নাটক রিভিউ :- ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ। ( পর্ব ৮ )
✋হ্যালো বন্ধুরা,✋
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করব। কিছুদিন ধরে আমি " ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ " এই নাটকটি দেখছিলাম । এই নাটকটি মূলত পর্ব আকারে করা হয়েছে। আজকে আমি আপনাদের সামনে এই নাটকের ৮ম পর্ব শেয়ার করব। আশা করি নাটকটি আপনাদের ভালো লাগবে।
নাটক সম্পর্কে কিছু তথ্য :-
| নাম | ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ। |
|---|---|
| পরিচালনা | ঈগল টিম |
| প্রযোজনা | কচি আহমেদ |
| অভিনয়ে | আফজাল সুজন , নুসরাত জাহান অন্তরা , আনোয়ারুল আলম সজল, ইফতেখার ইফতি,স্পর্শিয়া মিম, শেলী আহসান, জাহাঙ্গীর কবির,মোসাদ্দেক শাহীন, লিপু মামা, তুহিন চৌধুরি, সবুজ আহমেদ, রাবিনা, জারা নুর, সুবহা, সাগরিকা ইসলাম মিনহা, সুমন পাটোয়ারী, রেজবিনা মৌসুমী, আকলিমা লিজা, আরো অনেকে। |
| রচনা ও চিত্রনাট্য | সোলায়মান |
| চিত্রগ্রহণ | জহির রায়হান |
| সম্পাদনা | এসে এ সুমন |
| আবহ সংগীত | অংকুর মাহমুদ |
কাহিনী সারসংক্ষেপ
এই পর্বের শুরুতেই আমরা দেখতে পাই, মিনা মনি আর মনির বয়ফ্রেন্ড ছাদে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর তারা জায়গা খুঁজতে থাকে কোথায় মনির বয়ফ্রেন্ড কে লুকাবে। কারণ এখনই ওখানে তার মা আসবে। আর তাকে একটা গাছের পেছনে লুকিয়ে দেয় তারা দুজনে। তখন ওখানে নীলাঞ্জনা চৌধুরী আসে, আর একপর্যায়ে ওদের সাথে কথা বলার সময় ছেলেটাকে দেখে ফেলে। নীলাঞ্জনা চৌধুরী তাকে যেহেতু আগে থেকেই চিনে, তাই জন্য অনেক বেশি রেগে যায় দেখার সাথে সাথে। তারপর মনিকে খুব শীঘ্রই বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। আর তাকে বাসা থেকে তাড়িয়ে দেয়।
ওইদিকে আবার বাসায় ফিরে এসে নীলাঞ্জনা চৌধুরী মিনা এবং দারোয়ানের উপর অনেক বেশি চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে। তারপরে আমরা জেনি আর তার হাজবেন্ড কে দেখতে পাই। জেনির হাসবেন্ড অফিসে যাওয়ার সময় জেনি তাকে যাওয়ার জন্য বারণ করলেও সে চলে যায়। কারণ তাকে যেভাবেই হোক কাজ করতে হবে না, হলে তার বেতন কেটে রাখবে। এরপর আমরা মীনাকে দেখতে পাই নীলাঞ্জনা চৌধুরীর হাজবেন্ডের জন্য চা নিয়ে এসেছে। আর তারা দুজনে যখন কথা বলছিল, ওখানে নীলাঞ্জনা চৌধুরী চলে আসে। আর তাদেরকে বিভিন্ন কথা শোনায়।
এরপর রাইসা আর জেনিকে দেখতে পাই একপাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর ওই ছেলেটার জন্য অপেক্ষা করছে। ছেলেটা যখনই আসে, তখনই উল্টাপাল্টা কথা বলায় যেন থাকে থাপ্পড় দিয়ে ওখান থেকে চলে যায়। ওইদিকে আবার মনি অনেক কান্নাকাটি করতেছে সোহেলের জন্য। তখনই ওখানে মিনা আসে আর তার সাথে কথা বলতে থাকে। কিছুক্ষণ পর যখন নিলাঞ্জনা চৌধুরী আসে, তখন মিনা তাকে এই কথাটা বলে। আর তিনি বিভিন্ন কথা শুনে ওখান থেকে চলে যায়। ওইদিকে আবার রাইসা আর জেনে চলে যায় প্রিন্সিপাল স্যারের কাছে।
যে সম্পর্কে জেনির আপন মামা হয়। আর জেনি তার মামাকে সবকিছু খুলে বলে। এরপর প্রিন্সিপাল স্যার ছেলেটাকে ডেকে নিয়ে এসে সাবধান করে দেয়। তারপরে নীলাঞ্জনা চৌধুরীকে আমরা দেখতে পাই, খাওয়া-দাওয়া টেবিলে না দেখে অনেক চেঁচামেচি করছিল। তারপরে ওখানে মিনা আর উনার বড় ছেলের বউ আসে। ওনার ছেলের বউ ওনাকে বেশ কিছু কথা শোনায়। যেগুলো শুনে তিনি আরো বেশি রেগে যান। জেনি আর রাইসা যখন বাসায় ফিরে তখন তাহলে দুজন অনেক বেশি খুশি থাকে। আর এটা দেখে তাদের মা জিজ্ঞেস করে কারণ। তখন রাইসা তার মাকে সবকিছু খুলে বলে। মনির বয়ফ্রেন্ড সোহেল যখন তাকে কল দেয়, তখন সে অনেক কান্নাকাটি করতে থাকে।
তাদের হাতে আর কোনো কিছুই নেই করার মত। মনির মা ও তাকে খুব শীঘ্রই বিয়ে দিয়ে দিবে। কিন্তু সোহেলেরও কিছু করার নেই কারণ সে এখনো চাকরি পাচ্ছে না। নীলাঞ্জনা চৌধুরীকে যখন উনার হাজবেন্ড খাবার খাওয়ার জন্য ডাকে, তখন তিনি যেতে রাজি হন না। আর তখন ওনার ছেলের বউ এসে ওনাকে রাজি করিয়ে নিয়ে চলে যায়। আর বিকেল বেলায় মেহমান আসবে এটাও বলে ওনার ছেলের বউকে। মনিতে নাকি অনেক বড় ঘর থেকে দেখতে আসবে। তারপরে আমরা বিকেল বেলায় বরপক্ষকে দেখতে পাই ওদের বাড়িতে এসেছে। যখন ওখানে ওনাদের কথা শেষে মনিকে নিয়ে আসা হয়, তখন বরপক্ষের মনিকে অনেক পছন্দ হয়ে যায়। আর ওনারা সরাসরি পছন্দের কথা জানিয়ে দেন। তারপর তারা উনাদের অনুমতি নিয়ে আংটি পড়ানোর কথা বলে। আর তখনই এ পর্ব টা শেষ হয়ে যায়।
ব্যক্তিগত মতামত
এই পর্বে আমরা দেখতে পাই, মনির বয়ফ্রেন্ড সোহেল ধরা পড়ে গিয়েছে নিলাঞ্জনা চৌধুরীর কাছে। আর মনিকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। ইনফ্যাক্ট তাকে দেখতে এসেছে, আর পাত্রপক্ষেরও পছন্দ হয়ে গিয়েছে। যাদের কিনা অনেক টাকা পয়সা রয়েছে। কিন্তু মনি এই বিয়েতে একেবারেই রাজি নেই। সে অনেক কান্নাকাটি করে তাকে দেখতে আসার আগে। আমার তো মনে হয় খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হয়ে যাবে তার। এখন তার যদি বিয়ে হয়ে যায়, তাহলে সে একেবারেই সুখী হতে পারবে না। এখন দেখা যাক মনির সাথে কি হতে চলেছে। আমি চেষ্টা করবো খুব তাড়াতাড়ি পরবর্তী পর্ব সবার মাঝে শেয়ার করার জন্য। আশা করি আপনারা সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকবেন।
ব্যক্তিগত রেটিং
৯/১০
নাটকের লিংক
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।

https://x.com/TASonya5/status/1916346463900340431?t=7o8aDrUZ4jQLP0ShIvNngg&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Congratulations @tasonya, your post was upvoted by @supportive.
https://x.com/TASonya5/status/1916388362312733156?t=8s9oigQDF7yOwZycmm_XTA&s=19
খুবই সুন্দর একটা নাটকের রিভিউ করেছ তুমি। আসলে নাটকের রিভিউ পোস্ট দেখলে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে। যে নাটকটি আমি দেখি নাই সে নাটক দেখার সুযোগ হয়। কারণ সব সময় আপনারা সুন্দর নাটক গুলোর রিভিউ করে থাকেন। চমৎকার একটি নাটকের রিভিউ করার জন্য ধন্যবাদ।
আমি চেষ্টা করবো এই নাটকটির প্রতিটা পর্বের রিভিউ সুন্দর করে শেয়ার করার জন্য।