নাটক রিভিউ :- ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ। ( পর্ব ৬ )
✋হ্যালো বন্ধুরা,✋
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করব। কিছুদিন ধরে আমি " ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ " এই নাটকটি দেখছিলাম । এই নাটকটি মূলত পর্ব আকারে করা হয়েছে। আজকে আমি আপনাদের সামনে এই নাটকের ষষ্ঠ পর্ব শেয়ার করবো। আশা করি নাটকটি আপনাদের ভালো লাগবে।
নাটক সম্পর্কে কিছু তথ্য :-
| নাম | ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ। |
|---|---|
| পরিচালনা | ঈগল টিম |
| প্রযোজনা | কচি আহমেদ |
| অভিনয়ে | আফজাল সুজন , নুসরাত জাহান অন্তরা , আনোয়ারুল আলম সজল, ইফতেখার ইফতি,স্পর্শিয়া মিম, শেলী আহসান, জাহাঙ্গীর কবির,মোসাদ্দেক শাহীন, লিপু মামা, তুহিন চৌধুরি, সবুজ আহমেদ, রাবিনা, জারা নুর, সুবহা, সাগরিকা ইসলাম মিনহা, সুমন পাটোয়ারী, রেজবিনা মৌসুমী, আকলিমা লিজা, আরো অনেকে। |
| রচনা ও চিত্রনাট্য | সোলায়মান |
| চিত্রগ্রহণ | জহির রায়হান |
| সম্পাদনা | এসে এ সুমন |
| আবহ সংগীত | অংকুর মাহমুদ |
কাহিনী সারসংক্ষেপ
এই পর্বের শুরুতেই আমরা দেখতে পাই নীলাঞ্জনা চৌধুরীর গাড়ি রাশেদকে এক্সিডেন্ট করেছে। আর রাশেদ ইট নিয়ে গাড়ির গ্লাস ভাঙার জন্য গেলেও, নীলাঞ্জনা চৌধুরীকে দেখে আর ভাঙ্গে না। আর নীলাঞ্জনা চৌধুরী তাকে টাকা দেওয়ার জন্য বললে সে টাকা নেয় না। তারপর তার সাথে থাকা অন্য লোকটা তাকে নিয়ে হসপিটালে চলে যায়। এরপর আমরা রাশেদকে দেখতে পাই বাড়ি ফিরেছে। আর সবাই মিলে তাকে সবকিছু জিজ্ঞেস করে। এরপর তাকে নিয়ে ঘরে চলে যায়। তারপরে আমরা নীলাঞ্জনা চৌধুরীকে দেখতে পাই, বাসায় ফিরে আসার পর চিৎকার চেঁচামেচি করছে এই বিষয়টা নিয়ে।
এরপর তিনি সবকিছু বলে কিন্তু অ্যাক্সিডেন্টের কথা বলে না। তারপর আমরা মনি মিনা আর কি ছাদের ভাবীকে দেখতে পাই বিয়ে ভাঙ্গার বিষয়টা নিয়ে অনেক কথা বলছে। আর জেনির ননদকে থ্রিপিস দেওয়ার বিষয়ে কথা বলছিল। আর তারা কথা বলার সময় যখন ওখানে নীলাঞ্জনা চৌধুরী আসে, তখন তাদেরকে বিভিন্ন কথা বলে চলে যায়। তারপরে আমরা দেখি জেনি রাশেদকে খাবার খাইয়ে দিচ্ছে। আর খাবার খাওয়ার সময় রাশেদ অ্যাক্সিডেন্টের পুরো কথাটা জেনিকে বলে। গাড়িটা আসলে তার মায়ের ছিল, এটা যখন তাকে বলে তখন সে তো অনেক রেগে যায়।
নীলাঞ্জনা চৌধুরী মিনার উপর অনেক চিৎকার-চেঁচামেচি করছিল তাকে গ্রিন টি দেওয়ার জন্য। তারপর ওখানে উনার হাজবেন্ড আছে আর ওনাদের মধ্যে বেশ কিছু কথা হয়। এরপর মনির বয়ফ্রেন্ডকে দেখা যায় মনিকে কল দিয়ে কথা বলছিল। আর তার ব্যবসার জন্য কিছু টাকা চায়। কিন্তু মনি তাকে বলে দেয় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কিছু একটা করার জন্য, আর তার কাছে কোনো টাকা নেই। সকাল বেলায় জেনি যখন নাস্তা তৈরি করার জন্য যাচ্ছিল, তখন তার শাশুড়ি দুজনে একসাথে করার জন্য বললে সে তার শাশুড়িকে রুমে পাঠিয়ে দেয়।
আর তার ননদ এসে যখন সাহায্য করার কথা বলে, তখন সে তার ননদকেও পাঠিয়ে দেয়। এরপর আমরা জেনির ভাইয়া এবং ভাবিকে দেখি অফিসে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিল, আর তার ভাবি তাকে জিনিসপত্র এনে দিচ্ছিল। তাদের কথোপকথন শেষ হওয়ার পরে আমরা লিমনকে দেখতে পাই মনির কাছে কল দিয়েছে। আর তারা দুজনে যখন কথা বলছিল, তখন মনি তার বিয়ের কথা বলে। যেন তার ভাইয়া তার মাকে বুঝিয়ে বলে বিয়ে এখন না দেওয়ার জন্য। আর তখন তার ভাইয়া রাজি হয়ে যায়, আর তাকে জানায় সে অবশ্যই বলবে।
রাস্তা দিয়ে যখন জেনির ননদ রাইসা কলেজে যাচ্ছিল তখন তার এক মেয়ে ফ্রেন্ড এসে তাকে একটা চিঠি দেয়। আর তখন যে ছেলেটা চিঠি দিয়েছে, সে ছেলেটাও আসে। আর তখন রাইছা ছেলেটাকে বিভিন্ন কথা বলে ওখান থেকে চলে যায়। জেনি আর তার শাশুড়ি যখন গল্প করছিল, তখন ওনার বিয়ের গল্প আবার ওনার রূপচর্চার কথা সবকিছু বলে। অন্যদিকে নীলাঞ্জনা চৌধুরী তার মেয়েকে আবারো ফিরে নিয়ে আসার প্ল্যান করতে থাকে। আর ড্রাইভার কে ফোন দিয়ে বাসার উপরে ডাকে। ড্রাইভার যখন আসে তখন তাকে বলে রাশেদকে কিছু একটা করার জন্য। আর তখনই এই পর্বটা শেষ হয়ে যায়।
ব্যক্তিগত মতামত
আজকের পর্ব টা অনেক সুন্দর হয়েছিল, আর আমার কাছে দেখতেও খুব ভালো লেগেছে। এরপর পর্বে দেখতে পাই নীলাঞ্জনা চৌধুরীর গাড়ি রাশেদকে এক্সিডেন্ট করেছে। প্রথমে রাশেদ যদিও অনেক বেশি রেগে যায়, কিন্তু নীলাঞ্জনা চৌধুরীকে দেখে আর কিছুই বলে না। কারণ যতই হোক এটা তার শাশুড়ি হয়। ওদিকে আবার জেনির ননদ রাইসা কে ছেলেটা অনেক বেশি ডিস্টার্ব করছে প্রতিনিয়ত। যদিও জেনি বলেছিল তার সাথে একদিন যাবে, আর ছেলেটাকে বুঝিয়ে বলবে ডিস্টার্ব না করার জন্য। মনিও বিয়ে করতে চাচ্ছে না, কিন্তু নীলাঞ্জনা চৌধুরী তাকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে আর ছেলে দেখছে। এখন দেখা যাক পরবর্তীতে কি হতে চলেছে। আমি চেষ্টা করবো খুব তাড়াতাড়ি পরবর্তী পর্ব সবার মাঝে শেয়ার করার জন্য। আশা করি আপনারা সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকবেন।
ব্যক্তিগত রেটিং
৯/১০
নাটকের লিংক
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।

https://x.com/TASonya5/status/1912358806698237978?t=R9aCpqsdd1NrHUl-AY_thw&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/TASonya5/status/1912364369788215427?t=4PWR_8saWWKzOJULuUl4CQ&s=19
এত মিনিটের একটা নাটক মাত্র দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই পড়ে নেওয়া যায়। আমি তো মনে করি দেখার থেকে রিভিউ পড়ে নেওয়াই ভালো। তাহলে নাটকের সম্পূর্ণ কাহিনীটা মাত্র ২ মিনিটেই জেনে নেওয়া যায়। বেশি সময় আর অপচয় করা লাগে না দেখে। আমি তো এখন সব সময় চেষ্টা করি নাটকের রিভিউর মাধ্যমেই কাহিনীটা জেনে নেওয়ার জন্য। আর ঠিক তেমনি এখনো চেষ্টা করলাম। ভালো লাগলো এই রিভিউ টা।
এই নাটকের কাহিনীটা অনেক সুন্দর।
https://x.com/TASonya5/status/1912475397629034735?t=PZXSLtOJJxidPgBjv6w7Ew&s=19
https://x.com/TASonya5/status/1912475397629034735?t=PZXSLtOJJxidPgBjv6w7Ew&s=19
https://x.com/TASonya5/status/1912476384645235069?t=1QwytluUKD5jvHRyfmmv-w&s=19
ফ্যামিলি প্রিমিয়ার লিগ নাটকের আজকের পর্ব দেখে খুব ভালো লাগলো। আপনার পোস্টের মাধ্যমে আরো কয়েকটি পর্ব দেখেছি । এই নাটকটি খুবই সুন্দর। ধন্যবাদ আপনাকে এতো সুন্দর নাটক রিভিউ করার জন্য।
নাটকটা এই পর্বের রিভিউ শেয়ার করতে পেরে ভালো লেগেছে।