ক্রিটিভ রাইটিংঃ আমি বিরিয়ানি লাভার

in আমার বাংলা ব্লগlast year

আজ বুধবার -

২৯, মাঘ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

🌺 চলুন শুরু করি 🌺

হিন্দু ভাইদের নমস্কার এবং মুসলমান ভাইদের কে সালাম জানিয়ে আজকের নতুন আরেকটি ব্লগ শুরু করতে যাচ্ছি..! আশা করি সবাই শেষ পর্যন্ত পাশে থাকবেন

সবাইকে সুস্বাগতম জানিয়ে আজকে আবার নতুন একটি পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করছি। আশা করি আপনারা শেষ পর্যন্ত সাথেই থাকবেন। প্রত্যেকটা মানুষের একটি প্রিয় খাবার থাকে। আবার কিছু কিছু মানুষের মাল্টিপল অপশন রয়েছে প্রিয় খাবারের। আসলে আমাদের জীবনটা এমনই যে সুন্দর জীবন যাপন করতে হলে আমাদের প্রিয় খাবারগুলো খাওয়া অবশ্যই জরুরী। আপনি যদি একটি ভালো মানের খাবার খান সেক্ষেত্রে আপনার মন যেমন ভালো থাকবে তেমনি আপনি আপনার দৈনন্দিন কাজের উপরে আরো বেশি মনোযোগী হতে পারবেন‌ এবং আপনার জীবনটা আরো বেশি সুন্দর মনে হবে। আমি আবার একটু খাবার খেতে বেশি পছন্দ করে থাকি যদিও পছন্দের খাবার গুলো সব সময় খাওয়া হয় না তবে খাওয়া দাওয়া করতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে। আজকে আমি আপনাদের মাঝে আমার পছন্দের কিছু খাবার এবং এটি তৈরি করার সেই স্মৃতিগুলো তুলে ধরবো। যদি আমার পছন্দের খাবারের কথা বলি তাহলে প্রথমেই আসবে কাচ্চি বিরিয়ানি!! কাচ্চি বিরিয়ানি খেতে আমি অনেক বেশি পছন্দ করি আমার জীবনে এমন এমন সময় গেছে যে আমি আলাদা আলাদা জায়গাতে।

ai-generated-8517258_1280.jpg

source

গিয়ে কাচ্চি বিরিয়ানি টেস্ট করে আসতাম যে কোন জায়গার বিরিয়ানিটা সবচেয়ে বেশি খেতে সুস্বাদু। এভাবে আমি আমাদের এলাকাতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ টা হোটেল এবং রেস্টুরেন্টে গিয়ে এই কাচ্চি বিরিয়ানি খেয়ে টেস্ট করে দেখেছি তবে এর ভিতরে পাস মার্ক উঠাতে পেরেছি মাত্র পাঁচ থেকে ছয়টি রেস্টুরেন্ট। আসলে সত্যি বলতে শুধুমাত্র হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট দিয়ে দিলেই কিন্তু সুস্বাদু খাবার তৈরি করা যায় না সুস্বাদু খাবার তৈরি করতে হলে অবশ্যই অভিজ্ঞতা প্রয়োজন এবং সেই সাথে ওই খাবারের সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা অবশ্যই প্রয়োজন। সেই সাথে মশলা পাতির একটা বিষয় রয়েছে। কাচ্চি বিরিয়ানি খাওয়ার সবচেয়ে সুন্দর যে মুহূর্ত ছিল সেটা হচ্ছে বামনদিতে। আমাদের এলাকা থেকে মাত্র ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে বড় বাজার রয়েছে ওখানে মোটামুটি যে কোন সরঞ্জাম খুব সহজেই পাওয়া যায়। এবং ওই বাজারটাতে অনেক বড় বড় মার্কেট রয়েছে সেই সাথে রয়েছে অনেক রেস্টুরেন্ট তো একদিন বন্ধু-বান্ধব নিয়ে চলে গেলাম রেস্টুরেন্টে বিরিয়ানি খেতে। ওই আর রেস্টুরেন্টের অবস্থাটা তেমন একটা হাই-ফাই ছিল না মোটামুটি মধ্যবিত্ত একজন রেস্টুরেন্ট মালিক প্রথমে ভাবছিলাম যে হয়তো এখানকার খাবার কেমন হবে।

তবে যখন উনি খাবারগুলো পরিবেশনা করলেন এবং খেয়ে দেখলাম তখন আসলেই খেতে খুবই সুস্বাদু লাগলো। তবে রেস্টুরেন্টের খাবার খাওয়ার মধ্যেএকটা আনন্দের বিষয় হচ্ছে সুন্দর পরিবেশনা। যতই সুন্দর খাবার হোক উনারা যদি সুন্দর করে পরিবেশন না করতে পারে তাহলে সেই খাবার খেয়ে কিন্তু আপনি তেমন একটা মজা পাবেন না। তবে যাই হোক সবশেষে উনি ভরপুর রাইস দিল আমাদের এবং খাসির কয়েকটি বড় বড় পিস দিলেও এবং বন্ধুবান্ধব মিলে সবাই খাওয়ার পরে আমাদের কাছে খুব ভালো লাগলো বিশেষ করে আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে অনেক বেশি ভালো লেগেছে এবং আমি ওখানে গিয়ে বিরিয়ানি খাওয়ার চেষ্টা করি। দ্বিতীয়তঃ আলমডাঙ্গা নামে আমাদের এখানে একটা বড় জায়গা রয়েছে এখানে থেকেই আমাদের এই এলাকার রেল সংযোগ শুরু হয়েছে। অর্থাৎ আপনি যদি কোথাও দূরে ভ্রমণ করতে যান সে ক্ষেত্রে আপনি এখান থেকে রেলগাড়ি তে চলে যেতে পারবেন। তবে একদিন আমি এবং আমার আব্বু একটা কাজের জন্য এখানে এসেছিলাম এবং তখন হঠাৎ করে ক্ষুধা লেগে গেল ভাবলাম যে এখানকার বিরিয়ানি কেমন একবার টেস্ট করে দেখে আসি। তো মোটামুটি আর কয়েকটা আঙ্কেলকে জিজ্ঞেস করলাম যে এখানে বিরিয়ানি হাউস কোথায়।

তো আলমডাঙ্গা বাজার থেকে প্রায় দশ টাকার মতো ভাড়া রাখল ওখানে যেতে এবং ওখানে যাওয়ার পরে বিরিয়ানি দেওয়ার কথা বলতেই মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে বিরিয়ানি রেডি করে উনারা দিয়ে দিলেন। ওখানকার বিরিয়ানিটাও বেশ ভালো লেগেছিল এবং আমার যতদূর মনে পড়ে আরেকটা জায়গায় অনেক মানের কাচ্চি বিরিয়ানি খেয়েছিলাম সেটা হচ্ছে কুষ্টিয়া বাজারে। কুষ্টিয়া বাজারে একদিন আম আমি এবং রাসেল গিয়েছিলাম এবং দুজন মিলে যখন ওখানকার বিরিয়ানি টেস্ট করি তবে ওখানকার বিরিয়ানিটাও ভালো ছিল এবং আরেকটা জায়গা ছিল যেটা অনেক হাইফাই একটা জায়গা ওখানে গিয়ে যখন বিরানিটা টেস্ট করলাম তখন আমার কাছে একেবারে ওটা ভালো লাগে নাই। কারণ একেবারেই শুকনো শুকনো একটা বিষয় ছিল আর মাংসগুলো ভালোভাবে সিদ্ধ হয়েছিল না তো যাই হোক এটাই ছিল আমার মোটামুটি অভিজ্ঞতা সবকিছু বলতে চাই আমি বিরিয়ানি লাভার বিরিয়ানি খেতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে । আপনাদের কি খেতে ভালো লাগে চাইলে কমেন্টে জানিয়ে যেতে পারেন আর ধন্যবাদ করার জন্য।

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 last year 

আমিও কিন্তু বিরিয়ানী লাভার। যাই হোক আপনি বেশ দারুন করে নিজের অনুভূতির শেয়ার করার মাধ্যমে বিরিয়ানী খাওয়া অনুভূতি শেয়ার করেছেন। আমার কাছে আপনার আজকের পোস্টটি বেশ দারুন লেগেছে। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া ।

 last year 

বিরিয়ানি খেতে কে না ভালোবাসে৷ সবাই বিরিয়ানি খেতে অনেক পছন্দ করে৷ আর আজকে আপনার এই অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে খুব খুশি হলাম৷ এখানে যেভাবে আপনি বিরিয়ানি খাওয়ার এই মুহূর্তের একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তা পড়ে খুব ভালো লাগছে৷ ধন্যবাদ আপনাকে এই পোস্ট শেয়ার করার জন্য৷

Coin Marketplace

STEEM 0.05
TRX 0.33
JST 0.075
BTC 65675.87
ETH 1844.54
USDT 1.00
SBD 0.47