পাট উৎপাদনে আমাদের দেশের কৃষকরা
পৃথিবীতে সব সাধকদের বড় সাধক হলো আমাদের চাষারা। কেননা , তাঁরাই একমাত্র দেশের আশা । তাঁরাই চাষাবাদ করে দেশকে মুক্ত করে । তাঁরা তাঁদের সুখে কথা না ভেবে ঝড়, বৃষ্টি, রোদ কে পিছনে ফেলে চাষাবাদ করে । তারা এক ফসলে লছ হওয়ার পরেও , পরবর্তীতে ঐ ফসল আবার চাষাবাদ করে বুকে আশা নিয়ে। তাঁর মনে করে এবার আর লছ হবে না । তাঁরা লাভ লছ দুটাতেই অংশগ্রহণ করে । তবুও তাঁরা কষ্ট করে আমাদের জন্য অন্ন্য যোগায় । আমাদের দেশের চাহিদা মিটিয়ে ,সেই অবশিষ্ট ফসলগুলো বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হয় । তাঁরা আমাদের জন্য বা দেশের জন্য এত মহৎ কাজ করেও নিজেরা অহংকার করে না ।
কৃষকদের কষ্ট করে চাষাবাদ করা একটি ফসল নিয়ে আজকে আমি আলোচনা করব । যা আমাদের দেশের এক সময় প্রধান অর্থকরী ফসল ছিল । ফসলটি হলো পাট।
পাটকে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ বলা হয় । কেননা পাট আমাদের দেশে এক সময় প্রচুর পরিমাণে চাষাবাদ হতো । এখন হয়তো একটু চাষাবাদ করা কমে গেছে । এই পাট রপ্তানি করে আমাদের দেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতো ।
পাট আমাদের দেশে কৃষকরা ফ্লাগুন, চৈত্র ও বৈশাখ এই তিন মাসে জমিতে বীজ বপন করে । জমিতে বীজ বপন করার পর 3 থেকে 4 দিন লাগে চারা গজানোর । তারপর 15 থেকে 16 দিন পর পাট ক্ষেতে নিড়ানি দিতে হয় । তারপর প্রয় তিন মাস হয়ে গেলে পাট কাটার উপযুক্ত হয় । আষাঢ় ,শ্রাবণ মাসে পাট কাটে কৃষকরা ।
সেই পাট পুকুরে বা নদীতে কৃষকেরা জাগ দেয় । জাগ দেওয়ার সময় খড় , লতাপাতা ইত্যাদি উপরে দেয় এবং জাগটি মাটি চাপা দিয়ে পানিতে একটু ডুবে দেয় । যাতে পাটগুলো খুব তাড়াতাড়ি পচে যায় ।
জাগ দেওয়ার পর 15 থেকে 20 দিন সময় লাগে পাটগুলো পচতে । সঠিক ভাবে পাটগুলো হলে , কৃষকেরা পাট থেকে আঁশ আলাদা করে । আঁশ গুলোকে আলাদা করার পর , ভালো ভাবে রোদে আঁশ গুলোকে শুকানো হয় । তার পর পাটগুলোকে গুদামজাত করা হয় ।
পাট থেকে আঁশ আলাদা করার ভিডিও:-
আপনার পোষ্টা অনেক সুন্দর হইছে,আগামিতেও আপনার কাছ থেকে এমন সুন্দর পোষ্ট আশা করবো।
ধন্যবাদ ভাই।
পাট নিয়ে অনেক তথ্য জানলাম আপনার পোস্ট থেকে, ধন্যবাদ আপনাকে,
এই ধরনের একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ।
ধন্যবাদ ভাই