"বর্ধমানের ক্রাইস্ট চার্চ দর্শন ও কিছু ফটোগ্রাফি"
নমস্কার
বর্ধমানের ক্রাইস্ট চার্চ দর্শন:
সকলকে জানাই ক্রিসমাসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।আসলে আজ 25-ই ডিসেম্বর বড়দিন অর্থাৎ যীশুখ্রিস্টের জন্মদিন।তাই এইদিন থেকে একটু একটু করে দিনের সময় বাড়তে থাকবে। প্রতিবছর প্ল্যান করা হয় এই দিনে বর্ধমানের চার্চ ঘুরতে যাওয়ার।কিন্তু যাওয়া হয়ে ওঠে না তাই এইবার আর মিস করলাম না।আসলে যেহেতু এখন শান্তিনিকেতনে পৌষ মেলা শুরু হয়ে গেছে তাই দুটি অপশন ছিল।হয় পৌষ মেলাতে যাবো নয়তো গির্জা দর্শনে।কিন্তু শান্তিনিকেতনের পথটা অনেক দূরত্বে, তাই বাড়ি থেকে সোজা বর্ধমান শহরেই আসার সিদ্ধান্ত নিলাম গির্জা দেখতে।যদিও এটাও আমার বাড়ি থেকে 20 কিলোমিটার মতো দূরে অবস্থিত।
সকালে খেয়েই স্নান সেরে পূজা দিয়ে একটু সাজুগুজু করে বেরিয়ে পড়লাম দাদা আর আমি।এরপর স্টেশনে পৌঁছালাম সাইকেল করে, স্টেশনে বসেই ঘটি গরম খাবার খেয়ে নিলাম দশ টাকা দিয়ে।তারপর ট্রেন করে চলে গেলাম সোজা বর্ধমান স্টেশনে।সেখানে বর্ধমানের শহরে গিয়েই স্টেশন থেকে পায়ে হাঁটা শুরু করলাম,তারপর প্রথমে একটি চার্চ পরিদর্শন করলাম যেটার বর্ননা আমি পরে কোনো পোস্টে দেব।আমি দ্বিতীয়বার কার্জন গেটের পাশে একটি চার্চে গিয়েছিলাম।যেটার নাম ক্রাইস্ট চার্চ।
ক্রাইস্ট চার্চ এর গেটের বাইরে গোলাপ ফুল বিক্রি হচ্ছিলো।তাই দশ টাকা দিয়ে একটি গোলাপ ফুল কিনে নিলাম, চার্চ এর ভিতরে মাঠে মেলাও বসেছিলো।আর অনেকে ফুল ও মোমবাতি কিনে জ্বালিয়ে একটি জায়গায় দিয়ে মনস্কামনা করছিলো।আমিও অবশ্য গোলাপ ফুলটি এখানে পুঁতে দিয়ে আমার মনস্কামনার কথা জানিয়েছিলাম।তারপর বিভিন্ন মূর্তি দেখলাম খ্রিস্টান ধর্মের,যীশুখ্রিস্টের জন্মের সময়ের।অনেক মূর্তিই রয়েছে যেগুলো একটি পোষ্টের ভিতর দেওয়া সম্ভব নয়।
এরপর চার্চের ভিতরে প্রবেশ করে সোজা মূল জায়গা দেখলাম।যেখানে অনেক মানুষ ফুল দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছে সঙ্গে প্রে করেছে।আবার সুন্দর সুন্দর ফুলের সজ্জার পাশেই ক্রিসমাস ট্রি রাখা রয়েছে।হয়তো রাতের বেলা এগুলো আলোকসজ্জায় আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।এই চার্চটি একটু পুরোনো ধাঁচের মতো মনে হলো।যেটার উপর বিরাট বড় একটি ঘন্টা রয়েছে।আর লাল রঙের মন্দিরের মতোই গির্জার রং।আমরা অবশ্য এখানে দুপুরের দিকে গিয়েছিলাম।বেশ ভালো সময় কেটেছিল সবমিলিয়ে আজকের দিনটি।এরপর আমরা নানান কিছু কেনাকাটা করলাম, ব্যাগ ভর্তি বাজার করলাম,কিছু মাছ কিনলাম,একটি নিরামিষ কেকও কিনে নিয়েছিলাম বাবা-মায়ের জন্য।এরপর বাড়ি ফিরে আসলাম।।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
টাস্ক প্রুফ:
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ক্রিসমাসের দিনে বর্ধমান চার্চে গিয়ে সময় কাটিয়েছো দেখে ভালো লাগছে। আসলে এই দিনে চার্চে যেতে সব সময় ভালো লাগে। সব চার্চ গুলি এত সুন্দর করে সেজে ওঠে যে গেলে কোথা দিয়ে সময় চলে যায়। আর যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিনে ছাড়তে গিয়ে সময় কাটালে একটা অন্যরকম অনুভূতির জন্য হয়। বড়দিনের দিন দারুন সুন্দর একটি মুহূর্ত কাটিয়েছ বুঝতে পারছি।
আসলেই দাদা,সুন্দর একটি সময় কাটিয়েছিলাম।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যের জন্য।