লাইফ স্টাইল:- চাউল ও পালিশের মিল দেখার প্রথম পর্ব।
আমি @tuhin002, আমি আমার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যগনকে আমার পক্ষ থেকে জানায় সালাম," আসসালামু আলাইকুম" সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহুর অশেষ রহমতে ভাল আছি। আপনারা সবাই জানেন আমরা মাছের চাষ করে থাকি।আর এই মাছের খাবারগুলো আমরা সাধারণত কুষ্টিয়া খাজানগর অথবা ঈশ্বরদীতে যাই। সেদিনও গিয়েছিলাম কিন্তু অবশ্য অন্য একটা কাজে কিন্তু অন্য কাজে গেলেও মাছের খাবার কেমন কিভাবে তৈরি হয় এবং এর অবস্থা কেমন বর্তমানে দাম কত এগুলো জানার একটু আগ্রহ নিয়ে মিলের মধ্যে গিয়েছিলাম। সেখানকার কিছু সময় পার করেছে যেটা আপনাদের মাঝে এখন আমি শেয়ার করতে যাচ্ছি। যাইহোক কথা না বাড়িয়ে তাহলে শুরু করা যাক আমার আজকের ব্লগ ...।
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ যারা শহরে বসবাস করে তারা কিন্তু সবাই অটো মিলে চাউল খায়। আমরাও চোখে দেখি অটো মিলে চাউল কিন্তু আসলে চাউল গুলো কোথায় তৈরি হয় কিভাবে তৈরি হয় সেটা কখনো দেখি নাই। সেদিন গিয়েছিলাম ঈশ্বরদীতে আর ঈশ্বর দিতে গিয়ে এই অটো মিলে চাউল দেখার সৌভাগ্য হয়। ৮ আসলে মূলত তার পাশাপাশি সে মাছের খাবারের জন্য যে গুড়াগুলো আমরা কিনে থাকি সেটা দেখা হয়েছিল। যাহোক সেখানে আমরাও আগে পৌঁছায় পৌঁছানোর পরে আমি মিলের মধ্যে প্রবেশ করি। যখন আমি মিলের মধ্যে প্রবেশ করলাম ঠিক সামনেই আমার চোখে পড়ল সেই অটো মিল। আসলে আমি এটা যখন দেখছিলাম না তখন আমার ভাবনা চিন্তাটা ছিল অন্যরকম আমি মনে করতাম যে সাধারণ যে সব মিলে আমরা চাউল তৈরি করতে দেখি সেটা মনে হয় এমনই হবে। আসলে এই মেশিনগুলো যে দেখতে এত বড় এবং এটা যে এমনটা হবে এটা আমি কখনো ভাবি নাই। তবে একটা বিষয় বুঝতে পারলাম যে যত জিনিস বড় হয় তার কার্যক্রম ক্ষমতা যেমন বেশি থাকে সেগুলো করতে কিন্তু বেশি সময় লাগে না।
প্রথমে ভেবেছিলাম মনে হয় এর মেশিন একটাই কিন্তু পরে এক লক্ষ করে দেখলাম যে না পাশে একটা আছে যদিও এটা এর সাথে সংযোজন। তাও রিফাইন করে কিভাবে বের করতে হয় সে প্রসেসিংটা আমি দেখতে পারি নাই কারন আমি যখন সেখানে উপস্থিত হয়েছিলাম তখন চাউল তৈরি করা টা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যদিও মিল দেখতে পেরেছিলাম কিন্তু কিভাবে তৈরি হয় সেটা দেখতে না পারার আফসোসটা থেকেই গেল। আমি ভিতরে প্রবেশ করলাম এবং সবগুলো বেশ ভালোমতো করে দেখলাম। সেখানে অনেক শ্রমিক কাজ করছিল যদিও তাদের ফটোগ্রাফি আমি করতে পারি নাই। না পারো কারণ একটাই ছিল তারা ভিতরে কাজ করছিল যেখানে বেশ অন্ধকার ছিল। তবে কথাই বলেনা কিছু না দেখার থেকেও কিছু দেখা ভালো। তো সেখানে গিয়ে আমি ঠিক সেটাই করেছি যদিও আমি সরাসরি সেটা দেখতে পারিনি কিন্তু তারপরও মিল দেখতে পেরেছি এটাই ভালো লেগেছিল।
সেখানে সেখানকার যে ম্যানেজার ছিল তার সাথে আমার কিছু কথা হল। উনার সাথে আমি কিছু কথা বললাম তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল পালিশের বিষয়টা কারণ যেহেতু আমি পালিশ কিনবো তাই পালিশ এর বিষয়টা তার সাথে আলোচনা করছিলাম। আমি তোকে বলেছিলাম আঙ্কেল বর্তমানে এখন পালিশের দাম কমন এখানে। তিনি বলেছিলেন এখন বর্তমানে আগের চেয়ে দাম বেশ কম হয়েছে যদিও এর দামটা একটু কমতে পারে তারপরও বর্তমানে দাম ছিল ১৪৫০ টাকা। আসলে কিছুদিন আগেও পালিশের দাম ছিল ১৭ থেকে ১৮০০ টাকা। মাছের খাবারের দাম বৃদ্ধি হয়েছে বটে কিন্তু মাছের দাম বাড়ে নাই। আর এই কারনে মাছ চাষিরা বেশ বড় মাপের লসে পড়ে আছে। চাষিরা কোনভাবেই কিন্তু ভালোভাবে মাছ চাষ করতে পারছে না আসলে খাবারের দাম অতিরিক্ত বেড়েই চলেছে। যাক তারপরও আঙ্কেলের কথা শুনে বেশ ভালো লাগলো কারণ তার আগের থেকে ৩ থেকে ৪০০ টাকা কম। ওনার হাতে একটা প্যাকেট দেখতে পারছেন এই প্যাকেটটি হলো ওই পালিশের স্যাম্পল। তিনি আমাকে এই স্যাম্পল টা দেখাল এবং বললেন এটা বেশ ভালো আপনি দেখতে পারেন এবং নিতে পারেন। তিনার সাথে আমি অনেকক্ষণ ধরে কথা বললাম এবং সমস্ত তথ্য গুলো নিলাম।
তিনার সাথে আমার কথা সম্পূর্ণ হওয়ার পরে আমি একটু অন্যদিকে গেলাম। সেখানে ছিল চালের গোডাউন আপনারা দেখতে পারছেন বিশাল ভাবে একটা গোডাউন আর এই গোডাউনের ভিতরে অনেক গুলো চালের বস্তা। এখান থেকে চাউলের বস্তা গুলো বিভিন্ন জায়গায় সাপ্লাই দেওয়া হয়। চাউল গুলো কিন্তু অনেক সুন্দর। যখন আমি কথা বলি সম্বন্ধে বলেছিলাম তিনি বলছিলেন যে এই চাউল গুলো দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই সব এখান থেকে বিক্রি হয়ে যাবে। গিয়েছিলাম পালিশের বস্তা বা বালিশ নেয়ার জন্য কিন্তু সেখানে প্রথমে চাউলের বিষয় নিয়ে পড়ে রইলাম। আসলে কোথাও গেলে কোন নতুন কোন জিনিস দেখলে আগ্রহ জাগে অনেক কিছু জানার। আর আগ্রহ থেকেই কিন্তু আগেই এটা জানার ইচ্ছা ছিল এবং চোখে পড়ল তাই সেটা দেখলাম এবং জানলাম। তবে পরবর্তী পর্বে আমি বালিশের বিষয় নিয়ে আপনাদের সামনে আলোচনা করবো।
| ভুল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় নিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খায়রুল আলম তুহিন। আমার জন্ম ১১ এপ্রিল ১৯৯৫ সালে। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার দুইটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। আর আমি স্টিমেটে জয়েন করেছি (২৭ - ০৬ - ২০২২) সালে। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://x.com/ABashar45/status/1875545782381900108?t=fg8qO7wphVlx3h5xW9aLtQ&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনার পুকুরে মাছের খাবারের জন্য পালিশ এর প্রয়োজন ছিল তাই পালিশ আনতে চলে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে ম্যানেজারের সাথে অনেক সুন্দর ভাবে কথাবার্তা বলেছেন। বর্তমান সময়ে মাছ চাষিরা সত্যিই নাজেহাল অবস্থায় পড়ে যাচ্ছে। খাবারের যে এত পরিমাণ দাম কিন্তু মাছের দাম উঠছে না। ওনার কাছ থেকে আপনি কম দামে পেয়েছেন এটা জেনে ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য।