দিনপঞ্জি ২-রা অশ্বিন, ১৪২৮ // সকাল সকাল পোলেরহাট // ১০% পেআউট লাজুক খ্যাঁক-কে
নমস্কার,
কাজের সূত্রে সকালবেলায় পোলেরহাট যেতে হয়েছিল, কলকাতা মাত্র কুড়ি কিলোমিটার দূরেই। তবে এতদূর বাইক চালানোর অভিজ্ঞতা ছিলো না, সেজন্যই খুব বেশি মাত্রায় উত্তেজনা ছিলো, আর সে কারণেই গতরাতে বিশেষ একটা ঘুম হয়নি, মাত্র দু আড়াই ঘণ্টার জন্য চোখ ধরে এসেছিলো। ভোর ৫:৩০ টায় এলার্ম ছিলো, ঘুম থেকে উঠেই বেরিয়ে পড়লাম।
কলকাতার পাশে হওয়া সত্ত্বেও চারিদিকে শুধুই সবুজ মাঠ, চোখ জুড়িয়ে যায়। পরপর ধানের ক্ষেত। অনেকদিন পর কলকাতা শহরের বাইরে বেরোতে পারলাম, সেজন্য আরো ভালো লাগলো।
সকাল বেলায় বাইক চালানোর অভ্যেস নেই তাই যেন আরো ভালো লাগছিলো। ফেরার সময় জানিনা প্রথম বাইক চালানোটা ভিডিও করার চেষ্টা করলাম, হেলমেটের ক্যামেরা নেই তাই GPS এর মোবাইলে স্ট্যান্ডে লাগিয়েই করলাম। প্রথমবারের অভিজ্ঞতা বেশ ভালোই হলো।
কাজ সেরে বাড়ি যখন ঢুকলাম তখন ঘড়িতে মাত্র সকাল আটটা বাজে। কলকাতা তখন ঘুমিয়ে। ভোরে বেরোনোর সুফল পেলাম। আরামে কাজটা হয়ে গেলো।বাড়ি ঢুকে একটু ফ্রেস হয়ে দিলাম ঘুম। ঘুম থেকে বেলা এগারোটার দিকে উঠলাম, উঠেই হালকা টিফিন করে নিলাম। নীচ থেকে কচুরি আর আমৃতি নিয়ে এসেছে। যারা জানেন না, অমৃতি হলো জিলিপির কলকাতার ভার্শন। খেতে একটু টক টক লাগে।
খেয়ে দিয়ে আবার ঘুম দিলাম, সন্ধ্যে ছটা পর্যন্ত টানা ঘুমিয়ে নিলাম। ঘুম থেকে উঠে বসেছি, বোন বললো 'চ বাইরে থেকে একটু ঘুরে আসি'। আমিই বললাম 'চ নাহয় দাদার দোকানেই চা খেয়ে আসা যাবে'। ফের স্কুটার নিয়ে বেরোনো হলো, তবে এবারের গন্তব্য দাদার চায়ের দোকানে।
চা খেয়ে বাড়ির পথে এগোবো হঠাৎ বোন বললো যাবার পথে একটু মেহেক এ পাঞ্জাব যাবে। আমি তখন এই ঘুরতে আসার পেছনের আসল কারণ বুঝতে পারলাম। আমি কথা বাড়াইনি, আরেকটু ঘোরা যাবে যখন। খুব একটা কথা না বাড়িয়ে সোজা মেহেকের দিকে।
মেহেক থেকে বাড়ি ফিরে গ্যারেজে গাড়ি ঢুকাবো এমন সময় দেখি গ্যারেজে সামনে রাজ বসে আছে। রাজ হলো আমার বোনের পুরনো বিড়াল, প্রায় দুবছর আগে সে বাড়ি আগে গৃহত্যাগ করেছে। এখন বাড়ির হুলো থেকে পাড়ার হুলো হয়েছে। বাচ্চা বাচ্চা দেখতে বিড়ালটা সাইজে বিশাল হয়ে গেছে। বোনকে দেখেই এসে গা ঘষতে শুরু করেছে, বোন খানিকটা আদর করে দিতেই শুয়ে পড়লো। আদর করতে করতেই টুপটাপ করে বৃষ্টি পড়তে আরম্ভ করলো, আমরাও বাড়িতে চলে এলাম।
অনেক সুন্দর ছিল আপনার দিনটি, অনেক সুন্দর ভাবে গুছিয়ে লিখেছেন।শুভ কামনা রইলো।
ধন্যবাদ 🤗♥️
আপনার দিনটি অনেক সুন্দরভাবে আপনি উদযাপন করেছেন। আমার খুবই ভাল লাগল এবং আপনি একটু বেড়াতে পছন্দ করেন । এটি প্রতিটা পোস্টে বোঝা যায়। আপনার জন্য শুভকামনা রইল
বেড়াতে পছন্দ করেনা এমন লোকের সংখ্যা হাতে গোনা যাবে। ধন্যবাদ 🤗♥️
বাহ্ দারুন তো অনে সুন্দর দিন কাটিয়েছেন ভাই আপনার সুন্দর মুহূর্ত গুলো দেখে ভালো লাগলো। আপনার সুন্দর মুহূর্ত গুলো আমাদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া আপনার জন্য শুভকামনা রইল
ধন্যবাদ ভাই 🤗♥️
দিনটি খুব সুন্দর ভাবে অতিবাহিত করেছেন আপনি।আপনি খুব সকালে ঘুম থেকে উঠেছেন। সকলে ঘুম থেকে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো।
বিড়াল ত নয় যে রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আপনার পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।
বিশাল সাইজের হয়েছে, ছোটো খাটো বেঙ্গল টাইগারই হবে।
আপনি খুবই সুন্দর দিন অতিবাহিত করেছেন আর এত সুন্দর একটা দিন আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি আপনার প্রতিটা দিনই খুব সুন্দর এবং ভালো কাটুক
আমার পোস্টটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ তোমাকেও 🤗♥️
আচ্ছা এই আমৃতিটা কি জিনিষ?
একদম ই জানিনা।
রাজকে দেখে একটু চটকে দিতে ইচ্ছে করছে। খেয়ে দেয়ে সে দেখি একদম আমার মতো হয়ে গেছে। একটু ওয়াক করাতে হবে যদিও মনে হচ্ছে আমার মতো আলসে
🤔😂
মাটির ভাড়ে চা টা বেশ লাগে, যদিও কখনো খাওয়া হয়নি।
আপু আমৃতি পুরান ঢাকায় পাওয়া যায়। একটু খুঁজে দেখবেন। পেয়ে যাবেন।।
জিলিপির একটা ভার্শন। খেতে একটু টক লাগে।
রাজ কে চটকে দেবার মতো আর নেই, অনেক মোটা হয়ে গেছে 😆। বিড়াল করবে Walk 😂😂, মিতিনকে দেখি সারাদিন ঘুমায়।
সাথে মাটির ভাড় পরিবেশ দূষণ করে না।
মোটা চটকেই মজা😛
দাদা আপনার দিনটি বেশ কেটেছে।ভিডিওটি ভালো ছিল।তবে খাবার হিসেবে জিলিপি ও লুচি ফাটাফাটি ছিল।কিন্তু গ্লাসটাতে কি আমৃতি ছিল!এটি কীভাবে তৈরি করে?বললে ভালো হতো।ধন্যবাদ দাদা।
ওটা কচুরি। ঘুম থেকে উঠে এরম খাবার ভালোই লাগে 😆।
জিলাপির মতো করেই বানায়, একটু সরু হয় আর ডাল দেয় সম্ভবত।
বাহ দাদা সকালের পরিবেশটা অসাধারণ ছিল। এবং আমৃতি আমাদের এদিকে না পাওয়া গেলেও বাংলাদেশের পুরান ঢাকায় পাওয়া যায়।
এতদিন পরে রাজের সাথে দেখা। ওকে বাড়িতে নিয়ে আসতে পারতেন
বাড়ির হুলো থেকে পাড়ার হুলো হয়েছে
কথাটা অসাধারণ লাগল দাদা।
আমৃতি কলকাতাতেই পাওয়া যায় দেখি, আমাদের ওখানে জিলাপি। রাজ আর বাড়ি আসবে না, ও এখন পাড়ার কর্তা।
বলেন কী দাদা।