Elegend ক্যাফেতে একদিন
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। কিছুদিন আগে আপনাদের সঙ্গে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ভিতরে মেলার আয়োজন করেছিল সেই ঘোরাঘুরি শেয়ার করেছিলাম। সেদিন বলেছিলাম যে মেলা থেকে বের হয়ে নিচে চলে আসবো তখন হঠাৎ করে রুফ টপ এ একটি রেস্টুরেন্ট চোখে পড়ে গেল। হাসবেন্ড আবার দেখার জন্য চলে গেল সেখানে কি আছে। ভিতরে ঢুকে মেন্যু দেখছিলাম। ঢুকে যেহেতু পড়েছি খাবার তো খেয়ে যেতেই হবে। মেন্যু দেখে চলে আসাটা কেমন দেখায় না। তাছাড়া বাচ্চারা কি মানবে শুধু রেস্টুরেন্ট ঘুরে চলে আসলে। রেস্টুরেন্টটি দেখে খুব ভালো লেগেছিল। খুব সাজানো গোছানো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। ডেকোরেশন খুব চমৎকার করেছে। নিরিবিলি পরিবেশ খুব একটা ভিড়ও ছিল না। হালকা আলোতে পরিবেশটা যেন আরো জমে উঠেছিল।
রেস্টুরেন্টের সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে আমার কাছে ডেকোরেশন। সামনের দিকে এরকম একটি ফোয়ারা ছিল। যার ভেতর দিয়ে পানির সাথে সাথে কালারও চেঞ্জ হচ্ছিলো। বাচ্চারা শুরুতে গিয়ে সেখানে বেশ কিছুক্ষণ এগুলো দেখছিল। তাছাড়া লোকজন কম থাকার কারণে বাচ্চারা রেস্টুরেন্টের ভিতর ঘুরে ঘুরে সবকিছু দেখছিল। ওরা খুব মজা পাচ্ছিলো। এই ফাঁকে আমি আমার হাসবেন্ড মেন্যু দেখে খাবার অর্ডার দিলাম। যেহেতু আমরা বিকালবেলা গিয়েছিলাম তাই খুব ভারী খাবার খাওয়ার ইচ্ছা ছিল না। মোটামুটি খাবার অর্ডার করেছিলাম।
এক কর্নারে আবার সুন্দর একটি দোলনা ছিল। ছেলেরা দোলনায় গিয়ে বসে অনেকক্ষণ মজা করেছে। আমরা খাবার অর্ডার দেয়ার পরে খাবার আসতে আসতে প্রায় ৪০-৫০ মিনিট লেগে গিয়েছে। সবকিছুই ভালো ছিল কিন্তু খাবার অর্ডার দেওয়ার পর এত সময় লেগেছে দেখে খুবই বিরক্ত লাগছিল। এমনি সময় ২০-২৫ মিনিটে খাবার চলে আসে। সেখান ৪০-৪৫ মিনিট বসে থাকা আসলেই বিরক্তিকর।
আমরা দুটি থাই স্যুপ, ক্যাশুনাট সালাত এবং অন্থন অর্ডার দিয়েছিলাম। তারা শুরুতে উল্টাপাল্টা করে ফেলেছে। আগে স্যুপ এবং সালাত দিয়েছে। পরে অন্থন দিয়েছে। তাদের নাকি লোকের সল্পতা এজন্য তাদের এরকম ওলট-পালট অবস্থা। খাবার মোটামুটি ভালোই ছিল। কিন্তু খাবার দেরিতে আসার কারনে বাচ্চাটা খুব বিরক্ত হয়ে গিয়েছিল।
ভেবেছিলাম অল্প খাবার অর্ডার দিবো। সেই ভেবেই অর্ডার দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরে দেখলাম যে খাবারের পরিমাণ অনেক বেশি হয়ে গিয়েছিল। খেয়ে শেষ করতে পারছিলাম না এত খাবার। তারপর শেষে তো শেষ না করেই চলে এসেছি।
এই ছিল আমার আজকের আয়োজন। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | I Phone 15 Pro Max |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি অর্থনীতিতে অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা,আর্ট করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে এবং ব্লগিং করতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.