেটাই বুঝলাম না। এবার আসলে অবশ্যই যাবেন। যদি লোক না পান তাহলে আমাকে ডাক দিয়েন, আমি যাবানি আপনার সাথে। হা হা হা...
সত্যি কথা বলতে দাদা বৌদিতে গিয়ে বিরিয়ানি খাওয়ার লোভ সংবরণ করে কেউ যে এইভাবে ফ্রাইড রাইস আর চিলি পনির খেয়ে আসতে পারে এই প্রথম দেখলাম।যদিও এর আগে একজনকে দেখেছিলাম সে ভাত আর খাসির মাংসের ঝোল খেয়ে এসেছিল দাদা বৌদিতে গিয়ে। রঙিন যে ভেজিটেরিয়ান সেটা তো জানতাম না! আর সত্যি বলতে ফ্রাইড রাইস আর চিলি পনির যতই টেস্টি হোক আমার মত পেটুক ননভেজিটেরিয়ানকে সেসব দিলে কোন ভাবেই আমি সেটা খাব না। আমি সেই বিরিয়ানির হাঁড়িতেই ঝাঁপ দেব।
দাদা বৌদি নিয়ে লেখা প্রথম পর্বটা যদি পড়তে তাহলে তোমার মনে এই কোশ্চেনটা থাকত না। আমরা সবাই আসলে স্পেশাল মাটন বিরিয়ানি খেয়েছিলাম। এটা শুধুমাত্র রঙ্গিন এর খাবারের রিভিউ।🤭
সেটাই লিখলাম তো।