লখনৌ এর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন!
| হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে খেলাধুলা বিষয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করে নেবো। গতকাল লখনৌ এবং গুজরাট এর মধ্যে আইপিএল ম্যাচ ছিল। কালকের খেলাটা যেমন একদম ফুল ব্যাটিং পিচ-এ হয়েছে, তেমনি সবথেকে বড়ো মাঠে খেলা হয়েছে। আমেদাবাদের মাঠে খেলা হয়েছে। গুজরাট পরে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, কারণ মাঠ তো এমনিতেই বড়ো আর যদি 200 রানের মধ্যে আটকে দেওয়া যায়, তাহলে চেজ হয়ে যাবে। কিন্তু এই লখনৌ বর্তমানে অনেক ম্যাচে ভরা ডুবি খেয়েছে, এমনিতেই মোটামুটি খেলেছে ভালো।
তবে শেষ মাথায় পৌঁছাতে পারেনি অর্থাৎ কোয়ালিফাই করতে পারেনি। তবে এই ম্যাচটা অসাধারণ খেলেছে, লখনৌ ব্যাটিং করতে এসে শুরু থেকেই বোলারদের উপর পেসার রেখে দিয়েছিলো। মার্করাম আর মিচেল যেনো শুরু থেকেই ঝড় তুলেছিল, বিশেষ করে মিচেল। এরা বিদেশী হলেও একটা ভালো শক্তিশালী ব্যাটসম্যান পেয়েছে। প্রথম থেকে টানা ৪ জন বিদেশি ব্যাটার। এরা আবার যেমন নিজেদের দেশের হয়ে খেলার সময়ে বিপদজনক, তেমনি এই আইপিএল ম্যাচেও বিপদজনক। কারণ এরা আসলে টাকার বিনিময়ে আইপিএল খেললেও ক্রিকেটটাকে ভালোবেসে খেলে।
মার্করাম আর মিচেল এরা শুধু ৪ আর ৬ এর উপরে থাকে বাউন্ডারি এর দিক থেকে। মার্করাম টানা মেরে আউট হয়ে গেলেও মিচেল যেনো রানে ঘাটতি পড়তেই দেয়নি, একাই যেনো সাফাই করে গিয়েছে। প্রথম থেকেই রান রেট এক লেভেলে রেখে গিয়েছে, ১০-১১ প্রতি ওভারে রান। মিচেল এর সাথে পুরান ভালোই পার্টনারশীপ গঠন করেছিলো। পুরান ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর প্লেয়ার হিসেবে ২০ ওভারের ম্যাচে, বিশেষ করে ডেথ ওভারে মারাত্মক খেলে। বর্তমানে এখন আইপিএল এর ক্ষেত্রে আগেই নামে আর প্রতি ম্যাচেই যেনো একটা আলাদা লেভেলের পারফরম্যান্স।
রান যখন ১৬ ওভারে ২০০ এর একদম নিকটে, তখনই বুঝতে পেরেছিলাম এই রান অধিকতর হলে ২৫০ হবে। কারণ সেই মুহূর্তে আবার পুরান আর মিচেল ছিল। মিচেল তখন সেট ব্যাটসম্যান আর সেঞ্চুরির এর খুব কাছে। এটা সত্যি বলতে মিচেল এর জন্য একটা দুর্দান্ত ম্যাচ ছিল, কারণ এতো বড়ো মাঠে এইরকম খেলা মানে বিশাল ব্যাপার। যদিও এইসব পিচ-এ বা মাঠে তাদের খেলার অভিজ্ঞতা অনেক দিনের। যাইহোক, মিচেল মাত্র ৬৪ বলে দারুণ একটা সেঞ্চুরি করে। এদের সেঞ্চুরি দেখলেও মনে শান্তি লাগে, কারণ বাউন্ডারি মারাত্মক। ৬ আর ৪ যদি ইচ্ছামতো না হয়, তাহলে সেই ম্যাচে মজা পাওয়া যায় না। পুরান আর মিচেল সেই মজাটা দিয়ে গিয়েছে এই ম্যাচে।
মিচেল সেঞ্চুরি করার পরে আউট হয়ে গেলেও পুরান কিন্তু থামেনি । পুরান সেই ডেথ ওভারে অসম্ভব মেরেছে। ২৭ বলে ৫৬ রানের দারুণ ঝড় তুলেছিল। রান ২৫০ না হলেও কাছে চলে গিয়েছিলো। ২৩৫ রানের টার্গেট একটা বিশাল ব্যাপার ছিল। বিশাল পেসার ছিল এই রান চেজ করা। টার্গেট নিয়ে খেলতে গেলে এই ধরণের রানে একটা নির্দিষ্ট টার্গেট থাকা লাগে, একটু এদিক ওদিক হলেই ঘেঁটে গেলো। আর ঠিক এই ম্যাচে প্রথম থেকেই গুজরাটের খারাপ অবস্থা ছিল।
তাও মোটামুটি খেলেছিলো প্রথম ৪ জন। কিন্তু রান ওই ২০-৪০ সর্বোচ্চ সবার। রান যদি এখানে এত কম থাকে, তাহলে শেষ অব্দি টেনে পারা মুশকিল। তবে এই পরিস্থিতিতে আজকে শাহরুখ খান নামের একজন ব্যাটার ভালোই খেলেছে, এর জন্যই মোটামুটি ২০০ এর মত হয়। তাও যাইহোক, না জিততে পারলেও লড়াই ছিল রোমাঞ্চকর। অসাধারন ব্যাটিং ছিল সব ক্ষেত্রে। এখানে অভিজ্ঞতা, টেকনিক, সবকিছুই মোটামুটি অ্যাপ্লাই হয়েছে।
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.