জেনারেল রাইটিংঃহাসি।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই? আশাকরি ভালো আছেন। প্রত্যাশা করি সবসময় যেনো ভালো থাকেন। আজ ১৩ই ফাল্গুন, বসন্তকাল, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ২৬ শে ফেব্রুয়ারি,২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ। আজ একটি জেনারেল রাইটিং শেয়ার করবো আপনাদের সাথে।
আমার বাংলা ব্লগের নিয়মিত ব্লগিংয়ে আজ হাজির হয়েছি একটি জেনারেল রাইটিং নিয়ে। প্রতি সপ্তাহে চেষ্টা করি একটি জেনারেল রাইটিং আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। তারেই অংশ হিসেবে আজকের প্রচেষ্টা।শিরোনাম দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন বন্ধুরা,আমার আজকের জেনারেল রাইটিং এর বিষয়! হ্যাঁ ঠিকেই ধরেছেন আজকের জেনারেল রাইটিং এর বিষয় "হাসি'।
বাংলাদেশের বিখ্যাত ছড়াকার রোকনুজ্জান দাদা ভাইয়ের একটি বিখ্যাত ছড়া আছে হাসি নিয়ে। কমবেশি সবার পড়া আছে ছড়াটি।
"হাসতে নাকি জানে না কেউ
কে বলেছে ভাই,
এই শোন না কত হাসির
খবর বলে যাই।'
বিভিন্ন হাসির সেই খবর তিনি দিয়েছেন সেই ছড়াতে। কবি সাহিত্যিকরা গবেষক নয়। কিন্তু গবেষকরা গবেষণা করে ১৯ ধরনের হাসির কথা আমাদের জানিয়েছেন। কিন্তু সে সম্পর্কে আজ বিস্তারিত নয়।এই বিষয়ে আরেকদিন বিস্তারিত তুলে ধরবো।আজ শুধু কেন আমরা হাসবো বা হাসার উপকারি নিয়ে আলোচনা করবো।
ছেলেটি বা মেয়েটি কত সুন্দর সারাক্ষণ হাসিখুশি থাকেন। তারমানে হাসিখুশি মানুষকে সুন্দর করে তুলে। হাসি মুখের জয় সবখানে। গোমরামুখোদের মানুষ তেমন পছন্দ করেন না! অনেক মানুষ আছেন শুধু মিষ্টি হাসি দিয়ে কাজ হাসিল করে নেন। আবার প্রবাদ আছে, দুষ্টু লোকের মিষ্টি হাসি! সেই দুষ্টু লোকের হাসিতে না ভুললেই হয়। কমব্যস্ত এই জীবনে মানুষ এত ব্যস্ত থাকে যে, নিজের মনের যত্ন নেওয়ার কথাই ভুলে যায়। অবসন্ন-বিষাদগ্রস্ত-টায়ার্ড ফিল করে। এর থেকে উত্তরনের বড় টনিক হতে পারে হাসি। যারা হাসিতে অভ্যস্ত তাদের দেখে টায়ার্ড-অবসন্ন ও বিষাদগ্রস্ত মনে হয়না।হাসিখুশি মানুষকে সুস্থ-সবল করে তোলে। হাসুখুশি মানুষরা প্রফুল্ল চিত্তের হয়ে থাকে।
সুস্থ ও সবল ভাবে বাঁচতে হাসির বিকল্প নেই। সারা বিশ্বেই শুধু হাসির জন্য কত শত লাফিং ক্লাব গড়ে উঠেছে তার হিসেব নেই। ঢাকা শহরেই রমনা পার্ক সহ বিভিন্ন জায়গায় লাফিং ক্লাব গড়ে উঠেছে। ভোরে বা সন্ধ্যায় দেখবেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ দলবেধে হো হো হা হা করে হাসাহাসি করছে। হাসি মানুষের স্ট্রেচ কমায়, হার্ট সবল রাখে,ফুসফুস সুস্থ রাখে সর্বপরি মনকে রাখে সতেজ! যেসব মানুষ প্রাণ খুলে হাসতে পারে, তাদের গড় আয়ুও বেশি। তাই অত শত চিন্তা না করে, গোমরামুখী হয়ে না থেকে বেশি করে হাসুন ও বেশি দিন বাঁচুন।
ছড়াকার রোকনুজ্জামান খান দাদা ভাই শাপলা, চাঁদ, পাতিহাঁস সহ নানাজনের নানা হাসির খবর দিয়েছেন। আর দিয়েছেন খোকনের শুধু ফোকলা দাঁতের হাসির খবর।এছাড়া অট্ট হাসি, মুচিকি হাসি সহ কত হাসি আছে।তাই বেশি করে হাসুন, মনের আনন্দে বাঁচুন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | জেনারেল রাইটিং |
|---|---|
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ইং |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্টগ্রাম শহরে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
Daily task
Keep child smile
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/selina_akh/status/1894813331078422656
হাসির উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা দারুণভাবে তুলে ধরেছেন আপু। ব্যস্ত জীবনে হাসি সত্যিই এক মহৌষধ। লেখাটি পড়ে ভালো লাগলো, বিশেষ করে রোকনুজ্জামান দাদা ভাইয়ের ছড়া মন ছুঁয়ে গেল। ধন্যবাদ সুন্দর একটি লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।
আমরা আজকাল হাসতে ভুলে গেছি। কেবল ছুটছি।
হাসি যে শুধু আনন্দের প্রকাশ নয়, বরং সুস্থ ও সুন্দর জীবনের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা দারুণভাবে তুলে ধরেছেন! সত্যিই, ব্যস্ততার চাপে আমরা অনেক সময় হাসতে ভুলে যাই, অথচ এটি মানসিক প্রশান্তি ও শারীরিক সুস্থতার জন্য কতটা দরকারি! লাফিং ক্লাবের কথা শুনে ভালো লাগলো, সত্যিই হাসির শক্তি অসীম! এমন চমৎকার একটি লেখা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
যত হাসবেন তত সুস্থ থাকবেন।
মানুষের জীবনে যত দুঃখ কষ্ট যত কিছুই থাকুক না কেন সবকিছু এক নিমেষেই শেষ হয়ে যায় যখন মানুষের মন থেকে একটা হাসি বের হয়৷ আর সেই হাসি কোটি টাকা দিয়েও কেউ কিনে নিতে পারবে না৷ আর আজকে খুব সুন্দর ভাবে আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে অনেক কিছু শেয়ার করেছেন যা পড়ে খুবই ভালো লাগছে৷ অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য৷
হাসলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই সবার হাসা দরকার।