শীতে খেজুরের গুড় দিয়ে সেমাই পিঠা তৈরী।
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@md-razu বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ -- ০৬ ই,অগ্রহায়ন| ১৪৩০ বঙ্গাব্দ |মঙ্গলবার|হেমন্তকাল|
আমি রাজু আহমেদ।আমার ইউজার নাম @md-razu।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে অভিনন্দন।
তাহলে চলুন শুরু করি
চলুন আজ গ্রামীন একটা চমৎকার পিঠা আপনাদের দেখিয়ে দেই। হাতে বানানো সেমাই পিঠা, রান্না হয়েছে খেজুরের রসের গুড় দিয়ে।তবে এই পিঠা আমি আমার দাদীর হাতে বানানো খেয়েছি, স্বাদ এখনো কিছুটা মনে করতে পারি। তিনি সকালের গাছ থেকে নিয়ে আসা খেজুরের রস দিয়ে এই পিঠা রান্না করতেন এবং আমাদের এক থাল করে দিতেন।
শীতের পিঠা।
device:redmi note 10
প্রয়োজনীয় উপকরণ
– চালের গুড়া।
– সামান্য লবন।
– এক লিটার দুধ।
– দুই তিনটে এলাচি
– দুই তিন টুকরা লবঙ্গ
– নারিকেল কুরানো
– পরিমান মত খেজুরের গুড়।
রন্ধনপ্রণালী
ধাপ:-১:চালের গুড়ায় সামান্য লবন দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে অল্প অল্প কুসুম গরম পানি দিয়ে গুলে গুলে অবশেষে হাত দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে এই কাই বানিয়ে ফেলতে হবে। কাই বানিয়ে পাত্রে রেখে ঢেকে রাখতে হবে। এই কাইটা খুব নরম না, আমার খুব শক্তও হবে না। কাই থেকে ছোট ছোট গোলা করে নিন।
ধাপ:-২:এবার কাইয়ের গোলা কে হাত দিয়ে বেলে মোটা সুতায় রুপান্তরিত করুন। মোটা সুতা থেকে চিকন সুতা। যত চিকন করে ফেলায় যায় ততই স্বাদ বা দেখেতে ভাল দেখায়। করে ফেলুন।
ধাপ:-৩:এভাবে জমিয়ে ফেলতে হবে।
ধাপ:-৪:চালুনী দিয়ে চেলে পিঠা গুলোকে আলাদা করে নিতে হবে। তবে এভাবে পিঠা গুলোকে কিছুক্ষন রেখে দেয়াই ভাল। ঘন্টা খানেক বা তারও পরে বের করে রান্না করাই উত্তম।
ধাপ:-৫:পিঠা বানানো শেষ হয়ে গেলে একটা হাড়িতে দুধ গরম করতে থাকুন। দুধে কয়েকটা এলাচি এবং কয়েক টুকরা দারুচিনি দিতে ভুলবেন না।
ধাপ:-৬:পিঠা সহ এই হচ্ছে যাবতীয় উপকরণ। কুরানো নারিকেল, গুড়। আপনারা চাইলে খেজুরের গুড় বা চিনি দিয়েও রান্না করতে পারেন।
ধাপ:-৭:এবার দুধে খেজুরের গুড় দিন।গুড় দিতে থাকবেন এবং নাড়াবেন।ভাল গুড় হওয়া চাই, গুড়ে যদি সোডা থাকে তবে দুধ ফেটে যেতে পারে তাই বিশুদ্ধ হওয়া উচিত
ধাপ:-৮:নারিকেল কুরানো দিয়ে দিন, ভাল করে জ্বাল হয়ে গেলে এবার পিঠা দিয়ে দিন এবং নাড়িয়ে দিন।
ধাপ:-৯:এই হচ্ছে ফাইন্যাল প্রোডাক্ট। জিহব্বায় লাগিয়ে মিষ্টি দেখুন, যদি আরো মিষ্টি চান তবে আরো গুড় দিতে পারেন। আমি কম মিষ্টি পছন্দ করি।
ধাপ:-১০:পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। হাতে বানানো সেমাই পিঠার রান্না।ঠান্ডা বা গরম দুভাবেই খাওয়া যেতে পারে। আপনার যেমন ইচ্ছা। রাতে বানিয়ে সকালেও খাওয়া যেতে পারে।
ধন্যবাদ সবাইকে
>>>>>|| এখানে ক্লিক করেন ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<
💞 আল্লাহ হাফেজ 💞
তাহলে চলুন শুরু করি
চলুন আজ গ্রামীন একটা চমৎকার পিঠা আপনাদের দেখিয়ে দেই। হাতে বানানো সেমাই পিঠা, রান্না হয়েছে খেজুরের রসের গুড় দিয়ে।তবে এই পিঠা আমি আমার দাদীর হাতে বানানো খেয়েছি, স্বাদ এখনো কিছুটা মনে করতে পারি। তিনি সকালের গাছ থেকে নিয়ে আসা খেজুরের রস দিয়ে এই পিঠা রান্না করতেন এবং আমাদের এক থাল করে দিতেন।
device:redmi note 10
প্রয়োজনীয় উপকরণ
– চালের গুড়া।
– সামান্য লবন।
– এক লিটার দুধ।
– দুই তিনটে এলাচি
– দুই তিন টুকরা লবঙ্গ
– নারিকেল কুরানো
– পরিমান মত খেজুরের গুড়।
রন্ধনপ্রণালী
ধাপ:-১:চালের গুড়ায় সামান্য লবন দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে অল্প অল্প কুসুম গরম পানি দিয়ে গুলে গুলে অবশেষে হাত দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে এই কাই বানিয়ে ফেলতে হবে। কাই বানিয়ে পাত্রে রেখে ঢেকে রাখতে হবে। এই কাইটা খুব নরম না, আমার খুব শক্তও হবে না। কাই থেকে ছোট ছোট গোলা করে নিন।
ধাপ:-২:এবার কাইয়ের গোলা কে হাত দিয়ে বেলে মোটা সুতায় রুপান্তরিত করুন। মোটা সুতা থেকে চিকন সুতা। যত চিকন করে ফেলায় যায় ততই স্বাদ বা দেখেতে ভাল দেখায়। করে ফেলুন।
ধাপ:-৩:এভাবে জমিয়ে ফেলতে হবে।
ধাপ:-৪:চালুনী দিয়ে চেলে পিঠা গুলোকে আলাদা করে নিতে হবে। তবে এভাবে পিঠা গুলোকে কিছুক্ষন রেখে দেয়াই ভাল। ঘন্টা খানেক বা তারও পরে বের করে রান্না করাই উত্তম।
ধাপ:-৫:পিঠা বানানো শেষ হয়ে গেলে একটা হাড়িতে দুধ গরম করতে থাকুন। দুধে কয়েকটা এলাচি এবং কয়েক টুকরা দারুচিনি দিতে ভুলবেন না।
ধাপ:-৬:পিঠা সহ এই হচ্ছে যাবতীয় উপকরণ। কুরানো নারিকেল, গুড়। আপনারা চাইলে খেজুরের গুড় বা চিনি দিয়েও রান্না করতে পারেন।
ধাপ:-৭:এবার দুধে খেজুরের গুড় দিন।গুড় দিতে থাকবেন এবং নাড়াবেন।ভাল গুড় হওয়া চাই, গুড়ে যদি সোডা থাকে তবে দুধ ফেটে যেতে পারে তাই বিশুদ্ধ হওয়া উচিত
ধাপ:-৮:নারিকেল কুরানো দিয়ে দিন, ভাল করে জ্বাল হয়ে গেলে এবার পিঠা দিয়ে দিন এবং নাড়িয়ে দিন।
ধাপ:-৯:এই হচ্ছে ফাইন্যাল প্রোডাক্ট। জিহব্বায় লাগিয়ে মিষ্টি দেখুন, যদি আরো মিষ্টি চান তবে আরো গুড় দিতে পারেন। আমি কম মিষ্টি পছন্দ করি।
ধাপ:-১০:পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। হাতে বানানো সেমাই পিঠার রান্না।ঠান্ডা বা গরম দুভাবেই খাওয়া যেতে পারে। আপনার যেমন ইচ্ছা। রাতে বানিয়ে সকালেও খাওয়া যেতে পারে।
শীত আসতে না আসতে চারদিকে শীতের আমেজ চলে এসেছে। মনে হচ্ছে যেন আপনার পিঠার গন্ধ পাচ্ছি। একা একা খেলে পেটে ব্যথা করবে ভাইয়া শেয়ার করে খান। মজা করলাম ভাইয়া। আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া লোভনিয় এই রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। পিঠা টি আমার বেশ পছন্দ আমার আম্মু মাঝে মাঝে তৈরি।
নেক্সট টাইম তৈরি করলে অবশ্যই আপনাদের সবার সাথে শেয়ার করবো খাবার। আপনি ঠিকই বলেছেন আপু শীতে আসতে না আসতে চারিদিকে শীতের আমেজ চলে এসেছে। শীতের দিনে এ ধরনের পিঠা খেতে খুবই সুস্বাদু হয়ে থাকে।
ভাইয়া হাতের সেমাইয়ের রেসিপি দেখে তো আমার খুব খেতে ইচ্ছে করছে। আমি তো লোভ সামলাতে পারছি না। আমি এই সেমাই বানাতে যেমন পছন্দ করি তেমনি খেতেও খুব পছন্দ করি। খেজুরের রস কিংবা গুড় আর ঘন দুধ দিয়ে এই সেমাই রান্না করলে খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন ঈদ আসলে সবার ঘরে ঘরে এই সেমাই বানানোর ধুম পড়ে যেতো। আপনি খুব সুন্দর ভাবে হাতের সেমাইয়ের রেসিপির ধাপগুলো তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
হাতে বানানো সীমার পিঠা খেতে একটু আলাদা টেস্ট লাগে। শীতের সময় এই পিঠাগুলো আমার কাছে খুবই পছন্দের খাবার। ঠিকই বলেছেন আপু ঘন দুধ ও খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি করলে খুবই সুস্বাদু হয়ে থাকে।
শীতের মৌসুম মানেই পিঠা খাওয়ার অন্যরকম একটা মজা। আপনার তৈরি এই সেমাই পিঠা গুলো খেতে খুবই সুস্বাদু। আমার কাছে ঠান্ডা করে এই সেমাই পিঠা খেতে বেশি ভালো লাগে। অসংখ্য ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটি সুস্বাদু সেমাই রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
শীতের সময় গ্রাম অঞ্চলে নবান্নের উৎসব হয়। আর এই উৎসব উপলক্ষে প্রতিটি ঘরে ঘরে পিঠাপুলি তৈরি হয়ে থাকে।
বাহ কি রেসিপি দেখালেন ভাইয়া!
রেসিপি দেখেই তো জিভে জল চলে আসলো। ইচ্ছে করছে ছবির ভিতর গিয়ে খেয়ে আসি। তবে আপনার রেসিপিটা দেখেই কিন্তু বোঝা যাচ্ছে এটা খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছিল। আমার জন্য পাঠিয়ে দিন ভাইয়া 😁 যাইহোক সুন্দর পোস্ট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
শীতের সময় প্রতিটা বাড়িতে বাড়িতে পিঠাপুলির উৎসব হয়ে থাকে। হাতে বানানো সেমাই পিঠা আমার খুবই পছন্দের। আর যদি খেজুরের গুড় দিয়ে এটা তৈরি করা হয় তাহলে খেতে আরো অনেক সুস্বাদু হয়।
শীতের সময় পিঠে ফুলি খাওয়ার মজাই আলাদা। আর গুড় দিয়ে রান্না করলে তো কথাই নেই। আপনার রেসিপিটি দেখে খুব লোভনীয় লাগছে। বেশ কয়েকদিন এই সেমাই পিঠাটি খাওয়া হয় না। দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। রান্নার ধাপ গুলো খুব সুন্দর ভাবে গুছিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আপনি ঠিকই বলেছেন আপু খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। এই পিঠাগুলো খেতে অন্যরকম স্বাদ। শীতের সময় প্রতি বাড়িতে পিঠা পুলির উৎসব হয়ে থাকে। মতামত প্রকাশের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
পিঠে মানেই আমার খুব পছন্দের একটি খাবার। আর আপনার বানানো খেঁজুরের গুড় দিয়ে তৈরি সেমাই এর পিঠে দেখতে এত সুন্দর হয়েছে যে মনে হচ্ছে নিয়ে আসি। আপনার দাদী দেখছি আপনাকে দারুণ একটি পিঠের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াতো। পিঠে তৈরীর প্রক্রিয়াটি অসাধারণ ছিল। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
ছোট থাকতে দাদি এরকম পিঠা অনেক তৈরি করত। শীত আসলেই বাড়িতে পিঠাপুলির উৎসব হতো। শীতের দিনে সেমাই পিঠা খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে।
আপনার সেমাই পিঠা রেসিপি দেখে আমার খেতে ইচ্ছা করছে। খেজুরের রস দিয়ে এত মজা পিঠা রেসিপি দেখে খুবই ভালো লাগলো।
খেতে ইচ্ছে করলে তো কিছু করার নেই ।আপনার এড্রেস পাঠিয়ে দিয়েন পরবর্তীতে তৈরি করলে পাঠিয়ে দিব।
এই ধরনের পিঠেগুলো বানানোর প্রধান প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে ব্যবহৃত গুড় টা খাঁটি হতে হয়। না হলে দুধ ফেটে যায় এবং বাকি সব পরিশ্রম পন্ড! এই গুড দিয়ে সেমাই পিঠা আমার ভীষণ পছন্দের খাবার। আপনি আবার নতুন করে লোভ লাগিয়ে দিলেন।
জি আপু অরিজিনাল গুড় আর অরিজিনাল দুধ হলে এর অনেকটা বেড়ে যায়। লোভ লাগলে ঝটপট তৈরি করে খান অনেক মজার একটি খাবার।
শীত মানেই পিঠা খাওয়ার ধুম।আর এই সেমাই পিঠা তো আরো বেশী মজার হয়এই শীতের সময়।আপনি চমৎকার একটি রেসিপি শেয়ার করলেন।যা দেখে আমার এখন খাওয়ার ইচ্ছে জেগে উঠলো।যদিও ঢাকায় শীত নেই।তবে শীতের সময় এই পিঠাটা বেশ খাওয়া হয়।আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া মজার এই পিঠা রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
আপনি কি কি বলেছেন আপু শীতের সময় এই পিঠা খেতে অনেক মজা। ঢাকাতে শীত না থাকলেও গ্রামে শীতের আমেজ চলে এসেছে।