ক্রিয়েটিভ রাইটিং:- আপনি আপন মানুষের কাছে কতটা নিরাপদ ? পর্ব:- ১
আমি @tuhin002, আমি আমার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যগনকে আমার পক্ষ থেকে জানায় সালাম," আসসালামু আলাইকুম" সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহুর অশেষ রহমতে ভাল আছি। আজকে আমার আলোচনার বিষয়টি হলো আপনি আপন মানুষের কাছে কতটা নিরাপদ? আশা করি আজকের বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনাটি আপনাদের ভালো লাগবে। তাই শুরু করছি আমার আজকের ব্লগ...
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব হলো মানুষ। এখানে কিন্তু ১৮ হাজার মাখলুকাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে মানুষকে গণ্য করা হয়েছে। কিন্তু বলা হয়নি মানুষ ব্যতীত অন্য জীব জানোয়ার এগুলো হল সৃষ্টি শ্রেষ্ঠ।মানুষের মধ্যে বুদ্ধি বিবেক দিয়েছেন যেটা মানুষ বুদ্ধি বিবেক কাজে লাগে ভালো-মন্দ বিচার করতে পারে। প্রতিটা জীবজন্তুর মধ্যে আল্লাহ মমতা ভালবাসা এগুলো দিয়েছেন। তেমন মানুষের মধ্যেও দিয়েছেন কিন্তু মানুষের মধ্যে যে গুণ গুলো আছে সেই গুণ গুলো আর এজন্যই মানুষ সৃষ্টি শ্রেষ্ঠ জীব। কিন্তু বর্তমান সময়ের অবস্থা বা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটটাকে যদি একটু বিশ্লেষণ করা যায় তাহলে কি এই মানুষকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে বলা যায়। আপনি দুনিয়াদারি মানুষের কথা বাদ দেন আপনি আপনার নিজের মানুষের কথা আপনার নিজের ঘরের মানুষের কথা একটু চিন্তা করেন তো। স্বার্থের জন্য বাবা ছেলেকে, ছেলে বাবাকে, ভাই ভাইকে ছেড়ে দূরে চলে যায়।যদিও হয়তো বা এগুলো ঘটে শুধু কিছু বেশধারী নাগিনের কারণে। যারা নিজেকে পরিচয় দেয় মানুষ কিন্তু আসলে তারা কি মানুষ? একটা পরিবারে বসবাস করে আর এই পরিবারে বসবাস করার কারণ হলো সে নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বসবাস করতে চাই বলে বসবাস করে। কিন্তু বর্তমান যে সময় এসেছে এই সময়ে আপনি মা আপন মানুষের কাছেও নিরাপদ নয়। দেখবেন সামনে আপনার মিষ্টি মিষ্টি কথা বলবে পেছনের দিক দিয়ে দেখবেন সমানতালে আপনাকে ক্ষতি করে যাচ্ছি। উদাহরণ দেয়ার কি কিছু আছে নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন বিষয়টা।
প্রত্যেকটা বারের একজন কর্তা থাকে। আর এই কর্তা ওই পরিবারকে সমানভাবে পরিচালনা করে থাকে। যখন কর্তার পরিবার অর্থাৎ মানুষ যখন একটু বেশি হয়ে যায় দেখবেন সেই পরিবারটা কখনো একটা সময় এমন এক জায়গায় পৌঁছে যায় যেখানে পরিবার তার পরিবার থাকে না। সেখানকার মানুষগুলো বেঁচে থাকে কিন্তু বেঁচে থেকে মারা যায় । এই যে বললাম কিছু মানুষের রূপধারী নাগিন থাকে যাদের বিষে বিষাক্ত হয়ে পুরা গোটা পরিবারকে নিঃশেষ করে দেয়। আর বর্তমানে এই ধরনের মানুষ অহরহ দেখা যায়। একটা বিষয় কি জানেন কখনো কখনো আমার ভাগ্য অবাক লাগে কিভাবে পারে নিজের আপন মানুষ নিজের আপন কে ক্ষতি করে। আবার লক্ষ্য করবেন যে যারা ক্ষতি করে তাদের মুখে বড় বড় কথা বলে। যাদের আচরণ পশুর থেকেও খারাপ তারা আবার অন্যকে পশু বলে গালি দেয় এটা সত্যি হাস্যকর ব্যাপার। কথায় বলে ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। একদিন সময় আসবে যারা এই পাপের কাজে নিযুক্ত তারা অবশ্যই সেই পাপের ফল ভোগ করবে। যারা মানুষের ক্ষতি করে হয়তো বা যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তারা সামরিক সময়ের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সময়ের ব্যবধানে আল্লাহর উপর ভরসা রাখলে হয়তোবা সেই বিপদ থেকে তারা মুক্তি পাবে। কিন্তু যারা এই কাজটা করেছে বা এগুলো করে থাকে, কিভাবে মুক্তি পাবে সেটা কি তারা কখনো ভেবে দেখেছে। সবথেকে হাসির বিষয় কি জানেন মানুষ কখনো হাঁটতে জানে না সবসময় জিততে চাই। কিন্তু এই সব মানুষগুলো বোঝে না যে তার মধ্যে কোন সার্থকতা নেই সুখ নেই হারার মধ্যে কিন্তু বড় সুখ।
পরিবারের মুরুব্বিদের সাথে এমন আচরণ করে মনে হয় যেন এরা কুলাঙ্গার। আপনি দেখবেন পরিবারের কিছু মানুষ হয়েছে যারা মুরুব্বিদের সাথে খুবই খারাপ আচরণ করে। এরা কিন্তু এসব মানুষের আপনজন কিন্তু তাদের মুখ এবং কিছু কুফরি কার্যক্রম থেকে ওই পরিবার কখনোই নিরাপদ থাকে না। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন বর্তমান সময়ে কিছু কুফুরি করা ধরেছে মানুষ। বিভিন্ন ধরনের ওঝা দিয়ে মানুষদেরকে ক্ষতি করছে অহরহ। আর এই কারণেই কিন্তু পরিবারের মানুষ এখন নিজের মানুষের কাছে খুব একটা নিরাপদ বোধ করছে না। কথা বলতে এই ভোগান্তে আমি ভুগতেছি। বর্তমান সময়ে আমি আমার নিজের আপনজনের কাছে নিরাপদ না। কখনো ঝড়ের বাতাসে আসে সবকিছু দৌড়ে ভেঙে শেষ করে দিয়ে যাচ্ছে। হয়তো দূর থেকে সে হাসতেছে আর মজা নিচ্ছে। হয়তো বা নিজের চোখেও দেখছে এই মানুষটা কষ্ট পাচ্ছে তারপরও কিন্তু সে তাদেরকে কষ্ট দিচ্ছে। আমরা সৃষ্টি শ্রেষ্ঠ জীব হয়ে যখন আমরা আপন মানুষের কাছে নিরাপদ নই তখন কি করে আমরা জীব জানোয়ারের কাছ থেকে নিরাপদ থাকবো। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এটা আমরা এখন জীব জানোয়ারের কাছ থেকেই নিরাপদ কিন্তু মানুষের কাছ থেকে নিরাপদ নয়। তবে এখানে আরেকটু বলতে হয় মানুষ বলতে পরের কাছে নিরাপদ কিন্তু আপন মানুষের কাছে নয়। যদি জরিপ করা যায় তাহলে দেখবেন অধিকাংশ মানুষ নিজের আপন মানুষের কাছ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আজ এই পর্যন্ত। সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
| ডিভাইস | poco M2 |
|---|---|
| লোকেশন | মেহেরপুর |
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খায়রুল আলম তুহিন। আমার জন্ম ১১ এপ্রিল ১৯৯৫ সালে। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার দুইটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। আর আমি স্টিমেটে জয়েন করেছি (২৭ - ০৬ - ২০২২) সালে। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://x.com/ABashar45/status/1889999615761764604?t=FIuY1_Pzk05FOCeaj83XoA&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
একদমই ঠিক বলেছেন জীব জন্তুুর কাছে নিজেকে নিরাপদ মনে হয় মানুষের কাছে নয়।মানুষ নিকৃষ্ট হয়ে গেছে। নিজেদের মানুষ কষ্ট দেয় বেশি।আপনি কালো জাদুর স্বিকার জেনে খারাপ লাগছে।আসলে এগুলো খুবই ভয়ংকর জিনিস। সৃষ্টি কর্তা সব ঠিক করে দেবে। ধন্যবাদ পোস্ট টি ভাগ করে নিয়েছেন জন্য।
বর্তমানের এই ব্যাপারটা নিয়ে ব্যাখ্যা করার মত ভাষা আমার নেই। তবে শুধু একটা কথাই বলবো তাদের জন্য আল্লাহ সুবুদ্ধি দেয়।