মামি বাগিনার চোদাচুদি

in #banglachoti22 days ago

বাগিনা এবার কলেজের শেষ বছরে। বয়স বাইশ। শরীরটা তার জিম করা, ফুটবল খেলে শক্তপোক্ত। কিন্তু তার মনের ভিতরে অনেকদিন ধরে একটা আগুন জ্বলছিল। সেই আগুনের নাম তার ছোটো মামি রূপা। রূপা মামির বয়স চৌত্রিশ। ফর্সা গায়ের রং, মাঝারি উচ্চতা, কিন্তু তার শরীর যেন পাকা ফলের বাগান। বিশেষ করে দুটো বড়ো বড়ো জাম্বুরা আর পিছনের ভারী, গোলাকার অংশ দেখলে পুরুষের চোখ আটকে যায়।
মামা বিদেশে থাকায় রূপা মামি একাই বড়ো বাড়িতে। বাগিনা গত কয়েক মাস ধরে প্রায়ই আসত। অজুহাত পড়াশোনা, আসলে মামির জাম্বুরা দেখা, তার নদির আশেপাশে ঘুরে বেড়ানো, তার শরীরের মিষ্টি গন্ধ নেওয়া। মামিও বাগিনাকে খুব আদর করত। খাবার বানিয়ে দিত, জামা কেচে দিত, রাতে গল্প করতে তার ঘরে আসত।
সেদিন আকাশ কালো করে বৃষ্টি নেমেছিল। বাগিনা আর বাড়ি ফিরতে পারল না। মামি বলল, “আজ রাতটা এখানেই থাক।” রাতের খাবারের পর দুজনে সোফায় বসে টিভি দেখছিল। মামি পরেছিল পাতলা সাদা নাইটি, যার নিচে তার জাম্বুরার আকৃতি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। বাগিনার শসা তখনই শক্ত হয়ে উঠতে শুরু করেছিল।
হঠাৎ বাগিনা বলে উঠল, “মামি, তোমার জাম্বুরা দুটো কী অসাধারণ দেখায়।”
মামি লজ্জায় লাল হয়ে বলল, “কী বলছিস পাগল ছেলে! আমি তো তোর মামির বয়সী।”
কিন্তু তার গলায় রাগের চেয়ে কাঁপুনি বেশি ছিল। বাগিনা আর অপেক্ষা না করে মামির কাছে সরে গেল। তার গালে হাত বুলিয়ে আলতো করে ঠোঁটে চুমু খেল। মামি প্রথমে চমকে উঠলেও ধীরে ধীরে তার ঠোঁট নরম হয়ে গেল। দুজনের জিভ একে অপরের মুখের ভিতর ঢুকে পাগলের মতো জড়াজড়ি করতে লাগল।
বাগিনা এক হাতে মামির একটা জাম্বুরা চেপে ধরল। নরম, ভারী, গরম। আঙুল দিয়ে বোঁটা টিপতে লাগল। মামি “উফফ…” করে নিশ্বাস ফেলল। বাগিনা অন্য হাত নামিয়ে নাইটির নিচে ঢুকিয়ে মামির নদির উপর আঙুল বুলাতে শুরু করল। নদি ততক্ষণে ভিজে চুপচুপে হয়ে গিয়েছে। আঙুল ঢুকিয়ে নাড়াতেই মামি কোমর দোলাতে লাগল।
বাগিনা মামিকে কোলে তুলে শোয়ার ঘরে নিয়ে গেল। বিছানায় শুইয়ে নাইটি খুলে ফেলল। সম্পূর্ণ নগ্ন রূপা মামি। দুটো বড়ো জাম্বুরা, গোলাপি বোঁটা, চকচকে পেট, আর নিচে কামানো নদি। বাগিনা পাগলের মতো জাম্বুরা চুষতে শুরু করল। একটা জাম্বুরা মুখে নিয়ে চুষছে, অন্যটা হাতে মালিশ করছে। তারপর নিচে নেমে জিভ দিয়ে নদি চাটতে লাগল। মামির নদি থেকে মিষ্টি রস বেরিয়ে তার জিভ ভিজিয়ে দিচ্ছিল। মামি দুই পা ফাঁক করে বাগিনার মাথা চেপে ধরে কোমর দোলাতে লাগল।

1000001476.webp

“আহহহ… বাগিনা… জোরে চাট… উফফফ…”
মামি প্রথমবারেই কেঁপে উঠে রস ঝরিয়ে দিল। কিন্তু বাগিনা থামল না। সে তার শসা বের করে মামির মুখের সামনে ধরল। মামি লজ্জায় চোখ বন্ধ করে সেটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। বাগিনা তার চুল ধরে আস্তে আস্তে শসা ঢোকাতে লাগল গলা পর্যন্ত।
এরপর মামিকে চিত করে শুইয়ে দুই পা কাঁধের উপর তুলে এক ধাক্কায় পুরো শসা ঢুকিয়ে দিল নদির গভীরে। মামি চিৎকার করে উঠল, “আআআহহ… ব্যথা… কিন্তু থামিস না রে…” বাগিনা জোরে জোরে শসা চালাতে লাগল। প্রত্যেক ঠাপে ফচ ফচ শব্দ হচ্ছিল, মামির জাম্বুরা দুলছিল। মামি বারবার অর্গাজমে কেঁপে উঠছিল। বাগিনা তাকে কুকুর ভঙ্গিতে, পাশ ফিরিয়ে, উপরে তুলে — সব ভঙ্গিতে শসা দিয়ে নদি ভরিয়ে দিতে লাগল।
রাত দুটোর দিকে মামির শরীর আর সহ্য করতে পারছিল না। চোখ উল্টে গেল, শরীর শক্ত হয়ে কাঁপতে লাগল। তারপর একটা লম্বা আর্তনাদ করে মামি সম্পূর্ণ অজ্ঞান হয়ে পড়ল। বাগিনা তবু আরো কয়েকবার জোরে শসা ঢুকিয়ে নদির ভিতর গরগর করে তার সব পানি ঢেলে দিয়ে নিস্তেজ হয়ে শুয়ে পরলো

পরের দিন সকাল থেকেই বাগিনার শরীরে আবার আগুন জ্বলে উঠল। রূপা মামি বিছানায় শুয়ে ছিল, তার শরীর এখনো আগের রাতের আক্রমণের ক্লান্তিতে ভারী। নদি ফুলে লাল হয়ে ছিল, দুই জাম্বুরায় কামড়ের দাগ, ঠোঁট ফোলা। কিন্তু বাগিনা যখন তার পাশে শুয়ে মামির জাম্বুরায় হাত বুলাতে শুরু করল, মামি দুর্বল গলায় বলল, “আজ একটু ছাড়… খুব ব্যথা করছে রে বাগিনা।”
কিন্তু বাগিনার চোখে সেই কথার কোনো প্রভাব পড়ল না। সে মামির কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলল, “তোমার নদি তো এখনো আমার শসার জন্য ভিজছে মামি। আমি আজ তোমাকে আরো বেশি করে ভরে দিতে চাই।” কথাটা বলেই সে মামির একটা জাম্বুরা মুখে নিয়ে জোরে চুষতে শুরু করল। জিভ দিয়ে বোঁটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটতে লাগল। মামির শরীর অস্বীকার করতে চাইলেও তার নিশ্বাস ভারী হয়ে উঠল।
বাগিনা ধীরে ধীরে নিচে নামল। মামির দুই পা ফাঁক করে তার নদির উপর জিভ বুলাতে লাগল। ফোলা নদির ভাঁজগুলো সাবধানে চেটে চেটে পরিষ্কার করতে লাগল। মামি “উফফ… আস্তে…” বলতে বলতে কোমর তুলে দিতে লাগল। বাগিনা দুই আঙুল ঢুকিয়ে নদির ভিতর নাড়াতে নাড়াতে জিভ দিয়ে ক্লিটোরিস চুষতে লাগল। মামির নদি থেকে আবার রস বের হতে শুরু করল।
প্রায় আধঘণ্টা ধরে শুধু জিভ আর আঙুল দিয়ে মামিকে তিনবার ঝরিয়ে দিল বাগিনা। মামির শরীর কাঁপছিল, চোখ বন্ধ, মুখ দিয়ে অস্ফুট আর্তনাদ বেরোচ্ছিল। তারপর বাগিনা উঠে তার শসা বের করল। সকালের রোদে তার শসা লম্বা, মোটা আর শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। সে মামির মুখের কাছে নিয়ে গিয়ে বলল, “চোষো মামি।”
রূপা মামি দুর্বল হাতে শসা ধরে মুখে নিল। প্রথমে আস্তে আস্তে চুষছিল, কিন্তু বাগিনা তার চুল ধরে গলা পর্যন্ত ঠেলে দিতে লাগল। মামির চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল, গলা দিয়ে গড়গড় আওয়াজ হচ্ছিল, কিন্তু সে সরিয়ে দিল না। বাগিনা মামির মুখে প্রায় দশ মিনিট ধরে শসা চালাল। তারপর মামিকে উপুড় করে শুইয়ে তার পিছন তুলে ধরল।
মামির ভারী নিতম্ব দুটো দেখে বাগিনা থাপড় মারতে মারতে পিছন থেকে শসা ঢুকিয়ে দিল। “আআআহহহ…” করে মামি চিৎকার করে উঠল। বাগিনা খুব ধীরে ধীরে শুরু করল, পুরো শসা ঢুকিয়ে পুরো বের করে আবার ঢোকাতে লাগল। প্রত্যেকবার ঢোকার সময় মামির নদি থেকে ফচ ফচ করে আওয়াজ বেরোচ্ছিল।
এইভাবে প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে পিছন থেকে চালানোর পর বাগিনা মামিকে চিত করে শুইয়ে তার দুই পা কাঁধের উপর তুলে দিল। এবার জোরে জোরে ঠাপাতে শুরু করল। ঘর ভরে গেল বিছানার ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দে আর মামির আর্তনাদে। মামির জাম্বুরা দুটো প্রত্যেক ঠাপে উপর-নিচে লাফাচ্ছিল। বাগিনা এক হাতে জাম্বুরা চেপে ধরে অন্য হাতে মামির ক্লিটোরিস ঘষতে ঘষতে শসা চালিয়ে যাচ্ছিল।
মামি এর মধ্যে আরো দু’বার ঝরে গেল। তার শরীর কুঁকড়ে যাচ্ছিল, চোখ উল্টে যাচ্ছিল। কিন্তু বাগিনা থামল না। সে মামিকে বিছানার কিনারায় নিয়ে এসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঠাপাতে লাগল। তারপর মামিকে কোলে তুলে নিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শসা ঢোকাতে লাগল। মামির শরীর বাগিনার কোলে ঝুলছিল, তার জাম্বুরা বাগিনার বুকে ঘষা খাচ্ছিল।
দুপুরের খাবারের পরও বাগিনা মামিকে ছাড়ল না। তাকে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে গরম পানির নিচে দাঁড় করিয়ে পিছন থেকে আবার শসা ঢুকাল। পানির শব্দের সাথে ফচ ফচ আওয়াজ মিশে এক অদ্ভুত সুর তৈরি করছিল। মামি দেওয়ালে হাত রেখে কোমর পিছনে উঁচু করে দিয়েছিল। বাগিনা তার চুল ধরে টেনে পিছন থেকে জোরে জোরে ঠাপিয়ে যাচ্ছিল।
বিকেল চারটার দিকে মামি প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়ার অবস্থায় চলে এসেছিল। বাগিনা তাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে তার উপর উঠে ধীরে ধীরে শসা চালাতে লাগল। এবার খুব আস্তে আস্তে, গভীরে গভীরে। মামির চোখ বন্ধ, মুখ দিয়ে শুধু “আহ… উফ… বাগিনা…” শব্দ বেরোচ্ছিল। বাগিনা মাঝে মাঝে থেমে মামির জাম্বুরা চুষছিল, তার ঠোঁট কামড়াচ্ছিল, গলায় চুমু খাচ্ছিল।
সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত এই ধীর গতির মিলন চলল। তারপর বাগিনা আবার গতি বাড়াল। সে মামিকে কুকুর ভঙ্গিতে রেখে পাগলের মতো শসা চালাতে লাগল। মামির নদি এখন পুরোপুরি ভিজে চুপচুপ করছিল। প্রত্যেক ঠাপে রস ছিটকে বিছানা ভিজিয়ে দিচ্ছিল। মামি শেষবারের মতো জোরে চিৎকার করে সম্পূর্ণ অজ্ঞান হয়ে গেল। তার শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ল, কিন্তু বাগিনা তবু আরো দশ মিনিট ধরে অচেতন মামির নদিতে শসা চালিয়ে তার নিজের গরম রস ঢেলে দিল।

1000001694.jpg

রাত নয়টায় মামির জ্ঞান ফিরলে দেখল বাগিনা তার পাশে শুয়ে তার জাম্বুরায় হাত বুলাচ্ছে। মামি ক্লান্ত হাসি দিয়ে বলল, “তুই আমাকে শেষ করে ফেলবি রে… কিন্তু এই আনন্দও ছাড়তে পারব না।” বাগিনা মামির কপালে চুমু খেয়ে বলল, “এখনো রাত অনেক বাকি মামি। আরো অনেকবার তোমার নদি ভরব।”
রাত বারোটা পর্যন্ত বাগিনা মামিকে আরো দু’বার করে ঠাপাল। একবার মামিকে উপরে বসিয়ে কাউগার্ল স্টাইলে, আরেকবার পাশ ফিরিয়ে স্পুনিং পজিশনে। প্রতিবারই মামি অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিল আর জ্ঞান ফিরে আবার বাগিনার শসা খুঁজছিল।
🔞🔞🔞🔞
পরের শনিবার বিকেলে বাগিনা আবার ছোটো মামি রূপার বাড়িতে গিয়েছিল। গত কয়েকদিন ধরে রূপা মামির নদি এখনো একটু ফোলা ছিল, কিন্তু সে নিজেই ফোন করে বাগিনাকে ডেকে নিয়েছিল। “আয়, আমার শরীরটা তোর জন্য আবার ছটফট করছে,” বলেছিল লজ্জা মাখা গলায়।
বাগিনা যাওয়ার পর দরজা বন্ধ করে দুজনে শোয়ার ঘরে চলে গেল। রূপা মামি এবার একটা হালকা লাল নাইটি পরে ছিল, যার নিচে কিছুই ছিল না। বাগিনা তাকে জড়িয়ে ধরে প্রথমেই তার ঠোঁট চুষতে শুরু করল। হাত দুটো মামির জাম্বুরার উপর ঘুরে বেড়াচ্ছিল। মামি আস্তে আস্তে বাগিনার প্যান্টের ভিতর হাত ঢুকিয়ে তার শসা ধরে মালিশ করতে লাগল।
কিছুক্ষণের মধ্যেই বাগিনা মামির নাইটি খুলে ফেলল। রূপা মামিকে বিছানায় শুইয়ে তার দুই জাম্বুরা মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। জিভ দিয়ে বোঁটা কামড়াতে কামড়াতে নিচে নেমে মামির নদিতে আঙুল ঢোকাল। মামি কোমর দোলাতে দোলাতে বলছিল, “আহহ… বাগিনা… আরো গভীরে…”
বাগিনা তার শসা বের করে মামির মুখে দিল। রূপা মামি লোভীর মতো চুষতে লাগল, গলা পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছিল। বাগিনা তার চুল ধরে মুখে শসা ঠাপাতে লাগল। তারপর মামিকে কুকুর ভঙ্গিতে রেখে পিছন থেকে এক ঢাকে শসা ঢুকিয়ে দিল। “ফচ্চ!” করে শব্দ হল। বাগিনা জোরে জোরে ঠাপাতে শুরু করল। মামির জাম্বুরা দুলছিল, নদি থেকে রস গড়িয়ে পড়ছিল।
ঠিক এই সময় ঘটনাটা ঘটল।
মেঝো মামি সোনালি (রূপার বড়ো বোন, বয়স ৩৭) হঠাৎ করে বাড়িতে এসেছিল। নিচের দরজা খোলা ছিল, সে উপরে উঠে এসে শোয়ার ঘরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে পড়ল। দরজা একটু ফাঁক ছিল। সোনালি মামি চোখ বড়ো বড়ো করে দেখল — তার ছোটো বোন রূপা কুকুরের মতো হয়ে আছে আর বাগিনা তার পিছন থেকে জোরে জোরে শসা ঢোকাচ্ছে। রূপার মুখ থেকে অস্ফুট আর্তনাদ বেরোচ্ছে, “আহহ… জোরে… আরো জোরে বাগিনা…”
সোনালি মামি প্রথমে শক্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু চোখ সরাতে পারছিল না। তার নিজের শরীরে একটা অদ্ভুত গরম অনুভব হতে লাগল। তার জাম্বুরার বোঁটা শক্ত হয়ে উঠল, নদির ভিতরটা চুলকাতে শুরু করল। সে অনেকদিন স্বামীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেনি। এই দৃশ্য দেখে তার শরীর বিশ্বাসঘাতকতা করল।
বাগিনা তখন রূপা মামিকে চিত করে শুইয়ে তার দুই পা কাঁধে তুলে গভীরে শসা চালাচ্ছিল। রূপা মামির চোখ উল্টে যাচ্ছিল। ঠিক তখন সোনালি মামি আর নিজেকে সামলাতে পারল না। সে দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকে পড়ল।
রূপা মামি চমকে উঠে বলল, “দিদি! এ কী…” কিন্তু বাগিনা থামল না, ধীর গতিতে শসা চালিয়ে যেতে লাগল।
সোনালি মামি লজ্জায় লাল হয়ে গেলেও তার চোখে কামনা স্পষ্ট। সে ফিসফিস করে বলল, “রূপা… তুই এতদিন এই খেলা লুকিয়ে খেলছিস? আর আমাকে বলিসনি?” তারপর বাগিনার দিকে তাকিয়ে বলল, “বাগিনা, তোর শসাটা তো বেশ শক্তিশালী মনে হচ্ছে। আমার নদিও অনেকদিন খালি পড়ে আছে।”
বাগিনা অবাক হয়ে গেলেও তার লিঙ্গ আরো শক্ত হয়ে উঠল। সে রূপা মামির ভিতর থেকে শসা বের করে সোনালি মামির দিকে এগিয়ে গেল। সোনালি মামি নিজেই তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে বড়ো বড়ো জাম্বুরা বের করল। তার জাম্বুরা রূপার চেয়েও বড়ো এবং ভারী।
বাগিনা সোনালি মামিকে জড়িয়ে ধরে তার জাম্বুরা চুষতে শুরু করল। সোনালি মামি বাগিনার শসা হাতে নিয়ে ঘষতে লাগল। রূপা মামি বিছানায় শুয়ে শুয়ে দেখছিল আর নিজের নদিতে আঙুল দিচ্ছিল।
কিছুক্ষণ পর তিনজনই বিছানায় উঠল। বাগিনা রূপা মামিকে চিত করে শুইয়ে তার নদিতে শসা ঢুকিয়ে দিল। সোনালি মামি রূপার মুখের উপর বসে তার নদি রূপার মুখে চেপে ধরল। রূপা তার দিদির নদি চুষতে শুরু করল। বাগিনা একদিকে রূপার নদি ঠাপাচ্ছে, অন্যদিকে সোনালি মামির জাম্বুরা চেপে ধরে মালিশ করছে।
ঘর ভরে গেল তিনজনের আর্তনাদে। বাগিনা কিছুক্ষণ রূপাকে ঠাপিয়ে তারপর সোনালি মামিকে কুকুর ভঙ্গিতে রেখে পিছন থেকে শসা ঢুকিয়ে দিল। সোনালি মামির নদি ছিল আরো টাইট। সে জোরে চিৎকার করে উঠল, “আআহহ… বাগিনা… তোর শসা তো আমার নদি ফাটিয়ে দিচ্ছে…”
বাগিনা একবার রূপার নদিতে, একবার সোনালি মামির নদিতে শসা ঘোরাতে লাগল। দুই বোন পাশাপাশি শুয়ে জাম্বুরা দুলিয়ে দুলিয়ে আর্তনাদ করছিল। কখনো বাগিনা দুইজনের জাম্বুরার মাঝে শসা ঢুকিয়ে ঘষছিল, কখনো দুজনের মুখ একসাথে তার শসা চুষতে দিচ্ছিল।
প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে এই ত্রয়ী খেলা চলল। বাগিনা প্রথমে রূপা মামির নদির ভিতরে তার রস ঢেলে দিল। তারপর সোনালি মামিকে উপরে বসিয়ে কাউগার্ল স্টাইলে ঠাপাতে ঠাপাতে তার নদিতেও গরম রস ঢেলে দিল। দুই বোনই একসাথে বারবার ঝরে যাচ্ছিল। শেষের দিকে দুই মামিই প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল।
রাতে তিনজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে ছিল। সোনালি মামি হেসে বলল, “এখন থেকে আমি আর রূপা দুজনেই তোর। কিন্তু কাউকে বলবি না।” রূপা মামি লজ্জায় মুখ লুকিয়ে বাগিনার বুকে মাথা রাখল।
বাগিনা দুই মামির জাম্বুরায় হাত বুলাতে বুলাতে ভাবছিল — এখন তার ভোগ আরো বেড়ে গেল। দুটো নদি, চারটে জাম্বুরা তার জন্য অপেক্ষা করবে।

1000001680.jpg

রাত তখন প্রায় এগারোটা। তিনজনে বিছানায় জড়াজড়ি করে শুয়ে ছিল। রূপা মামি আর সোনালি মামি দুজনেই বাগিনার বুকে মাথা রেখে শুয়ে ছিল। তাদের শরীর এখনো আগের খেলার তৃপ্তিতে ভিজে ছিল। কিন্তু বাগিনার শসা আবার শক্ত হয়ে উঠতে শুরু করেছিল। সে দুই মামির জাম্বুরায় হাত বুলাতে বুলাতে ফিসফিস করে বলল, “আজ রাতে আমি তোমাদের শুধু সামনের নদি নয়, পেছনের নদিও ভরে দিতে চাই।”
রূপা মামি লজ্জায় কেঁপে উঠল, “বাগিনা… পেছনে? সেটা তো খুব ব্যথা করে…”
সোনালি মামি কিন্তু চুপ করে রইল। তার চোখে একটা কৌতূহল আর কামনার মিশ্রণ দেখা গেল।
বাগিনা উঠে দাঁড়িয়ে দুই মামির দিকে তাকিয়ে বলল, “আজ তোমরা দুজনেই আমার। ভয় পেয়ো না, আস্তে আস্তে শুরু করব।” সে প্রথমে রূপা মামিকে চিত করে শুইয়ে তার দুই পা ফাঁক করে দিল। তারপর সোনালি মামিকে ডেকে রূপার জাম্বুরার উপর বসিয়ে দিল। সোনালি তার ছোটো বোনের জাম্বুরা চুষতে শুরু করল।
বাগিনা রূপার নদিতে প্রথমে দুই আঙুল ঢুকিয়ে নাড়াতে লাগল। তারপর তার জিভ দিয়ে রূপার পেছনের গুদ চাটতে শুরু করল। রূপা শিউরে উঠে বলল, “আহহহ… ওখানে না… উফফ…” কিন্তু বাগিনা থামল না। সে প্রচুর লালা দিয়ে গুদ ভিজিয়ে আঙুল ঢোকাতে লাগল। এক আঙুল, তারপর দুই আঙুল। রূপার শরীর কাঁপছিল।
একটু পর বাগিনা তার শসায় প্রচুর লালা লাগিয়ে রূপার পেছনের গুদে আস্তে আস্তে ঢোকাতে শুরু করল। রূপা জোরে কামড় দিয়ে বালিশ চেপে ধরল, “আআআহহ… ব্যথা… আস্তে বাগিনা…” বাগিনা খুব ধীরে ধীরে পুরো শসা ঢুকিয়ে দিল। তারপর স্থির হয়ে থেকে রূপার নদিতে আঙুল চালাতে লাগল। দুই জায়গায় একসাথে উত্তেজনায় রূপা পাগলের মতো কাঁপতে লাগল।
সোনালি মামি এই দৃশ্য দেখে আর থাকতে পারল না। সে নিজে থেকে বাগিনার পিছনে গিয়ে তার শসা ধরে রূপার গুদে ঢোকাতে সাহায্য করতে লাগল। বাগিনা এবার রূপাকে জোরে জোরে পেছন দিয়ে ঠাপাতে শুরু করল। ফচ ফচ করে শব্দ হচ্ছিল। রূপা একসময় আর সহ্য করতে না পেরে অজ্ঞান হয়ে গেল।
বাগিনা শসা বের করে এবার সোনালি মামির দিকে ঘুরল। সোনালি নিজেই কুকুর ভঙ্গিতে হয়ে তার ভারী নিতম্ব তুলে দিল। বাগিনা প্রথমে তার নদিতে কয়েক ঠাপ দিয়ে ভালো করে ভিজিয়ে নিল, তারপর শসা সোনালির পেছনের গুদে ঢোকাল। সোনালির গুদ ছিল আরো টাইট। সে জোরে চিৎকার করে উঠল, “মাগো… ফেটে যাবে… আহহহহ…” কিন্তু সে পিছনে কোমর ঠেলে দিতে লাগল।
বাগিনা সোনালির পেছনে জোরে জোরে শসা চালাতে লাগল। এক হাত দিয়ে তার জাম্বুরা চেপে ধরে অন্য হাত দিয়ে তার নদিতে আঙুল ঢুকিয়ে দিল। দুই জায়গায় একসাথে খেলায় সোনালি পাগল হয়ে গেল। “আরো জোরে… ভরে দে আমার গুদ… আহহহ…” বলতে বলতে সে বারবার ঝরতে লাগল।
কিছুক্ষণ পর বাগিনা দুই মামিকে পাশাপাশি কুকুর ভঙ্গিতে রাখল। প্রথমে রূপার গুদে শসা ঢুকিয়ে কয়েকবার ঠাপাল, তারপর বের করে সোনালির গুদে ঢুকিয়ে ঠাপাতে লাগল। এভাবে দুই মামির পেছন একসাথে ভোগ করতে লাগল। দুই বোনের আর্তনাদে ঘর ভরে গেল।
এরপর বাগিনা আরো একটা নতুন খেলা শুরু করল। সে রূপা মামিকে চিত করে শুইয়ে তার পা দুটো মাথার উপর তুলে দিল। এই অবস্থায় রূপার নদি আর গুদ দুটোই একসাথে উন্মুক্ত হয়ে গেল। বাগিনা প্রথমে নদিতে শসা ঢুকিয়ে কয়েকবার ঠাপিয়ে নিয়ে তারপর গুদে ঢুকিয়ে দিল। এভাবে বারবার সামনে-পেছনে বদল করতে লাগল। রূপা চোখ উল্টে অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিল।
সোনালি মামিকেও একইভাবে খেলল বাগিনা। তার ভারী জাম্বুরা দুটো চেপে ধরে শসা দিয়ে একবার নদি, একবার গুদ ফুঁড়ে দিতে লাগল। সোনালি মামি কাঁদতে কাঁদতে বলছিল, “তোর শসা আমাকে শেষ করে দিল… আর পারছি না… আহহহ…”
রাত দুটো পর্যন্ত এই তীব্র খেলা চলল। বাগিনা দুই মামিকে বিভিন্ন পজিশনে সামনে-পেছনে একসাথে ভোগ করল। কখনো একজনের গুদে শসা ঢুকিয়ে অন্যজনকে জিভ দিয়ে চাটাচ্ছিল। কখনো দুজনকে পাশাপাশি শুইয়ে বারবার বদল করে ঠাপাচ্ছিল।
শেষ পর্যায়ে বাগিনা দুই মামিকে একসাথে কুকুর ভঙ্গিতে রেখে প্রথমে রূপার গুদে তার সমস্ত রস ঢেলে দিল। তারপর সোনালির গুদে ঢুকে দ্বিতীয়বার রস ঢেলে দিল। দুই মামিই একসাথে প্রচণ্ড জোরে কেঁপে অজ্ঞান হয়ে পড়ল। তাদের নদি আর গুদ থেকে রস আর বীর্য মিশে বিছানা একেবারে ভিজে গিয়েছিল।
সকাল হওয়ার আগে বাগিনা দুই মামির অচেতন শরীরের উপর শুয়ে তাদের জাম্বুরায় চুমু খেতে খেতে ভাবছিল — এখন থেকে তার খেলা আরো বড়ো হয়ে গেছে। দুই মামির সামনের নদি আর পেছনের গুদ দুটোই তার পুরোপুরি দখলে। গল্পটা এখানে শেষ করছি।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.082
BTC 59866.06
ETH 1573.69
USDT 1.00
SBD 0.42