"রঙিন কাগজের তৈরি ফুল "
আসসালামুআলাইকুম/আদাব
বর্তমানে বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জে অবস্থান করছি ।
আজকে আমি আপনাদের সামনে একটা অন্যরকম কিছু নিয়ে হাজির হয়েছি। গ্রাম বাংলার মেলায় ধরনের কিছু পেয়ে থাকি। তার মধ্যে অন্যতম একটা হচ্ছে রঙিন কাগজের তৈরি ফুল। মেয়ে কোন বাচ্চা হলে সেই বাচ্চার জন্য মেলা থেকে এরকম রঙিন কাগজের ফুল কিনে আনতো।সাইফুল ঘরে টানিয়ে রাখা হতো। যেহেতু এই ফুলটা নানান রঙের হয়ে থাকে লাল হলুদ। ফুল ঘুরতো আর বাচ্চারা শুয়ে শুয়ে দেখতো। ছোটবেলায় আমি যখন আমার বাবার সাথে গ্রামের মেলায় গিয়েছিলাম তখন আমিও এরকম একটা ফুল কিনে এনেছিলাম। ছোটবেলায় এগুলো অনেক দেখেছি কিন্তু বর্তমানে এইগুলো আর খুব একটা দেখা যায় না। গ্রামীণ মেলাও দিন দিন প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে। তাই ভাবলাম আপনাদের মাঝে এসে গ্রাম বাংলার মেলার ফুল কিভাবে তৈরি করেছি আপনাদের মাঝে দেখাই।এছাড়াও এই ফুলগুলো ঘরে এমনি সাজিয়ে রাখলেও অনেক সুন্দর লাগবে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ :
১. আঠা
২. রঙিন ফিতা
৩. আকাশী কাগজ
৪.সাদা কাগজ
৫.নীল কাগজ
৬.কাঁচি
বিবরণ :
ধাপ -১
প্রথমে সাদা, আকাশী এবং নীল রংয়ের কাগজ গোল করে কেটে নিব
ধাপ -২
এভাবে ১৮ টি গোল করে কেটে নেওয়া সাদা আকাশী এবং নীল কাগজ নিব।
ধাপ-৩
প্রতিটি কাগজে মাঝ বরাবর ভাঁজ করে নিব। ভাজ করলে কিছুটা এরকম দেখাবে।
ধাপ-৪
এখন প্রথমে ভাজের একপাশে আঠা লাগাবো। তারপর অপর পাশের দুই সাইডে আঠা লাগাবো। এবং আর একটা কাগজের চার সাইডে আঠা লাগাবো।
ধাপ-৫
এভাবে প্রত্যেকটা কাগজের ভাঁজে ভাজে আঠা লাগিয়ে একসাথে জুড়ে দেব।
ধাপ-৬
সবগুলো কাগজ একসাথে আঠা দিয়ে জুড়িয়ে দিলে কিছুটা এরকম দেখাবে। আঠা দিয়ে লাগানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে প্রথমে দাদা তারপরে আকাশী তারপরে নীল রঙের কাগজ যেন থাকে।
ধাপ-৭
এখন এই রঙিন ফিতাটা নিয়ে ভাজ করা কাগজগুলোর সোজা পাশে ফাঁকা জায়গা আছে ওইখানে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিব।
ধাপ-৮
এখন একপাশে চারদিকে আঠা লাগিয়ে অন্য পাশের সাথে গোল করে ঘুরিয়ে নিয়ে জুড়ে দেব।
শেষ ধাপ-
অবশেষে তৈরি হয়ে গেল গ্রাম বাংলার মেলার সেই ঐতিহ্যবাহী ফুল। বর্তমানে গ্রাম বাংলার মেলাগুলো যেমন হারিয়ে যাচ্ছে সেই সাথে হারিয়ে যাচ্ছে সেই মেলা কিছু সুন্দর সুন্দর নিদর্শন। বর্তমানে যে সব মেলা হয় সেগুলোতে সব আধুনিকতার ছোঁয়া। আশা করছি আপনাদের সবার এই ফুলটি ভালো লাগবে। যাই হোক আজ এখানেই শেষ করছি। আবার অন্যদিন নতুন কিছু নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
ধন্যবাদ সকলকে✨💖
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | Redmi note 9 |
|---|---|
| ধরণ | ডাই পোস্ট ✨ |
| মডেল | note-9 |
| ক্যাপচার | @jannat0499 |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ -রাজশাহী- বাংলাদেশ। |
আমরা ছোটবেলায় মেলায় গেলে এরকম ফুল গুলো দেখতাম এবং কিনে নিয়ে আসতাম। আজকে আপনি রঙিন কাগজ দিয়ে খুব সুন্দর একটি ফুল বানিয়েছেন। রঙিন কাগজ দিয়ে ফুল বানাতে হলে খুব সাবধানে বানাতে হয়। তবে আপনার এই কাগজের ফুল যদি ঘরের মধ্যে সাজিয়ে রাখেন দেখতে বেশ ভালো লাগবে। সুন্দর করে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রঙিন কাগজের ফুল বানিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
রঙিন কাগজ দিয়ে তৈরি করা জিনিস গুলো দেখতে অনেক বেশি ভালো লাগে। আর আপনি খুব সুন্দর ভাবে রঙিন কাগজ দিয়ে ফুল তৈরি করেছেন আপু। আপনার তৈরি করা ফুলটি দেখতে অসাধারণ হয়েছে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনি খুবই সুন্দর করে রঙিন কাগজের তৈরি ফুল আমাদের মাঝে শেয়ার করলেন। এরকম ফুল আমি আগে খুবই বানাতাম।আপনারটাও অনেক ভালো হয়েছে। অনেক অনেক শুভকামনা আপনার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ আপু।
রঙিন কাগজ দিয়ে যেকোন জিনিস তৈরি করলে অপূর্ব সুন্দর লাগে। আপনার বানানো কাগজের এই বলের মতো জিনিসটি ঘর সাজাতে বেশ কাজে লাগবে। রংটা কম্বিনেশন খুব ভালো হয়েছে। প্রতিটা ভাব এত সুন্দর ভাবে দেখিয়েছেন যে কেউ চাইলে দেখেই করতে পারবে।
জ্বী আপু ধন্যবাদ এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
বাহ আপনি আজকে আমাদের মাঝে বেশ চমৎকারভাবে রঙিন কাগজ দিয়ে ফুল তৈরি করে শেয়ার করেছেন। আসলে রঙিন কাগজ দিয়ে যেকোনো কিছু তৈরি করলে দেখতে সত্যি বেশ ভালো লাগে। এগুলো তৈরি করে যদি ঘরের মধ্যে কোথাও ঝুলিয়ে রাখা যায় দেখতে বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট তৈরি করে শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ ভাইয়া গঠনমূলক মন্তব্য করে আমাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য।
রঙিন কাগজ ব্যবহার করে চমৎকার একটি ফুল তৈরি করেছে। রঙিন কাগজের তৈরি এরকম ফুল দেখতে আমার ভালই লাগে। কিন্তু এরকম ফুল আমি তৈরি করতে পারি না। আজকে আপনার পোস্টের মাধ্যমে খুব সুন্দর ভাবে শিখে নিলাম। রঙ্গিন কাগজের এত সুন্দর একটি ফুল তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া।
কালের পরিবর্তনে এসব হারিয়ে গেছে এখন আর এসব কাগজের তৈরি ফুল আর দেখা যায় না।গ্রামে জিরো বয়সের বাচ্চাদের খেলা ছিলো এটি। আপনি হারিয়ে যাওয়া ফুলটি আবার বানিয়েছেন দেখে খুব ভালো লাগলো।ধাপে ধাপে ফুলটি বানানো পদ্ধতি সুন্দর করে আমাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর ফুল বানানো পদ্ধতি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ আপু।
রঙিন কাগজ দিয়ে চমৎকার একটা ফুল তৈরি করেছেন আপু। রঙিন কাগজের যে কোন কাজ করতে অনেক সময় এবং ধৈর্য প্রয়োজন। আপনার আজকের এই ডাই প্রোজেক্ট দেখে ভীষণ ভালো লাগলো। তৈরির প্রত্যেকটা ধাপ চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করেছেন আমাদের মাঝে। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপু।