" সেদিন ছিল পরিবারের সবচেয়ে ছোট বোনের বিয়ে "🥰
হ্যালো বন্ধুরা,
মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভাল আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে বেশ ভাল আছি।
আমি @shimulakter,"আমার বাংলা ব্লগ"এর আমি একজন নিয়মিত ইউজার।আমি ঢাকা থেকে আপনাদের মাঝে যুক্ত আছি।আমি প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয় নিয়ে ব্লগ শেয়ার করে থাকি।আমি বিশ্বাস করি আমার ব্লগ আপনাদের কাছে ভালো লাগে।আমি আমার প্রতিদিনের নানা রকম কর্মকান্ড থেকে কিছু কিছু বিষয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করে থাকি।আজ ও এসেছি এমন একটি বিষয় আপনাদের মাঝে তুলে ধরতে।আশাকরি সঙ্গেই থাকবেন।
সেদিন ছিল পরিবারের সবচেয়ে ছোট বোনের বিয়েঃ
বন্ধুরা,আজ আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি ব্লগ নিয়ে।আজকের ব্লগের টাইটেল পড়ে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন আজ কি বিষয় নিয়ে পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে এসেছি।হে,বন্ধুরা আজ আমাদের পরিবারের সবচেয়ে ছোট মেয়েটি অর্থাৎ আমার ছোট বোনটির বিয়ে বিষয়ে পোস্ট শেয়ার করবো।এইতো সেদিন ৯ তারিখে আমার ছোট চাচার ছোট মেয়ের গায়ে হলুদ ছিল।সেদিন সবাই খুব আনন্দঘন মূহুর্ত কাটিয়েছিলাম।আমার এই ছোট বোনটি লেখাপড়া শেষ করে জব করছে।আমার বোনের নাম অধরা।অধরা একজন এয়ার হোস্টেজ।আর ওর হাসবেন্ড ও জব করেন।
১০ তারিখ সন্ধ্যায় ছিল মেহেদি সন্ধ্যা।আমরা সেদিন ও গিয়েছিলাম চাচার বাসায়।এই বিয়ের অনুষ্ঠান পাঁচদিনব্যাপী হয়েছিল।আমরা প্রতিদিন চাচার বাসায় গেলে ও রাতে বাবার বাসায় চলে এসেছিলাম।পুরনো ঢাকাতেই আমার ফুপু, চাচারা সবাই থাকেন।চাচা যদিও বার বার বলেছিলেন তাদের বাসায় থাকার জন্য। কিন্তু আমরা থাকতে পারব না বলেছিলাম।কারন আমার আর আমার বোনের ছেলে এতো লোকজনের ঝামেলা সহ্য করতে পারেনা।আমরা তাই প্রতিদিন ই একবার করে দেখা দিয়ে এসেছিলাম চাচার বাসায়।
বোনের বিয়ে ছিল ১১ তারিখে।বিয়ে হয়েছিল কমিউনিটি সেন্টারে।গায়ে হলুদ ও হয়েছিল সেন্টারে।আমরা সেদিন ১ টার মধ্যে কমিউনিটি সেন্টারে চলে গিয়েছিলাম।সব আত্মীয়-স্বজন চলে এসেছিল।সবার সাথে অনেকদিন পর দেখা হওয়াতে বেশ ভালো লাগছিলো।সবার সাথে কথা বলতে বলতে বেশকিছু ফটোগ্রাফি করে নিয়েছিলাম।আমার ছেলে আর বোনের ছেলের ফটোগ্রাফি ও করে নিয়েছিলাম।আমাদের ছোট বোনটিকে মাশাল্লাহ খুব সুন্দর লাগছিলো বিয়ের সাজে।এতো বেশী গেস্ট ছিল যে ফটোগ্রাফি করবো বোনের সেই পরিস্থিতি হচ্ছিল ই না।
এরপর আমরা খাবার খেতে বসে গিয়েছিলাম।সবাই খাওয়া-দাওয়া শেষ করে নিয়েছিলাম।এরপর আবার গল্প আর গল্প।খেতে বসে খাবারের ফটোগ্রাফি আর করা হয়ে উঠেনি।বোনটির শ্বশুরবাড়ি আমার বাসার পাশেই ধানমন্ডিতে।এরপর বোনকে বিদায়ের সময় হয়ে এলো।কান্না ভেজা চোখে বোনটিকে বিদায় দিতে হলো।পৃথিবীর নিয়ম এটাই মেয়ে হলে শ্বশুরবাড়ি যেতে হবেই।ছেলেরা মা-বাবার সঙ্গে সারাটি জীবন কাটাতে পারে।কিন্তু মেয়েরা তা পারে না।
বোনটিকে সবাই কান্না ভেজা চোখে বিদায় দিয়েছিলাম সেদিন।কাল সন্ধ্যায় ছিল বৌভাত।সবাই মিলে বৌভাতে কাল রাতে গিয়ে বোনকে বাসায় নিয়ে এসেছিলাম।এরপর আমি আমার বাসায় চলে আসি।এভাবেহ পরিবারের সবচেয়ে ছোট বোনটির বিয়ে সম্পন্ন হয়ে গেলো।আপনাদের মাঝে অনুভূতি গুলো শেয়ার করে নিলাম। সবাই আমার বোনের জন্য দোয়া করবেন আশাকরি। সুখ ও শান্তিতে ভরে উঠুক ওর জীবন।
আমার মনের অনুভূতি গুলো আপনাদের মাঝে নিজের মতো করে শেয়ার করে নিলাম।আশাকরি আপনাদের সকলের কাছে আমার অনুভূতি গুলো ভালো লেগেছে।সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ ও সুন্দর থাকবেন।আজ এখানেই শেষ করছি।
ধন্যবাদ সবাইকে
পোস্ট বিবরন
| শ্রেনি | লাইফ স্টাইল |
|---|---|
| প্রয়োজনীয় ডিভাইস | Samsung A 20 |
| ফটোগ্রাফার | @shimulakter |
| স্থান | পুরনো ঢাকা |
আমার পরিচয়
আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।আমি এম এস সি(জিওগ্রাফি) কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি স্বাধীনচেতা একজন মানুষ।ভালোবাসি বই পড়তে,নানা রকমের রান্না করতে,ফটোগ্রাফি করতেও আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বাহ অনেক সুন্দর বিয়ের আয়োজন। একদম পুরা পাঁচ দিনব্যাপী আয়োজন বেশি বিশাল ব্যাপার। তবে ভালো লাগলো যে আপনাদের নিকটে ধানমন্ডিতে তা শশুরের বাসা। বিস্তারিত সুন্দরভাবে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
বিয়ে মানে আনন্দ বিয়ে মানে অন্যরকম একটা আয়োজন। বিয়ে মানে মানুষের নতুন জীবনে পদার্পণ। আপনার বোনের বিয়েতে সব অ্যারেঞ্জমেন্ট দেখেই বোঝা যাচ্ছে বেশ ভালো একটা বিয়েতে সকলে মিলে সুন্দর সময় পার করেছেন। কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের কার্যক্রম করেছেন দেখে বেশ ভালো লাগলো সবকিছু মিলে খুবই দারুণ লাগলো ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
মতামত প্রকাশ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাই।
আপু আপনার ছোট চাচার মেয়ের বিয়েতে দারুণ মুহূর্ত বিবাহিত করেছেন। বর কনে কে দেখতে দারুন লাগছে। তাদের দাম্পত্য জীবনে অনেক সুখের হোক শুভকামনা রইল। আপনার অনুভূতিগুলো পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
অনেক ধন্যবাদ আপু মন্তব্য শেয়ার করার জন্য। আপু ভুল বশত বানান ভুল হয়েছে।আশাকরি দেখবেন।
X-promotion
বিয়ে হাজার আনন্দের অনুষ্ঠান হলেও বিদায় বেলায় খুবই কান্না আসে। সবারই৷ অধরার আগামী জীবনের জন্য শুভকামনা জানাই। আশাকরি জব ও সংসার দুই সুন্দর ভাবে সামলে উঠতে পারবে। এয়ারহোস্টেজের জব মানেই ভীষণ ইন্টারেস্টিং৷ অধরাকে খুব সুন্দর দেখতে এবং কনে সাজে আরও সুন্দর লাগছে। একদম রাজকুমারী৷ লেহেঙ্গাটা খুবই গরজাস৷ ভালো মানিয়েছে।
অনেক ধন্যবাদ দিদি।
প্রথমেই আপনার বোনের নতুন জীবন সূচনার জন্য দোয়া করছি। তারা সুখে শান্তিতে সংসার করুক এই কামনা করি। ছবিতে মনে হয় আপনার ছেলেকে দেখলাম। যাইহোক পুরো অনুষ্ঠান নিয়ে বেশ গুছিয়ে লিখার চেষ্টা করেছেন। অনেক ধন্যবাদ আপু ছোট বোনের বিয়ের পুরো বিষয়টি উপস্থাপন করার জন্য।
সুন্দর মতামত তুলে ধরার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।
আপনার ছোট চাচার ছোট মেয়ের অর্থাৎ আপনার চাচাতো বোনের বিবাহের মুহূর্তটি বেশ সুন্দরভাবে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। অনেক ভালো লাগলো আপনার লেখাগুলো পড়ে। আর বিবাহের সমস্ত কার্যক্রম শেষে কন্যাকে বিদায় দেওয়ার সময় নিঃসন্দেহে কন্যা পক্ষের সকলের চোখেই জল আসে--- আর এটাই স্বাভাবিক. দারুন একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন।
সুন্দর মন্তব্য শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।