সবাই কেমন আছেন?
আশাকরি আপনারা সবাই সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও তার রহমতে ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি নতুন রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি। রেসিপিটি হলো দেশি মুরগির বাচ্চার মাংসের মজাদার রেসিপি😋। এটি খাওয়ার মজাই আলাদা। মুরগির মাংস আমাদের দেহের জন্য খুবই উপকারী। মুরগির মাংস রয়েছে ভিটামিন বি টুয়েলভ যা মানব দেহের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। যাই হোক এখন রেসিপিতে আসা যাক।
আমি নিচে রেসিপিটি তৈরির পদ্ধতি ধাপে ধাপে বর্ণনা দিয়েছি। আশা করি এটি আপনাদের ও ভালো লাগবে।
রেসিপিটির ফাইনাল লুক
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
ছোট মুরগি
রসুন বাটা
আদা বাটা
পেঁয়াজ কুঁচি
কাঁচা মরিচ
হলুদের গুঁড়া
মরিচেরগুঁড়ো
জিরে গুঁড়া
গরম মসলা।
লবন ও সয়াবিন তেল
প্রথম ধাপ:
প্রথমে আমি চুলায় একটি পাতিল বসিয়ে দিলাম এবং পরিমাণমতো সয়াবিন তেল দিলাম। তেল গরম হয়ে আসলে পাতিলের মধ্যে পরিমাণ মতো পেঁয়াজকুচি ও কাঁচামরিচ কুচি দিয়ে দিলাম।
দ্বিতীয় ধাপঃ
আমি তেলের মধ্যে তেজপাতা দারুচিনি ও এলাচ ভেজে নিলাম (এতে খুব সুন্দর একটি ফ্লেভার তৈরি হয়।) তারপর রসুন বাটা দিয়ে দিলাম
তৃতীয় ধাপ:
পরবর্তীতে মশলার সবগুলো উপকরণ দিয়ে দিলাম ও মুরগির মাংসের টুকরোগুলো দিয়ে দিলাম।
চতুর্থ ধাপ:
কিছুক্ষণের চেয়ে ভেজে নিলাম ও পরিমান মত পানি দিয়ে দিলাম।
পঞ্চম ধাপ:
যেহেতু এটি মুরগির বাচ্চা তাই এটি ৬ থেকে ৭ মিনিট রান্না করলেই খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। যখন ঝোল হালকা ঘার হয়ে আসবে তখন তা চুলা থেকে নামিয়ে নিলাম।
সর্বশেষ ধাপ:
অবশেষে এটি পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত করলাম। মজাদার রেসিপিটি এখন সম্পূর্ণ তৈরি
আশা করি আপনাদের সকলের কাছে আমার আজকের এই রেসিপির পোস্টটি ভালো লেগেছে। কেমন লেগেছে তা অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন। ভুলক্রটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
আপু আপনার দেশি মুরগির বাচ্চার মজাদার রেসিপি খুবই চমৎকার হয়েছে। দেশি মুরগির বাচ্চা আমাদের সবার জন্য খুবই উপকারী। এটির শরীরের রক্ত সঞ্চালনের সহায়তা করে তাই মাঝে মাঝে সবারই উচিত দেশি মুরগির বাচ্চা খাওয়া। আপনার রান্নার কালার খুবই ভালো লেগেছে দেখেই লোভ লেগে গেল।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন আপু শরীরের রক্ত সঞ্চয় করে এই দেশি মুরগির বাচ্চা। এটি আমাদের দেহের জন্য খুবই উপকারি।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য শুভকামনা রইল।
দেশি মুরগির বাচ্চা কিছুটা কবুতরের মতোই হয়, যদি একটু মসলা বেশি দিয়ে রান্না করা হয় এটি অনেক সুস্বাদু হয়। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটা রেসিপি উপহার দেওয়ার জন্য।
জি ভাই আপনি ঠিক বলেছেন দেশি মুরগির বাচ্চা একদম কবুতরের বাচ্চার মতই। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
দেশি মুরগির বাচ্চার মাংসের মজাদার রেসিপিটি দেখতে বেশ লোভনীয় মনে হচ্ছে। দেখেই জিভে জল চলে আসছে। খুব চমৎকারভাবে প্রতিটি ধাপ আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। অনেক শুভকামনা আপনার জন্য।
দেশি মুরগির বাচ্চার মাংস অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে খেতে। আমি এটি একবার কিংবা দুবার খেয়েছিলাম হয়তো। আপনার রেসিপি দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। চমৎকার ভাবে সবগুলো ধাপ উপস্থাপন করেছেন। কালার টা বেশ লোভনীয় লাগছে দেখতে। সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
দেশি মুরগির মজাদার রেসিপি দেখে খেতে ইচ্ছা করছে। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করলেন। আসলে আপনার রেসিপির উপস্থাপন আমার কাছে সত্যি অনেক ভালো লেগেছে।
আপু আপনার দেশি মুরগির বাচ্চার রেসিপিটি অনেক সুন্দর হয়েছে। আর দেখতে অনেকটা কালারফুল লাগছে। নিশ্চয়ই খেতে অনেক মজা হয়েছে। অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে আমাদের সামনে উপস্থাপন করার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
দেশি মুরগি খেতে বেশ ভালোই লাগে। আপনি খুব সুন্দর করে দেশি মুরগির রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। দেখে বোঝা যাচ্ছে যে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। কারণ কালারটা অসাধারণ এসেছে। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আপনার দেশি মুরগির বাচ্চার মাংসের মজাদার রেসিপি দেখে তো মনে হচ্ছে খুবই লোভনীয় হয়েছে। জাস্ট অসাধারণ লেগেছে আমার কাছে আপনার মুরগির মাংসের রেসিপি। রিসিপির কালার কম্বিনেশন টা দারুন হয়েছে। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
খুবই মজাদার একটি দেশি মুরগির মাংস রান্নার রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ব্যক্তিগতভাবে দেশি মুরগির মাংস আমার কাছে অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে। এত মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আমাদের মাঝে মধ্যে কচি মুরগির মাংস রান্না করে খাওয়া উচিত। বিশেষ করে বৃদ্ধ মানুষদের জন্য এই জাতীয় মাংসগুলো খুবই প্রয়োজন। ডাক্তাররা প্রায়ই বলে থাকেন যে,সময় সাপেক্ষে দেশি মুরগির বাচ্চার মাংস খাওয়া প্রয়োজন। শরীরের ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন পুষ্টিগুণের চাহিদা পূরণ করে থাকে।
আপু আপনার দেশি মুরগির বাচ্চার মজাদার রেসিপি খুবই চমৎকার হয়েছে। দেশি মুরগির বাচ্চা আমাদের সবার জন্য খুবই উপকারী। এটির শরীরের রক্ত সঞ্চালনের সহায়তা করে তাই মাঝে মাঝে সবারই উচিত দেশি মুরগির বাচ্চা খাওয়া। আপনার রান্নার কালার খুবই ভালো লেগেছে দেখেই লোভ লেগে গেল।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন আপু শরীরের রক্ত সঞ্চয় করে এই দেশি মুরগির বাচ্চা। এটি আমাদের দেহের জন্য খুবই উপকারি।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য শুভকামনা রইল।
দেশি মুরগির বাচ্চা কিছুটা কবুতরের মতোই হয়, যদি একটু মসলা বেশি দিয়ে রান্না করা হয় এটি অনেক সুস্বাদু হয়। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটা রেসিপি উপহার দেওয়ার জন্য।
জি ভাই আপনি ঠিক বলেছেন দেশি মুরগির বাচ্চা একদম কবুতরের বাচ্চার মতই। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
দেশি মুরগির বাচ্চার মাংসের মজাদার রেসিপিটি দেখতে বেশ লোভনীয় মনে হচ্ছে। দেখেই জিভে জল চলে আসছে। খুব চমৎকারভাবে প্রতিটি ধাপ আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। অনেক শুভকামনা আপনার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ।
আশা করি সব সময় এভাবে সাপোর্ট করবেন।
আপনার জন্য শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল আপু।
দেশি মুরগির বাচ্চার মাংস অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে খেতে। আমি এটি একবার কিংবা দুবার খেয়েছিলাম হয়তো। আপনার রেসিপি দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। চমৎকার ভাবে সবগুলো ধাপ উপস্থাপন করেছেন। কালার টা বেশ লোভনীয় লাগছে দেখতে। সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর উৎস মূলক মন্তব্যের জন্য । এমন মন্তব্য দেখলে কাজ করার আগ্রহ আর বৃদ্ধি পায়। শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা নিবেন।
দেশি মুরগির মজাদার রেসিপি দেখে খেতে ইচ্ছা করছে। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করলেন। আসলে আপনার রেসিপির উপস্থাপন আমার কাছে সত্যি অনেক ভালো লেগেছে।
সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
আপু আপনার দেশি মুরগির বাচ্চার রেসিপিটি অনেক সুন্দর হয়েছে। আর দেখতে অনেকটা কালারফুল লাগছে। নিশ্চয়ই খেতে অনেক মজা হয়েছে। অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে আমাদের সামনে উপস্থাপন করার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
জ্বী আপু আসলে এটি অনেক মজাদার হয়েছিল আপনাকে ধন্যবাদ আপনার এই সুন্দর মন্তব্যের জন্য শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
দেশি মুরগি খেতে বেশ ভালোই লাগে। আপনি খুব সুন্দর করে দেশি মুরগির রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। দেখে বোঝা যাচ্ছে যে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। কারণ কালারটা অসাধারণ এসেছে। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
সুন্দর মন্তব্য করে উৎসাহ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া। এমন সুন্দর মন্তব্য দেখলে কাজ করার আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। ভালো থাকবেন , শুভকামনা জানাই।
আপনার দেশি মুরগির বাচ্চার মাংসের মজাদার রেসিপি দেখে তো মনে হচ্ছে খুবই লোভনীয় হয়েছে। জাস্ট অসাধারণ লেগেছে আমার কাছে আপনার মুরগির মাংসের রেসিপি। রিসিপির কালার কম্বিনেশন টা দারুন হয়েছে। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্যটির জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনার জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
খুবই মজাদার একটি দেশি মুরগির মাংস রান্নার রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ব্যক্তিগতভাবে দেশি মুরগির মাংস আমার কাছে অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে। এত মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য। আপনার জন্য আমার পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানাই ভাইয়া।
আমাদের মাঝে মধ্যে কচি মুরগির মাংস রান্না করে খাওয়া উচিত। বিশেষ করে বৃদ্ধ মানুষদের জন্য এই জাতীয় মাংসগুলো খুবই প্রয়োজন। ডাক্তাররা প্রায়ই বলে থাকেন যে,সময় সাপেক্ষে দেশি মুরগির বাচ্চার মাংস খাওয়া প্রয়োজন। শরীরের ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন পুষ্টিগুণের চাহিদা পূরণ করে থাকে।
ভাইয়া আপনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। আপনার মন্তব্যটি অনেক ভাল লেগেছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটা মন্তব্য প্রকাশ করার জন্য শুভকামনা জানাই।