তীর্থস্থান দর্শনে বঁদেশ্বরী মন্দির ৷৷
আজ- ২৮শে, কার্তিক ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, হেমন্ত-কাল
নমস্কার - আদাব। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভালো আছেন।
প্রিয় বন্ধুরা আজ প্রায় অনেক দিন পর আজ আপনাদের মাঝে হাজির হলাম নতুন একটি ইউনিক ব্লগ নিয়ে । মুলুত কয়েক মাস ধরে অনেক ব্যস্ত সময়ের মধ্যে দিয়ে পার করেছি ৷ আসলে কোথায় বলে না যে সময় পরিস্থিতি সবকিছুকেই সাথে নিয়ে জীবনকে লড়তে হয় ৷ তারপরও অনেক চেষ্টা করেছি স্টিমিট ব্লগে কাজ করার জন্য কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত প্রায় তিন থেকে চার মাস এইখান থেকে বিরতি নিয়েছি ৷ এটা আমার কাছে খুবই দুঃখজনক এবং নিজের কাছেও অনেকটা খারাপ লেগেছিল ৷ কিন্তু ওই যে প্রথমে বলছিলাম যে সময় পরিস্থিতি বাধ্য করেছে৷
তবে প্রতিমুহূর্তে আমার বাংলা ব্লগের প্রতিটি সদস্য কে এক কথায় এই পরিবারটিকে প্রতিমুহূর্তের জন্য বা সবসময়ের জন্য মিস করেছিলাম ৷ যাদের সাথে একটা সময় প্রতি মুহূর্তে কথা আলাপ আলোচনা কত কিছুর মধ্যে দিয়ে দিন পার করেছিলাম৷ কিন্তু এই কয়েকটা মাস তাদের সাথে যোগাযোগ খুব একটা করতে পারিনি৷ কিন্তু এর পরিপ্রেক্ষিতেও সময়ের মাঝে আমি মাঝে মধ্যে ডিস্কোর্ডে প্রায়ই আসতাম তবে খুব একটা সময় দিতে পারি নি ৷
যা হোক সবকিছুর পরেও আজকে টিকিট টিকিট কেটে সুমন ভাই আরিফ ভাইদের কথাবার্তা বলে আজ থেকেই আমি আমার ব্লগ জার্নি শুরু করলাম ৷ চেষ্টা করবো শত ব্যস্ততার মাঝেও আপনাদের সাথে প্রতিনিয়তই একটিভ থাকার ৷ আরেকটা সৌভাগ্য যে কাজ শুরু করার মাধ্যমে জানতে পারলাম মার্কেট বেশ উন্নতি হয়েছে ৷ সব মিলিয়ে অনেক ভালোই লাগছে ৷
যাহোক আজকে আমার অনেকদিন পর পোস্ট লিখতে যাচ্ছি ৷ তাই প্রথমেই বলি যে , ভুলত্রুটি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন ৷
যাহোক কিছুদিন আগে আগে একটি তীর্থ স্থান বা আমাদের হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র স্থান যেখানে গেলে দেহ মন পবিত্র হয় সাথে ভগবান দর্শন এবং কি ভগবানের আশীর্বাদও লাভ করা যায় ৷ বলছিলাম এমন একটা মন্দির দর্শন যে মন্দিরের নাম বদেরশ্বরী মূলত এটি 1966 সালে নির্মাণ করেছিলেন যদিও কে নির্মা করেছেন ৷
যেখানে ত্রিদেব অর্থাৎ ব্রহ্মা-বিষ্ণু মহেশ্বর রয়েছে তাই এই মন্দিরের নাম করণ ত্রিদেব বদেশ্বরী মন্দির ৷ যদি ওআমি বেশ কয়েকবারই গিয়েছিলাম কিন্তু এবার মহালয়ায় আবারো গিয়েছিলাম সেই তীর্থস্থান দর্শন করতে৷ আর সেখানকার আলোচিত্র নিয়েই আজকের আমার ব্লগ৷
মূলুত সেদিন মহালয়ার দিনে বেশ অনেক ভক্তবৃন্দ ই আগমন ঘটেছিল সেই সাথে মহালয়ার অনুষ্ঠানযোগ্য সবকিছুই হয়েছিল ৷ কিন্তু আমরা যেতেই অনেকটা সময় লস করে ফেলি ৷ তাই আর সেসব মুহূর্তগুলোকে স্বচক্ষে দেখতে পারিনি ৷ এরপরও মন্দিরে প্রবেশ করতেও বেশ ভিড় ছিল ৷ তাই শুধু মন্দির গুলোর দর্শন করেছি আর কিছু ফটোগ্রাফি৷
মন্দিরের চারিপাশে ঘোরা ফেরার পর মন্দিরের আরেক সাইডে প্রসাদ রান্নাবান্নার কাজ চলছিল সেদিকেও একটু ঘুরতে গেলাম গিয়ে দেখতে পেলাম যে ইতিমধ্যেই বেশ অনেকগুলি প্রসাদ হয়ে গেছে আসলে অনেক ভক্তবৃন্দ হওয়ার কারণেই তারা একটু সময় নিয়েই মানে প্রসাদ বিতরণ করবে সেই ব্যবস্থা নিয়েই তারা প্রসাদের রান্না বান্না করছিল
আর তার কিছুক্ষণ পর আমরা প্রসাদ খেতে বসেছিলাম কিন্তু প্রচুর ভক্তবৃন্দ ছিল ভগবানের প্রসাদ বলে কথা ৷ তাই অনেক কষ্ট করে হলেও ভগবানের প্রসাদ গ্রহণ করেছিলাম ৷ আর তারপর আমরা আমাদের নিজস্ব গন্তব্য স্থানে পৌঁছাতে প্রস্তুতি গ্রহণ করলাম ৷ সেদিনের কাটানো মুহূর্তগুলো ছিল অনেক সুন্দর আর যাই হোক না কেনো মন্দির দর্শন করলে দেহ মন সহ মনের সমস্ত খারাপ চিন্তা দূর হয় ৷ সেই সাথে কিছু ভালো চিন্তা ধারা মনের মধ্যে উদয় হয় ৷ যেটা আমি বাস্তবিক অর্থেই অনুভব করেছি ৷ আর তাইতো মাঝেমধ্যে সময় পেলেই এরকম মন্দির বা তীর্থস্থান দর্শন করতে খুবই ভালোবাসি ৷
ও প্রিয় বন্ধুগণ আজকে এই ছিল আমার বদেশ্বরি তীর্থস্থান মন্দির দর্শনের অনুভূতি এবং কি সেখানকার আলোকচিত্র এবং কি সেদিনের কাটানো মুহূর্তগুলোর অনুভূতি ৷ সব মিলিয়ে বেশ ভালোই লাগলো আপনাদের সাথে শেয়ার করে৷
প্রিয় বন্ধুরা আজকে আপনাদের কাছে এখানে বিদায় নিচ্ছি ৷ আবার নতুন কোন ইউনিক ব্লগ নিয়ে হাজির হবো৷ এমন প্রত্যাশা আশা আকাঙ্ক্ষা রেখে এখানেই শেষ করছি৷
ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন৷
| কমিউনিটি | আমার বাংলা ব্লগ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @gopiray |
| ডিভাইস | realme 12 |
@tipu curate
Upvoted 👌 (Mana: 5/7) Get profit votes with @tipU :)