শেয়ার করো তোমার বানানো মজাদার ফলের জুস বা শরবত।
তরমুজের জুস
উপকরণ সমূহ
প্রস্তুত প্রণালী
কেটে রাখা তরমুজ, লবণ, চিনি এবং বরফের টুকরো গুলো ব্লেন্ডারের ভিতর দিয়ে দিই। এখন আমাদের তিন থেকে চার মিনিট ব্লেন্ড করতে হবে।
ব্লেন্ড করা হয়ে গেলে একবার চেক করে নিতে হবে যে ভালোভাবে ব্লেন্ড করা হয়েছে কিনা। যেহেতু তরমুজ বিচিসহ ব্লেন্ডারের ভেতর দেয়া হয়েছিল। তাই আমাদেরকে একটি ছাকনি দিয়ে তরমুজের জুস ছেঁকে নিতে হবে।
আজকের মতো এখানে শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
ওয়াও ভাইয়া আপনার তরমুজের জুস দেখতে অনেক সুন্দর হয়েছে। এই গরমে তরমুজের জুস খেতে অনেক ভালো লাগে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর তরমুজের জুস বানিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য
আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ। ঠান্ডা তরমুজের জুস খেতে আসলেই মজা লাগে।
ভাইয়া আপনার তরমুজের জুস অসাধারণ দেখতে হয়েছে । মনে হচ্ছে এখনি খেয়ে নেই। আমাদের রেখে একা একা খাবেন না আমাদের অবশ্যই দাওয়াত দিবেন তরমুজের জুস খাওয়ার জন্য। ঠিকই বলেছেন ভাইয়া সারাদিন রোজা রাখার পর ঠাণ্ডা এক গ্লাস শরবত খেলে আর কোন কিছু দরকার হয় না। ভাইয়া আপনার তরমুজের জুস তৈরির প্রক্রিয়া খুবই সুন্দর ছিল। এত সুন্দর ও মজাদার ঠান্ডা এক গ্লাস জুস আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
চলে আসেন আপু। সবাই মিলে খাবো। সমস্যা নেই।
ভাইয়া জুস টা দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। তবে যদি ইফতারের আগ মুহূর্তে পেতাম তাহলে অনেক ভালো হতো। তবে অসাধারণ ছিল আপনার জুস এবং পরিবেশনের সিস্টেম। সম্পূর্ণ রেস্টুরেন্টের ফর্মুলায় আপনি পরিবেশন করেছেন দারুন ছিল আপনার তরমুজের জুস এর পরিবেশন। এত সুন্দর একটি জুস আমাদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আন্তরিক অভিনন্দন।
আপনি যদি কখনও এই জুসটা বানাতে চান তাহলে সাথে সামান্য লেবুর রস যোগ করে নেবেন। খেতে অনেক বেশি মজা লাগবে।
তরমুজের জুস আমার সবসময় ফেভারিট। চমৎকারভাবে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করেছেন । প্রক্রিয়াটি ফলো করে যে কেউ সহজে ধরা শরবত বানাতে পারবে, এ ধরনের একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
এই জুস বানাতে কোন ঝামেলা নেই। কিন্তু খেতে ভালই সুস্বাদু।
আপনি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারেন না জেনে একটু খারাপ লাগলো তবে ভালো লাগলো আপনার এই ১৫ তম প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা দেখে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে তরমুজের জুস তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। জুস তৈরি করার প্রসেস টা আমার খুবই ভালো লেগেছে।
জুস তৈরির প্রচেষ্টা কিন্তু একেবারেই সহজ। বাসায় একবার তৈরি করে দেখবেন। খেতে খারাপ লাগবে না।
আসলেই ঠিক বলেছেন, শরবত কিংবা জুসে চিনির পরিমাণ এবং লবণের পরিমাণ কমবেশি হলে আর খেতে ভাল লাগেনা। তরমুজের জুস এর আগে আমারও কখনো খাওয়া হয়নি। দেখতে বেশ মজাদার লাগছে।
তবে শুধু তরমুজের জুস না খেয়ে সাথে একটু লেবুর রস মিশিয়ে খেয়ে দেখবেন। বেশি মজা লাগবে।
একদম ঠিক বলেছেন ভাই সারাদিন রোজা থেকে এই গরমে এক গ্লাস ঠাণ্ডা শরবত খেলে শরীর আর মনটা একদম চাঙ্গা হয়ে যায়। তবে আমার নিজের জন্যে খুব আফসোস হচ্ছে মনে হয়না এই প্রতিযোগিতায় এবার অংশগ্রহণ করতে পারব,কারণ এখনো পরীক্ষার কারণে মেসেজ আছি😢। তবে আপনার শরবত বানানোর প্রক্রিয়া টি অনেক ভালো লেগেছে আমার কাছে, আরে এই সময় তরমুজ ও চার দিকে এভেলেবেল একদিন চেষ্টা করে দেখব বাসায় গিয়ে।
আপনার জন্য খারাপ লাগছে। কারণ মেসে থাকার কারণে হয়তো আপনি ঠান্ডা তরমুজ মিস করছেন। সারাদিন রোজা থাকার পর যখন ঠান্ডা তরমুজের জুস এ চুমু দেবেন। তখন আসলেই অনেক ভালো লাগে।
এই গরমে সত্যিই অনেক ঠান্ডা শরবত এর প্রয়োজন। আর সেটা যদি তরমুজের শরবত হয় তাহলে তো কোন কথাই নেই। আপনার মত আমিও কাঁচা আমের শরবত পছন্দ করি। কিন্তু আপনি আজকে তরমুজের শরবত দারুন বানিয়েছেন। নিশ্চয়ই খেলে প্রাণটা জুড়িয়ে যাবে। দেখে তো আমার এখনই এক গ্লাস ঠাণ্ডা শরবত খেতে ইচ্ছে করছিল। আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনাকে আপু। আসলে এই গরমে ভেতরে সারাদিন রোজা থাকার পর এক গ্লাস ঠান্ডা জুস হলে আর কিছু লাগেনা।
তরমুজের জুস রেসিপি দেখে খুবই ভালো লাগলো ভাইয়া। আসলে গরমের সময় তরমুজের জুস খেতে অনেক ভালো লাগে। আপনার তৈরি করা এই জুসের রেসিপি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। আপনি খুব সুন্দর করে রেসিপি তৈরির প্রসেস উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া এবং শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
বাসায় এই জুসটি বানিয়ে দেখবেন। সাথে একটু লেবুর রস যোগ করবেন। তাহলে খেতে আরো ভালো লাগবে।
এই গরমের দিনে এবং রমজান মাসে তরমুজ ফলের নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসছে এবং গলা শুকিয়ে আসছে। তরমুজ ফলটা খেতে যেমন মজা, তেমনি তরমুজের জুস খেতে আরো বেশী সুস্বাদু। আমি প্রায় ইফতারে তরমুজের জুস খাই। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য এবং এত মজাদার একটি ফলের জুস তৈরি পদ্ধতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আম বাজারে আসার আগ পর্যন্ত আমি তরমুজের একনিষ্ঠ ভক্ত। তরমুজ ছাড়া আমার এক দিনও চলে না।