অনেকদিন পরে প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা
আজ - ০৯ ফাল্গুন | ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | বুধবার | বসন্তকাল|
আসসালামু ওয়ালাইকুম,আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নাম @jibon47। বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি এখন জনপ্রিয় কয়েকটি কমিউনিটির মধ্যে একটি। এটা ভাবতেই আমার অনেক বেশি ভালো লাগে,সেই সাথে আমি সত্যিই অনেক বেশি গর্বিত আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির একজন সদস্য হয়ে।
- আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি
- ভাই ব্রাদারের সঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্ত
- আজ ০৯ই ফাল্গুন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
- বুধবার
তো চলুন শুরু করা যাক...!
শুভ সকাল সবাইকে...!!
আমরা এখন হয়তোবা একটু বড় হয়ে গিয়েছি এই একটু বড় হওয়ার ফলে আমরা এখন অনেকেই আমাদের শৈশবটাকে অনেক বেশি মিস করি অথবা অনুভব করি। মাঝে মাঝে বন্ধুদের মাঝে যখন আমরা আড্ডা দেই তখন কিন্তু আমরা একটা কথা বলে থাকি সেটা হচ্ছে যে ইস যদি আবার সেই ছোটবেলায় ফিরে যেতে পারতাম। ছোটবেলায় আমরা কেন ফিরে যেতে চাই...?? ছোটবেলায় আমরা এজন্যই ফিরে যেতে চাই যে ছোটবেলা টা ছিল অনেক বেশি রঙিন ছিল না কোন বাধা,ছিল না কোন চিন্তা বা ডিপ্রেশন নামক ভয়ংকর অভিশাপ। যখন যেখানে মন চায় সেখানেই ছুটে বেড়ানো যায়, যখন যেখানে মন চায় গিয়ে আড্ডা দেওয়া যায় অনেকটা মুক্ত পাখির মত। আর আমরা সকলেই মুক্ত পাখির মত স্বাধীনতা চাই কেউই বন্দি খাঁচার পাখির মত নির্দিষ্ট একটি জায়গায় বন্দি থাকতে পছন্দ করেনা। পছন্দ করে না বিধায় আমরা যখন অনেক বেশি একা হয়ে যাই তখন সবসময়ই চাই কেউ আমাদের সঙ্গ দিক।
আমরা চাই কেউ আমাদের পাশে থাকুক আমাদেরকে অনেক বেশি ভালোবাসুক ভালোবাসা বলতে যে শুধু আমরা শুধুমাত্র একজন প্রেমিক-প্রেমিকাকে এই বুঝি তা কিন্তু নয়। পৃথিবীতে এমন অনেক ভালোবাসা আছে যে ভালোবাসা গুলো ভাই ব্রাদার বন্ধু বান্ধবদের সঙ্গেও হয়। তবে আমার মনে হয় পৃথিবীতে এমন কিছু ভালবাসা আছে যে ভালোবাসার মাঝে কখনো দুঃখ নেই হয়তোবা কিছু সময়ের জন্য তাদের সঙ্গে মনের বিভেদ তৈরি হয় কিন্তু সেটা বেশিদিন থাকে না। আর সেই ভালোবাসাটা শুধুমাত্র তৈরি হয় ভাই ব্রাদার এবং বন্ধুদের সঙ্গে। হয়তোবা কিছুক্ষণের জন্য তাদের সঙ্গে আমাদের কথা কাটাকাটি হয় মনে হয় এই মনে হয় তাদের সঙ্গে সব রকম সম্পর্ক শেষ হয়ে গেল। কিন্তু না...!!
যাদের সঙ্গে ছোটবেলা থেকে বেড়ে ওঠা তাদের সঙ্গে কখনোই সম্পর্ক নষ্ট হয় না। তাদের এই সম্পর্কের একটি নাম হয় সেটা হচ্ছে আত্মার বন্ধন। এই আত্মার বন্ধন গুলো কখনো ছিন্ন হয় না। হয়তোবা সময়ের অভাবে বা পরিবেশ আমাদেরকে তাদের থেকে কিছুক্ষণের জন্য দূরে রাখে কিন্তু এই দূরে রাখাটা হয়তো বা ক্ষনিকের। যখনই কেউ আমরা সময় সুযোগ পাই তাদের সঙ্গে দেখা করার সেই সুযোগটা আমরা কখনোই বিফলে যেতে দিই না। যার কারণে আমরা সবসময়ই চাই তাদের সঙ্গে আমাদের দেখা হোক,কথা হোক,আড্ডা হোক। আর এই যাওয়াটা কখনোই শেষ হবার নয় এটা থেকে যাবে হয়তো মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।
আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন আমি অনেকদিন হলো ঢাকা শহরে এসেছি। ঢাকা শহরে এসেই নিজেকে অনেক বেশি একা একা মনে হচ্ছিল যদিও সাথে এলাকার এক বড় ভাই ছিল তারপরেও নিজের কাছে কেন যেন একা একা মনে হতো। যখন বাসায় ছিলাম তখন কি সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করতাম সকলে মিলে সারাদিন যেখানেই থাকি না কেন সন্দেহ হওয়ার সাথে সাথেই বসে যেতাম সেই স্কুল মাঠের ফিল্ডে। স্কুল মাঠের ফিল্ডে বসে যে কত গল্প কত আড্ডা সেটা হয়তো যারা এরকম বন্ধুদের সঙ্গে স্কুল ফিল্ডে বসে রাত্রিবেলা সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন তারাই বুঝতে পারবে। সত্যি বলতে আমাদের প্রতিদিনের কাজ ছিল এটাই সারাদিন যে যেখানেই থাকি না কেন সন্দেহ হবার সাথে সাথেই সবাই সেই ফিল্ডে গিয়ে উপস্থিত হতাম।
প্রতিদিনই কোন না কোন একটা বিষয়ের উপর গল্প শুরু করতাম গল্প করতে করতে কখন যে রাত্রি বারোটা থেকে একটা বেজে যেত বুঝতেই পারতাম না। যখন অনেকগুলো পাখিকে আপনি একত্রে রাখবেন তখন দেখবেন তাদের মাঝে কত রকম আনন্দ কত রকম চেঁচামেচি তারা করে। কিন্তু যখন সেই অনেকগুলো পাখি থেকে আলাদা করে একটি পাখিকে রাখবেন দেখবেন সে অনেক বেশি নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছে সে আর আগের মতো ডাকাডাকি করছে না। ঢাকাতে আসার পরে আমার অবস্থা সেই একাকী পাখির মতোই হয়ে গিয়েছিল। নিজের কাছে অনেক বেশি খারাপ লাগতো।
যদিও কেউই এখন তেমন একটা গ্রামে থাকে না সবাই তার নিজেদের কাজের জন্য অন্যত্র চলে গিয়েছে, অন্যত্র বলতে সকলেই প্রায় ঢাকাতেই কয়েকজন শুধু গ্রামে রয়েছে সকলের ঢাকাতে রয়েছে তারপরও তাদের সঙ্গে তেমন একটা দেখা হয় না। সময়ের ব্যবধান অথবা পরিবেশ আমাদেরকে অনেকটাই আলাদা করে দিয়েছে। হঠাৎ করে গ্রাম থেকে দুজন ঢাকাতে এসেছে ঘুরতে। ঢাকায় এসে ফোনের মাধ্যমে জানতে পারলাম যে তারা দুজন ঢাকায় এসেছে নিজের মধ্যে কোন রকম ভালো লাগা কাজ করছিল।
যেহেতু অনেকদিন দেখা হয় না তাই প্রথমে সিদ্ধান্ত নিলাম আগে দেখা করব তারপরে কথা। সে সিদ্ধান্ত নিয়েই দেখা করার এই উদ্দেশ্য দেখা করার স্থান ছিল হাতিরঝিল। হাতিরঝিল আমরা সন্ধ্যার দিকে সকলেই উপস্থিত হলাম। সবাই সবাইকে দেখে কতটা যে খুশি হয়েছিলাম সেটা হয়তো বা বলে বোঝাতে পারবো না।
হাতিরঝিলে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসে আমরা অনেকক্ষণ আড্ডা দিয়েছিলাম আমাদের আড্ডা দেওয়ার মূল বিষয়বস্তু ছিল ছোটবেলার কিছু স্মৃতি বড় হয়ে সেগুলো কিভাবে হারিয়ে গেল এইসব নিয়েই আমরা অনেকটা সময় গল্প করেছিলাম। কি যে ভালো লাগছিল বলে বোঝাতে পারবো না। আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ উঠেছিল সেদিন চারিদিকে আলোয় আলোকিত আর সব থেকে বেশি আলোকিত ছিল আমাদের মনে। সকলের কাছেই মনে হচ্ছিল যেন অনেক দিন পরে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। সত্যি বলতে চৈত্র মাসে একটি চাতক পাখি বৃষ্টির পানি যেরকম ভাবে চেয়ে থাকে আমিও ঠিক সেরকম ভাবেই চেয়েছিলাম যে তাদের সঙ্গে আমার দেখা হোক তাদের সঙ্গে কিছু সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত হোক। বৃষ্টির পানে চেয়ে চেয়ে যখন সেই চাতক পাখি একটু পানের দেখা পায় তখন তার মনটা অনেক বেশি আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে ওঠে ঠিক তেমনিভাবে আমিও আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে উঠেছিলাম।
এরপর সেখানে কিছুটা সময় আড্ডা দেওয়ার পরে আমরা চলে গেলাম একটা ছোট্ট রেস্টুরেন্টে। যেহেতু অনেকদিন পরে দেখা আর সকলে মিলে যদি একত্রে খাওয়া-দাওয়া না করি তাহলে কি আর ভালো লাগে আপনারাই বলুন...?? আমরা হাতির ঝিলের পাশেই ছোট্ট একটি রেস্টুরেন্টে চলে যাই সেখানে গিয়ে দেখি রেস্টুরেন্টটা খুবই ছোট কিন্তু অনেক জাঁকজমকপূর্ণ। ভেতরের ডেকোরেশন টা আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছিল চারিদিকে লাইটিং করা ছিল যার কারণে ভেতরের দৃশ্যটি অনেক বেশি সুন্দর দেখাচ্ছিল। আমরা রেস্টুরেন্টের ভিতরে গিয়ে বসে খাবারের অর্ডার করলাম ততক্ষণে আবার গল্প শুরু হয়ে গিয়েছে।
গল্প করতে করতে খাবার চলে আসলো আমরা সকলেই তখন খাবার খাওয়ায় অনেক বেশি ব্যস্ত ছিলাম যদিও সব সময়ের মতো আমি একটু বেশি খাই হাহাহা। এখানেও তার ব্যতিক্রম নয় সবার থেকে আমি একটু বেশি খেলাম আসলে যখন তাদের সঙ্গে কোথাও খাওয়া-দাওয়া করার জন্য বের হতাম বাসায় থাকাকালীন সময়ে। তখন বরাবরই আমি অন্যদের থেকে একটু বেশি খেতাম কারণ আমি বেশি খাই এটাই আমার বৈশিষ্ট্য হাহাহা।
রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়া নিয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত ছিলাম যার কারণে তেমন একটা ফটোগ্রাফি করতে পারিনি। রেস্টুরেন্ট থেকে বের হওয়ার পরে দেখতে পারলাম রাস্তার পাশে ছোট্ট একটি বড়ই এবং পেয়ারার দোকান। সেখান থেকে আমরা বড়ই এবং পেয়ারা কিনে আবার চলে গেলাম হাতিরঝিলে। হাতিরঝিলে গিয়ে সেখানে আবার গল্প শুরু হলো গল্প করছিলাম আর বরই এবং পেয়ারা এগুলো খাচ্ছিলাম। খুবই ভালো লাগছিল হালকা বাতাস বইছিল সেই বাতাসে শরীরটা যেন অনেকটাই স্বস্তি খুঁজে পাচ্ছিল। এরকম সুন্দর মুহূর্ত কাটাতে কে না পছন্দ করে..!! অনেকদিন পরে এরকম সুন্দর মুহূর্ত কাটাতে পেরে নিজের কাছে খুবই ভালো লাগছিল। অনেক রাত অব্দি সেখানে আড্ডা দিয়েছিলাম।
যেহেতু অনেক রাত হয়ে গিয়েছে এবার বিদায়ের পালা। সবাই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আবার কোন একটা সময় দেখা হবে এই বলে যে যার গন্তব্যস্থলে রওনা করলাম। খুবই খারাপ লাগছিল যদিও নিজের কাছে এতদিন পরে এরকম সুন্দর মুহূর্ত কাটালাম আবার কবে এরকম সুন্দর মুহূর্ত কাটাবো এটাই ভেবে অনেক বেশি খারাপ লাগছিল। সবার থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসলাম।
এটাই ছিল সেদিনের কাটানো ভাই ব্রাদারের সঙ্গে সুন্দর মুহূর্ত। আশা করছি আমার এই পোস্ট আপনাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আজ আর নয় এখানেই আমার এই সংক্ষিপ্ত পোস্ট শেষ করছি। সকলেই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এবং আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি পরিবারের সঙ্গেই থাকুন। ধন্যবাদ সকলকে....!!
আমার পোষ্ট দেখার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি আশা করিছি আপনারা সবাই আমার পোষ্ট উপভোগ করবেন এবং আপনারা সবাই আমাকে অনুপ্রাণিত করবেন
| বিভাগ | অতি সুন্দর কিছু মুহূর্ত |
|---|---|
| বিষয় | প্রিয়জনদের সাথে দেখা |
| পোষ্টের কারিগর | @jibon47 |
| অবস্থান | [সংযুক্তি]source |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
মাঝে মাঝে প্রিয় মুখগুলোর সাথে দেখা হলে ভীষণ ভালো লাগে কিন্তু বর্তমানে আমার একসাথে সব বন্ধুদের সাথে দেখা হয় না অনেকদিন। খুবই সুন্দর একটি মুহূর্ত কাটিয়েছেন। দেখতে ভালো লেগেছে আমার।
সত্যিই অনেক দিন পরে খুবই সুন্দর একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছিলাম এরকম সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করতে সকলেরই অনেক বেশি ভালো লাগবে বলে আমার মনে হয়।
চাইলেই কি আর শৈশবে ফিরে যাওয়া সম্ভব! জীবনের ডায়রীতে সেটা এখন অতীত, ফেলে আসা স্মৃতি! ছোট বেলার হৈ-হুল্লোড়ের মাঝে অন্যরকম একটা ভালো লাগাই কাজ করতো। বড় হওয়ার সাথে সাথে সবাই কর্মব্যস্ত হয়ে পরি! কারো খোজঁ-খবর তেমন পাওয়া যায় না। তবে কিছু সম্পর্ক কখনো ছিন্ন হয়না! এই যেমন বন্ধুদের সম্পর্কগুলো! হাতিরঝিলে চমৎকার কিছুটা সময় অতিবাহিত করেছেন। সুন্দর মুহূর্তটা যেন তাড়াতাড়ি চলে যায়।
চাইলেও হয়তোবা আর সেই ছোটবেলার শৈশবে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয় তবে সেই ছোটবেলার কথা যখন মনে পড়ে তখন দীর্ঘ এক নিঃশ্বাস ছেড়ে বলতে হয় ইস কতই না ভালো ছিল সেই দিনগুলো। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আসলে প্রিয় মানুষগুলোকে অনেকদিন পর দেখলে খুব ভালো লাগে। আর আপনি ঠিকই বলেছেন ছোটকালে সময় খুব ভালোই ছিল। কারণ কোন চিন্তা ভাবনা এবং কি কোন টেনশন কিছুই ছিল না। যেদিকে মন চায় ওদিকে ঘুরতে যেতে পারতাম। আপনার প্রিয় মানুষগুলো একসাথে হাতিরঝিল দেখা করলেন। এরপর রেস্টুরেন্টে খাবার খেলেন এবং অনেক গল্প করলেন। অনেক সুন্দর করে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
প্রিয় মানুষদের সঙ্গে সেদিন হাতিরঝিলে দেখা করেছিলাম কতটা যে ভালো লাগছিল সেটা হয়তো বলে বোঝাতে পারবে না। মন চাইছিল সেখানে বসে গল্প করতে করতে রাত্রি কাটিয়ে দিই।
এখন সকলেই যে যার মত ব্যস্ত হয়ে পড়েছে যার কারণে হয়তোবা একত্রে দেখা-সাক্ষাৎ এমন একটা হয় না। বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে আমাদেরকে কিছুটা সহজ করে দিয়েছে চাইলেই আমরা যে কোন মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারি কথা বলতে পারি কিন্তু একত্রে বসে থাকাটা হয়তোবা অনেকটাই কষ্টসাধ্য।
আমরা আমাদের জীবনে সব ভুলকে পারি। কিন্তু ছেলেবেলার বন্ধুদের কে কোন ভাবেই ভোলা সম্ভব না। আর কেউ সেটা করতেও পারেনি। প্রিয় মানুষগুলো সাথে থাকলে যেন পৃথিবীটা নির্ভয়ে জয় করা সম্ভব। আর প্রিয় মানুষগুলো সাথে থাকার সময়টাও যেন কেমন তাড়াতাড়ি চলে যায়। আপনি আপনার প্রিয় মানুষগুলোর সঙ্গে অনেক আনন্দময় সময় কাটিয়েছেন। যা আপনার পোস্ট পড়ে বুঝা যাচ্ছে। এত আনন্দের মাঝে তো ছবি তুলার কথা মনে থাকার নয়।
আপনি একদম সত্য কথা বলেছেন আপু আমরা জীবনের সব কিছু ভুলে গেলেও প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো কখনোই ভুলতে পারি না। সবসময় ইচ্ছে হয় তাদের সঙ্গে সময় কাটানোর তাদের সঙ্গে কাটানোর সময় গুলো অনেক বেশি রোমাঞ্চকর হয়।