মরা করতোয়া
সেদিন আসলে রোজা থেকে বিকেলের দিকে স্থানীয় করতোয়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলাম। মূলত বিকালের দিকে সময় কাটছিল না, এজন্যই সেখানে যাওয়া। তবে যাওয়ার পরে নদীর অবস্থা দেখে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে , তাতে আসলে হতাশা ছাড়া আর কিছুই মনে উদয় হয়নি।
এমনিতেই পরিবেশ প্রকৃতির অবস্থা দিন দিন বড্ড নাজুক হয়ে যাচ্ছে, সেটা আপনারা সকলেই জানেন। তারপরেও সশরীরে গিয়ে যখন নদীর এই অবস্থা দেখা যায়, তখন আসলে মনে এমনিতেই হতাশার ছাপ পড়ে যায় ।
এমনিতেই দেশে নদী শাসন ঠিকঠাক নেই, যার কারণে নদী হারিয়েছে তার নিজস্ব রূপ। এত কিছুর মাঝেও যখন প্রতিনিয়ত আবার বালু খেকোরা নদীর মধ্য থেকে বালু উত্তোলন করেছে, তখন নদীর এই অবস্থা হয়েছে। দুই পাড় ভেঙ্গে শেষ, সবকিছু গিলে খেয়েছ বালু ব্যবসায়ীরা।এদের কাছে আসলে, প্রকৃতি ধ্বংস হলেই কি বা পরিবেশ নষ্ট হলেই কি , এরা শুধু টাকা বোঝে এর বাইরে আর কিছুই না।
সত্যি বলতে গেলে কি, এভাবে চলতে থাকলে সামনে নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষজনের জন্য বড্ড ভয়াবহ কিছু অপেক্ষা করছে। সাধারণ মানুষজন এসব জানে বোঝে, তারপরেও সবাই ভয়ের কারণে মুখ খুলতে পারেনা।
তাছাড়া সাধারণ জনগণ প্রতিনিয়তই জিম্মি অবস্থায় থাকে এই সকল অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের কাছে। ব্যাপারগুলো বেশ ভাবিয়েছে আমাকে, তাই খোলা মনেই লিখে ফেললাম বিষয়টা।
আর একটা কথা বলছি, এই সকল কাজের সঙ্গে যারা লিপ্ত হয়ে আছে, তারাই দেখবেন আবার সমাজের বিভিন্ন স্তরের তথাকথিত উচ্চপদস্থ মানুষ। এরা টাকা দিয়ে সবকিছুই ম্যানেজ করে রাখে আর পরিবেশ প্রকৃতির উপর প্রতিনিয়ত নির্যাতন করে ।
এদের যে আসলে কবে সুবুদ্ধি উদয় হবে, সেটা নিয়েই এখন ভাবছি।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা সারাদেশের প্রায় সব নদীর অবস্থার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। তারা আসলে টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না। তারা মোটা অংকের টাকা খাইয়ে, প্রশাসনের মুখ বন্ধ করে রাখে। এদের আসলে কখনোই সুবুদ্ধির উদয় হবে না ভাই। কারণ তারা হচ্ছে প্রচন্ড লোভী প্রকৃতির মানুষ। সুতরাং নিজেদের স্বার্থ ছাড়া তারা কিছুই বুঝতে চায় না। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রকৃতির প্রতিশোধ বড় ভয়ংকর প্রতিশোধ, এরা এটা মানতে নারাজ। আসলেই ব্যাপারটা বেশ দুঃখজনক।