ঘুরে এলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি থেকে।১০% লাজুক খ্যাকের জন্য।
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@md-razu বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ -২২মাঘ| ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |শনিবার| শীতকাল|
আমি রাজু আহমেদ।আমার ইউজার নাম @md-razu।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে অভিনন্দন।
তাহলে চলুন শুরু করি
ভ্রমণ আপনার হৃদয়কে উদার করে তুলবে। আপনার বোধগম্যতা প্রসারিত করবে এবং আপনি যে গল্পগুলি বলতে পারেন তার মাধ্যমে আপনার জীবন পূর্ণ করবে। আপনি যখন ভ্রমণ করেন, মনে রাখবেন যে কোনও জায়গা আপনাকে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করার জন্য ডিজাইন করা হয়নি। এটি এর লোকদের স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে
রবীন্দ্রনাথের কুঠি বাড়ি
device:redmi note 10
What's 3 Word Location:
https://w3w.co/toehold.soup.deplete
ঘোরাঘুরি করতে কার না ভালো লাগে।বলতে পারেন ঘোরাঘুরি করা আমার একটা নেশায় পরিনিত হয়েছে।ঘোরাঘুরি করতে আমার যে কতো ভালো লাগে তা বলে বোঝাতে পারবো না।ঘোরাঘুরির কথা শুনলেই মনের ভেতর এক শান্তি চলে আসে।আজ আপনাদের মাঝে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠি বাড়ি ঘোরাঘুরির গল্প শেয়ার করবো।আমার কয়েকটা বন্ধু আছে তাঁরাও ঠিক আমার মতো।ঘোরাঘুরির প্রেমি।এইতো কিছু দিন আগে আমরা বন্ধুরা একসাথে বসে গল্প করছিলাম।আমি বললাম চলো কোথাও যেয়ে ঘুরে আসি। আমার এক বন্ধু বললো কোথায় যাওয়া যায়।আমি বললাম অনেক দিন তো ঠাকুরের বাড়ি যাওয়া হয় না চলো যেয়ে ঘুরে আসি। যা বলা তাই কাজ।আমাদের বাড়ি থেকে কুঠিবাড়ির দুরত্ব ১০ কিমি।আমারা দুপুরের খাবার খেয়ে দুইটা বাইক নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ির উদ্দেশ্যে।বাড়ি থেকে ৪ কিলোমিটার পৌঁছাতেই একটা জায়গা থেকে বাইকে ফুয়েল নিয়ে নিই।
তারপর আবার যাওয়া শুরু করলাম।বাইক চালাতে আমার খুব ভালো।কেনো যানি বাইক চালানোর সময় আলাদা একটা অনুভুতি পাওয়া যায়।এর আগেও আমি কয়েকবার ঠাকুরের বাড়ি গিয়েছি।তখন রাস্তাটা অনেক ভালো ছিলো।এখন দেখছি রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে।কি আর করার এই রকমই যেতে হচ্ছে।এই রাস্তা বাদে অন্য একটা পথ আছে।কিন্তু ওই রাস্তা যেতে হলে অনেক পথ ঘুরে আসতে হবে।আমরা যে পথ দিয়ে তার চেয়ে প্রায় ডাবল পথ।৪০ মিনিট ড্রাইভ করার পর পৌঁছে গেলাম রবীন্দ্রনাথের কুঠি বাড়িতে।
এই গেট হলো ঠাকুরের বাড়ির ঢুকতে প্রথম পথ।যেহেতু বাইক নিয়ে তো আর ভিতরে যাওয়া সম্ভব নাহ।তাই বাইক দুইটাকে একটা গ্যারেজে রাখতে হলো।তারপর আমরা প্রথম গেইট পাড় হয়ে।টিকিট কাউন্টার হতে টিকিট ক্রয় করে নিই।প্রতিটা টিকিটের মূল্য ২০ টাকা করে নিলো।আমার মনে হয় টিকিটের মূল্য কম হয়ে গেলো।কারন ভিতরে গিয়ে আমরা অনেক কিছু দেখতে পারবো।রবীন্দ্রনাথের ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম।
টিকিট কাউন্টার পার হতেই কুঠিবাড়ি।রাস্তার দুই পাশ দিয়ে ফুলের সমারোহ।এখন তো শীতকাল প্রায় সব ধরনের ফুল ফুটেছে।অন্যরকম একটা অনুভুতি কাজ করছিলো।বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেক মানুষ ঘুরতে এসেছে।বিভিন্ন ধরনের মানুষের সাথে দেখা।ভালোই লাগছিল পরিবেশটা।
অবশেষে তৃতীয় গেইট পাড় হয়ে ঠাকুরের বাড়িতে প্রবেশ করলাম।এতো বছর আগের বাড়ি এখনো অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে।রবীন্দ্রনাথের কুঠি বাড়ি আসলেই অনেক সুন্দর।এরকম বাড়ি আমি আগে কখনো দেখি নাই।এই বাড়িটা যে করেছিলো সে আবার কি দক্ষ ছিলো।
বাড়িটা তিন তোলা বিশিষ্ট।কিন্তু উপরের তোলায় যাওয়া নিষিদ্ধ।কারণ উপরের তোলা কাঠের দ্বারা তৈরি।পুরা বাড়িতে রবীন্দ্রনাথের ব্যবহার করা সরঞ্জাম দ্বারা বেষ্টিতো।বিভিন্ন ধরনের পরিদর্শিত জিনিস পরবর্তীতে কোন এক সময় আপনাদের দেখাবো।রবীন্দ্রনাথের ব্যবহৃত পালকি।এই পালকি দ্বারা সে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাচল করতো।
এই রাস্তা কুঠিবাড়ির পেছনের।এক কথায় বাড়ি ধরেই অসম্ভব রকমের সুন্দর।আপনার চোখ যেদিকে সেই দিকেই কোনো না কোনো সুন্দরতা হাতছানি দিবে।বাড়িটা ঘুরতে আমাদের অনেক সময় লেগেছিলো।এক পোস্টে লিখে শেষ করা যাবে না।
এই ছবিটা তুলেছিলাম বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে।ছবিটা আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে এই জন্য আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।আজ এই পর্যন্তই।আবার দেখা হবে অন্য কোনো পোস্টের মাধ্যমে।পরবর্তী পোস্টে রবীন্দ্রনাথের ব্যবহৃত জিনিস দেখাবো।
ধন্যবাদ সবাইকে
>>>>>|| এখানে ক্লিক করেন ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

আল্লাহ হাফেজ
তাহলে চলুন শুরু করি
ভ্রমণ আপনার হৃদয়কে উদার করে তুলবে। আপনার বোধগম্যতা প্রসারিত করবে এবং আপনি যে গল্পগুলি বলতে পারেন তার মাধ্যমে আপনার জীবন পূর্ণ করবে। আপনি যখন ভ্রমণ করেন, মনে রাখবেন যে কোনও জায়গা আপনাকে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করার জন্য ডিজাইন করা হয়নি। এটি এর লোকদের স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে
device:redmi note 10
What's 3 Word Location:
https://w3w.co/toehold.soup.deplete
ঘোরাঘুরি করতে কার না ভালো লাগে।বলতে পারেন ঘোরাঘুরি করা আমার একটা নেশায় পরিনিত হয়েছে।ঘোরাঘুরি করতে আমার যে কতো ভালো লাগে তা বলে বোঝাতে পারবো না।ঘোরাঘুরির কথা শুনলেই মনের ভেতর এক শান্তি চলে আসে।আজ আপনাদের মাঝে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠি বাড়ি ঘোরাঘুরির গল্প শেয়ার করবো।আমার কয়েকটা বন্ধু আছে তাঁরাও ঠিক আমার মতো।ঘোরাঘুরির প্রেমি।এইতো কিছু দিন আগে আমরা বন্ধুরা একসাথে বসে গল্প করছিলাম।আমি বললাম চলো কোথাও যেয়ে ঘুরে আসি। আমার এক বন্ধু বললো কোথায় যাওয়া যায়।আমি বললাম অনেক দিন তো ঠাকুরের বাড়ি যাওয়া হয় না চলো যেয়ে ঘুরে আসি। যা বলা তাই কাজ।আমাদের বাড়ি থেকে কুঠিবাড়ির দুরত্ব ১০ কিমি।আমারা দুপুরের খাবার খেয়ে দুইটা বাইক নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ির উদ্দেশ্যে।বাড়ি থেকে ৪ কিলোমিটার পৌঁছাতেই একটা জায়গা থেকে বাইকে ফুয়েল নিয়ে নিই।
তারপর আবার যাওয়া শুরু করলাম।বাইক চালাতে আমার খুব ভালো।কেনো যানি বাইক চালানোর সময় আলাদা একটা অনুভুতি পাওয়া যায়।এর আগেও আমি কয়েকবার ঠাকুরের বাড়ি গিয়েছি।তখন রাস্তাটা অনেক ভালো ছিলো।এখন দেখছি রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে।কি আর করার এই রকমই যেতে হচ্ছে।এই রাস্তা বাদে অন্য একটা পথ আছে।কিন্তু ওই রাস্তা যেতে হলে অনেক পথ ঘুরে আসতে হবে।আমরা যে পথ দিয়ে তার চেয়ে প্রায় ডাবল পথ।৪০ মিনিট ড্রাইভ করার পর পৌঁছে গেলাম রবীন্দ্রনাথের কুঠি বাড়িতে।
এই গেট হলো ঠাকুরের বাড়ির ঢুকতে প্রথম পথ।যেহেতু বাইক নিয়ে তো আর ভিতরে যাওয়া সম্ভব নাহ।তাই বাইক দুইটাকে একটা গ্যারেজে রাখতে হলো।তারপর আমরা প্রথম গেইট পাড় হয়ে।টিকিট কাউন্টার হতে টিকিট ক্রয় করে নিই।প্রতিটা টিকিটের মূল্য ২০ টাকা করে নিলো।আমার মনে হয় টিকিটের মূল্য কম হয়ে গেলো।কারন ভিতরে গিয়ে আমরা অনেক কিছু দেখতে পারবো।রবীন্দ্রনাথের ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম।
টিকিট কাউন্টার পার হতেই কুঠিবাড়ি।রাস্তার দুই পাশ দিয়ে ফুলের সমারোহ।এখন তো শীতকাল প্রায় সব ধরনের ফুল ফুটেছে।অন্যরকম একটা অনুভুতি কাজ করছিলো।বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেক মানুষ ঘুরতে এসেছে।বিভিন্ন ধরনের মানুষের সাথে দেখা।ভালোই লাগছিল পরিবেশটা।
অবশেষে তৃতীয় গেইট পাড় হয়ে ঠাকুরের বাড়িতে প্রবেশ করলাম।এতো বছর আগের বাড়ি এখনো অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে।রবীন্দ্রনাথের কুঠি বাড়ি আসলেই অনেক সুন্দর।এরকম বাড়ি আমি আগে কখনো দেখি নাই।এই বাড়িটা যে করেছিলো সে আবার কি দক্ষ ছিলো।
বাড়িটা তিন তোলা বিশিষ্ট।কিন্তু উপরের তোলায় যাওয়া নিষিদ্ধ।কারণ উপরের তোলা কাঠের দ্বারা তৈরি।পুরা বাড়িতে রবীন্দ্রনাথের ব্যবহার করা সরঞ্জাম দ্বারা বেষ্টিতো।বিভিন্ন ধরনের পরিদর্শিত জিনিস পরবর্তীতে কোন এক সময় আপনাদের দেখাবো।রবীন্দ্রনাথের ব্যবহৃত পালকি।এই পালকি দ্বারা সে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাচল করতো।
এই রাস্তা কুঠিবাড়ির পেছনের।এক কথায় বাড়ি ধরেই অসম্ভব রকমের সুন্দর।আপনার চোখ যেদিকে সেই দিকেই কোনো না কোনো সুন্দরতা হাতছানি দিবে।বাড়িটা ঘুরতে আমাদের অনেক সময় লেগেছিলো।এক পোস্টে লিখে শেষ করা যাবে না।
এই ছবিটা তুলেছিলাম বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে।ছবিটা আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে এই জন্য আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।আজ এই পর্যন্তই।আবার দেখা হবে অন্য কোনো পোস্টের মাধ্যমে।পরবর্তী পোস্টে রবীন্দ্রনাথের ব্যবহৃত জিনিস দেখাবো।
ধন্যবাদ সবাইকে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছে আমারও আছে। আপনি তো দেখছি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি ঘুরে ফেলেছেন। আর বিশেষ কিছু ফটোগ্রাফি আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে। আপনি এই বাড়ি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বর্ণনা করাতে অনেক কিছুই জানতে পারলাম। মুহূর্তটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
এই জায়গাটি আমার বাড়ি থেকে প্রায় 70 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ছোটবেলায় আমি এখানে একবার ঘুরতে গিয়েছিলাম কিন্তু ছোটবেলায় যাবার ফলে অনেক কিছুই ভুলে গিয়েছিলাম সেখানে কি কি রয়েছে। আপনার এই পোস্ট টির মাধ্যমে আমি আবার মনে করে নিতে পারলাম ছোটবেলায় আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই কুঠিবাড়ি থেকে কি কি দেখেছিলাম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সেই পুরনো দিনের কথা মনে করিয়ে দেবার জন্য। আমি চেষ্টা করব খুব দ্রুত আবার এই জায়গাটিতে একবার ভ্রমণ করার।
আপনার সুন্দর মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।।
কুষ্টিয়ার পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ি অন্যতম। আপনি নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ির সৌন্দর্য গুলো তুলে ধরেছেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ভাই।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনাকে স্বাগতম ভাইজান 💚
আপনি ঠিকই বলেছেন ভাইয়া রবীন্দ্রনাথের বাড়ির স্মৃতি কখনো ভুলবার নয় ।আমি অনেকবার গিয়েছি তাও মনে হয় যে আবার ঘুরে আসি। মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আমি কখনো রবীন্দ্রনাথের কুঠি বাড়ি যায়নি। রবীন্দ্রনাথের রোমাঞ্চকর গল্প ও উপন্যাস পড়তে আমার বেশ ভালো লাগে। তার বাড়ির সৌন্দর্যতা দেখে মুগ্ধ হলাম। একসময় যাবো ভাবছি কিন্তু আমার কিছু বন্ধু ছিল কিছুদিন আগে আমাকে রেখেই চলে গিয়েছে।আমার একটা মোটরসাইকেল থাকলে আমিও আপনাদের মতো ঘুরতে যেতাম। খুব সুন্দর মুহূর্ত পার করেছেন দেখে পরানটা ভরে গেল। 😎😎😪❤️
আপনার বন্ধুরা তো খুব বাজে দেখছি 🙏🙏। আপনাকে না নিয়ে গেল কিভাবে? দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই হয়তো কোন প্রবলেম এর জন্য আপনাকে নিতে পারেনি। পরবর্তীতে নিশ্চয়ই এক সাথে যাবে। দোয়া করি আপনি যেন খুব তাড়াতাড়ি একটা মোটরসাইকেল কিনতে পারেন ।মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ইনশাআল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমার সফলতার দ্বার প্রান্তে পৌঁছে যাবো।যাইহোক, আপনার জন্য শুভকামনা রইল।❤️❤️
রবীন্দ্রনাথ আমার খুবই প্রিয় একজন লেখক। তার লেখা শেষের কবিতা আমার খুব প্রিয় একটা উপন্যাস। আর রবীন্দ্র সংগীত সে তো কানের সুধা। আপনার পোস্ট দেখে বীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি যাওয়ার খুব শখ হচ্ছে।
সময় পেলে ঘুরে আসবেন অনেক সুন্দর একটা জায়গা। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
এই জায়গাটা অনেক সুন্দর আমিও দুইবার গিয়েছি লাম রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি তে। রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি তে রবি ঠাকুরের জীবন বৃত্তান্ত অনেক কিছু আছে। এখান থেকে রবি ঠাকুরের জীবনের অনেক কিছু জানার আছে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোষ্ট করার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।
কিছু দিন আগে সুমন ভাই এর মাধ্যমে অনেক গুলো ছবি দেখতে পেরেছিলাম। আজ আপনিও শেয়ার দিলেন ভালো লাগলো অনেক। ভাই পালকি টা কি লোহা দিয়ে বানানো? এটা একটু জানার খুব আগ্রহ।
ভাইয়া পালকিটা কাঠের তৈরি। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।