গোপন রহস্য
যদিও তিন বছরের অধিক সময় থেকেই এই দায়িত্ব পালন করছি, তবে সাধারণ হ্যাংআউটে যতটা না প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হয় , তারথেকেও কয়েক গুণ বেশি সতর্ক-সচেতন এবং অধিক পরিমাণ মানসিক প্রস্তুতি এবং স্থিরতা নিয়ে রাখতে হয় স্পেশাল হ্যাংআউটে।
যেহেতু অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি এবং লাইভ হয়, তাই এখানে মিসটেকের কোন সুযোগ রাখা যাবে না। তাছাড়াও ক্রমাগত রেকর্ড হয় কেননা পরবর্তীতে তা অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়। যদিও আগে থেকেই সবকিছু সেগমেন্ট অনুযায়ী গোছানো থাকে,তারপরেও লাইভ অনুষ্ঠানে সতর্কতার শেষ নেই।
যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা এবং পরিবেশ বুঝে প্রতিটা বিষয় আবার সাবলীল ভাবে উপস্থাপন করে পুরো প্রোগ্রামকে প্রাণবন্ত করাই এখানে মুখ্য বিষয়। তাছাড়া যারা লাইভ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকে, তাদের মতামত গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ , সেদিকেও নজর দেওয়া ভীষণ জরুরী।
এমনিতেই আমি প্রচুর ভুল করি, আমি মনেকরি প্রতিনিয়তই আমি শিখছি। এই যে দেখুন না, গতকাল অনুষ্ঠানের পূর্ববর্তী সময় থেকে নিজেকে ভীষণ মানসিকভাবে স্থির করে রেখেছিলাম, কারণ আমার একটাই লক্ষ্য ছিল পুরো অনুষ্ঠানটা যেন ঠিকঠাক মতো শেষ করতে পারি ।
বিকালের পর থেকেই গতকাল বাহিরে যাইনি, সোজা বই নিয়ে বসে গিয়েছিলাম ল্যাপটপের সামনে, একমাত্র বই পড়লেই আমি নিজেকে মানসিকভাবে স্থির করতে পারি। মাঝে মাঝেই ল্যাপটপের স্ক্রিনে চোখ রাখছিলাম আর মূল সময়ের জন্য অপেক্ষা করছিলাম।
এটাই আমার নিজেকে স্থির রাখার গোপন রহস্য, যত রকম স্পেশাল হ্যাংআউট কিংবা গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানই হোক না কেন , সেখানে যুক্ত হওয়ার আগে চুপচাপ খানিকটা সময় বই পড়ে নেই, তাহলে মুহূর্তেই মেজাজ আমার শীতল হয়ে যায় এবং শীতল মেজাজে ঠিকঠাক কাজ ডেলিভারি দেওয়ার চেষ্টা করি।
এভাবেই চলছে কাজকর্ম গুলো।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ঠিকই বলেছেন যে কোন অনুষ্ঠান পরিচালনা করার জন্য নিজেকে অনেক বেশি স্থির রাখতে হয়৷ আর আপনি তো বেশ ভালোই করেন। আমরা উপভোগও করি৷ আজ আবার শুনব।
উৎসাহ পেলাম।
ভাই গোপন রহস্য তাহলে ফাঁস করে দিলেন হা হা হা। আপনার উপস্থাপনা বরাবরই দারুণ হয়। সেটা সাপ্তাহিক হ্যাংআউট হোক,স্পেশাল হ্যাংআউট হোক কিংবা রবিবারের আড্ডাতেই হোক না কেনো। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
দু'দিন বেশ মানসিক চাপে ছিলাম ভাই, ঠিকঠাক মতো করতে পেরেছি কিনা জানিনা।
বই মানুষের মনে আনন্দ দেয়। বই এমন এক জিনিস নিজে নিজে কথা বলা যায় বইয়ের সাথে। অন্য কিছু করলে যতটুকু শান্তি পাওয়া যায় না বই পড়লে তার থেকে দ্বিগণ শান্তি পাওয়া যায়। অনেক সুন্দর একটি রহস্য শেয়ার করলেন আপনি। অনেক ভালো লেগেছে আপনার বিস্তারিত লেখাটি পড়ে।
আমি বই পড়লে একদম স্থির হয়ে যাই, নিজেকে অন্য ভুবনে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়ে যায়।
গোপন রহস্য জানতে পোস্ট পড়ার জন্য ঢুকে পরলাম।আসলে মানুষের কৌতূহলের কোন শেষ নেই।আর তা যদি হয় গোপন। তবে তো কৌতুহলের মাত্রাটা একটু বেশী ই হয়ে থাকে।আপনার স্থিরতা কিভাবে সম্ভব তা জানতে পারলাম।সত্যি ই কোন কিছু নিয়ে অস্থিরতা কাজের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।তাই সবার আগে নিজের মনকে স্থির রাখাটা ভীষণ জরুরী।
যাক, একটি সমস্যার সমাধান পাওয়া গেল। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কি করে নিজেকে শান্ত রাখতে হয় তার একটি উপায় আজ পেয়ে গেলাম। দারুন করে নিজের অনুভূতিগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
সাধারণ হ্যাংআউট আপনি নিয়মিত করে থাকেন এইজন্যই খুব একটা অসুবিধা হয় না। কিন্তু স্পেশাল হ্যাংআউট বছরে হয় কয়েকটা। এইজন্যই এখানে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশ বেশি। আমি নিজেও বই পড়লে নিজেকে অনেক টা শান্ত স্থির করতে পারি।
হ্যাংআউট মানেই আনন্দ বিনোদনে ভরপুর একটি অনুষ্ঠান।আর এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ হলো আপার সুন্দর ও সাবলীল ভাষা এবং উপস্থাপনা।যার কারণে অনুষ্ঠান টি আরও বেশি মনোমুগ্ধকর হয়ে উঠে।আমাদের কাছে এটি একটি আনন্দের বিষয় কিন্তু আপনার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও সেনসেটিভ বিষয় তাই কোনোভাবেই ভুল করা যাবে না আর তাই তো আপনাকে অনেক সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।এখন পর্যন্ত আপনার প্রতিটি অনুষ্ঠান খুব ভালোভাবে সবাই উপভোগ করি আশাকরি আগামীতেও তাই হবে।শুভকামনা নিরন্তর।