"শিশুদের শারিরীক এবং মানসিক বিকাশে অভিভাবকের সচেতনতা"
আমার পোস্টে আপনাকে স্বাগতম। |
|---|
পরিচিত : আমি শাহারিয়ার রানা। আমি বাংলাদেশী।
তারিখ :18/08/2023
আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠকগন। আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। আমি এই শিশু বিষায়ক পোস্ট টি করার পূর্বে আমার মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে সরণ করছি।
আপনার কাছে আমার সবিনয় আবেদন যদি আমার পোস্টি ভালো লাগে বা পোস্ট পড়ে উপকৃত হন তাহলে নিশ্চয়ই পোস্টটির রি-স্টিম করে অন্যদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দিবেন।
আমরা যারা অভিভাবক আছি। একটু খেয়াল করলে লক্ষ্য করবেন আমরা যেভাবে আমাদের শিশুরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করছে এই বিষয়ে অভিভাবকদের এই সকল বিষয়ে সাধারণ সচেতনতা অবলম্বন করা প্রয়োজন ।
আমাদের যাদের উড়তি বয়সী বাচ্চাকাচ্চারা আছে তাদের যেসকল ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য অভ্যাস এবং যে স্বাস্থ্যকর লাইফ স্টাইল এর ঝুকে যাচ্ছে। যার ফলে তারা যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই আমি আজ শিশুদের শারিরীক এবং মানসিক বিষয় নিয়ে আমাদের অভিভাবক দের কি করনীয় এই নিয়ে আজকের পোস্ট করতে চলেছি।
শিশুরা সাধারণত প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হয় ছয় বছর বয়সে। তাদের প্রাক প্রাথমিক একটি প্রজেক্টর রয়েছে সরকারিভাবে পাঁচ বছর বয়স থেকে সেখানে ভর্তি করানো হয়। সেখানে তাদের কি পড়ানো হবে এটি নির্ধারণ করা রয়েছে সরকারিভাবে।
কিন্তু তাদের হেলথের বিষয়ে সঠিক কোন কারিকুলাম চালু হয় নি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি শিশুদের তিন বছর বয়স থেকে শুরু হওয়া উচিৎ।
এই সময় থেকে তাদেরকে সঠিক টেক কেয়ারের মাধ্যমে ফিজিকালি এবং মেন্টালি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী বানানো সম্ভব। এবং মেন্টালি এবং ফিজিক্যালি যদি প্রস্তুত না থাকে তাহলে একটি শিশু আগামীর জন্য প্রস্তুত হবে না।
শিশুদের শারীরিক বিকাশ : শিশুদের শারীরিক বিকাশের জন্য তাদের পর্যন্ত খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমানে অভিভাবকরা তাদের শিশুদেরকে মোবাইল ডিভাইস এবং বিভিন্ন ভিডিও গেমসের মধ্যে তাদের শিশুদেরকে আবদ্ধ করে ফেলছে। যার ফলে তাদের ফিজিক্যালি অ্যাক্টিভিটিস গুলো হচ্ছে না। এটি একেবারেই ঠিক নয়।
বাচ্চাদেরকে অফলাইনে খেলার মাঠে কিংবা বাসার উঠানে খেলাধুলা ব্যবস্থা করাতে হবে। যাতে তাদের শারীরিক এক্টিভিটিস গুলো ভালো ভাবে হয়। এই দিকে আমারা যারা অভিভাবক আছি তাদের কে বিষের ভাবে খেয়াল রাখতে হবে যে কোন ভাবেই যেনো শুশুরা মোবাইল, লেপটপ বা অন্য কোন ভিডিও গেমস আসক্ত না হয়ে পড়ে।
শিশুদের মানসিক বিকাশ : শারিরীক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি শিশুদের মানসিক সাস্থেরো বিকাশ ঘটে। অনেক সময় দেখা যাই কিছু শিশু শারিরীক ভাবে সুস্থ হলেও মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই একটি শুশুর মানসিক বিকাশ ঘটাতে বিশেষ নজর রাখতে হবে। যেমন তার নিজের জামা-কাপড় তার নিজেকে পরতে বলতে হবে। তার নিজের খাওয়া তাকে নিজের হাতে খেতে বুলতে হবে। ছোট থেকে তাকে সাবলীল করে তুলতে হবে।
আমারা অভিভাবকরা অধিক অংশ সময় আমাদের নিজের ইচ্ছা কে আমাদের সন্তানদের উপর চাপিয়ে দিই। এটি একেবারে ঠিক না তাদের ইচ্ছা, পছন্দ, অপছন্দের গুরুত্ব দিতে হবে। তাহলে তার মানসিক ভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবে।মনে রাখবেন আজকের শিশুরাই আগামীদিনের ভবিষ্যৎ । তারাই আগামীতে এই বিশ্ব পরিচালনা করবে। তাই শিশুদের শারিরীক এবং মানসিক ভাবে বেড়ে তুলতে আমাদের অর্থাৎ অভিভাবক দের সচেতনতা থাকতে হবে।
সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন নিজের বাচ্চার যত্ন নিবেন। আজকের পোস্ট টি এখানে শেষ করছি।
This is a manual curation from the @tipu Curation Project.
Also your post was promoted on Twitter by the account josluds
@tipu curate
Upvoted 👌 (Mana: 0/8) Get profit votes with @tipU :)
আসলে একটা শিশুর মানসিক বিকাশ বুদ্ধির বিকাশ এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই অভিভাবক সচেতন হতে হবে। কারণ আমরা যখন একটা শিশুকে একটু একটু করে লালন পালন করে বড় করি। তখন তারা যখন বাহিরের পরিবেশে একটু বেড়াতে যায়। তখন কিন্তু বাহিরের পরিবেশে নানা ধরনের মানুষের সাথে তাদেরকে মিশতে হয়।
সেখানে কেউ ভালো মানুষ থাকে,,, কেউ খারাপ মানুষ থাকে। পড়াশোনা করতে গেলে সবাই তাদের ভালো বন্ধু হয় না। কেউ খারাপ বন্ধু থাকে। সেক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত একটু সচেতন হওয়া। তাহলে হয়তো বা আমরা আমাদের শিশুদেরকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারব।
আমাদের নিজেদের পছন্দ তাদের উপর কখনোই চাপিয়ে দেয়া উচিত নয়। কারণ তাদের পছন্দ আছে তারা নিজেদের পছন্দকে আমাদের সাথে যখন প্রকাশ করে। অবশ্যই তাদের পছন্দের গুরুত্ব দেয়া উচিত। এতে করে তারা অনেক বেশি উৎসাহিত হয়।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে,,, এত সুন্দর একটা টপিক নিয়ে আমাদের সাথে আলোচনা করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ভালো থাকবেন।
আমি অনেক খুশি হয়েছি যে আপনি আমার পোস্টি গুরুত্ব সহকারে অধ্যয়ন করেছেন। আপনার এই সুন্দর মন্তব্য আমাকে পোস্ট করতে অনুপ্রেরিত করে।
TEAM 1
Congratulations! This post has been upvoted through steemcurator04. We support quality posts, and good comments anywhere with any tags.একটি শিশুর মানসিক বিকাশ ও বুদ্ধির বিকাশের জন্য তার পরিবারকে একটু সতর্ক হতে হবে।
ছোট থেকেই একটি শিশুকে যখন সঠিকভাবে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয় তখন সেই শিশুটি বড় হয়ে পথভ্রষ্ট না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
একজন শিশু যখন বড় হয়ে যায় তখন তাকে তো আর ঘরে বেঁধে রাখা যায় না তাকে পড়াশোনা করার জন্য বাইরে যেতে হবে চাকরি করার জন্য বাইরে যেতে হবে আর বাইরে গেলেই নানান ধর্মের নানার বর্ণের নানা জাতের নানা পেশার মানুষের সাথে মিশতে হবে। আর সব মানুষ তো একরকম হবে না কেউ ভালো হবে কেউবা খারাপ হবে। এক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যেক অভিভাবকের উচিত একটু সচেতন হওয়া। এতে হয়তোবা তাদেরকে আমরা একটি সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারব।
শিশুদের পছন্দর গুরুত্ব দিতে হবে কখনোই তাদের কাঁদে নিজেদের পছন্দ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না কারণ তাদের নিজস্ব কিছু মতামত থাকতে পারে।
আপনি কি অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্য আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা করছি।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার পোস্টটি পড়ে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য। আমাদের সকলের উচিত আমাদের শিশুদের ইচ্ছা অনিচ্ছার কে গুরুত্ব দেওয়া। কখনোই অভিভাবকদের ইচ্ছা অনিচ্ছা শিশুদের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। এতে শিশুদের মানসিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। আপনার এই সুন্দর মন্তব্যের জন্য আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ।