অতিরিক্ত পুষ্টি গুনাগুন সম্পূর্ণ কুলেখাড়া শাকের সুকতো রেসিপি - 10% beneficiary to @shy-fox
ভূমিকা :
আমাদের মানব দেহ সুস্থ রাখতে শাক পাতার ভূমিকা অসামান্য। টাটকা শাক পাতায় এতো পরিমান ভিটামিন আয়রণ রয়েছে যা আমাদের দেহে রোগের সাথে লড়াই করার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। শাক পাতার উপকারিতা এতো পরিমাণে রয়েছে সেটা বলা বাহুল্য। আপনারা সবাই জানেন। নতুন করে কিছু বলার নেই। কুলেখাড়া হলো এমন একটি শাক যে শাক পাতার গুণের সীমারেখা পরিমাপ করা যাবে না। কুলেখাড়া শাক পাতা ভীষণ উপকারী ও পুষ্টিগুণ সম্মত শাক।
■কুলেখাড়া শাক সংগ্রহ
●কুলেখাড়া শাক অতি সহজেই মাঠ ঘাট থেকে সংগ্রহ করা যায়। এগুলি মাঠে ঘাটে খালে বিলে হয়ে থাকে। আমি কাউকে কুলেখাড়া চাষ করতে দেখি নি। তবে কেউ যদি কুলেখাড়া শাক বাড়িতে রোপন করে তাহলে প্রচুর পরিমানে হয়ে থাকে। আমরা বিল থেকে কুলেখাড়া শাক সংগ্রহ করে বাড়ির পুকুরের কিনারায় রোপন করি। প্রচুর পরিমাণে হয়ে থাকে। আপনারা সহজেই এই শাক সংগ্ৰহ করতে পারবেন। বিশেষ করে গ্রামের মানুষ যখন তখনই পারবেন।
■উপকরণ
কুলেখাড়া শাক পাতা 250 গ্রাম
আলু 200 গ্রাম
ভাজি চিংড়ি 150 গ্রাম
হলুদ 1/2 টেবিল চামচ
লবন 1 টেবিল চামচ
জিরে 2 গ্রাম
পেঁয়াজ 1টি
রসুন 1 টি
সরিষার তেল 50 গ্রাম
প্রয়োজনমত জল
ধাপ 1
প্রথমে কুলেখাড়া শাক আমি ভালোভাবে বেছে নেয়। তারপর পরিস্কার জল দিয়ে কুলেখাড়া শাক ভালোভাবে ধুয়ে নেবো।
ধাপ 2
আলু গুলো ভালোভাবে কেটে নেবো।
আমি পেঁয়াজ ,রসুনের খোসা ফেলে কুঁচি কুচি করে সেগুলো কেটে নেবো।
ধাপ 3
এবার ওভেনের উপর কড়াই রেখে সরিষার তেল দেব। কিছু সময় সরিষার তেল গরম হওয়ার পর পেঁয়াজ এবং রসুন দেবো।
ধাপ 4
পেঁয়াজ এবং রসুন ভাজার পর আলু দেবো। তারপর আলু কিছু সময় একটু ভেজে নেবার পর আমি কুলেখাড়া শাক কড়াই এর মধ্যে দেবো। তারপর এক এক করে হলুদ ,লবন মিশিয়ে দেবো।
ধাপ 5
12-13 মিনিট কুলেখাড়া শাক সেদ্ধ করার পর ভাজি চিংড়ি মাছ মিশিয়ে দেবো।তারপর 6-7 মিনিট কুলেখাড়া শাক ও আলু সেদ্ধ করার পর কড়াই থেকে তুলে নেবো। এভাবেই আমি খুলেখাড়া শাকের সুকতো করেছিলাম। আপনারা চেষ্টা করবেন।
উপসংহার :
কুলেখাড়া শাক ভীষণ পরিচিত ও বাঙালির জনপ্রিয় শাক পাতার মধ্যে অন্যতম। কুলেখাড়া শাকের সুকতো রেসিপি খুবই পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। আপনারা বাড়িতে কুলেখাড়া শাকের সুকতো রেসিপি বানাবেন।
কুলেখাড়া শাকের উপকারিতা
●আমাদের দেহের রক্ত বৃদ্ধি কুলেখাড়া শাকের অবদান অপরিসীম। তাই যাদের রক্ত স্বল্পতা আছে তাদের বেশি বেশি করে কুলেখাড়া শাক খাওয়া উচিত।
●আমাদের পেটে আমাশয় দেখা দিলে কুলেখাড়া শাকের রস বেটে খেলে ভীষণ উপকারী। ঘুম ভালো করতেও আর ভূমিকা অনেক ।
●আমাদের দেহ কে বাঁচাতে কিডনির ভূমিকা যে কেমন সেটা সকলেই অবগত। কিডনি রোগের সমস্যা সমাধানের এই শাক বেশি বেশি খাবেন।
●আমাদের দেহের হাড়ের ব্যথা দূর করে এমনকি পেটের রোগ নিরাময়ের সাথে সাথেই আমাদের ভিটামিন এ ও আয়রণ এর অভাব দূর করে। এই শাকে এই উপাদান গুলি প্রচুর রয়েছে। তাই বলবো দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কুলেখাড়া শাক খান বেশি করে।
●কুলেখাড়া শাক নানাবিধ রোগের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে। যারা অল্পতে রেখে যান। রাগ কমাতে ও মাথা ঠান্ডা রাখতে কুলেখাড়া গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে বললে অত্যুক্তি করা হবে না।
@simaroy এর আসল পরিচয়
@simaroy এর স্টিমিট কমিউনিটিতে স্টিমিট নাম প্রথমে আমার মায়ের নাম অনুসারে আমি আমার ইউজার নাম দেয়। সেই জন্য আমার স্টিমিট একোউন্ট নাম @simaroy
| ডিভাইস | রেডমি নোট 10 প্র ম্যাক্স Mi A1 |
|---|
| লোকেশন | খাড়গ্রাম |
|---|
| ফটোগ্রাফার | @simaroy |
|---|
| রেসিপি ম্যাকার | @simaroy |
|---|
| ক্যাটাগরি | কুলেখাড়া রেসিপি |
|---|
■আমার পরিচয়■
নাম -সিদ্ধার্থ রায়
পেশা -পড়াশুনা ( বর্তমানে যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে MA পাঠ্যরত ছাত্র)
গ্রাম -খাড়গ্রাম পালসিট
থানা -মেমারী
জেলা -বর্ধমান
রাজ্য- পশ্চিম বঙ্গ
দেশ -ইন্ডিয়া
নাগরিক - ভারতীয়
| রেগার্ডস | @simaroy |
|---|
শাক দিয়ে চিংড়ি মাছ রান্নার একটি অসাধারণ রেসিপি। আর এই শাক সম্ভবত আমাদের অঞ্চলে মলচা নামে পরিচিত। যদিও আমি নিশ্চিত নই। ধন্যবাদ
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। শুভেচ্ছা অবিরাম
আমি সত্যিই আপনার পোস্ট পড়তে পছন্দ করি, আমি রেসিপি সহ আপনার পোস্টগুলিতে বিভিন্ন ধরণের জ্ঞান পাই।
ভাগ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ
আমি আপনার ফটোগ্রাফির ফ্যান বন্ধু। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
এই শাক আমি কখনো খাইনি।তবে দেখে মনে হচ্ছে খুব সুন্দর হয়েছে। আপনার রেসিপি বরাবরের মতো সুন্দর হঢয় ধন্যবাদ আপনাকে
ভাইয়া হাতের কাছে পেলে খেয়ে দেখবেন। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। শুভেচ্ছা অবিরাম
কুলেখাড়া শাক কখনো খাওয়া হয়নি।তবে রেসিপির বর্ণনা ও ছবিগুলো খুব সুন্দর ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সুন্দর রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ভীষণ পুষ্টিকর শাক। খেতেও সুস্বাদু ।খেয়ে দেখবেন ভাই। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ভাই
দাদা আমাদের এখানে এই শাাকগুলোকে এংসির শাক বলে চেনে বেশি।খুবই পুষ্টিকর শাক এগুলো।আর খেতেও অনেক মজা।আপনার রেসিপিটা সুন্দর হয়েছে দাদা
সুযোগ পেলে টেস্ট করে দেখবেন। ভীষণ স্বাদের শাক এটি। খুবই উপকারী। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
অনেক সুন্দর রেসিপি দিয়েছেন ভাইয়া। আমি কখনো এই শাক খাই নি আর এই শাকের উপকারিতা সম্পর্কে জানতাম ও না। আপনার পোষ্টের মাধ্যমে আমি অনেক তথ্য জানতে পারলাম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাইয়া হাতের কাছে পেলে খেয়ে দেখবেন। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। শুভেচ্ছা অবিরাম
খুব সুন্দর একটি রেসিপি।আপনি যে শাক কে কুলখোরা বলছেন সেটাকে আমি হেলেঞ্চা শাক বলে জানি।
এটা ভর্তা এবং ভাজি করে খেতে আমার কাছে বেশ মজার লাগে।কখনো এভাবে রান্না করে খাওয়া হয় নি।ট্রাই করে দেখতে হবে একবার।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া এটা হেলেঞ্চা শাক নয়। হেলেঞ্চা শাকের ডাটা গুলোর মধ্যে ফাঁপা হয়। হেলেঞ্চা শাক টি একটু তেতো ধরণের লাগে। কিন্তু কুলেখাড়া আলাদা ধরণের শাক। এটির গায়ে কাঁটা ও হয়ে থাকে। তেমন কোনোই তেতো স্বাদ লাগে না। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ ভাইয়া।
এই শুকতোর নাম অনেক শুনেছি ভারতীয় বাংলা মুভিতে। আজ আপনার পোস্টে প্রথমবার দেখলাম। খুবই সুন্দর লাগছে দেখতে। এবং বোঝাই যাচ্ছে অসাধারণ একটা রেসিপি। খুব সুন্দর তৈরি করেছেন শুকতো টা। আপনার জন্য শুভকামনা।।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। একদম ঠিক বলেছেন। ভারতীয় মুভিতে কুলেখাড়া নাম অনেক মুভিতেই তুলে ধরা হয়েছে। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
হুম ধন্যবাদ 🙂🙂
স্বাগতম ভাই
Congratulations, your post has been upvoted by @dsc-r2cornell, which is the curating account for @R2cornell's Discord Community.
কখনো টেস্ট করে দেখিনি।তবে দেখে মনে হচ্ছে খুব সুন্দর হয়েছে।ইনশাল্লাহ একদিন চেখে দেখবো।
শুভ কামনা রইলো ❤️
সুযোগ পেলে টেস্ট করে দেখবেন। ভীষণ স্বাদের শাক এটি। খুবই উপকারী। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।