আর্টঃপুরাতন দই এর পাত্রকে নতুন করে সাজালাম।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
আছেন সবাই ? আশাকরি ভালো আছেন।প্রত্যাশা করি সবসময় যেনো ভালো থাকেন।৩১ শে আশ্বিন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল, ১৪৩১বঙ্গাব্দ। ১৬ই অক্টোবর, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ । আজ একটি আর্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগে নিয়মিত ব্লগিংয়ে আজ হাজির হয়েছি নতুন আর একটি আর্ট পোস্ট নিয়ে। আজ আমি একটি পুরাতন দই এর হাড়িতে আর্ট করে নতুনভাবে সাজিয়েছি। আমি এই হাড়ি গাছ লাগাতে ব্যবহার করবো। এই ধরনের আর্ট করা হাড়িতে গাছ লাগিয়ে ঘরে রাখলে দেখতে বেশ সুন্দর লাগে। আর নিজের হাতে আঁকা জিনিস দিয়ে ঘর সাজালে অন্য রকম ভালো লাগা কাজ করে। আমি এই হাড়িতে আর্ট করতে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন ও রং ব্যবহার করেছি। সম্পূর্ণ কাজটি শেষ করার পর বেশ ভালই লাগছিলো দেখতে। আপনাদেরও ভালো লাগবে আশাকরি।আজকের দই এর হাড়িতে করা আর্টটি করতে উপকরণ হিসাবে ব্যবহার করেছি বিভিন্ন রং এর পোস্টার রং ও তুলি সহ অন্যান্য আরও কিছু উপকরণ। চলুন দেখে নেই দই এর হাড়িতে করা আর্ট এর বিভিন্ন ধাপ সমূহ। আশাকরি আজকের আর্টটি আপনাদের ভালো লাগবে।
উপকরণ
১।পুরাতন দই এর পাত্র
২।বিভিন্ন রং এর পোস্টার রং
৩।বিভিন্ন সাইজের তুলি
অংকনের ধাপ সমুহ
ধাপ-১
প্রথমে দই এর ্পাত্রটিকে পরিস্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়েছি। এবং সম্পূর্ণ পাত্রটিকে সাদা রং করে নিয়েছি।
ধাপ-২
সাদা রং শুকানোর পর তার উপর কিছু সবুজ ও মেজেন্ডা রং এর বিন্দু দিয়ে নিয়েছি। সেই সাথে কিছু পাতার মতো ডিজাইন এঁকে নিয়েছি মেজেন্ডা রং দিয়ে।
ধাপ-৩
এরপর কিছু হলুদ ডট দিয়ে নিয়েছি।
ধাপ-৪
এরপর কমলা রং দিয়ে ত্রিভুজ আকৃতির কিছু ডিজাইন করে নিয়েছি।
ধাপ-৫
পাত্রটির উপরের অংশ নীল রং করে নিয়েছি। নীল রং এর উপর সাদা ডট দিয়ে পাত্রতে ডিজাইন করা শেষ করেছি।
উপস্থাপন
আশাকরি আজকে পুরাতন দই এর পাত্রতে করা আর্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে।আমি সব সময় চেষ্টা করি নতুন নতুন ধরনের আর্ট শেয়ার করতে।আবার দেখা হবে নতুন কোন ব্লগ নিয়ে।সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন। এই গরমে নিজের যত্ন নিন ও পরিবারের বৃদ্ধ ও শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল হন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | আর্ট |
|---|---|
| ক্যামেরা | Redmi Note a-5 |
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ১৬ই অক্টোবর, ২০২৪ |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্রগ্রাম শহরে। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
পুরনো দইয়ের পাত্রকে নতুন করে সাজিয়ে তুলেছেন, এটা দেখে আমার অনেক ভালো লেগেছে আপু। এই ধরনের সুন্দর সুন্দর কাজগুলো আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আপনার আইডিয়া দেখে আমি জাস্ট মুগ্ধ হলাম। এটি এখন ঘরে সাজিয়ে রাখলে দেখতে অনেক সুন্দর লাগবে। আর এই পাত্রের মধ্যে আপনি ছোটখাটো জিনিস গুলো রাখতে পারবেন, তাহলে আরো সুন্দর লাগবে দেখতে।
জি আপু এটি এখন ঘর সাজাতে অনেক ভাবেই ব্যবহার করা যাবে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনার আইডিয়াটি দারুণ আপু। পুরাতন দই এর পাতলে অনেক সুন্দর ভাবে আপনি রং দিয়ে সাজিয়েছেন ।পাথরটি দেখতে অনেক চমৎকার লাগছে। ধন্যবাদ আপনাকে।
বানানের দিকে একটু খেয়াল করবেন আপু। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনি পুরনো জিনিস কে রঙের ছোঁয়ায় নতুন করে তুলেছেন। দই এর বাটিকে বিভিন্ন রং এর ছোঁয়ায় সাজিয়েছেন দেখে খুব ভালো লাগলো। আপনার এই আইডিয়া খুব ভালো লেগেছে। পুরনো জিনিস এভাবে সাজিয়ে তুলতে খুব ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর ডাই আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
পুরাতন জিনিস ফেলে না দিয়ে এভাবে সাজিয়ে নিতে পারি। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।
অনেক অনেক ভালো লাগলো আপনার সুন্দর এই দোয়ের পাত্রকে সাজাতে দেখে। অসাধারণ হয়েছে আপনার পাত্রের উপর কারু কাজ করা। অনেক সুন্দর ভাবে আপনি পাত্রটাকে রাঙিয়ে তুলেছেন। এভাবে পুরাতন জিনিসকে সংস্কার করা সম্ভব এবং ব্যবহার করা যায়।
ঠিক তাই পুরাতন জিনিস পুনরায় ব্যবহার করা যায় এভাবে সাজিয়ে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
দেখে যেন আর মনে হচ্ছে না এটা একটি দোয়ের পাত্র। আপনি এত সুন্দর দক্ষতা দিয়ে এটাকে রাঙিয়ে তুলেছেন দেখে সত্যি অনেক অনেক ভালো লাগলো। বেশ একাধিক ধরনের কালার এবং আকৃতি দিয়েছেন তাই সুন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক।
যাতে দই এর পাত্র মনে না হয় তাইতো সাজালাম। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আপু আপনি সত্যিই চমৎকার একজন আর্টিস্ট। আপনার ক্রিয়েটিভিটি দেখে অনেক ভালো লাগে। পুরাতন দই এর খুঁটিতে আর্ট করেছেন দেখতে চমৎকার লাগছে। প্রতিটি ধাপ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
এত সুন্দর মন্তব্য করে উৎসাহ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
পুরাতন দইয়ের পাত্রকে রং তুলি দিয়ে তো দারুন সাজিয়ে ফেলেছেন। মন দিয়ে পোস্টটি পড়লাম এবং ছবিগুলি দেখলাম। অসাধারণ একটি শিল্প কর্মের নিদর্শন স্থাপন করেছেন। মনের সৃজনশীলতা না থাকলে এমন পুরাতন জিনিসকে নতুন রূপে রাঙিয়ে তোলা যায় না। আপনার কাজই আপনার সৃজনশীলতার পরিচয় বহন করে। অনেক ধন্যবাদ এমন সুন্দর করে সৃজনশীল কাজ আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য।
সম্পূর্ন পোস্টটি পড়ে এতো সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ দাদা।
https://x.com/selina_akh/status/1846271077292691533