ফটোগ্রাফিঃ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্যের ।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি ভালো আছেন। প্রত্যাশা করি সব সময় যেনো ভালো থাকেন। আজ ১৩ই বৈশাখ গ্রীষ্মকাল,১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৬শে এপ্রিল ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ ।বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগের নিয়মিত ব্লগিংয়ে আজ হাজির হয়েছি নতুন আর একটি ব্লগ নিয়ে। প্রতি সপ্তাহে একটি করে ফটোগ্রাফি পোস্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেস্টা করি। তারই ধারাবাহিকতায় আজ একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজ আমি প্রাকৃতিক দৃশ্যের বিভিন্ন ফটোগ্রাফি শেয়ার করব। যা আমি রমনা পার্ক এর ঘুরতে গিয়ে ক্যাপচার করেছিলাম।সব সময় একই ধরনের ফটোগ্রাফি শেয়ার না করে ভিন্ন ভিন্ন ফটোগ্রাফি শেয়ার করার চেস্টা করি। আশাকরি আজকের ফটোগ্রাফিগুলো আপনাদের ভালো লাগবে।
প্রথম ফটোগ্রাফি
কিছুদিন আগে কিছুক্ষনের জন্য রমনা পার্ক ঘুরতে গিয়েছিলাম। সেই ব্লগ আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম।৬৮.৫ একরের জায়গা নিয়ে রমনা পার্ক। যেখানে রয়েছে বেশ সুন্দর একটা লেক। বেশ সুন্দর দেখতে। এই লেক এর কারনেই রমনা পার্কের বাতাস বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়। লেকে নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়ানো যায় টাকার বিনিময়ে। দেখতে পেলাম অনেকেই নৌকায় চড়ে ঘুরে বাড়াচ্ছে। সময় না থাকায় আমার চড়া হয়নি নৌকায়।এই ফটোগ্রাফিটি সেই লেকেরই।
দ্বিতীয় ফটোগ্রাফি
রমনা পার্কেটি গাছ দিয়ে ভর্তি। অনেক ধরনের গাছ রয়েছে রমনা পার্কটিতে। আর লেকের চার পাশেও রয়েছে অনেক গাছ। এই তাল গাছটির সেই লেকের পাড়েই লাগানো হয়েছে। দেখতে বেশ সুন্দর লাগছিলো তাল গাছটি। তাইতো ফটোগ্রাফিটি করেছিলাম। আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
তৃতীয় ফটোগ্রাফি
লেকের পাড় ঘেষে লাগানো আর একটি গাছ হলো এই নারিকেল গাছ। মনে হচ্ছে লেকের ভিতরেই পরে যাচ্ছে গাছটি। আর আমি দেখেছি লেকের পাড়ে নারিকেল ও খেজুর গাছ লাগানো বেশি হয় । কেনো যে লাগায় তা অবশ্য জানা নেই। মনে হয় সৌন্দর্য্যের জন্য। বেশ সুন্দর লাগছিলো গাছটি সেই সাথে দৃশ্যটি। তাইতো ফটোগ্রাফি করে নিলাম গাছটির।
চতুর্থ ফটোগ্রাফি
প্রথমে স্থাপনাটি দেখে বুঝতে পারিনি। কিসের জন্য তৈরি করা হয়েছে। পরে জিজ্ঞাস করে জানতে পারলাম এটি হলো পানি ট্যাংক । এখান থেকেই সম্পূর্ণ পার্কটিতে পানি সাপ্লাই দেয়া হয়। ফুলের কুড়ির আদলে তৈরি করা হয়েছে ট্যাংকটি।আইডিয়াটি দারুন। তাই না?
পঞ্চম ফটোগ্রাফি
পার্ক এর ভিতরে পাকা রাস্তা রয়েছে হাঁটার জন্য। সকাল বিকাল বিভিন্ন পেশাজীবির মানুষ এখানে হাঁটতে আসে। সেই সাথে এখানে বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন রাইডের ব্যবস্থাও আছে ফ্রিতে। তাই বিকাল বেলা পার্কটি মুখরিত থাকে বাচ্চাদের কলতানে।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ২৬শে এপ্রিল ,২০২৫ ইং |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্রগ্রাম শহরে। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
https://x.com/selina_akh/status/1916158427245773162
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/selina_akh/status/1916162767448641973
https://x.com/selina_akh/status/1915813142350991566
আপনার ছবিগুলো খুব সুন্দর হয়েছে। রমনা পার্কের লেক আর গাছের ছবি দেখে মন ভালো লাগলো। আপনি খুব ভালো ফটোগ্রাফি করেন। পোস্ট পড়ে খুব ভালো লাগলো। আরও এমন সুন্দর ছবি আমাদের সাথে ভাগ করে নিন। আপনাকে ধন্যবাদ।
এমন সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখলে মনটা খুব ভালো হয়ে যায়। আপনি অনেক সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগছে আপনার পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো ধন্যবাদ আমাদের মাঝে এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আপু আপনি দেখছি রমনা পার্কে ঘুরতে গিয়ে চমৎকার প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করেছেন। তবে আপনার বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি দেখে বেশ ভালো লাগলো। আর এসব জায়গাতে ঘুরতে গেলে মন ভাল হয়ে যায় সুন্দর সময় অতিবাহিত করা যায়। ধন্যবাদ চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি আমার বরাবরই বেশ ভালো লাগে। বেশ দারুণ লাগল আপনার ফটোগ্রাফি গুলো আপু। রমনা পার্ক এবং অন্য ফটোগ্রাফি গুলো বেশ দারুণ করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।।