আর্টঃগোধূলী।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি ভালো আছেন।প্রত্যাশা করি সবসময় যেনো ভালো থাকেন। আজ ২৫শে ফাল্গুন বসন্তকাল, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ১০ই মার্চ,২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ। আজ একটি আর্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগের নিয়মিত ব্লগিংয়ে আজ আর একটি নতুন ব্লগ নিয়ে হাজি্র হয়েছি। আজ আমি গোধূলীর আর্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।আমি চেস্টা করি বিভিন্ন ধরনের আর্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করার। কখনও পেন্সিল স্কেচ, কখনও ম্যান্ডালা আর্ট,কখনও মাধুবনী আবার কখনও বা পোস্টার রং বা মোম রং দিয়ে কোন আর্ট। আজ অনেকদিন পর মোম রং দিয়ে একটি আর্ট করলাম। মোম রং এর কাজ করা যেমন সহজ তেমনই বেশ সাবধানে করতে হয় বলে আমার মনে হয়। আজ আমি গোধূলী বেলার আর্টটি করেছি তারের উপর বসে থাকা কিছু পাখির। বাসায় ফেরার সময় কিছুটা সময় যেনো বসে জিরিয়ে যাচ্ছে । আর কিছু পাখি তাদের বাসায় ফিরে যাচ্ছে। আর আকাশ ও চারপাশে গোধূলির রং ছড়িয়ে পরেছে।করার পর আর্টটি আমার কাছে বেশ ভালই লেগেছে। আশাকরি আপনাদেরও ভালো লাগবে। আর্টটি করতে ব্যবহার করেছি সাদা কাগজ ও পেন্সিল সহ আরও কিছু উপকরণ। তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক, আর্টটি করার বিভিন্ন ধাপ গুলো । আশাকরি ভাল লাগবে আপনাদের।
উপকরণ
১।সাদা কাগজ
২।পেন্সিল
৩।মোম রং
৪।এক টুকরো টিসু
অংকনের ধাপ সমুহ
ধাপ-১
প্রথমে সাদা কাগজের চারপাশে পেন্সিল দিয়ে দাগ দিয়ে নিয়েছি।
ধাপ-২
কাগজের উপরের দিকে কিছুটা অংশ লাল রং এর মোম রং দিয়ে রং করে নিয়েছি।
ধাপ-৩
কাগজের নিচের অংশ কমলা রং এর মোম রং করে নিয়েছি।
ধাপ-৪
রংগুলো টিসু পেপার দিয়ে ঘসে নিয়েছি। যাতে রং কাগজের সাথে সুন্দরভাবে মিশে যায়।
ধাপ-৫
এবার পেন্সিল দিয়ে দাগ দিয়ে কিছু ইলেক্ট্রিক তার এঁকে নিয়েছি।
ধাপ-৬
একটি তারে বসে আছে এমন দু"টো পাখি এঁকে নিয়েছি
ধাপ-৭
একইভাবে বেশ কিছু পাখি এঁকে নিয়েছি। সাথে উড়ন্ত কিছু পাখিও এঁকে নিয়েছি।
ধাপ-৮
সবশেষে নিজের স্টিমিট আইডি সিগনেচার করে দিয়ে আর্টটি শেষ করেছি।
উপস্থাপন
আশাকরি ,আজকে গোধূলীর আর্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমার সবসময় চেষ্টা থাকে নতুন নতুন আর্ট করে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে।আজ এই পর্যন্তই। আবার দেখা হবে নতুন কোন ব্লগ নিয়ে।সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন-নিরাপদে থাকুন।শুভ রাত্রি।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | আর্ট |
|---|---|
| ক্যামেরা | Samsung Galaxy A-10 |
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ১০ই মার্চ, ২০২৫ ইং |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ। |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্রগ্রাম শহরে। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
গোধুলির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য পেইন্টিং করেছেন। খুবই সুন্দর হয়েছে। এরকম গোধুলীর দৃশ্য শহরে দেখা যায়। আপনি ধাপে ধাপে খুবই সুন্দর করে গোধূলির পেইন্টিং পদ্ধতি আমাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিক তাই এ ধরনের দৃশ্য বেশি শহরেই দেখা যায়। তবে গ্রামেও দেখা যায়। যে সকল গ্রামে ইলেক্ট্রিসিটি আছে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/selina_akh/status/1899106465115509167
Daily task
গোধূলির যে ছবিটি আপনি অঙ্কন করেছেন তা ভীষণ সুন্দর হয়েছে। ছবিটির মধ্যে আবহতে লাল রং দিয়ে বিকেলের আবহাওয়াটি সুন্দরভাবে ধরেছেন। তাছাড়া ঠিক বিকেল হলেই এমন ভাবে তারের উপর পাখিরা এসে বসে। তাই ছবিটি যেমন বাস্তবিক হয়েছে তেমন সুন্দর।
আমি চেস্টা করেছি গোধূলী বেলার আবাহ তুলে ধরার। আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ দাদা।
গোধুলির সময় পাখিরা ঘরে ফিরে এভাবেই বসে থাকে আর কিচিরমিচির করে। আমার যেন মনে হয় ওরা বলাবলি করে সারাদিন আসলেই কি করেছে৷ খুব সুন্দর এঁকেছেন আপনি। ভীষণ ভালো লাগল আপনার আর্টটি।
আমারও তাই মনে হয় আপু। এই দৃশ্য দেখলে।
গোধূলি লগ্নের অনেক সুন্দর চিত্র অঙ্কন করে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। এমন চিত্র অঙ্কন করার জন্য অনেক বেশি দক্ষতার প্রয়োজন হয়। পাখি বসে থাকার মুহূর্ত দেবার কারণে চিত্রটা দেখতে আরো বেশি সুন্দর লাগছে।
ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
গোধূলি আকাশের দৃশ্য দেখতে ভীষণ ভালো লাগে। আজকে অনেক সুন্দর করে গোধূলি আকাশের দৃশ্যের আর্ট আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
গোধূলীর আকাশ সবারই কম বেশি পছন্দ। বেশ সুন্দর রং হয় আকাশে তখন।
গোধূলির ছবিটি যেন এক অনবদ্য অনুভূতি নিয়ে এসেছে।বিকেলের সোনালী আভা আর তারের উপর বসে থাকা পাখিদের উপস্থিতি, সবকিছু এমনভাবে অঙ্কিত হয়েছে যে একদম বাস্তবের মতো মনে হয়। রঙের খেলা, বিশেষ করে লাল রঙের ব্যবহার, বিকেলের শীতল বাতাস ও শান্ত পরিবেশের পুরো ভাবনা ফুটিয়ে তুলেছে। ছবিটি সত্যিই হৃদয়স্পর্শী।
অনেক সুন্দর করে বললেন আপু। ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।