বছরের প্রথম সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন আমিও ভালো আছি আজকে আমি আপনাদের মাঝে পুনরায় আরও একটা নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। নতুন বছর চলে এসেছে আর নতুন বছর চলে আসে সাথে সাথে আমাদের স্কুলে প্রচুর পরিমাণে নতুন ছাত্র-ছাত্রীর আগমন ঘটেছে। প্রত্যেক বছর এমন টাই হয় আর নতুন ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে আমরা একটু আনন্দের সাথে সময় অতিবাহিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাই। এই বছরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বই এখন পর্যন্ত কোন স্কুলে পৌঁছাতে যাওয়ার কারণে আমরা ও অন্যদের মতো ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে বই তুলে দিতে পারেনি। অন্যান্য বছরে আমরা বছরের প্রথম দিনেই ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে বই তুলে দিতে সক্ষম হই কিন্তু এই বছর সেটা করতে পারলাম না। যেহেতু ছাত্রছাত্রীদেরকে বই হাতে তুলে দিতে পারেনি তাই আমাদের কাছে খারাপ লাগছিল তারপরও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি বই ব্যতীত ছাত্র-ছাত্রীদের কে নিয়ে কিভাবে ক্লাসের কার্যক্রম গুলো ভালোভাবে চালিয়ে যাওয়া যায় সেটা লক্ষ্য রাখতে। আপনারা সকলেই হয়তোবা জানেন যে আমরা শুধুমাত্র পড়াশোনার ক্ষেত্রে মনোযোগী নয় এছাড়াও আমরা অনেক ক্ষেত্রে মনোযোগী যেগুলো ছাত্রছাত্রীদের মানসিকভাবে বিকাশ ঘটানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনারা হয়তোবা আমার পোস্টগুলো দেখে বুঝতে পেরে গিয়েছেন যে আমাদের স্কুলে কি ধরনের কার্যক্রম আমরা প্রতিনিয়ত গ্রহণ করে থাকি ছাত্রছাত্রীদের উন্নতির জন্য।
আমাদের স্কুলে অনেক নতুন ছাত্র-ছাত্রী যুক্ত হয়েছে আর সেই সাথেই আজকে বৃহস্পতিবার ছিল তাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমাকে জিজ্ঞাসা করল আজকের দিনটা কিভাবে অতিবাহিত করা যায়। একতা তিনি আমাকে আজকে সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার কথা বলছিল। পরবর্তী সময়ে আমি আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষকের এই প্রস্তাবের সাথে একমত হলাম এবং প্রধান শিক্ষককে আজকের দিনের ক্লাস বন্ধ রেখে সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার পরামর্শ প্রদান করলাম। আমরা যে ক্লাস একেবারেই বন্ধ করে দিয়ে এই অনুষ্ঠান করে তা কিন্তু নয় আমরা অন্যান্য দিনের মতো প্রত্যেকটা ক্লাস না নিতে পারলেও কিছু সংখ্যক ক্লাস নেই যেন ছাত্রছাত্রীরা বিষয়টাকে পজিটিভ ভাবে দেখে।
যাইহোক নতুন ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে আজকের দিনে এই সাপ্তাহিক সংস্কৃতি অনুষ্ঠান করার বিষয়ে অনেক ভালো হয়েছে কারণ ছাত্র-ছাত্রীরা আমাদের স্কুলের সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারছে। আর যেহেতু নতুন ছাত্র-ছাত্রী এখন পর্যন্ত স্কুলের পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে পারেনি তাই এই অনুষ্ঠানটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করল বলে আমি মনে করি। আমি লক্ষ্য করে দেখেছি নতুন উপস্থিত হওয়ার ছাত্রছাত্রীরা ও এই সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে অংশগ্রহণ করেছে। প্রথম ছাত্রছাত্রীদেরকে নিয়ে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণের বিষয়টা আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে সেটা অবশ্যই আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হবো নতুন কোন একটা পোস্ট এর মধ্য দিয়ে।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবাসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে। আমি ২০১৭ সালে প্রথম এই প্লাটফর্মে যুক্ত হয়েছিলাম সেই থেকে আজ পর্যন্ত এই প্লাটফর্মের সাথেই রয়ে গিয়েছি। আশা করি ভবিষ্যতেও এই প্লাটফর্মের সাথেই থেকে যাব।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Posted using SteemPro Mobile
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বছরের শুরুতেই একটা দারুন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন নিজের স্কুলে। বছরের শুরুটা এত সুন্দর ভাবে হলে আশা করি সারা বছর শিশুরা খুব ভালো থাকবে। আজ ক্লাস না করিয়ে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছেন দেখে বেশ খুশি হলাম। ক্লাস তো সারা বছর হতেই থাকে। কিন্তু বাচ্চাদের একটু আনন্দ করাও দরকার। আর সেটা সবাই একসাথে হলে তার থেকে ভালো মুহূর্ত আর নেই।
ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সকলের সাথে ফ্রি করার জন্যই মূলত এমন আয়োজন করেছিলাম।
সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে পেরে খুব ভালো লাগলো আমার। মনে পড়ে গেল ছোটবেলার সেই দিনগুলোর কথা। হাই স্কুল লাইফে সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দেখা পেয়েছি। প্রাইমারি দেখেছি বলে মনে হয় না। তবে এই সমস্ত দিনগুলো খুব মিস করি।
আমরা সবসময়ই এই ধরনের আয়োজন আমাদের স্কুলে করে থাকি।