সবাই কেমন আছেন?
আশাকরি আপনারা সবাই সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও তার রহমতে ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি নতুন রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি। রেসিপিটি হলো মজাদার পেয়াজু রেসিপি😋। এটি খাওয়ার মজাই আলাদা। আমার এটি খুবই প্রিয় একটি রেসিপি। এখন যেহেতু রমজান মাস এটি সকলেই বাসায় তৈরি করে থাকে।আমার আবার পেয়াজু ছাড়া ইফতারি জমেই না। তো চলুন আজকে রেসিপিটি দেখা যাক।
আমি নিচে রেসিপিটি তৈরির পদ্ধতি ধাপে ধাপে বর্ণনা দিয়েছি। আশা করি এটি আপনাদের ও ভালো লাগবে।
রেসিপিটির ফাইনাল লুক
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
বাউলার ডাল
লবন ও সয়াবিন তেল
পেঁয়াজ কুঁচি
কাঁচা মরিচ
হলুদের গুঁড়া
প্রথম ধাপ:
প্রথমে আমি ডালগুলোকে ব্লেন্ড করে নিলাম। তারপর পেঁয়াজ কুঁচি ও কাঁচামরিচ কুঁচি দিয়ে দিলাম।
দ্বিতীয় ধাপঃ
তারপর পরিমাণ মতো হলুদের গুড়ো ও লবন দিয়ে দিলাম।
তৃতীয় ধাপ:
এখন সবগুলো উপকরণ হাতদিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিলাম।
চতুর্থ ধাপ:
এখন চুলায় একটি ফ্রাই প্যান বসিয়ে নিলাম। ও পরিমাণ মতো সয়াবিন তেল দিয়ে দিলাম।
পঞ্চম ধাপ:
এখন হাতের সাহায্য ডালের বড়া পাকিয়ে নিলাম। তারপর তেলের মধ্যে সবগুলো বড়া দিয়ে দিলাম।
সর্বশেষ ধাপ:
বড়াগুলো বাদামি রং হয় আসলে তা চুলা থেকে তেল ঝরিয়ে নামিয়ে নিলাম।
মজাদার রেসিপিটি এখন সম্পূর্ণ তৈরি।
আশা করি আপনাদের সকলের কাছে আমার আজকের এই রেসিপির পোস্টটি ভালো লেগেছে। কেমন লেগেছে তা অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন। ভুলক্রটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
আপনার পেয়াজু রেসিপি টা আমার খুবই ভালো লেগেছে।পেয়াজু গুলো দেখতে অনেক সুন্দর হয়েছে।জিভে জল আসতেছে।আর পেয়াজু আমার খুবই ভালো লাগে। এই গুলো অনেক মজাদার হয়। আপনার এই রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
পিঁয়াজু তৈরির রেসিপি খুবই লোভনীয় হয়েছে আপু। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে এই রেসিপি তৈরি করেছেন। গরম গরম পিঁয়াজু খেতে অনেক ভালো লাগে। আপনার তৈরি করা এই পেয়াজু দেখে মনে হচ্ছে খেতে সুস্বাদু হয়েছে। অনেক মজার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
পিয়াজু বরাবরই আমার খুব ফেভারিট তবে এখন নিয়মিত খাওয়া হয় ইফতারের সময় আপনি খুব লোভনীয় ভাবে পিয়াজু রেসিপি প্রস্তুত করে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য 🌹
এই রমজান মাসে ইফতারের সময় আমরা যে সকল খাবারগুলো খাই সেগুলোর মধ্যে পিয়াজু আমার সবথেকে বেশি পছন্দের। আমি প্রত্যেকদিন ইফতারের সময় একসাথে অনেকগুলো পিয়াজু সাবাড় করে। যাইহোক আপনার বানানো পিয়াজু গুলো দেখতে খুবই মজার মনে হচ্ছে আপু। খুবই গোছালোভাবে পুরো রেসিপিটি আপনি উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ।
পিয়াজু খেতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। আমার গ্রামের বাজারে দোকানগুলোতেই সবসময় পিয়াজু পাওয়া যায়। আমি মনে করি যে সবারই পিয়াজু পছন্দ অনেক। আর রমজান মাসে সে যেন পিয়াজু কদর আরো বেড়ে গেছে। যাই হোক আপনি খুব সুন্দর করে পিয়াজু রেসিপি আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য। প্রতিটি ধাপের বর্ণনা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
মজাদার পেয়াজু রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু। দেখে সত্যি খেতে ইচ্ছে করছে। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল আপু। 💞💞
পিঁয়াজু বড়া আমার খুবই প্রিয় আপু, সত্যি বলতে বাসায় পিঁয়াজু বড়া বানিয়ে খাওয়া ছাড়া বাইরের পিঁয়াজি খেয়ে মনেই ভরে না, আপনি অনেক সুন্দর করে পিঁয়াজ বড়া তৈরি করেছেন, এবং প্রতিটি ধাপ অনেক সুন্দর করে উপস্থাপনা করেছেন, শুভকামনা রইলো আপনার জন্য আপু।
আপনার পেঁয়াজু রেসিপিটি খুবই চমৎকার হয়েছে। কালার দেখে বুঝা যাচ্ছে কতটা মজার হয়েছে। জিবে জল ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। রমজানে পেয়াজুর ভূমিকা অপরিসীম।আপনার রেসিপি যেমন সুন্দর উপস্থাপনা ও চমৎকার। সেই সাথে প্রতিটি ধাপ সুন্দর ভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। শুভ কামনা রইল।
আপনার পেয়াজু রেসিপি টা আমার খুবই ভালো লেগেছে।পেয়াজু গুলো দেখতে অনেক সুন্দর হয়েছে।জিভে জল আসতেছে।আর পেয়াজু আমার খুবই ভালো লাগে। এই গুলো অনেক মজাদার হয়। আপনার এই রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
পিঁয়াজু তৈরির রেসিপি খুবই লোভনীয় হয়েছে আপু। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে এই রেসিপি তৈরি করেছেন। গরম গরম পিঁয়াজু খেতে অনেক ভালো লাগে। আপনার তৈরি করা এই পেয়াজু দেখে মনে হচ্ছে খেতে সুস্বাদু হয়েছে। অনেক মজার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
পিয়াজু বরাবরই আমার খুব ফেভারিট তবে এখন নিয়মিত খাওয়া হয় ইফতারের সময় আপনি খুব লোভনীয় ভাবে পিয়াজু রেসিপি প্রস্তুত করে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য 🌹
খুব সুন্দর ভাবে পিয়াজু রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। প্রতিটি ধাপ ছিল খুবই সুন্দর। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
এই রমজান মাসে ইফতারের সময় আমরা যে সকল খাবারগুলো খাই সেগুলোর মধ্যে পিয়াজু আমার সবথেকে বেশি পছন্দের। আমি প্রত্যেকদিন ইফতারের সময় একসাথে অনেকগুলো পিয়াজু সাবাড় করে। যাইহোক আপনার বানানো পিয়াজু গুলো দেখতে খুবই মজার মনে হচ্ছে আপু। খুবই গোছালোভাবে পুরো রেসিপিটি আপনি উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ।
পিয়াজু খেতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। আমার গ্রামের বাজারে দোকানগুলোতেই সবসময় পিয়াজু পাওয়া যায়। আমি মনে করি যে সবারই পিয়াজু পছন্দ অনেক। আর রমজান মাসে সে যেন পিয়াজু কদর আরো বেড়ে গেছে। যাই হোক আপনি খুব সুন্দর করে পিয়াজু রেসিপি আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য। প্রতিটি ধাপের বর্ণনা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
মজাদার পিঁয়াজু এটা বেশ ভালো ছিল। আপনি অনেক সুন্দর করে এটি তৈরি করেছেন। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল দুর্দান্ত
মজাদার পেয়াজু রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু। দেখে সত্যি খেতে ইচ্ছে করছে। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল আপু। 💞💞
পিঁয়াজু বড়া আমার খুবই প্রিয় আপু, সত্যি বলতে বাসায় পিঁয়াজু বড়া বানিয়ে খাওয়া ছাড়া বাইরের পিঁয়াজি খেয়ে মনেই ভরে না, আপনি অনেক সুন্দর করে পিঁয়াজ বড়া তৈরি করেছেন, এবং প্রতিটি ধাপ অনেক সুন্দর করে উপস্থাপনা করেছেন, শুভকামনা রইলো আপনার জন্য আপু।
আপনার পেঁয়াজু রেসিপিটি খুবই চমৎকার হয়েছে। কালার দেখে বুঝা যাচ্ছে কতটা মজার হয়েছে। জিবে জল ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। রমজানে পেয়াজুর ভূমিকা অপরিসীম।আপনার রেসিপি যেমন সুন্দর উপস্থাপনা ও চমৎকার। সেই সাথে প্রতিটি ধাপ সুন্দর ভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। শুভ কামনা রইল।